টিভি সিরিজ রিভিউ: দ্যা ইমপারফেক্টস-Lest Ye Become a Monster ( পর্ব ৬ )
| হ্যালো বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালো আছেন। সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি। |
|---|
আজকে আপনাদের সাথে 'দ্যা ইমপারফেক্টস' টিভি সিরিজটির ষষ্ঠ পর্ব রিভিউ দেব। এই পর্বের নাম হলো "Lest Ye Become a Monster" .আগের পর্বে লাস্ট দেখেছিলাম যে zoe নামক একটি মেয়েকে সারকোভের হাত থেকে বাঁচায় এবং তাকে ভালো করার জন্য রিকির ল্যাবে নিয়ে আসে কিন্তু রিকিকে কেউ একজন কিডন্যাপ করে নিয়ে যায় বলে ইসাবেল নামক মহিলাটি জানায়। আজকে দেখবো এর পরে কি হয়।
ꕥকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:ꕥ
❂মূল কাহিনী:❂
সারকোভ, টিল্ডা, রুইজ এরা সবাই যখন ল্যাবে ফিরে আসে তখন দেখে যে যাকে ইসাবেল হিসেবে বেঁধে রেখেছিলো আবি আর হান্না সে আসলে রিকি ছিল। কারণ রিকি AGDA নামক একধরণের এক্সপেরিমেন্ট তার নিজের উপর প্রয়োগ করেছিল এবং তার শরীর পুরোপুরি চেঞ্জ হয়ে যায় আর ইসাবেল এর রূপ ধারণ করে আর ওর মতোই ব্যবহার করতে লাগে। তবে সারকোভ এসে বিষয়টা বুঝতে পারে আর তার শরীরে সাইড ইফেক্ট এর মাত্রা বেশি হয়ে যাওয়ার ফলে খুবই খারাপ আচরণ করতে লাগে এবং সারকোভ তখন কিছু একটা একটা ইলেকট্রিক এর মতো যন্ত্র দিয়ে তাকে শক দিলে আবার রিকির রূপে ফিরে আসে। এরপর আবি, টিল্ডা, রুইজ সবাই তাদের সাইড ইফেক্ট নিয়ে আলোচনা করতে লাগে আবার অন্যদিকে রিকি এবং সারকোভও এই সাইড ইফেক্টের কিভাবে চিকিৎসা করা যায় সেটা নিয়ে আলোচনা করতে লাগে। এদিকে যে এজেন্টরা তাদের পিছনে পড়েছিল তারা খুঁজতে খুঁজতে আবার রিকির ল্যাবের দিকে চলে আসে। আর রুইজ এবং টিল্ডার দিকে টার্গেটও করে আর গুলিও চালায় কিন্তু টিল্ডা ইনস্ট্যান্ট সেটা দেখে ফেলে আর রুইজকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে বাঁচিয়ে নেয়। বাকিরাও সেখানে চলে আসে আর তাদের উপর গুলি চালাতে লাগে। তাদের ল্যাবটাও তারা চারিদিক থেকে ঘিরে নিয়েছে এখন, সেখান থেকে সারকোভ আর রিকিকেও বের করার চিন্তাভাবনা তারা করতে লাগে।
ল্যাব চারিদিক থেকে বন্দুকের নিশানায় ঘিরে ফেলার পরে একজন ডোমিনি নামক এজেন্ট তাদের বাইরের থেকে সবার নাম ধরে ডাকে আর কথা বলতে চায়। তাদের সবাইকে ১৫ মিনিটের মতো সময় দেয় সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য বা স্যালেন্ডার করার জন্য। আর এই বিষয়টা রিকিকে গিয়ে জানায়। কিন্তু রিকি এই মুহূর্তে সেখান থেকে যেতে চায় না, কারণ সে নিজের উপর আরো একটা এক্সট্রা মাইটোকন্ড্রিয়াল ডিএনএ এর এক্সপেরিমেন্ট করতে চায়। আর এইজন্য আবিকে বলে যে আরো কিছুক্ষন তাদের বিভিন্ন কথার মাধ্যমে ব্যস্ত রাখার। এদিকে হান্না সেখান থেকে বেরিয়ে চলে যাওয়ার জন্য তাদের হাঁক দিয়ে দিয়ে বলতে লাগে যে সে তাদের মতো না তাই তাকে যেন যেতে দেওয়া হয়। কিন্তু তারা বাইরে তাদের উপর নিশানা করে রেখেছে আর বাইরে বেরোলেই গুলি চালিয়ে দেবে। হান্না দরজা খুলে বাইরে যেতেই বাকিরাও তাকে আটকানোর জন্য বাইরে বেরিয়ে যায় আর তাদের উপর গুলি চালিয়ে দেয় কিন্তু গুলিটা হান্নার কাঁধে লেগে যায়। এরপর তার রক্তক্ষরণ আটকানোর জন্য ফার্স্টএইড বক্স এনে রক্ত বন্ধ করার চেষ্টা করে। আর রুইজ যে নকল এজেন্ট এর মুখে কামড় বসিয়েছিলো সেই জায়গায় বসে সবকিছু কন্ট্রোল করছে আর এই গুলিটাও তার দেওয়া নির্দেশে চালায়।
তবে ডোমিনি নামক এই এজেন্ট এর উদ্দেশ্য তাদের মারা না, কারণ ওই তিনজনকে জীবিত রাখতে চায় তাদের কোনো একটা উদ্দেশ্যে। আর এদিকে সারকোভের সাহায্যে রিকি তার শরীরে মাক্রোকন্ড্রিয়াল ডিএনএ এর এক্সপেরিমেন্ট করে আর সাথে সাথে আবার ইসাবেল মহিলার রূপে চলে আসে। তবে ইসাবেল এর রূপে যখন চলে আসে তখন পুরোপুরিভাবে ও ইসাবেলই হয়ে যায়। কিন্তু দুইজন আলাদা আলাদা ব্যক্তি হলেও তাদের ডিএনএ একরকম পাওয়া যায় আবার তাদের আচরণ আলাদা আলাদা পায়। এক্সপেরিমেন্ট এর সময় তার হাতের থেকে ৫ টি টিস্যু স্যাম্পেল নিয়ে থাকে কিন্তু রিকির রূপে ফিরে আসার পরে আবার তার হাতে সেই দাগগুলো মুছে যায় যা টিস্যু সংগ্রহ করার সময় ক্ষত হয়েছিল। এদিকে হান্নার গুলি বের করে সেখানে ব্যান্ডেজ করে দিলেও তার অবস্থা খুবই খারাপের পর্যায়ে চলে যায়। কোনো রেস্পন্স করতে না লাগলে আবি রিকির কাছে যায় আর doug নামক লোকটির ক্ষেত্রে যে স্টেম টিস্যু ব্যবহার করেছিল সেটা নিয়ে এসে তার শরীরে প্রয়োগ করে। এদিকে হঠাৎ করে বাইরে থাকা সব নকল এজেন্ট তাদের রুমে ঢুকে হামলা শুরু করে দেয় তাদের উপরে কিন্তু তাদের যার যার সাইড ইফেক্ট এর জোরে তাদের হাত থেকে বেঁচে যায়।
যে স্টেম টিস্যু হান্নার শরীরে প্রবেশ করিয়েছিলো তাতে তাদের মনে হয়েছিল হান্নার শরীরে এই টিস্যু কাজ করছে না, অর্থাৎ তার বডি সম্পূর্ণ রেস্পন্স করা বন্ধ করে দিয়েছিলো। এরপর তারা তিনজন তাদের সাইড ইফেক্টকে তাদের প্রধান অস্ত্র তৈরি করে বাইরে বেরিয়ে পড়ে সবাইকে ধ্বংস করার জন্য। আবি ফেরোমোন দিয়ে বাইরের বাকিদের নিজেদের মধ্যে মারামারি লাগিয়ে দেয় আর রুইজ নেকড়ের রূপ নিয়ে কয়েকজনের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তবে নেকড়ের রূপ নিলেও তাকে জালে আটকিয়ে ফেলে কিন্তু টিল্ডা সেখানে গিয়ে তাকে বাঁচিয়ে ফেলে। এরপর আবি সরাসরি জিম স্পনসনকে ডেকে বাইরে আনে এবং তাদেরকেই এই তিনজন ঘিরে ফেলে। তবে সেখানে রিকি এসে নিজেকে সারেন্ডার করিয়ে দেয়, কারণ তাকেই চায় তারা তাই সে যতক্ষণ তাদের হেফাজতে না যাবে ততক্ষন তাদের পিছু ছাড়বে না এরা। তাই রিকিকে তারা ধরে নিয়ে চলে যায়। আর এদের তিনজনকে ছেড়ে দেয়।
❂ব্যক্তিগত মতামত:❂
যাদেরকে এক্সপেরিমেন্ট করে এই অবস্থায় রেখে দিয়েছে তাদের সাইড ইফেক্টকে তারা দুর্বল পয়েন্ট হিসেবে মনে করতো, যাতে তারা কোনো কিছুই করতে পারবে না। কিন্তু তাদের এই সাইড ইফেক্ট এতটাই বিপদজনক সেটা কারো ধারণা ছিল না, আর এখন তাদের সাইড ইফেক্ট ধীরে ধীরে এতটাই শক্তিশালী হয়ে যাচ্ছে যে আগের থেকেও বিপদজনক হয়ে উঠছে। আর এইটা রিকি দেখে সারকোভকে দ্রুত ঠিক করতে বলেন কারণ আরো যত দেরি করবে ততো বিপদের সম্মুখীন হবে। সারকোভও তার কোথায় রাজি হয়ে যায় আর তাকে ওষুধ বানাতে বললে বানিয়ে দেবে বলে। টিল্ডার সাইড ইফেক্ট এখন এতটাই শক্তিশালী হয়েছে যে যে কারো কথা সে শুনে নিতে পারে সে যত দূরের থেকে কথা বলুক না কেন। তাই সে কোনো কিছু ঘটার আগে থেকেই বিষয়গুলো বুঝে উঠতে পারে সহজেই । আর এই জন্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রে টিল্ডার জন্য অনেক বিপদের হাত থেকে রক্ষাও পেয়েছে।
❂ব্যক্তিগত রেটিং:❂
৮.৫/১০
❂ট্রেইলার লিঙ্ক:❂



Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
দাদা আপনার শেয়ার করা টিভি সিরিজের এবারের পর্বটি অনেক ভালো লেগেছে। গত পর্বে আমরা দেখেছিলাম zoe নামক মেয়েটিকে সারকোভের হাত থেকে বাঁচায় এবং তাকে ভালো করার জন্য রিকির ল্যাবে নিয়ে আসে। কিন্তু অন্য দিকে রিকিকেই কিডন্যাপ করা হয়েছে। ইসাবেল ভেবে যাকে বেঁধে রেখেছিলো আবি আর হান্না সেই রিকি ছিল এটা জানতে পারলাম। রিকি AGDA নামক একধরণের এক্সপেরিমেন্ট নিজের উপর প্রয়োগ করার ফলে তার এই পরিবর্তন হয়েছে। অন্যদিকে ইলেকট্রিক শখের মাধ্যমে তাদের স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আসলে সাইড ইফেক্ট এর কারণেই হয়তো সমস্যাগুলো ভয়ঙ্কর হচ্ছে। তবে রিকি ও সারকোভ ঔষধ বানাতে পারবে বলে মনে হচ্ছে। দেখা যাক পরবর্তী পর্বে সাইড ইফেক্ট এর প্রতিকার করা যায় কিনা। না হলে সময়ের সাথে সাথে সাইড ইফেক্ট এর শক্তি অনেক বেড়ে যাবে এবং তারা অনেক শক্তিশালী হয়ে যাবে। তখন দমন করা ভীষণ মুশকিল হয়ে যাবে। দাদা আপনার শেয়ার করা টিভি সিরিজের এবারের পর্বটি দারুন লেগেছে। পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
এখানে যাদেরকে এক্সপেরিমেন্ট করে এই অবস্থায় রেখে দিয়েছে তাদের সাইড ইফেক্টকে তারা দুর্বল পয়েন্ট হিসেবে মনে করতো, যাতে তারা কোনো কিছুই করতে পারবে না। কিন্তু তাদের এই সাইড ইফেক্ট এতটাই বিপদজনক সেটা কারো ধারণা ছিল না, আর এখন তাদের সাইড ইফেক্ট ধীরে ধীরে এতটাই শক্তিশালী হয়ে যাচ্ছে যে আগের থেকেও বিপদজনক হয়ে উঠছে। আর এইটা রিকি দেখে সারকোভকে দ্রুত ঠিক করতে বলেন কারণ আরো যত দেরি করবে ততো বিপদের সম্মুখীন হবে। ধন্যবাদ দাদা।
দাদা অনেক সুন্দর একটি ওয়েব সিরিজের রিভিউ করেছেন আপনি। এ ধরনের ওয়েব সিরিজ গুলোর রিভিউ পড়তে আমার খুবই ভালো লাগে। দাদা আপনার আজকের এই ওয়েব সিরিজ রিভিউতে রিকির ভূমিকাটি আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। দারুন একটু ওয়েব সিরিজের রিভিউ শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
এই পর্বটা দেখছি আরো বেশি আকর্ষণীয় হয়েছে। যত পড়ছি তত বেশি রহস্যজনক হয়ে উঠেছে। এখানে তো দেখছি ডাক্তার রিকি নিজের উপরেই AGDA নামক একধরণের এক্সপেরিমেন্ট করেছেন । আর এই জন্য ইসাবেল এর রূপ ধারণ করে। তবে সার্কোভ রিকি কে নিজের আর রূপে ফিরিয়ে আনে। অন্যদিকে দেখছি যারা ওই তিনজনকে নজরে রেখেছে তারা মূলত কোন একটা উদ্দেশ্যে তাদেরকে নজরে রেখেছে। ওদের সাইড ইফেক্ট গুলো দিন দিন বেড়েই চলেছে। আর কিভাবে এর সমাধান বের করা যায় এই জন্য সার্কোভ এবং রিকি ভাবতে শুরু করল। আবার দেখছি এজেন্ট তাদের রুমে হামলা করে। আর এতে রুইজ নেকড়ের উপর নেওয়ার পরেও কোন লাভ হলো না। আর ওরা নেকড়ে থেকে জালে আটকে ফেলে। কিন্তু যেহেতু ওরা রিকির জন্য আসে তাই ও তাদের সামনে সারেন্ডার করে। আর এই জন্য ওই তিনজনকে ছেড়ে দিয়ে রিকিকে নিয়ে চলে গেল। পরের পর্ব নিশ্চয়ই আরো আকর্ষণীয় হবে। এই পর্বটা দেখেও ভীষণ ভালো লেগেছে। পরের পর্ব দেখার অপেক্ষায় রইলাম।
দ্যা ইমপারফেক্টস- টিভি সিরিজের Lest Ye Become a Monster এই পর্বটি পড়ে অনেক ভালো লেগেছে। আসলে এই গল্প থেকে নতুন নতুন বিষয়গুলো জানতে পারছি। তবে এই পর্বে দেখছি ডাক্তার রিকি নিজের উপরেই এক্সপেরিমেন্ট করে বসেছে। আর এই জন্য একদম ইসাবেলে পরিণত হয়েছে। যেন একদম দুইটা আলাদা প্রাণী। কিন্তু সার্কোভ একটা শকের মতো দিয়ে তাকে নিজের রূপে ফিরিয়ে আনলো। দেখছি দিন দিন এই সাইড এফেক্ট বেড়ে চলেছে। আর সবকিছু কিরকম ভয়ংকর হয়ে উঠছে। এইজন্য ডাক্তার দুইজন মিলে এর সাইড এফেক্ট এর চিকিৎসা করার কথা ভাবতে থাকে। তবে মনে হচ্ছে এটা খুব সহজে পারবে না। অন্যদিকে আবার এজেন্টরা ওদের তিনজনের পেছনে পড়ে আছে। এমনকি ওরা তো ওদের সবাইকে ধরে ফেলেছে। এমনকি রুইজ নেকড়ে রূপ নেওয়ার পরেও কিছুই করতে পারল না। সবকিছু যেন দিন দিন আরও বেশি অন্যরকম হয়ে যাচ্ছে। যেহেতু এজেন্টরা ডাক্তার রিকিকে চায় এই জন্য সে তাদের কাছে ধরা দেয়। আর তার ফলে অন্তত ওই তিনজনকে ছেড়ে দেয়। এজেন্টরা ডাক্তার রিকি কে নিয়ে কি করবে। এই বিষয়টা বুঝতে পারছি না। পরবর্তী পর্ব দেখার অপেক্ষায় রইলাম।
রিভিউটা যতই করছে আমার কাছে কি রকম ভয়ংকর লাগছে। তাছাড়া কিভাবে এই সাইড ইফেক্ট থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে এটাই বুঝতে পারছি না। দিন দিন যেন এই বিষয়টা জটিল হয়ে উঠছে। কারণ সাইড এফেক্ট এর ফলে প্রতিনিয়ত অনেক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এমনকি ডাক্তার রিকি নিজের উপর এক্সপেরিমেন্ট করার কারণে নিজেই ইসাবেলে পরিণত হয়েছে। পুরো একটা আলাদা রূপ। যেন নিজের মধ্যেই থাকতে পারে না। একেবারে ইলেকট্রিক শক দিয়ে রিকি রূপে আনা হয়েছে। এবার ডাক্তার দুইজন মিলে কিছু করতে পারে কিনা দেখা যাক। কিন্তু কিছুই তো সমাধান বের হলো না। উল্টো এজেন্টরা ওদের তিনজনের উপরে নজর রেখেই দিল। অবশেষে সবাইকে আটকে ফেলেছে। আর ওদেরকে বাঁচাতে ডাক্তার রিকি ধরা দিল। কিন্তু রিকি ধরা দেওয়ার পর কি হয়েছে এটা জানতে আগামী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।