ওয়েব সিরিজ রিভিউ: ডার্ক ওয়েব- শেরিংস কনফেশন ( সপ্তম পর্ব )

in আমার বাংলা ব্লগ3 years ago
হ্যালো বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালো আছেন। সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি।

আজকে আপনাদের সাথে "ডার্ক ওয়েব' সিরিজের সপ্তম পর্ব রিভিউ দেব। এই পর্বের নাম হলো "শেরিংস কনফেশন"। গত পর্বের শেষ দেখেছিলাম যে ড্রাইভার সেলিম সাহেব আর সম্পূর্ণাকে খুনিদের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য তাদের অন্য জায়গায় লুকিয়ে দিয়েছিলো। আজকে তার পরের থেকে কাহিনী কতদূর কি হয়েছিল সেইটা দেখবো।


স্ক্রিনশর্ট: ইউটিউব


✠কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:✠

সিরিজটির নাম
ডার্ক ওয়েব
প্লাটফর্ম
hoichoi
সিজন
পর্ব
শেরিংস কনফেশন
পরিচালকের নাম
সায়ন্তন ঘোষাল
অভিনয়
সাহেব ভট্টাচার্য , সম্পূর্ণা লাহিড়ী ইত্যাদি
মুক্তির তারিখ
৪ আগস্ট ২০১৮ ( ইন্ডিয়া )
সময়
২৫ মিনিট ( সপ্তম পর্ব )
মূল ভাষা
বাংলা
কান্ট্রি অফ অরিজিন
ইন্ডিয়া


☬মূল কাহিনী:☬


স্ক্রিনশর্ট: hoichoi

ড্রাইভার আলী, সাহেব আর সম্পূর্ণাকে জঙ্গলের ভিতরে তার একজনের লোকের হাতে তো তুলে দিয়েছিলো কিন্তু আলী বেশিদূর গাড়ি নিয়ে যেতে পারেনি পাহাড়ি রাস্তায়। খুনিরা তার গাড়ি ধরে ফেলে শেষমেশ, তবে আলী সেখান থেকে তার নজর এড়িয়ে গা ঢাকা দিয়ে জঙ্গলের ভিতর লুকিয়ে থাকলেও বেশিক্ষন লুকাতে পারেনি, তাকে খুঁজে বের করে ফেলে। এরপর তাকে ধাওয়া করে ধরার জন্য, কিন্তু দৌড়িয়ে পালাতে অক্ষম ছিল, তার পায়ে গুলি করে দেয় ফলে তাকে ধরে ফেলে সেই খুনিটা যে কন্ট্রাকে এখানে এসেছিলো। এরপর তার কাছে সাহেব আর সম্পূর্ণার কথা জিজ্ঞাসা করে কিন্তু সে তাদের কোনো ক্ষতি হতে দেবে না বলে খুনির কথা হাসি দিয়ে উড়িয়ে দেয়, আর খুনি তাকে আর কিছু না জিজ্ঞাসা করে গুলি করে মেরে দেয়। এরপর যে লোকটার কাছে তাদের তুলে দিয়েছিলো সেই লোকটা জঙ্গলের রাস্তা দিয়ে জল পথে সেখান থেকে রাস্তার অন্য আরেকটি পারে নিয়ে এসে তাদের গাড়িতে করে সেই শেরিং এর গ্রামে পৌঁছিয়ে দেয়, কিন্তু তাদের একটা ভয় কাজ করছিলো যে, যে কাজের জন্য তার কাছে যাচ্ছি সে যদি না দেখা করে তাহলে সব শেষ হয়ে যাবে। যাইহোক, গ্রামে প্রবেশ করার পরে শেরিংস এর ঘরের সামনে একজন বোবা লোক তাদের আটকায়।


স্ক্রিনশর্ট: hoichoi

শেরিংস এর কাছে যেতে হলে তার কাছ থেকে অনুমতি নিয়েই তারপর দেখা করতে পারবে, আর শেরিংস তাকে এই কাজেই নিযুক্ত করে রেখে দিয়েছে। বোবা লোকটা তো কোনোমতেই যেতে দেবে না, তারা এতবার করে বোঝানোর পরেও কোনো কথাই শুনতে রাজি হয় না। এরপর তারা দেখলো এভাবে তাকে বোঝানো মুশকিল, কারণ সে বুঝছে কিনা সেটাও তারা বুঝতে পারছে না, সে শুধু মাথা নাড়িয়ে যাচ্ছে। এরপর সাহেব একটা কাগজে লিখে দিলো কি জন্য তার কাছে এসেছে আর তাদের একটা ছবি সহ লেখা কাগজটা নিয়ে গেলো শেরিংস এর কাছে। শেরিংস অনেক্ষন তাদের লেখাটা পড়ে ভাবনাচিন্তা করে তারপর ডাকে। কিন্তু আসলে শেষপর্যন্ত গিয়ে তাদের কোনো লাভ হয়নি, কারণ শেরিংস বর্তমানে জানেই না যে তার দাদা এখন কোথায় আছে। যখন তার দাদা সেরিংস এর কাছে গিয়েছিলো, তখন সেখান থেকে কোথায় চলে গিয়েছিলো সেটা তাকে আর জানায়নি। আর এই বিষয়ে তাদের কোনো সাহায্যই করতে পারবে না বলে জানায়। সাহেব এর মাথা গরম হয়ে যায় এই কথা শোনার পরে, কারণ এতো সমস্যা, ঝামেলা উপেক্ষা করে তার কাছে আসার পরে যদি না শুনতে হয় তাহলে আর কোনো উপায় থাকে না। নিরুপায় হয়ে তারা সেখান থেকে বের হয়ে যায়।


স্ক্রিনশর্ট: hoichoi

বের হয়ে আসার পরে তারা চিন্তা করে তাদের দাদাকে তারা নিজেরাই খুঁজে বের করবে কিন্তু সেটা কিভাবে করবে কারো কোনো ধারণা নেই। এদিকে সম্পূর্ণা কলকাতার যে অফিসে কাজ করতো সেখানে তার বসের কম্পিউটার থেকে সার্ভার লগইন এ কিছু একটা সমস্যা হয়, আর বেশ কিছু ইম্পরট্যান্ট ফাইল সেখান থেকে সরানো হয়েছে। আইটি সেক্টরে ফোন করে জানতে পারে তার অফিসেরই একজন অসময়ে সার্ভার লগইন করে আর তাকে ডেকে এনে সেই বিষয়ে কথা বলে। তবে বুঝতে পেরে গেছে যে ফাইলগুলো ওইই সরিয়েছে, আর তাই পুলিশকে ফোন করে দেয়। এদিকে সাহেব আর সম্পূর্ণা হন্ততন্ত করতে লাগলে শেষপর্যন্ত ভাগ্য তাদের প্রতি কিছুটা সহায় হয় অর্থাৎ শেরিংস পরে তাদের ডেকে এই বিষয়ে খোলামেলা কথা বলতে চায়। বাইরে একটা জায়গায় তারা আসে এবং সাহেবকে সব বিষয় খুলে বলে। আসলে ইন্দ্র যখন শেরিংস এর কাছে এসেছিলো আর তাকে বলেছিলো এই বিষয় থেকে তাকে বাঁচাতে, আর শুধু তাকে নয় বরং যারা আমার মতো ফেঁসে আছে তাদের সবাই বাঁচতে পারবে তাদের সিস্টেম ফেইল করে দিতে পারলে। তবে সেরিংস ইন্দ্রকে সাবধান করেছিল যে, লোকগুলো খুবই বিপদজনক আর তাদের সাথে অনেক বড়ো বড়ো লোকজনের হাত আছে, ফলে যদি তারা জানতে পারে আমরা তাদের বিরুদ্ধে কিছু করতে যাচ্ছি তাহলে আমাদের মহা বিপদের মুখে পড়ে যেতে হবে অর্থাৎ যেমন সাপের গর্তে হাত দেওয়ার মতো-কোথায় আছে না সাপের গর্তে হাত দিয়ে যদি ভাবো কামড়াবে না তাহলে ভুল করবে, এটাও তাই।


স্ক্রিনশর্ট: hoichoi

তারপরেও শেরিংসকে বলে যে তুমি একবার চেষ্টা করে দেখো। কারণ শেরিংস একজন প্রফেশনাল হ্যাকার না থাকলেও সে হ্যাকারের সম্পর্কে অনেক কিছু জানতো। আর তাই সে বিপদ জেনেও রাজি হয়ে তাদের গেমের সাইটটা হ্যাক করে তার অ্যাডমিন কে আছে তাকে এক্সপোস করতে চায়। কিন্তু ভুল করে শেরিংস জাভা স্ক্রিপ্ট ভুলে যায় আর সে হ্যাক করতে গিয়ে পাসওয়ার্ড ডিনাই বলে। এরপর তাদের কাছে খবর চলে যায় যে তাদের পাসওয়ার্ড হ্যাক করতে চায়, আর শেরিংস এর আইপিও হ্যাক করে সবকিছু জেনে ফেলে। এরপর তারা দুইদিন যাবৎ পুরো ইন্টারনেট এবং সমস্ত ডিভাইস অফ করে রেখেছিলো। এরপর শেরিং ইন্দ্রকে বাড়ি ফিরে যেতে বলেছিলো তখনি, কারণ শেরিং এর আর কিছু করার ছিল না, তারা তাদের বিষয়ে সবকিছু জেনে গেছে। কিন্তু ইন্দ্র তার কথা শুনতে রাজি ছিল না, কারণ সে তাদের ধ্বংস করে দিতে চেয়েছিলো। এরপর তাদের উপর একজন হঠাৎই গুলি চালায়। তারা দুইজনই সেখান থেকে বাঁচার জন্য দুইজন দুইদিকে দৌড় লাগায়। তবে মেইন টার্গেট ছিল ইন্দ্রকে মেরে ফেলা।


☬ব্যক্তিগত মতামত:☬

এখানে অনেক কিছু বিষয় খোলসা হলো, সাহেবের দাদার উপরে গুলি চালালে সে পালাতে পালাতে পাহাড়ের উপর থেকে বড়ো একটা খাদের সামনে গিয়ে পড়ে যেখান থেকে সামনে বা পিছোনোর কোনো পথ নেই। এরপর সেখান থেকে সে পড়ে যায় নিচে কিন্তু সে বেঁচে আছে কিনা সেটাও এখনও একটা রহস্য রয়ে গেছে। শেরিংস বা যেকোনো কারো একটা স্বাভাবিক ধারণা থাকবে যে অতো উঁচু থেকে নিচে পড়ে গেলে বাঁচার সম্ভাবনা থাকে না। কিন্তু আবার মিরাক্কেল হতেও পারে যে সে বেঁচে আছে হয়তো। এখানে সম্পূর্ণার অফিসের বসও খুনিদের সাথে অতোপ্রতোভাবে জড়িত আছে, কারণ সেই ফোন করে আলীকে বলেছিলো যে সাহেব আর সম্পূর্ণাকে মেরে ফেলতে আর সাথে শেরিং এর খোঁজ পেলেও কারণ শেরিং নাকি তার অনেক ক্ষতি করেছে। যাইহোক সাহেব আর সম্পূর্ণা পরে শেরিংস-কে বলে আপনি এইভাবে ভয়ে ভয়ে আর কতদিন বাঁচবেন, আপনি যদি এখন আপনার টেকনিক্যাল এক্সপার্টকে কাজে না লাগান তাহলে এর থেকে কেউ বাঁচবো না। ইন্দ্রর মতোই সাহেবও জড়িয়ে পড়েছে তাই এখন আপনি সবকিছু ঠিক করতে পারেন ভয়কে দূরে ঠেলে দিয়ে।


☬ব্যক্তিগত রেটিং:☬
৯.৮/১০


☬ট্রেইলার লিঙ্ক:☬


শুভেচ্ছান্তে, @winkles


Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power

250 SP500 SP1000 SP2000 SP5000 SP

Heroism_3rd.png

Sort:  

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.

 3 years ago 

"ডার্ক ওয়েব' সিরিজের সপ্তম পর্ব রিভিউ পড়ে অনেক ভালো লাগলো দাদা। নতুন নতুন তথ্য সামনে চলে এলো। গত পর্বের শেষের অংশ পড়ে জানতে পেরেছিল ড্রাইভার সেলিম, সাহেব এবং সম্পূর্ণাকে খুনিদের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য চেষ্টা করেছে এবং অন্য জায়গায় সরিয়ে রাখেছে। এত কিছুর পেছনে সম্পূর্ণার বসের হাত ছিল এটা আগে জানা ছিল না দাদা। সম্পূর্ণার অফিসের বসও খুনিদের সাথে অতোপ্রতোভাবে জড়িত এটা বোঝাই যাচ্ছে। তাই তো তিনি নির্দেশ দিয়েছিলেন তাদের সবাইকে খুন করার জন্য। এমনকি শেরিংকে খুন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের প্রত্যেকের জীবন বেশ ঝুঁকির মধ্যে আছে। হয়তো তারা সবকিছু সামলে নেওয়ার চেষ্টা করছে। তাই তো শেরিংকে বোঝানোর চেষ্টা করছে যে এভাবে ভয়ে ভয়ে বাঁচার চেয়ে সব কিছু ঠিক করতে হবে এবং নিজের ভয়কে দূর করতে হবে। দেখা যাক পরবর্তী পর্বে কি হয়। পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষায় রইলাম দাদা।

 3 years ago 

দেখতে দেখতে ওয়েব সিরিজের সপ্তম পর্ব চলে আসলেন দাদা। আজকের পর্বের রিভিউ পড়ে বেশ ভালো লাগলো। যতই পর্ব যাচ্ছে ততই নতুন নতুন তথ্য বের হয়ে আসছে। এ ধরনের ফ্রিজ গুলো দেখতে কিন্তু আমার বেশ ভালো লাগে দাদা। আপনার রিভিউটি পড়ে তো দেখার আগ্রহ বেড়ে যাচ্ছে। ধন্যবাদ দাদা এত সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে রিভিউটি উপস্থাপন করার জন্য।

 3 years ago 

প্রিয় দাদা, আপনার ওয়েব সিরিজ এর রিভিউ করতে আমার খুবই ভালো লাগে।ডার্ক ওয়েব- শেরিংস কনফেশন-এর সপ্তম পর্বটি পড়তে সত্যি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। দাদা, আপনার আজকের এই ওয়েব সিরিজ রিভিউতে শেরিংস এবং ইন্দ্র এর ভূমিকাটি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। দারুন একটি ওয়েব সিরিজের রিভিউ শেয়ার করার জন্য প্রিয় দাদা আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

 3 years ago 

দাদা, ডার্ক ওয়েব সিরিজের এই পর্বে এসে আরও কিছুটা আর রহস্য খোলাসা হলো। বিশেষ করে এ পর্বে দেখছি সাহেবের দাদাকে গুলি করে দিল। গুলি করার পরে পালানোর কোন জায়গাও পেল না। আর তাই জন্য পাহাড় থেকে ঝাঁপ দিল। বেঁচে আছে কিনা সেটারও তো কোন ধারনা নেই। অন্যদিকে দেখছি সম্পূর্ণার অফিসের বস এই খুনের সাথে জড়িত রয়েছে। আবার দেখছি শেরিংকে খুন করার নির্দেশও দিয়েছে। আবার দেখছি ইন্দ্র এর মত সবকিছুর সাথে জড়িয়ে পড়েছে। আবার শেরিংকে ভয় দূর করার কথা বলছে। দেখা যাক পরবর্তী পর্বে কি হয়। পরবর্তী পর্ব দেখার অপেক্ষায় রইলাম।

 3 years ago 

এই পর্বে তো দেখছি সাহেবের দাদাকে দেখছি গুলি করে দিয়েছে। কিন্তু সে বেঁচে আছে কিনা এখনও তার সম্পর্কে কিছুই জানা গেল না। মিরাক্কেল হলেও হতে পারে। অবশ্য এই খুনের সাথে দেখছি সম্পূর্ণার অফিসের বস জড়িত। আবার দেখছি শেয়ারিং কে খুন করার নির্দেশ দিয়েছে। সাহেব আর সম্পূর্ণ দেখছি শেরিংকে বোঝাচ্ছে এখনো সময় আছে যদি টেকনিক্যাল এক্সপার্টকে কাজে না লাগান তাহলে সবাই বিপদে পড়বে। পরবর্তী পর্বে কি হবে তা দেখার অপেক্ষায় রইলাম।

 3 years ago 

ডার্ক ওয়েব সিরিজের সপ্তম পর্ব এসে অনেক কিছুই জানতে পারলাম দাদা। আসলে এসব কিছুর পেছনে দেখছি সম্পূর্ণর অফিসের বসের হাত রয়েছে এই বিষয়টা আসলে জানা ছিল না। আবার দেখছি সবাইকে খুন করার নির্দেশ দিয়েছে বিশেষ করে শেরিং কেউ খুন করার নির্দেশ দিয়েছে। আর এই জন্য সবার জীবন ঝুঁকিতেও রয়েছে। তারা সবাই অবশ্য শেয়ারিংকে বোঝানোর চেষ্টা করছিল যে এইভাবে ভয়ে ভয়ে না বেঁচে সবকিছু ঠিক করার চেষ্টা করতে। এই পর্বটা পড়ে অনেক বেশি ভালো লেগেছে। পরবর্তী পর্ব দেখার অপেক্ষায় রইলাম।

 3 years ago 

আজকের পর্বে জানতে পারলাম সাহেবের দাদার উপরে গুলি চালালে সে পালাতে পালাতে পাহাড়ের উপর থেকে বড়ো একটা খাদের সামনে গিয়ে পড়ে যেখান থেকে সামনে বা পিছোনোর কোনো পথ নেই। এরপর সেখান থেকে সে পড়ে যায় নিচে কিন্তু সে বেঁচে আছে কিনা সেটাও এখনও একটা রহস্য রয়ে গেছে। শেরিংস বা যেকোনো কারো একটা স্বাভাবিক ধারণা থাকবে যে অতো উঁচু থেকে নিচে পড়ে গেলে বাঁচার সম্ভাবনা থাকে না। কিন্তু আবার মিরাক্কেল হতেও পারে যে সে বেঁচে আছে হয়তো। আবার অন্যদিকে সম্পূর্ণার অফিসের বসও খুনিদের সাথে অতোপ্রতোভাবে জড়িত আছে, কারণ সেই ফোন করে আলীকে বলেছিলো যে সাহেব আর সম্পূর্ণাকে মেরে ফেলতে আর সাথে শেরিং এর খোঁজ পেলেও কারণ শেরিং নাকি তার অনেক ক্ষতি করেছে। সব মিলিয়ে আজকের পর্বটাতে অনেক তথ্যই প্রকাশ্যে এসেছে। ধন্যবাদ দাদা।

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.33
JST 0.102
BTC 65855.69
ETH 1930.19
USDT 1.00
SBD 0.38