খাসির কলিজা ভুনার রেসিপি
আসসালামুআলাইকুম সবাইকে।
আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি আলহামদুলিল্লাহ।
আজকে আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। আজকে আপনাদের সঙ্গে খাসির কলিজা ভুনা শেয়ার করবো। কলিজা ভুনা যে কোন কিছুর সঙ্গে খেতেই ভালো লাগে। বিশেষ করে পরোটা বা রুটির সঙ্গে খেতে বেশি ভালো লাগে। আর কলিজা ভুনার মধ্যে যদি এভাবে আলু দেওয়া যায় তাহলে তো স্বাদ আরও বেড়ে যায়। কলিজা আমাদের জন্য খুবই উপকারী। যাদের শরীরে রক্তের পরিমাণ কম তাদের ডাক্তার কলিজা খাওয়ার জন্য পরামর্শ দেয়। কলিজাতে রয়েছে ভিটামিন ডি, ভিটামিন ই এবং ভিটামিন এ।। শিশুদের ব্রেন ডেভেলপের জন্য কলিজা খুবই উপকারি। তাছাড়া চোখের স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য কলিজা বেশ উপকার করে। এজন্যই আমি বাসায় মাঝেমধ্যেই কলিজা খাওয়ার চেষ্টা করি। বিশেষ করে এভাবে আলু দিয়ে রান্না করি। এভাবে রান্না করলে খেতে বেশি ভালো লাগে আমার কাছে। আশা করি আপনাদের কাছেও ভালো লাগবে।
আলু-- ২ টি
পিঁয়াজ-- ৫টি
মরিচ-- ৩টি
আদা বাটা-- ১.৫ টেবিল চামচ
রসুন বাটা--১.৫ টেবিল চামচ
মরিচের গুঁড়া--২ চা চামচ
হলুদের গুড়া --২ চা চামচ
ধনিয়া গুড়া--১.৫ চা চামচ
জিরা গুড়া-- ১.৫ চা চামচ
গরম মসলার গুড়া-- ২ চা চামচ
লবণ-- পরিমাণমতো
সরিষার তেল--পরিমাণমতো
প্রথমে কলিজা গুলোকে গরম পানি দিয়ে ভালোমতো ধুয়ে পরিষ্কার করে নিয়েছি। তারপর চুলায় একটি ফ্রাইপ্যান বসিয়ে দিয়ে তার মধ্যে পরিমাণ মতো তেল দিয়েছি। তেল গরম হলে পিঁয়াজ এবং মরিচ কুচি দিয়ে দিয়েছি।পিঁয়াজ মরিচ একটু ভেঁজে নিয়ে বাটা মশলা দিয়ে দিয়েছি।
বাটা মসলাগুলো একটু কষিয়ে নিয়ে তারপর গুড়া মসলা গুলো দিয়ে দিয়েছি। তারপর সামান্য একটু পানি দিয়ে সবকিছু ভালোমতো বেশ কিছুক্ষণ কষিয়ে নিয়েছি। তারপর ধুয়ে রাখা কলিজা গুলো দিয়ে দিয়েছি।
কলিজাগুলো মসলার সঙ্গে মিশিয়ে বেশ কিছুক্ষণ কষিয়ে নিব। ভালোমতো কষানো হয়ে গেলে আলু দিয়ে দিব।
আলুগুলো দিয়ে সামান্য একটু পানি দিয়ে আবারো ভালোমতো কষিয়ে নিব।
এখন পরিমাণ মতো পানি দিয়ে দিব সবকিছু পুরোপুরি রান্না হওয়ার জন্য। তারপর জিরা গুঁড়া,গরম মসলার গুঁড়া দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ রান্না করবো।
ঝোল শুকিয়ে গেলে চুলা বন্ধ করে দিব।
এখন একটি বাটিতে পরিবেশনের জন্য উঠিয়ে নিয়েছি। এভাবে আমার রেসিপিটি তৈরি হয়ে গেল। আশা করি আপনাদের সকলের ভাল লেগেছে সময় নিয়ে আমার পোস্টটি দেখার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। পরবর্তীতে দেখা হবে আবার নতুন কিছু নিয়ে।
ধন্যবাদ
@tania
| Photographer | @tania |
|---|---|
| Phone | oppo reno5 |
| আমি তানিয়া তমা। আমি বাংলাদেশে থাকি। ঢাকায় বসবাস করি। আমি বিবাহিত। আমার দুটি ছেলে আছে। আমার শখ রান্না করা, শপিং করা, ঘুরে বেড়ানো। আমি বাংলায় কথা বলতে ভালোবাসি। আমি আমার বাংলাদেশকে ভালবাসি। |
|---|
VOTE @bangla.witness as witness OR SET @rme as your proxy
আপু আপনি আজকে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন খাসির কলিজা ভুনার রেসিপি। আপনার তৈরি রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে খেতে বেশ সুস্বাদু হবে আপু। এমনিতে আমি খাসির মাংস খেতে বেশ পছন্দ করি। ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর ভাবে রেসিপি তৈরি করে ধাপে ধাপে শেয়ার করার জন্য।
খাসির মাংস আমার খুবই ভালো লাগে খেতে। তাছাড়া খাসির রেজালার তো জুড়ি নেই। কেন যে আপনার পছন্দ না বুঝতে পারলাম না। যাই হোক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
শরীরে রক্তের পরিমাণ কম থাকলে কলিজা খাওয়া ভীষণ উপকারী। তবে দুঃখের বিষয় আমি ছোটবেলা থেকেই কলিজা একদম খেতে পারি না। যাইহোক আপু আপনার শেয়ার করা রেসিপি সম্পর্কে জানতে পারলাম। তবে আফসোস ছবিগুলো দেখতে পারলাম না।
কেন আপু ছবি তো দিয়ে দিয়েছি। কেন দেখতে পারলেন না বুঝতে পারলাম না। যাইহোক মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
সার্ভার সমস্যা ছিল আপু তাই জন্য তখন দেখতে পারিনি।
আমিও সেদিন দুটি খাসির কলিজা কিনে এনেছি যদিও আমার খাসির কলিজা খেতে খুব একটা ভালো লাগে না। তবে বাসায় ভুনা করার পর খেতে একদম খারাপ লাগেনি। আপনি খাসির কলিজা খুব সুন্দরভাবে ভুনা করেছেন। রান্নার ধাপগুলো ছবি এবং বর্ণনার মাধ্যমে উপস্থাপন করেছেন। রান্নার পরিবেশন খুব সুন্দর হয়েছে। ধন্যবাদ আপু।
আলু দিয়ে এভাবে ভুনা করলে কলিজা খেতে খুবই মজা লাগে। আমার তো খুবই পছন্দের খাবার। ধন্যবাদ ভাইয়া মন্তব্যের জন্য।।
আপনি ঠিক বলেছেন আপু যাদের রক্ত কম গায়ে তারা নিয়মিত ছাগলের কলিজা রান্না করে খেতে পারেন। রক্ত তৈরির জন্য এ জড়ি নেই। আপনি খুব সুন্দর করে ছাগলের কলিজা রান্না করেছেন। রান্নাটি দেখে বোঝা যাচ্ছে খেতে খুব সুস্বাদু হয়েছিল। তবে এই কলিজা শিশুদের জন্য সবথেকে বেশি উপকারী। ডাক্তার অনেক সময় বলে থাকেন আপনার সন্তানের জন্য ছাগলের কলিজা রান্না করে খাওয়াবেন। অনেক সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপু।
রান্নাটি দেখতে যেমন সুস্বাদু লাগছে খেতেও তেমন সুস্বাদু হয়েছিল ভাইয়া আপনিও বাসায় এভাবে রান্না করে খেয়ে দেখতে পারেন। ধন্যবাদ।
আপু, খাসির কলিজা ভুনা রেসিপি দেখে এত রাতেই তো প্রচন্ড খিদে পেয়ে গেল। এমনিতে আমার কাছে কলিজা ভুনা খেতে দারুন লাগে। আর এই কলিজার উপকারিতা কত বেশি তা আমরা সকলেই জানি। আপনি খুবই মজাদার করে আলু দিয়ে কলিজা ভুনা করেছেন। আপনার তৈরি এই রেসিপি দেখে বোঝা যাচ্ছে খেতে ভীষণ রকম স্বাদ হয়েছে। রন্ধন প্রণালীটি খুব সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন এজন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আপনার মত আমার কাছেও কলিজা ভুনা খেতে খুবই ভালো লাগে। এর জন্যই তো মাঝে মাঝে রান্না করা হয়। ধন্যবাদ ভাইয়া মন্তব্যের জন্য।
ঠিকই বলেছেন যাদের শরীরের রক্তের পরিমাণ কম রয়েছে তাদেরকে ডাক্তাররা বেশিরভাগ সময় কলিজা খাওয়ার জন্য বলে আর কলিজাতে ভিটামিন ডি, ভিটামিন ই এবং ভিটামিন এ রয়েছে। কলিজা আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী। আপনি কলিজা রান্না করেছেন খাসির দেখে তো আমার জিভে জল চলে এসেছে। খাসির কলিজা ভুনা খেতে আমি ভীষণ ভালোবাসি। খুবই সুস্বাদু হয়েছিল দেখেই বুঝতে পারছি। বেশ মজা করে খাওয়া হয়েছিল মনে হয়।
কলিজাতে অনেক পুষ্টিগুণ রয়েছে জন্যই মাঝেমধ্যে বাসায় রান্না করা হয়। বাচ্চাদের জন্য বিশেষ করে বেশি খাওয়া হয়। ধন্যবাদ ভাইয়া মন্তব্যের জন্য।
ওয়াও অসাধারণ আপনি খুব সুন্দর করে খাসির কলিজা ভুনার রেসিপি করেছেন। তবে আপনি ঠিক বলেছেন খাসির কলিজার মধ্যে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন আছে। যা আমাদের শরীরের জন্য খেলে অনেক উপকার হয়। তবে এভাবে কলিজা ভুনা দিয়ে পরোটা এবং রুটি খেতে অনেক মজাই লাগে। সত্যি বলতো আপনার রেসিপির কালার দেখে বোঝা যাচ্ছে খেতে অনেক মজাই হয়েছে। অনেক সুন্দর করে রেসিপিটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া এভাবে কলিজা ভুনা করলে পরোটার সঙ্গে খেতে খুবই ভালো লাগে। ধন্যবাদ ভাইয়া গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য।
আমার কাছে খাসির কলিজা ভুনা খেতে অনেক ভালো লাগে। কলিজা ভুনা দিয়ে যেকোন জিনিস খাওয়া যায়। বিশেষ করে রুটি খেতে আমার কাছে বেশি ভালো লাগে। সত্যি বলতে আপনার রেসিপি দেখে আমার জিভে জল এসে গেল। তবে ঠিক বলেছেন এই ধরনের কলিজা ভুনা সাথে আলু দিলে খেতে অনেক মজাই হয়। আপনার রেসিপি দেখে বোঝা যাচ্ছে খেতে অনেক মজাই হয়েছে। এবং রেসিপিটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।
ঠিক বলেছেন আপু এরকম কলিজা ভুনার সঙ্গে আলু দিলে খেতে আরো বেশি সুস্বাদু হয়। এজন্যই তো আলু দিয়েই রান্না করি। ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
আমার মাকেও ঠিক একইভাবে আলু দিয়ে এরকম ডুমো ডুমো করে কেটে খাসির মাংসের মেটে চচ্চড়ি করতে দেখি। আপনারা এটাকে কলিজা বলেন। আমরা এটাকে মেটে বলি। সে নাম যাই হোক না কেন, রান্নার ধরন প্রায় একই।সুতরাং খেতে যে কতটা সুস্বাদু হয় সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এটা জিভে জল আনার রেসিপি শেয়ার করেছেন।আমার ভাই মেটে অত পছন্দ করে না। বলে গলায় আটকে যায়। কিন্তু আমি আবার মাংসর চেয়েও মেটে বেশি পছন্দ করি।
আমাদেরও অনেকে এটিকে মেটে বলে। ওই একই হইল কলিজা আর মেটে। যাই হোক খেতে সুস্বাদু হলেই হল। ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।