রেসিপি : পেঁয়াজ, রসুন ও শীতের সবজি দিয়ে চুচরো মাছের চচ্চড়ি
নমস্কার,
বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন? আশা করছি আপনারা সকলে ভালো আছেন। ঈশ্বরের কৃপায় আমি ভালোই আছি। আজ আপনাদের সামনে আরো একটি নতুন এবং মজাদার রেসিপি নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম। আজকের রেসিপিটি পেঁয়াজ, রসুন ও শীতের সবজি দিয়ে চুচরো মাছের চচ্চড়ি।
চচ্চড়ি আমার খুব পছন্দের। আসলে যেকোনো সবজি আমার ভালো লাগে। তার সাথে যদি চুচরো মাছ হয় তাহলে তো কথাই নেই। চুচরো মাছ যেমন ভাজা খেতে ভালো লাগে তেমনি সব ধরনের সবজি দিয়ে চচ্চড়ি খেতেও। চচ্চড়ি নিয়ে আমার ভালোলাগা এতটাই বেশি যে অনেক সময় আমি নিরামিষ চচ্চড়ি মহানন্দে খেয়ে ফেলি। তবে চুচরো মাছ দিয়ে করতে পারলে তার স্বাদ আলাদা। শীত বলে নানা ধরনের সবজি পাওয়া গেলেও চুচরো মাছের খুব আকাল তাই বাড়িতে অল্প চুচরো মাছ আসতেই আমাকে আর কিছু ভাবতে হয়নি। বানিয়ে ফেললাম।
- চুচরো মাছ
- মুলো
- বেগুন
- আলু
- শিম
- টমেটো
- গোটা জিরে
- কাঁচা লঙ্কা
- জিরে গুঁড়ো
- হলুদ গুঁড়ো
- লঙ্কা গুঁড়ো
- নুন
- সর্ষের তেল
ধাপ ১
- প্রথমে উনুনে কড়াই চাপিয়ে তাতে খানিকটা তেল গরম হতে দেবো। তেল গরম হলে নুন ও হলুদ মাখিয়ে রাখা চুচরো মাছ গুলো কড়াইতে দিয়ে ভাজতে শুরু করবো। মাছ ভাজা হয়ে গেলে একটা পাত্রে তুলে রাখলাম।
ধাপ ২
- চুচরো মাছ গুলো ভালোমতো ভাজা হয়ে গেলে গোটা জিরে ও কাঁচা লঙ্কা ফোড়ন দিয়ে নেবো।
ধাপ ৩
- ফোড়ন হয়ে যাওয়ার পর পেঁয়াজ ও রসুন কড়াইতে দিয়ে ভাজতে শুরু করবো।
ধাপ ৪
- পেঁয়াজ ও রসুন ভাজা হয়ে গেলে লম্বা লম্বা করে কেটে রাখা মুলো, বেগুন, শিম ও আলু কড়াইতে ছেড়ে স্বাদমতো নুন ও অর্ধ চামচ হলুদ সবজিতে দিয়ে নাড়াচাড়া করতে শুরু করবো।
ধাপ ৫
- সমস্ত সবজি গুলো ভালো মতো ভাজা করে ফেলবো।
ধাপ ৬
- সবজি ভাজার পর পরিমাণ অনুসারে জিরে গুঁড়ো ও লঙ্কা গুঁড়ো দিয়ে সব সবজি কষাতে শুরু করে দেবো।
ধাপ ৭
- সবজি কষে যাওয়ার পর ভাজা করে রাখা চুচরো মাছ গুলো সবজির মধ্যে দিয়ে দেবো।
ধাপ ৮
- মাছ দেওয়ার পর আরো মিনিট পাঁচেক সবজি ভালোমতো নাড়াচাড়া করে নিতেই পেঁয়াজ, রসুন ও শীতের সবজি দিয়ে চুচরো মাছের চচ্চড়ি তৈরী।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
ছোট মাত্র চচ্চড়ি খেতে সত্যি অনেক ভালো লাগে। আর বিভিন্ন প্রকারের সবজি দিলে খেতে আরো বেশি মজার হয়। এছাড়া মচমচে ছোট মাছ ভাজা খেতেও ভালো লাগে। ছোট মাছ খাওয়া যেমন উপকারী তেমনি খেতেও ভালো লাগে। দাদা আপনার তৈরি করা ছোট মাছ চচ্চড়ির এই দারুন রেসিপি দেখে খেতে ইচ্ছে করছে। দারুন হয়েছে দাদা আপনার তৈরি করা এই মজার রেসিপি।
আমি তো রান্না করতে করতেও টপাটপ করে ভাজা মাছ তুলে তুলে খেয়েছি। হাঃ হাঃ।
শীতের সবজি দিয়ে সাথে চুচরো মাছের চচ্চড়ি অসাধারণ রেসিপি। আসলে ভাইয়া এই চচুরো মাছ গুলোকে আমরা মলা মাছ বলি। এই মাছ গুলো বেশি করে পিঁয়াজ দিয়ে চচ্চড়ি করলে সেই মজা। আপনি দেখছি ভেজে ফোঁড়ন দিয়েছেন। ফোঁড়ন দেওয়াতে স্বাদ আরো বেড়ে গেছে। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
মলা মাছ আমাদের এদিকেও পাওয়া যায়। চুচরো মাছের মধ্যেও মলা আছে আছে তবে কোনগুলো সেটা জানিনা। হাঃ হাঃ
চুচরো মাছের নামটি এই প্রথম শুনলাম। একেবারেই ইউনিক একটি নাম ।শীতকালীন বেশ কিছু সবজি দিয়ে দারুন একটি রেসিপি তৈরি করেছেন আপনি। আসলে এ ধরনের চচ্চরি করলে গরম ভাতের সঙ্গে খেতে খুবই সুস্বাদু লাগে ।আপনার রেসিপিটি দেখেই বোঝা যাচ্ছে খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছে। চচ্চড়ি করার আগে মাছগুলোকে আগে ভেজে নিয়েছেন দেখে ভালো লাগলো ।এভাবে কখনো ভেজে চচ্চড়ি করা হয়নি ।সবকিছু মিলিয়ে রেসিপিটি বেশ ভালই ছিল। ধন্যবাদ।
আমাদের দিকে অনেক ধরনের ছোটো মাছ থাকলে একসাথে চুচরো মাছ বলে। স্বাদ দারুন হয়েছিলো।
আমাদের এখানে এ মাছকে মলা মাছ বলা হয়। তবে আমি এ মাছ ভেজে কখনো রান্না করিনি। আপনার রান্না দেখে মনে হচ্ছে ভেজে রান্না করলে খেতে ভালই লাগবে। সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আমাদের দিকেও মলা মাছ পাওয়া যায় তবে সেগুলো অন্য ধরনের হয়। ভেজে রান্না করলে মুচমুচে হয় ভালোই লাগে।
আমাদের এলাকায় ছোট মাছ কে চুচরো মাছ বলে সবাই,বিয়ের পর যখন আমি ছোট মাছকে চুচরো মাছ বলতাম তখন শ্বশুর বাড়ির সবাই অনেক হাসাহাসি করতো তার কারন হলো ওরা ছোট মাছকে গুড়া মাছ বলে।কোনকিছু নিয়ে হাসাহাসি করার মতো কিছু নেই তার কারন হলো সবকিছুরই এলাকাভিত্তিক নাম আছে যার এলাকায় যে নামে পরিচিত সে তো সেই নামেই বলবে।শীতকালে সবজি হোক বা মাছ সবকিছুরই স্বাদ অনেকাংশে বেড়ে যায় তাই খেতে অনেক সুস্বাদু লাগে।গরম ভাতের সাথে এরকম সবজি দিয়ে চুচরো মাছের চচ্চড়ি হলে আর কোনকিছুর দরকার হয়না।সবজি টমেটো দিয়ে মাছের চচ্চড়ি রেসিপি টি দেখেই অনেক লোভনীয় লাগছে দাদা।এরকম একটি লোভনীয় চুচরো মাছের চচ্চড়ি রেসিপি শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ দাদা।
অনেক দিকে গুঁড়া মাছ বলা হয়। আদপে নানা দিকে নানা নাম হলেও জিনিস সেই একই। হাঃ হাঃ।
গরম ভাত ছাড়া চচ্চড়ি মোটেই জমে না।
শীতকালীন বিভিন্ন সবজি দিয়ে ছোট মাছের মজাদার রেসিপি তৈরি করেছেন ভাইয়া। আপনার রেসিপি দেখে বোঝা যাচ্ছে খেতে অনেক সুস্বাদু হয়েছে। ছোট মাছ আমাদের জন্য অনেক উপকারী। ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া এতো সুন্দর রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
দাদা কি দেখালেন এটা!!এতো তরকারি দিয়ে চুচড়ো মাছ না খেলেও আম্মু শুধু পিঁয়াজ দিয়ে আমায় রান্না করে দিতো।তেল মশলা সব বেশি দিয়ে খুব অল্প পরিমাণে রান্না করে দিতো।আহা সে কি স্বাদ!!
সুন্দর রেসিপি ছিল দাদা,শুভ কামনা রইলো।
শুধু মাত্র পেঁয়াজ রসুন দিয়েও করা যায়। আমার দু ধরনেরই ভালো লাগে
সবজির প্রতি আমার ভীষণ লোভ দাদা।আপনার সবজির কালার দেখে বেশ লোভ লেগেছে।পেঁয়াজ রসুন ও শীতের সবজি দিয়ে চুচরো মাছের চচ্চড়ি করেছেন দেখতে বেশ লোভনীয় দেখাচ্ছে।আপনি ঠিক বলছেন দাদা সবজি খেতে আমারও অনেক ভালো লাগে এবং সবজি দিয়ে রান্না করা যেকোনো তরকারি খেতে ভীষণ মজার হয়।
সবজি আমারও খুব ভালো লাগে। মাছ জুড়ে দিয়ে সেটার স্বাদ আরও বাড়িয়ে দিয়েছি। হাঃ হাঃ
পেঁয়াজ, রসুন ও শীতের সবজি দিয়ে চুচরো মাছের চচ্চড়ি রেসিপিটি দেখে মনে হচ্ছে খেতে খুবই সুস্বাদু হবে। শীতের সবজি দিয়ে মাছের চচ্চড়ি খেতে অনেক মজাদার হয়ে থাকে। বেশ চমৎকারভাবে আমাদের মাঝে রেসিপিটি তুলে ধরেছেন।
খেতে ভালোই হয়েছিলো দিদি। আসলে শীতে মাছ কাটার ঝামেলা না থাকলে মাঝেই মাঝেই রান্না করা হতো কিন্তু ঠান্ডায় সবাই আপাতত জমে আছে।
ছোট মাছ খেতে আমার খুবই ভালো লাগে। আপনি খুবই সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন ছোট মাছ দিয়ে বিভিন্ন প্রকার সবজি দিয়ে একটা তরকারি বানিয়েছেন। যা দেখতে খুবই লোভনীয় লাগছে।ধন্যবাদ দাদা সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
আমাদের এই পছন্দটা একই রকম। আমারও ছোটো মাছ খুব ভালো লাগে। আমরা সুযোগ পেলেই ছোটো মাছ ভাজা খাই।