মুভি রিভিউ: ইনসিডিয়াস-চ্যাপ্টার ২

in আমার বাংলা ব্লগ3 years ago
হ্যালো বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালো আছেন। সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি।

আজকে আপনাদের সাথে একটি মুভি রিভিউ শেয়ার করে নেবো। এই মুভিটির নাম হলো "ইনসিডিয়াস-চ্যাপ্টার ২"। অনেকদিন আগে এই মুভিটির প্রথম একটি পার্ট আপনাদের সাথে শেয়ার করেছিলাম, আজকে দ্বিতীয় পার্টটি শেয়ার করছি। এটা হরর সম্বন্ধিত। প্রথম পার্টে যেখানে শেষ হয়েছিল তার পরের থেকে কাহিনীটা বলবো। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।


স্ক্রিনশর্ট: ইউটিউব


✠কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:✠

মুভির নাম
ইনসিডিয়াস-চ্যাপ্টার ২
প্লাটফর্ম
নেটফ্লিক্স
পরিচালকের নাম
জেমস ওয়ান
লেখক
লেহ ওয়ানেল, জেমস ওয়ান
অভিনয়
প্যাট্রিক উইলসন, রোজ বাইর্ন, বারবারা হার্শে, লিন শায়ে, টাই সিম্পকিন্স, স্টিভ কুল্টার, অ্যাঙ্গাস স্যাম্পসন, ড্যানিয়েল বিসুত্তি ইত্যাদি
মুক্তির তারিখ
১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ( ইউনাইটেড স্টেট )
সময়
১ ঘন্টা ৪৬ মিনিট
মূল ভাষা
ইংলিশ
কান্ট্রি অফ অরিজিন
ইউনাইটেড স্টেট, ইউনাইটেড কিংডম, কানাডা
বাজেট
$৫,০০০,০০০
গ্রস ওয়ার্ল্ডওয়াইড
$১৬১,৯১৯,৩১৮


☫মূল কাহিনী:☫


স্ক্রিনশর্ট: NETFLIX

তো প্রথমে যে বাড়িতে এলাইস এবং তার সহকর্মীরা মিলে আত্মাদের শেষ করেছিল, তারপর অনেক বছর কেটে যায়। এরপর এলাইস অনেকটা বৃদ্ধও হয়ে যায় কিন্তু তার এই কাজটা ছাড়েনি। একদিন আবার জোশ নামের একটি লোকের ফোন আসে এবং সে তাদের জানায় যে বাড়িতে অদ্ভুত কিছু ঘটনা ঘটছে, তাই সে যেন এসে বিষয়টা দেখে। এইবার এলাইস তার সেই দুই সহকর্মীকে নিয়ে জোশ এর বাড়িতে চলে আসে এবং সেখানে এসে তার ছেলে ফস্টার এর সাথে কথা বলে, কারণ মেইন সমস্যাটা তার সাথেই হচ্ছিলো অর্থাৎ ফস্টার অদ্ভুত কিছু স্বপ্নে দেখতো, মানে কেউ তাকে কল্পনার মাধ্যমে ডাকছে এইরকম আর কি। তার বাবা এবং মাও এই বিষয়টা লক্ষ্য করে তারা ক্যামেরার মাধ্যমে ছবি তোলে যেমনটা তার ছেলে বলে গিয়েছে যে এই ব্যক্তি এখানে উপস্থিত। যেহেতু আত্মা অদৃশ্য তাই খালি চোখে সেগুলো দেখতে পাবে না। এরপর সেই ছবিগুলোও এলাইসকে দেখায় এবং সে দেখতে পায় ছায়ার মতো কেউ দাঁড়িয়ে আছে বা হাত ছানি দিয়ে ডাকছে। এরপর এলাইস ফস্টারকে বলে যে তার মধ্যে একটা অদ্ভুত কাল্পনিক শক্তি আছে যেটা তাকে অন্য আরেকটি দুনিয়াতেও নিয়ে যায়। আর এখন এই ঘরে যে আত্মা আছে সে তাকে চায় বা তাকে মেরে ফেলতে চায়।


স্ক্রিনশর্ট: NETFLIX

এরপর এলাইস ঘরের বিভিন্ন জায়গায় বিশেষ করে ফস্টার এর রুমেও চেক করে এবং তার আগে তাকে বলেও দেয় যে তুমি আমাকে বলবে যে কোথায় কোন স্থানে ঠান্ডা এবং গরম অনুভূতি হচ্ছে। যেখানে বেশি গরম অনুভূতি হবে সেখানেই এই আত্মাদের পাওয়া যাবে। সেই হিসেবে আলমারির দিকে বেশি গরম অনুভূতি হয় আর সেখানে তার উপর হামলা করে। এরপর বুঝতে পারে যে ফস্টার এখানে থাকলেও সে অন্য দুনিয়ায় চলে গেছে আর তাকে সেখান থেকে ফিরিয়ে আনতে গেলে যেকোনো একজনকে সেই দুনিয়ায় যেতে হবে। এর জন্য তার বাবা জোশ যায় এবং ছেলে ফিরে আসলেও তার বাবা সেখানে আটকে যায় আর ফিরে আসে অন্য আরেকজন জোশ এর মতো দেখতে। আর বাকিরা পরে এসে দেখে এলাইসকে মেরে ফেলেছে। এরপরে সেই ঘরে ভয়ঙ্কর মহিলার আত্মা প্রবেশ করে যেটা জোশ এর ওয়াইফ আর তার ফস্টার এর গ্রান্ডমাদার সেটা ছায়ার মতো মাঝে মাঝে দেখতে পেতো। আর সেই আত্মাটা জোশ এর ওয়াইফ এবং তার ছোট একটি বাচ্চার উপরে মাঝে মাঝে হামলাও করতে থাকে। এই বিষয়গুলো জোশকে বললেও সে এইসব মনের ভুল বলে কাটিয়ে দেয়। কিন্তু সে জানে যে এই আত্মাটা কে।


স্ক্রিনশর্ট: NETFLIX

এরপর ফস্টার এর গ্রান্ডমাদার এর সন্দেহ হতে থাকে জোশ এর উপর আর তখন সে তার নিজের আরেকটি বাড়িতে কার্ল নামে একজনকে ডেকে আনে যে এইসব আত্মাদের ডাকতে পারে। তো তাকে ডেকেছে এলাইসকে ওইদিন আসলে কে মেরেছিলো সেটা জানার জন্য। এলাইসকে ডাকলেও শব্দের মাধ্যমে অন্য আরেকজন তাদের একটা হসপিটালের ঠিকানা দেয় যেটা অনেক বছর ধরে বন্ধ হয়ে পড়ে আছে আর সেখানেই তার হত্যাকারীকে পাবে। এখন তারাতো জানে এলাইস তাদের সেখানে নিয়ে গেছে কিন্তু যে ডেকে নিয়ে গিয়েছিলো সে তাদের উপর নানাভাবে হামলা করে। এরপর সেখানে কিছু ডকুমেন্টস খুঁজে দেখে সেই সময় হসপিটালে প্যাট্রিক নামে একজন মারা গিয়েছিলো, কিন্তু তার পরেও সে সেখান থেকে গায়েব হয়ে যায়। এরপর কার্ল বুঝতে পারে যে ওই বাড়িতে যে জোশ আছে ও আসল না, তাই তাকে মারার জন্য একটা ফাঁদ আঁটে। তবে সেটা যদিও আগে থেকে সে বুঝতে পেরেছিলো।


স্ক্রিনশর্ট: NETFLIX

তাই তার উপরেও হামলা করে এবং একটা বিষাক্ত ইনজেকশন দিয়ে বেহুশ করে ফেলে। এরপর তারা আত্মাদের দুনিয়ায় যায় আর সেখানে এলাইস এর সাথে দেখা হয়। আর সেই সাহায্য করে কিভাবে এটার থেকে বেরোনো যায়। এদিকে বাড়িতে যে জোশ নামে লোকটা ছিল সে বাড়ির সবাইকে মারার জন্য উতলা হয়ে পড়ে আর সবাই মোটামুটি একটা স্পেচে গিয়ে লুকিয়ে থাকে কিন্তু তাও খুঁজে ফেলে। এরপর বাকিরা সেই আত্মাকে ধংস করে ফেলার সাথে সাথে জোশও ঠিক হয়ে যায় এবং বাকি কার্লও এই দুনিয়ায় ফিরে আসে, কারণ সে মরেনি।


☫ব্যক্তিগত মতামত:☫

এই কাহিনীতে মূলত একজন আসলে খুনি ছিল যে সেই হসপিটালে থাকতো। কিন্তু সাধারণত সে কি করতো সেটা কেউ জানতো না। একটি ল্যাবের ভিতরে এইসব খুন খারাপ এর কাজগুলো সে করতো। হসপিটালে আসা অনেক মহিলা বা মেয়ে মানুষকে বিভিন্ন ভাবে কব্জা করতো আর ল্যাবে নিয়ে বন্দি করে রাখতো হাত মুখ বেঁধে। এরপর এক এক করে অনেকজনকে হত্যা করে আর ক্যামিক্যাল এর মধ্যে ডুবিয়ে রাখতো। এইভাবে সবাইকে যেন একটা মোমের পুতুলের মতো সাজিয়ে রাখতো কোনটা বসিয়ে আবার কোনটা দাঁড় করিয়ে। এখন এর মধ্যে থেকে একজন আত্মা রূপে বেরিয়ে আসে বা সেইটার মধ্যে প্রবেশ করে। আর এর মধ্যে থেকে তাকে খুঁজে বের করে ধংস করে দেওয়াটাই ছিল এইসবের থেকে মুক্তি পাওয়ার প্রধান পথ। তাই অবশেষে পার্কার ক্রেন নামে একটি ছোট বালকের সাহায্য নিয়ে এই কাজটা সম্পন্ন করে, কারণ সে পার্কার ক্রেন এর মা ছিল ।


☫ব্যক্তিগত রেটিং:☫
৮/১০


☫ট্রেইলার লিঙ্ক:☫



শুভেচ্ছান্তে, @winkles


Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power

250 SP500 SP1000 SP2000 SP5000 SP

Heroism_3rd.png

Sort:  

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.

 3 years ago 

দাদা মুভি রিভিউটি পড়ে মুভিটি দেখার ইচ্ছে জাগলো আমার।আমি ইন্ডিয়ার একটি মুভিতে এমন একজন ডাক্তারের কার্যকলাপ দেখেছিলাম।আর এই মুভিতে তো একজন খুনি এসব করে।শেষ পর্যন্ত একটি বাচ্চা ছেলের সাহায্যে সবটা সমাধান হলো জেনে বেশ ভালোই লাগলো। আপনি খুব চমৎকার ভাবে মুভি রিভিউ শেয়ার করলেন। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

 3 years ago 

দাদা আজকে আপনি অনেক সুন্দর করে এই মুভিটার দ্বিতীয় পার্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। ইনসিডিয়াস-চ্যাপ্টার ২ মুভিটার রিভিউ পোস্ট পড়তে আমার কাছে অসম্ভব ভালো লেগেছে। আসলে আমার কাছে হরর সম্বন্ধিত মুভি গুলো দেখতে অনেক বেশি ভালো লাগে। দাদা আপনার মুভি গুলো আমি খুব পছন্দ করি। আপনার মুভি গুলোর রিভিউ আমি সব সময় পড়ে থাকি। তেমনি আজকের এই মুভিটার দ্বিতীয় পার্টের রিভিউ টাও অনেক উপভোগ করে পড়েছি দাদা। এখানে তো দেখছি শেষ পর্যন্ত একটা ছোট্ট ছেলের জন্য সবটা সমাধান হয়েছে। এরকম মুভি গুলো আমার বেশ কয়েকবার দেখা হয়েছে। তবে এই মুভিটা আমার এখনো পর্যন্ত দেখা হয়নি। তাই আমি ভাবছি সময় পেলে এই মুভিটা দেখে নেব। দাদা আপনার কাছ থেকে কিন্তু এরকম মুভি গুলো পরবর্তীতেও আপনার কাছ থেকে দেখার জন্য অপেক্ষায় থাকলাম। আশা করছি পরবর্তীতেও আপনি এই মুভিগুলোর রিভিউ আমাদের মাঝে শেয়ার করবেন।

 3 years ago 

দাদা অনেক সুন্দর একটা মুভির রিভিউ করেছেন আজকেও আর দ্বিতীয় পাঠ করেছেন এই মুভিটির। আমি সময় পেলে এরকম মুভি গুলো দেখার চেষ্টা করি, তবে যে মুভিতে পার্ট থাকে সেগুলো তেমন দেখা হয় না। কিন্তু আপনার রিভিউর মাধ্যমে এরকম মুভি অনেক পড়েছি। দাদা আপনার সবগুলো মুভি রিভিউ আমি সবসময় পড়ি আর বেশ ভালো লাগে আমার কাছে, এবং কি এই মুভিগুলো আমি সময় পেলে দেখার ও চেষ্টা করি। তেমনি এই মুভিটাও দেখার চেষ্টা করব। যদিও হরর মুভি গুলো খুবই কম দেখা হয় তবে মাঝে মাঝে দেখে থাকি। কারণ আমি হরর মুভি দেখলে অনেক ভয় পাই। হসপিটালে থাকা সেই খুনি মহিলা অথবা মেয়েদেরকে অনেক নির্মমভাবে হত্যা করত। কিভাবে এই কাজটা করতে পারত সে আমার তো ভাবতেই কিরকম লাগছে। আসলে বেশিরভাগ মুভিতে এরকম কোন এগুলোকে দেখা যায়। তারা জঘন্য ভাবে মানুষদেরকে মেরে ফেলে। তেমনি এই খুনি টাও করেছে। খুব সুন্দর করে রিভিউটা লিখে শেয়ার করলেন দেখে ভালো লাগলো দাদা।

 3 years ago 

দাদা আপনি তো দেখছি আজকে ইনসিডিয়াস মুভির দ্বিতীয় পর্বের রিভিউ করেছেন। বর্তমানে কাজের চাপে খুব একটা মুভি দেখা হয় না। তবে আপনার আজকের রিভিউ পড়ে বেশ ভালই লেগেছে। তবে আজকের মুভির মধ্যে দেখছি খুনের রহস্য লুকিয়ে আছে। একটা ল্যাবের মধ্যে খুন করে আবার সেগুলোকে সাজিয়ে রাখা হয় বিষয়টা খুবই ভয়ংকর। তবে তাদেরকে এভাবে রাখার কারণেই আসলে একজন আত্মা হয়ে বেরিয়ে এসেছিল। শেষ পর্যন্ত এর সমাধান একটা ছোট্ট ছেলেকে দিয়ে হল। আবার দেখছি ওই মহিলাটা মূলত ছেলেটার মা হয়। এই ধরনের মুভি গুলো দেখতে কিন্তু ভীষণ ভালো লাগে।। বিশেষ করে হরর মুভি গুলো আমার বেশ পছন্দের। তবে শেষ পর্যন্ত দেখছি সমাধান পাওয়া গেল। অনেক উপভোগ করেছি দাদা আপনার আজকের মুভি রিভিউ।

 3 years ago 

দাদা ইনসিডিয়াস মুভির দ্বিতীয় পর্ব দেখে ভীষণ ভালো লাগলো। আসলে এই ধরনের রহস্যজনক মুভি গুলো দেখতে ভালই লাগে। তবে একটা জিনিস খুবই খারাপ লেগেছে এখানে অনেকগুলো মানুষকে মেরে ফেলা হয়। বিশেষ করে খুন করার পর আবার দেখছি সেগুলোকে সাজিয়ে রাখে। আসলে এরকম একটা কাহিনীর কথা আমি আরো একবার শুনেছিলাম। তবে এই মুভির কাহিনী সেটা আমার জানা ছিল না। তবে এখানে দেখছি আবার মানুষকে মেরে এরপর আবার কেমিক্যাল এর মধ্যে ডুবিয়ে রাখে। এইসব বিষয়গুলো চিন্তা করতেই কেমন অদ্ভুত লাগছে। তবে দেখছি এখান থেকে আবার একজন আত্মা হয়ে গিয়েছে। এই ধরনের কাহিনী গুলো দেখতে ভালই লাগে। তবে শেষ পর্যন্ত একটা ছোট ছেলে দেখছি এই কাহিনী শেষ করল। আসলে মহিলাটি মূলত ছেলেদের মা ছিল। আপনার মুভিটির রিভিউ পড়ে ভালোই লেগেছে। পরবর্তীতে নিশ্চয়ই আরো মুভি রিভিউ দেখতে পাবো।

 3 years ago 

দাদা এই মুভির কাহিনীটা চিন্তা করলেই কেমন যেন শরীরের পশম দাড়িয়ে যায়। কত বড় খতরনাক রাক্ষস মানুষ হলে এভাবে মানুষ খুন করতে পারে। কি ভয়ানক কাহিনী। এগুলোর বাস্তব কাহিনী অবশ্যই কোন না কোন দেশে হয়েছে। আর সেখান থেকে ধারনা নিয়ে এই মুভিটি তৈরী করা হয়েছে। তাছাড়া হস্পিটালে গেলে আমার কেমন যেন একটা ভয় ভয় লাগে। চার দিকে কান্না,মানুষের দৌড়াদৌড়ি। এগুলোর মধ্যে কিছু স্বার্থলোভী অসত মানুষ আছে যারা এসব অপকর্ম করে বেড়ায়। শেষে পার্কার ক্রেন এর মা ঐ খুনিকে উচিৎ শিক্ষা দিয়ে অনাগত মানুষদের মুক্ত করেছে। ধন্যবাদ দাদা।

 3 years ago 

"ইনসিডিয়াস-চ্যাপ্টার ২" মুভি রিভিউটি পড়ে সত্যি অনেক ভালো লাগলো দাদা। মুভি রিভিউ পড়তে অনেক ভালো লাগে। আর যদি হরর মুভি হয় তাহলে বেশি ভালো লাগে। যদিও অনেক দিন থেকে হরর মুভি দেখা হয় না। তবে ভাবছি এই মুভিটি খুব শীঘ্রই দেখব। সেই হসপিটালে আসা লোকগুলো এভাবে নিখোঁজ হয়ে যেত এটা ভাবতেই অবাক লাগছে। আসলে মনে হচ্ছে সেই মানুষটির মানসিক সমস্যা রয়েছে। তাইতো এভাবে কেমিক্যালের মধ্যে চুবিয়ে মমি করে রাখত। তবে অবশেষে সব সমস্যার সমাধান সেই ছেলেটি করতে পেরেছে বলে আরো অনেকে বিপদের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে। না হলে আরো অনেকেই এই মানুষরূপী সেই নিকৃষ্ট মানুষটির কবলে পড়তো। এসব অপকর্মের শাস্তি সে পেয়েছে। তাকে ধ্বংস করার হয়েছে বলেই অনেকে মুক্তি পেয়েছে। আর বিপদের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে। দারুন একটি মুভি রিভিউ শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি দাদা।

 3 years ago 

বেশ ইন্টারেসটিং মুভি তো। এর আগে এমন কাহিনী হয়তো কোন মুভিতে দেখিনি। অবশ্য ইংরেজী মুভি গুলো বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই আন কমন হয়। তবে এই মুভিতে বাচ্চা ছেলেটির ভূমিকা কিন্তু বেশ দারুন লেগেছে। আর এই বাচ্চা ছেলেটির জন্যই তো আসল কালপিট ধরা সম্ভব হলো। দেখি সময় পেলে একবার দেখবো মুভি টি।

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.33
JST 0.099
BTC 64895.76
ETH 1877.80
USDT 1.00
SBD 0.38