আমার পছন্দের সাতটি রেসিপি পোষ্ট রিভিউ।
আজ - ২৫ই, শ্রাবণ, | ১৪২৯ , বঙ্গাব্দ | বর্ষাকাল |
আসসালামু-আলাইকুম। আদাব - নমস্কার। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, আশা করি সবাই ভাল আছেন।
আমার বাংলা ব্লগের মোটামুটি কমবেশি সকলেই রেসিপি পোষ্ট করে থাকে। আর সেই সব রেসিপি পোষ্ট গুলোর মাধ্যমে আমরা পরিচিত অপরিচিত অনেক ধরনের রেসিপি দেখতে পারি। আমরা সকলে বাঙালি হলেও এলাকা কিংবা ঐতিহ্য ভেদে খাওয়া ধরনও ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। আর সেই সকল ভিন্ন কিছু খাবের যখন আমরা রেসিপি পোস্টের মাধ্যমে শেয়ার করি তখন তা অন্য সকলেই সে রেসিপি সম্পর্কে জানতে পারে।
কথা না বাড়িয়ে চলুন আমার পছন্দের রেসিপিগুলো রিভিউ আপনাদের সাথে শেয়ার করি -
ঠান্ডা ঠান্ডা মিন্ট লেমন জুস তৈরি।
এই জুসটি দেখতে যেমন সুন্দর লাগছিল খেতেও তেমন খুবই সুস্বাদু ছিল। এই জুস তৈরী আইডিয়াটি আমার নিজেরই ছিল। এখানে অরেঞ্জ ট্যাং এবং কাঁচামরিচ দেওয়ার কারনে অন্যরকম একটি ফ্লেভার আসছিল। যার কারণে খেতেও খুব ভালো লাগছিল। আর এর ডেকোরেশন টা আমি রেস্টুরেন্ট স্টাইলে করেছি যার কারণে দেখতে খুবই সুন্দর লাগছিল। আপনারা চাইলে এই সুস্বাদু এবং হেলদি ড্রিংকস টি তৈরি করে দেখতে পারেন আশা করি আপনাদেরও ভালো লাগবে।
পোস্টটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
চিংড়ি শুটকি ভর্তা রেসিপি।
আমার এই শুটকি ভর্তাই ব্যবহৃত শুটকি গুলো ভাজা শুটকি ছিল। এগুলো আমি অনলাইন থেকে অর্ডার করেছি এই শুটকি গুলো অনলাইনে বালাচাও নামেও পরিচিত। আসলে শুটকি ভর্তা আমার খুবই পছন্দের তবে শুটকি ভর্তা তৈরীর জন্য শুটকি গুলোকে ভাজা একটু কষ্টকর এবং সময় সাপেক্ষ তাই ভাজা শুটকি দিয়ে আমার এই ভাতা রেসিপি তৈরি করা হয়েছে।
পোস্টটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
ব্রেড টোস্ট রেসিপি।
এই ব্রেড টোস্ট তো সকলেরই খুবই পরিচিত এবং পছন্দের একটি নাস্তা বলা চলে। মাঝেমধ্যে যখন বিকেলে হালকা খিদে পায় তখন আমি নিজেই এই ব্রেড টোস্ট বানিয়ে নিই। এটি বানাতে যেমন সহজ খেতেও তেমন মজা।
পোস্টটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
মজাদার বেগুন ভর্তা রেসিপি।
সাধারণত বেগুন তরকারি হিসেবে তেমন একটি খাওয়া হয় না আমার। তবে এই বেগুন ভর্তা আমার খুবই পছন্দের। আমার কাছে শুকনো মরিচ থেকে কাঁচা মরিচ পুড়িয়ে ভর্তা তৈরি করলে সে বেগুনের ভর্তা খেতে ভালো লাগে।
পোস্টটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
ভিন্ন স্বাদের পেয়ারা মাখা রেসিপি।
এইসবগুলো রেসিপির মধ্যে আমার সবথেকে পছন্দের রেসিপি হচ্ছে এই পেয়ারা-মাখাটি। এখানে আপনাদের পেয়ারা মাখাটি দেখতে যতটা না লোভনীয় লাগছে তার থেকে বেশি লোভনীয় ছিল খেতে। এ পেয়ারা-মাখাটিতে তেতুল এবং আচার ব্যবহার করার কারণে এ ভিন্ন একটি স্বাদ এসেছে।
পোস্টটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
কচুর মুখি দিয়ে ইলিশ মাছের রেসিপি।
বাংলাদেশ এবং ভারত ব্যতীত আমার মনে হয় না অন্য কোন দেশে ইলিশ মাছ পাওয়া যায় বলে। সারা বছর ধরে অপেক্ষায় থাকি কখন ইলিশ মাছের সিজন আসবে। অন্য যে কোন মাছের সাথে এই ইলিশ মাছের কোনই তুলনা হয়না। ইলিশ মাছ আমার খুবই পছন্দের একটি মাছ। তবে ইলিশ মাছের অতিরিক্ত কাটা থাকার কারণে একটু বিপদজনকও বটে। ছোটবেলায় আমি ইলিশ মাছ তেমন একটা খেতাম না শুধুমাত্র কাটার ভয়ে। তবে এখন আমার মনে হয়, যে মাছে যত কাটা সেই মাছ ততো স্বাদের হয়।
পোস্টটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
সকলকে ধন্যবাদ অনুচ্ছেদ টি পড়ার জন্য।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
প্রত্যেকটা পোস্ট ভীষণ ভালো। একটাও কে কম বলতে বলতে পারছিনা। লোভনীয় ও সুস্বাদু হয়েছে প্রত্যেকটা রেসিপি।
This post has been upvoted by @italygame witness curation trail
If you like our work and want to support us, please consider to approve our witness
Come and visit Italy Community
ইলিশ মাছ দিয়ে কচুর মুখি আমার কি যে ভালো লাগে বলে বুঝাতে পারবো না। দেখে তো আমার জিভে জল চলে আসছে। আর বেগুন ভর্তা আমি তো মাঝে মাঝেই তৈরি করে খাই। ব্রেড টোস্ট বিকালে হালকা নাস্তার জন্য বেশ ভালোই লাগে।আপনার রেসিপির রিভিউ পোস্ট গুলো আমার কাছে ভীষণ ভালো লেগেছে আপনার জন্য শুভকামনা রইল রইল ভাইয়া। আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আপনার সবগুলো রেসিপি ভিন্ন ভিন্ন রকমের ছিল । তবে আমার কাছে সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে শুটকির রেসিপি। অনেকদিন ধরেই শুটকির রেসিপি খাওয়া হয় না । আপনার রেসিপি দেখে একদম লোভ লেগে গেল । আসলে মনে হচ্ছে প্যাকেজ আকারে সবগুলো রেসিপি পেয়েছি । ধন্যবাদ নেওয়ার জন্য ভাইয়া
ভাই আপনার মজাদার রেসিপির পোস্ট এর রিভিউ দেখতে পেয়ে খুবই ভালো লাগলো। আপনার প্রত্যেকটা রেসিপি পোষ্ট আমি দেখেছিলাম। সবগুলো পোস্ট খুব সুন্দর হয়েছে তবে লেমন জুস রেসিপি ও ইলিশ মাছের রেসিপি আমার সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে।
আপনি বরাবরি আমাদের মাঝে অনেক সুন্দর সুন্দর রেসিপি শেয়ার করে থাকেন আর আপনার এই রেসিপি গুলো আমার কাছে অনেক বেশি লোভনীয় লাগে। একত্রে অনেকগুলো মজাদার রেসিপি দেখতে পেরে জিভে জল এসে গেল শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আমিও ভাইয়া আপনার মতই অন্যান্য পোস্টের তুলনায় রেসিপি পোস্ট করতে বেশি পপছন্দ করি আমিও বেশি রেসিপি পোস্ট করে থাকি। আপনার সাতটি রেসিপি পোস্ট এর রিভিউ দেখলাম প্রত্যেকটা রেসিপি অনেক সুন্দর ছিল তার ভিতর পেয়ারা রেসিপিটি তো দেখে একেবারে জিভের পানি পরেছিল আজ আবার দিয়েছেন জীভের পানি ফেলার জন্য নতুন করে। ভালোই লাগলো আপনার রেসিপি পোস্টগুলো একসাথে এক জায়গায় জমিয়ে রাখার জন্য।
প্রতিটির ছবি দেখে জিভে জল এসে পরেছে।কোনটা রেখে কোনটা ভালো লেগেছে বুঝতে পারছি না।একেক টা একেক রকমের স্বাদ।ভালো ছিলো।ধন্যবাদ
প্রিয় ভাই আপনার রেসিপিগুলা বরাবরই স্পেশাল হয়। আর আজকে আপনি সবগুলো স্পেশাল রেসিপি এর রিভিউ করেছেন এবং অনেক সুন্দর কিছু রেসিপি দেখতে পেলাম আপনার মাধ্যমে ধন্যবাদ আপনাকে।
ঠিকই বলেছেন ভাই আমরা বাঙালি হলেও অঞ্চল ভেদে আমাদের খাবারের ভিন্নতা রয়েছে। গত একমাসে আপনি বেশ দারুণ দারুণ কিছু রেসিপি দিয়েছেন আমাদের মাঝে। এরমধ্যে ট্রাংঙ্ক কাঁচামরিচ দিয়ে তৈরি জুস শুটকি চিংড়ি ভর্তা এবং পেয়রা মাখাটা বেশ ডেলিশিয়াস লাগছে। দারুণ তৈরি করেছেন রেসিপি গুলো।। । বেশ লোভনীয় ছিল।