ভিন্ন স্বাদে টমেটো বেগুন ভর্তা রেসিপি।
আজ- ১৯ই, মাঘ | ১৪২৮ , বঙ্গাব্দ | শীতকাল | | বুধবার |
আসসালামু-আলাইকুম। আদাব - নমস্কার। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, আশা করি সবাই ভাল আছেন।
আজ আমি আপনাদের সাথে ভিন্ন স্বাদে টমেটো বেগুন ভর্তা রেসিপি শেয়ার করব।
আমরা সাধারণত বেগুন ভর্তা কিংবা টমেটো ভর্তার সাথে পরিচিত কিন্তু বেগুন এবং টমেটো কি কখনো একসাথে ভর্তা বানিয়ে খেয়েছেন? আমি সব সময় বেগুন এবং টমেটো ভর্তা একসাথে বানিয়ে খায়। বেগুন এবং টমেটো একসাথে বানালে অন্যরকম একটা টেস্ট লাগে খেতে। এখানে বেগুন ভর্তা ও টমেটো ভর্তা দুইটিরই স্বাদ পাওয়া যায়। আর এই ভর্তা তে টমেটোর তুলনায় বেগুনের পরিমাণ বেশি থাকতে খেতে ভালো লাগবে। গরম গরম ভাত দিয়ে এই ভর্তা খেতে অনেক মজা লাগে। আপনারা যদি কেউ আমার মত টমেটো এবং বেগুন একসাথে মত বানিয়ে খান তাহলে সেটা অবশ্যই জানাবেন। আর কারো কাছে রেসিপিটা নতুন হয়ে থাকলে সেটা জানাবে।











তো চলুন আপনাদের সাথে আমরা এর ইউনিক ভর্তার রেসিপিটি শেয়ার করি-
প্রয়োজনীয় উপকরণঃ
- পেঁয়াজ কুচি।
- বেগুন।
- লবণ।
- সরিষার তেল।
- টমেটো ।
- কাঁচা মরিচ ।
- ধনিয়া পাতা ।
প্রস্তুত প্রণালীঃ
ধাপ-১ঃ
- প্রথমে বড় সাইজের একটি বেগুন ভালোভাবে ধুয়ে নেব।
ধাপ-২ঃ
- এরপর বেগুনটিকে কেটে তিন ভাগ করে নেব।
ধাপ-৩ঃ
- এরপর কেটে নেওয়া বেগুনে হালকা তেল দিয়ে তাওয়াতে বসিয়ে দেবো সাথে টমেটো কাঁচা মরিচ দিয়ে দিব।
ধাপ-৪ঃ
- এরপর তাওয়াট ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিব যাতে বেগুন গুলো সিদ্ধ হয়। বেশ অনেকক্ষণ ঢাকনা দিয়ে ঢাকার পর বেগুন ও টমেটো গুলোকে উল্টিয়ে দিব।
ধাপ-৫ঃ
- বেগুন ও টমেটোগুলো কে ভালোভাবে পুড়িয়ে নিব।
ধাপ-৬ঃ
- দুই পাশ পুড়ানো হয়ে গেলে নামিয়ে নিব।
ধাপ-৭ঃ
- এরপর বেগুন এবং টমেটোর খোসাগুলো ছাড়িয়ে নেব।
ধাপ-৮ঃ
- এরপর কুচি করা পেঁয়াজ, ধনেপাতা, লবণ ও পুড়িয়ে রাখা মরিচ সবকিছু একসাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিব।
ধাপ-৯ঃ
- মিশনে হয়ে গেলে এরমধ্যে সরিষার তেল সহ বেগুন-টমেটো সবকিছু একসাথে আবার ও ভালোভাবে মিশিয়ে নিব।
সকলকে ধন্যবাদ।
Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
টমেটো বেগুন ভর্তা রেসিপি দেখে জিভে জল চলে আসলো ভাইয়া। ভর্তা খেতে আমি খুবই পছন্দ করি। নতুন নতুন ভর্তার রেসিপি অনেক ভালো লাগে আমার। টমেটো দিয়ে বেগুন ভর্তা কখনো খাওয়া হয়নি। আজকে আপনার এই রেসিপি দেখে নতুন রেসিপি শিখলাম। দেখেই বোঝা যাচ্ছে খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছে। অনেক মজাদার একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
ভাই আশা করি ভালো আছেন? টমেটো দিয়ে যেকোনো ধরনের ভর্তা আমার খুব প্রিয়। আপনি টমেটো আর বেগুন দিয়ে খুব সুন্দর ভাবে ভর্তা তৈরি করেছেন। দেখে খেতে খুব ইচ্ছে করতেছে নিশ্চয়ই অনেক মজাদার এবং সুস্বাদু হয়েছে। আপনি ভর্তা তৈরির প্রক্রিয়া খুব সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। এত চমৎকার পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। ভালো থাকবেন ভাইয়া।
ভাইয়া মজার বিষয় হলো আমি বেগুন খাই না,তবে বেগুনের ভর্তা হলে তো খাবোই।তার সাথেএভাবে টমেটো যোগ করে তো আমার মনে হয় স্বাদ বেড়ে গেল। খুব সুস্বাদু হয়েছে মনে হয়।সত্যিই ভাইয়া আজকে কিন্তু এই রেসিপিটি সম্পূর্ণ ভিন্নভাবেই তৈরি করেছেন। এভাবে করতে হবে একদিন।
ভাই ভর্তা দেখলেই তো লোভ লেগে যায়। আর আপনার এই টমেটো এবং বেগুন মিক্স করে যে ভর্তা করেছেন সেটা দেখে তো আরো লোভ লেগে যাচ্ছে এবং দেখতে বেশ লোভনীয় লাগছে। আমার কাছে খুবই ভালো লাগছে বাসায় একদিন অবশ্যই ট্রাই করে দেখব ধন্যবাদ।
একটু ব্যতিক্রম মনে হয়েছে আমার কাছে কারন আপনি টমেটো এবং কাঁচা মরিচ দুইটি উপাদানের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছেন। যদিও আমরা সাধারণত শুকনা মরিচ দেই এবং টমেটো ছাড়াও এই ভর্তা বানাই। আমার মনে হচ্ছে টমেটো দেয়ায় স্বাদটা একটু বেড়ে গেছে। ধন্যবাদ
ভাইয়া যে কোনো ধরনের ভর্তা আমি খুব পছন্দ করি। কিন্তু আপনি বেগুন আর টমেটো একই সাথে ভর্তা করে খেয়েছেন। আমার কাছে একবারে ইউনিক একটা রেসিপি মনে হচ্ছে। কারণ এভাবে কখনো কাউকে খেতে দেখেনি, আর আমি নিজেও কখনো খাইনি। আর দেখেই বোঝা যাচ্ছে ভর্তার উপকরণ এবং প্রক্রিয়া খুবই সুন্দর, আর এর স্বাদের পরিমাণ অনেক বেশি মনে হয়। আর এত সুন্দর একটি ভর্তা রেসিপি আমাদের সাথে ভাগাভাগি করে নেওয়ার জন্য আপনার প্রতি রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং ভালোবাসা অবিরাম।
অনেক সুন্দর একটা রেসিপি ভাইয়া। বেগুন আর টমেটো ভর্তা দিয়ে ভাত খেতে অনেক ভালো লাগে। আর আপনি বেগুন ভর্তা সাথে কুচি কুচি করে পেঁয়াজ কেটে দিয়ে তৈরি করেছেন যা দেখতে আরও বেশি আকর্ষণীয় লাগতেছে। যেন সেখানে ডুবে যায়। ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর একটা রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। আর আপনার জন্য শুভকামনা রইল
ইস টমেটো বেগুন ভর্তা গুলো দেখে আমার আর তর সইছে না। ইচ্ছে করছে এখনই ভর্তা বানিয়ে খেয়ে ফেলি।ভর্তা আমার খুবই পছন্দ। গরম গরম ভাত দিয়ে ভর্তা যাষ্ট ইয়াম্মি হয়। আপনার ভর্তার কালার খুব ভালো লেগেছে । আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এত চমৎকার একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।