আমার করা ৬টি রেসিপি পোস্ট এর রিভিউ।
আজ - ২১ই মাঘ ১৪২৮ , বঙ্গাব্দ |শুক্রবার | শীতকাল |
আসসালামু-আলাইকুম। আদাব - নমস্কার। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, আশা করি সবাই ভাল আছেন।
আজ আমি আপনাদের সাথে৬টি রেসিপি পোস্ট এর রিভিউ শেয়ার করব।
কেমন আছেন সবাই আশা করি ভালই আছেন। মাসের প্রথম তারিখ থেকে ঠান্ডাটা অনেকটাই কমে গেছে। সকাল থেকে টাটকা রোদ মন ভালো একটা আবহাওয়া। শীতকালে আসলে এমন আবহাওয়াটাই ভালো লাগে। গতরাতে হাংআউট এর পর ঘুমাতে ঘুমাতে অনেকটাই দেরি হয়ে গেছিল। তাই পোস্টের কোন কাজ করে রাখিনি। তাই আজ ভাবলাম রেসিপি পোষ্ট গুলোর রিভিউ করি।
আমি এখানে মোট ছয়টি রেসিপি পোস্টের রিভিউ আপনাদের সাথে শেয়ার করব। এই ছয়টি রেসিপি আমার কাছে খুবই স্পেশাল। আমি চেয়েছি আমার পছন্দের এই ছয়টা রেসিপি পোস্টে একত্রে কঅরে রাখার যাতে আমি খুব সহজ রেসিপি গুলো পেয়ে যেতে পারি।
আমি এখানে মোট ছয়টি রেসিপি পোস্টের রিভিউ আপনাদের সাথে শেয়ার করব। এই ছয়টি রেসিপি আমার কাছে খুবই স্পেশাল। আমি চেয়েছি আমার পছন্দের এই ছয়টা রেসিপি পোস্টে একত্রে কঅরে রাখার যাতে আমি খুব সহজ রেসিপি গুলো পেয়ে যেতে পারি।
ভিন্ন স্বাদে টমেটো বেগুন ভর্তা রেসিপি।
এই বেগুন ভর্তা সাথে টমেটো দাওয়ার ব্যাপারটা সম্পূর্ণ আমার নিজের। অনেক আগে একবার আমার খুব বেগুন ভর্তা খেতে ইচ্ছে করছিল কিন্তু বাসায় খুবই ছোট্ট একটি বেগুন ছিল আর এই বেগুন দিয়ে ভর্তা বানালে একজনের ও হবে না তাই আমি ওই বেগুলের সাথে টমেটো দিয়ে দিয়েছিলাম যাতে ভর্তার পরিমাণ একটু বাড়ে এভাবে ভর্তা বানানোর পর দেখলাম ভর্তাটি এত মজা হয়েছে যা বলার মতো না। তাই এখন থেকে প্রতিবার বেগুন ভর্তা বানানোর সময় আমি টমেটো দিয়।
ছোলা ভাঁজি রেসিপি।
একেকজনের বাড়িতে একেকভাবে ছোলা ভাজি করা হয়। তবে এখানে আমি যে রেসিপিটি দেখিয়েছি সেটি সম্পন্ন ঘরোয়াভাবে তৈরি করা রেসিপি। আমার ছোলা ভাজি খেতে খুবই ভালো লাগে বিশেষ করে সালাদ দিয়ে খেতে। আমি ছোলার সাথে মুড়ি তেমন একটা খাই না। কিন্তু আমাদের বাসায় অনেকেই আবার মুড়ি ছাড়া ছোলা খাইনা।
খুব সহজে রোস্ট রান্নার রেসিপি।
এই রেসিপিটি নিয়ে একটি মজার ঘটনা আছে। আমাদের বাসায় সাধাণরত যেকোনো কিছু রান্নার পর পাতিলে রেখে দেওয়া এরপর যখন সকলে খেতে বসে তখন বাটিতে বেড়ে নেওয়া হয়। এই রান্নার প্রথম থেকে প্রত্যেকটি ধাপের ছবি তুলেছিলাম কিন্তু রান্না শেষে ডেকোরেশন করে আর ছবি তোলা হয়নি। পরে যখন সব খাওয়া শেষ হয়ে গিয়েছে তখন আমার মনে পড়েছে ছবি তোলার কথা।
মজাদার কৈ মাছের রেসিপি।
শিমের বিচি দিয়ে কই মাছ এটি আমার খুবই পছন্দের একটি রেসিপি। যদিও কৈ মাছে অনেক কাটা তবু ছোটবেলা থেকেই এই কৈ মাছ আমার খুব প্রিয়। দেখবেন যে মাছে যতবেশি কাটা থাকে সে মাছ ততো বেশি স্বাদের হয়।
মজাদার চিংড়ি মাছের দোপেয়াজা রেসিপি।
আমার খুবই আফসোস হয় যারা এলার্জির কারণে চিংড়ি মাছ খেতে পারে না। কেননা সব স্বাদের মাছগুলোর মধ্যে চিংড়ি মাছ অন্যতম। আমার চিংড়ি থেকে থেকে চিংড়ির মাথা খেতে খুবই ভালো লাগে।
খোলাজালি বা চিতল পিঠার রেসিপি।
এই পিঠাটি হয়েছে আমাদের গ্রামের ঐতিহ্যবাহী একটি পিঠা। এ পিঠাটি বানানো খুবই সহজ। এবং খেতে ও অসম্ভব মজা। এই পিঠাটি বানানোর জন্য বিশেষ এক ধরনের মাটি পাত্রের প্রয়োজন। যেটাকে আমরা আঞ্চলিক ভাষায় খোলা বলি থাকি।
সকলকে ধন্যবাদ অনুচ্ছেদ টি পড়ার জন্য।
Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
ভাইয়া আপনার রেসিপি পোস্ট এর রিভিউ গুলো দেখে খুবই ভালো লাগলো। আপনার করা প্রতিটি রেসিপি অসাধারণ ছিল। এই মজাদার মজাদার রেসিপিগুলো পুনরায় দেখতে পেয়ে অনেক ভালো লাগছে। ভাইয়া আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি মজাদার এই রেসিপিগুলো আবার আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। ভাইয়া আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এবং শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।
সবগুলো রেসিপি পোস্ট এর রিভিউ সুন্দর হয়েছে। অনেক সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন। যা আমার কাছে খুব চমৎকার লেগেছে।
স্বাদে ভরপুর অতুলনীয়
ছয়টি রেসিপি,
দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম
চিতল পিঠা টি।
চিংড়ি মাছের দোপেয়াজা
জিভে আনল জল
কেকে তোরা খেতে যাবি
আমার সাথে চল।
কৈ মাছ টা দেখে যেন
বাবাকে মনে হল
দুচোখে তাই অশ্রু যেন
করছে ছলছল।
♥♥
একসাথে আপনার রেসিপি পোস্টগুলোর রিভিউ দেখে বেশ ভালই লাগলো। রান্নায় যে আপনি বেশ সিদ্ধহস্ত তা আপনার এই পোস্টটি দেখেই বোঝা যায়। চিতল পিঠা আর টমেটো দিয়ে বেগুন ভর্তা আইটেমটি আমার কাছে ইউনিক মনে হয়েছে। শুভকামনা রইল আপনার জন্য
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
এরকম সুন্দর সুন্দর রেসিপি যদি চোখের সামনে থাকে তাহলে খাওয়ার ইচ্ছা কার না করে। ভাই আপনার প্রতিটি রেসিপি অনেক সুন্দর হয়েছে। আপনার রেসিপি গুলো আমার কাছে খুবই ভালো লাগছে। সত্যিই অসাধারণ হয়েছে ভাইয়া। পুনরায় রেসিপি গুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
ভাইয়া আপনার প্রতিটি রেসিপি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। বিশেষ করে বেগুন ভর্তা এবং চিংড়ি মাছের রেসিপি আমার অনেক প্রিয়। এই রেসিপিগুলো অনেক লোভনীয় লাগছে। আর এগুলো আমি অনেক পছন্দ করি। আরো বেশি ভালো লেগেছে সেটি হল কই মাছ রান্না এটাও কিন্তু খেতে খুবই সুস্বাদ।
খোলাজালি বা চিতল পিঠার রেসিপিটি আমার কাছে ভালো লেগেছে। কেননা এই পিঠাটির নাম এই প্রথম শুনলাম। পিঠাটা দেখেও অনেকটাই ভালো লাগছে। মনে হয় অনেক লোভনীয় একটি রেসিপি ছিলো। যাইহোক আপনার রেসিপি রিভিউ গুলো অনেক মজার ছিলো। শুভকামনা ভাইয়া।
আমি আগে জানতাম চিতল পিঠাটি সবাই চিনে তবে দেখছি এই পিঠাটি আপনার কাছে একদমই নতুন। যাইহোক এই পিঠাটি আসলেই খেতে অনেক মজা।
সব গুলো রেসিপি ভালো ছিল।তবে রোস্ট আর চিংড়ি মাছ এর রেসিপিটি আমার কাছে বেশি ভালো লেগেছে। ছোলা বুট এর কথা আর কি বলবো। বাহিরে দেখলেই আমি কিনে খাই। আমার খুব পছন্দের। সব মিলিয়ে ভালো একটা পোস্ট ছিল ভাই। আর আপনার গ্রামের যে পঠার রেসিপিটি শেয়ার করেছেন দেখেই খেতে ইচ্ছে করবে যে কারো। একদম পাতলা দেখা যাচ্ছে। গ্রামে মাটির ওই পাত্র খোলা বা চিতই পিঠা যে বানায় সেটাও কিন্তু বেশ মজা লাগে।সবগুলো রেসিপি অনেক লোভনীয় ছিল। তবে আমার কাছে খোলাজালি বা চিতই পিঠা বেশি লোভনীয় লেগেছে।