এলোমেলো আলোকচিত্র #১৫
| হ্যালো বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালো আছেন। সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি। |
|---|
আজকে আপনাদের সাথে কিছু এলোমেলো আলোকচিত্র শেয়ার করবো। আজকের আলোকচিত্রগুলি কি কি আছে দেখে নেওয়া যাক তাহলে।
![]() |
|---|
Photo by @winkles
![]() |
|---|
Photo by @winkles
এটি ভেজ মাঞ্চুরিয়ান। এই খাবারটি খেতে অনেক সুস্বাদু, এটি আমাদের পাড়ার একটি রেস্টুরেন্ট থেকে খেয়েছিলাম। এই ভেজ মাঞ্চুরিয়ান খাবারটি সম্পূর্ণ ভেজ দিয়ে তৈরি করলেও দেখতে কিন্তু নন-ভেজের মতো দেখায়। আমিও এটি খাওয়ার আগে মনে করেছিলাম যে চিকেন দিয়েছে নাকি কিজানি। চিকেন থাকলে সেটা অবশ্যই স্বাদের হয়ে থাকে। তবে ভেজের সাথে এটি এমনভাবে তৈরি করা, যে চিকেনের কথা মনে হবে না, ভেজটাই যথেষ্ট। তবে এতে একটু অতিরিক্ত পেঁয়াজ দেওয়া থাকে, এটাই সমস্যা। তবে এই ভেজ মাঞ্চুরিয়ান বিভিন্ন ভাবে তৈরি করেও খাওয়া যায়।
ক্যামেরা: স্যামসুং গ্যালাক্সি M33 5G
লোকেশন: কলকাতা
তারিখ: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৩
![]() |
|---|
Photo by @winkles
![]() |
|---|
Photo by @winkles
এটি একটি অনুষ্ঠানের জায়গা থেকে তুলেছিলাম। খাবারের জায়গায় বসে বসে আর কতক্ষন না খেয়ে থাকা যায়। আমি যদিও এই ডায়েট কন্ট্রোলের জন্য আর তেমন কিছুই ভালোভাবে খেতে পারিনা, কিন্তু এইসব কাবাব সামনে থাকলে আর না খেয়ে পারা যায় না। এক প্লেটের মতো কাবাব নিয়েছিলাম, তবে হরিয়ালি চিকেন কাবাবটা নিয়েছিলাম, এইটা আমার কাছে বেশ ভালো লাগে খেতে।
ক্যামেরা: স্যামসুং গ্যালাক্সি M33 5G
লোকেশন: কলকাতা
তারিখ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩
![]() |
|---|
Photo by @winkles
![]() |
|---|
Photo by @winkles
এইটা একটা স্টেশনের থেকে তুলেছিলাম। আসলে আমাদের এদিকেও কয়েকদিন ধরে এতো টানা বৃষ্টি হয়েছে যে বাড়ির থেকে বেরোনো যায়নি, আর বাড়িতে এক টানা থেকে থেকে একটা অস্বস্তি বোধ হচ্ছিলো, তাই গতকাল সন্ধ্যার দিকে একটু গিয়েছিলাম স্টেশনের দিকে। চা খেতে খেতে কোনো কাজ পাচ্ছিলাম না তাই কয়েকটা ছবি তুলে নিয়েছিলাম। আমাদের এখানে স্টেশন চত্বরে লোকজনের বেশি খামখেয়ালি দেখা যায় সবসময়, ব্রিজ ছাড়া শুধু রেল লাইনের মাঝ দিয়ে পারাপার করে, আর এতেই বেশি এখানে দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। আমাদের এখানে স্টেশনে একটা ভালো সুবিধা করে দিয়েছে চলন্ত সিঁড়ির, ফলে আর কষ্ট করে সিঁড়িও ভাঙা লাগে না।
ক্যামেরা: স্যামসুং গ্যালাক্সি M33 5G
লোকেশন: কলকাতা
তারিখ: ৬ অক্টোবর ২০২৩
![]() |
|---|
Photo by @winkles
এই ছবিটাও তুলেছিলাম চা খেতে খেতে। এখানে এই লোকটার কাছ থেকে মাঝে মাঝে কলা বা ফল টুকিটাকি কিনে নিয়ে যাই, বেশ ভালো হয় ফলগুলো। এদের কাছে জিনিস ভালো পাওয়া যায় আর একটু স্বস্তাও থাকে, এই একটা ব্যাপার।
ক্যামেরা: স্যামসুং গ্যালাক্সি M33 5G
লোকেশন: কলকাতা
তারিখ: ৬ অক্টোবর ২০২৩
![]() |
|---|
Photo by @winkles
এখানে এটি কিন্তু একটা প্যান্ডেল তৈরি হচ্ছে। কিছুদিন পরে আমাদের এখানে দুর্গাপুজো আসছে আর তারই জন্য প্যান্ডেলের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। যদিও এই পাড়াটায় কোনো বছরই দুর্গাপুজোর প্যান্ডেল তেমন ভালো করে না, তবে কালী পুজোতে মোটামুটি বেশ ভালো ডিজাইন করে ছোটোখাটোর মধ্যে। এটা কিন্তু তেমন বেশি একটা এখন সাজাবেই না, অর্ধেক করে রেখে দেবে আর দূর্গা পুজোর কয়েকদিন প্রতিমা এনে অঞ্জলি দেওয়ার মতো ব্যবস্থা করবে। আসলে প্রতিবছর তাইই করে থাকে, তবে এবার কি করবে সেটা সময় না আসা পর্যন্ত বলা যাচ্ছে না।
ক্যামেরা: স্যামসুং গ্যালাক্সি M33 5G
লোকেশন: কলকাতা
তারিখ: ৬ অক্টোবর ২০২৩
শুভেচ্ছান্তে, @winkles
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |










বাহ্! চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন দাদা। ভেজ মাঞ্চুরিয়ান দেখতে বেশ লোভনীয় লাগছে। আসলে ওভার ব্রীজ থাকলেও কিছু কিছু মানুষ রেললাইন বা রাস্তা দিয়ে পারাপার হয়। এতটা ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও মানুষ এমনটা কেনো করে সেটা বুঝি না। হরিয়ালি চিকেন কাবাব আমার খুব পছন্দ। ডায়েট করা অবস্থায় এক প্লেট কাবাব খেয়ে ফেলেছেন দাদা, ডায়েট না করলে যে কি হতো সেটাই ভাবছি 😂। যাইহোক পোস্টটি দেখে খুব ভালো লাগলো দাদা। শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
ভেজ মাঞ্চুরিয়ান কখনো খাওয়া হয়নি।তবে চিকেনসহ যেটা করা হয় সেটা খেয়েছিলাম। ফ্রাইড রাইসের সাথে খেতে বেশ ভালই লাগে। স্টেশনে মানুষেরা রেল লাইনের উপর দিয়ে পারাপার করাটা অনেক বেশি রিস্কি। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তবে যেহেতু চলন্ত সিঁড়ি দিয়েছে সেক্ষেত্রে মানুষের কষ্ট কমে গিয়েছে। এতে করে দুর্ঘটনা কমে যাবে এবং মানুষ ব্রিজ ব্যবহার করেই রাস্তা পারাপার হবে। ফলওয়ালা থেকে মাঝে মাঝে ফল কিনে থাকেন, সেজন্যই হয়তোবা সে ভালো ফল গুলো দিয়ে থাকে। আমিও চেষ্টা করি কয়েকজন পরিচিত মানুষদের কাছ থেকে ফলমূল কেনার। কারণ পরিচিত হলে অবশ্যই ভালো কিছু পাওয়া যায়। সবগুলো ফটোগ্রাফি দারুন লেগেছে দাদা।
ভেজ মাঞ্চুরিয়ান কখনো খাওয়া হয়নি। আপনার পোষ্টের মাধ্যমে আজ নতুন একটি খাবার সম্পর্কে জানলাম। ঠিক বলেছেন দাদা, খাবারের জায়গায় বসে বেশিক্ষণ না খেয়ে থাকাটা কষ্টকর। আর কাবাব থাকলে তো লোভ সামলানো মুশকিল। আমাদের এদিকেও টানা বৃষ্টি হয়েছে গত দুইদিন। আপনার করা স্টেশনের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে ভালো লাগলো। প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফি অসাধারণ ছিল দাদা। ধন্যবাদ আপনাকে আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
আপনাদের ওখানে দেখছি বেশ ভালো মতোই দুর্গাপূজার তোরজোর শুরু হয়ে গেছে। দেখে ভালো লাগলো। আর হ্যা, এমন ভ্যানের থেকে ফল কিনলে কমে পাওয়া যায় আর এমন কম লাভে খেটে খাওয়া মানুষরাও কিছুটা উপকৃত হয়।
ডায়েট করা অবস্থায় এক প্লেটের মতো কাবাব নিয়েছিলেন এটা একদম কম হয়ে গেল না দাদা 🤭। ডায়েট করার সময় তো খাবারের প্রতি আগ্রহ আরো বেড়ে যায় 😅। আমরা বাঙালিরা কাবাব খেতে অনেক পছন্দ করি। আর মজার মজার কাবাব হলে তো কথাই নেই। ভেজ মাঞ্চুরিয়ান দেখতে খুবই লোভনীয় লাগছে দাদা। সাথে চিকেন হলেও মন্দ হতো না। খুবই লোভনীয় লাগছে খাবারের ছবি। আর স্টেশনের রেললাইন গুলোর উপর দিয়ে চলাচল করা সত্যি অনেক বিপদজনক। কিন্তু অনেকে আছে অসচেতন ভাবে চলাফেরা করে। তাই তো দুর্ঘটনা অনেক বেড়ে যায়। দুর্ঘটনা এড়াতে এই বিষয়গুলোর প্রতি দৃষ্টি রাখা উচিত এবং সবাইকে আরো বেশি সচেতন হওয়া উচিত। আসলে বিপদ হওয়ার পর সচেতন হয়ে কোন লাভ নেই। আগে থেকে সচেতন হওয়া উচিত। পূজা প্যান্ডেল সাজানো হচ্ছে দেখে অনেক ভালো লাগলো দাদা। পূজো ছোট পরিসরে হোক কিংবা বড় আনন্দটাই হচ্ছে মুখ্য বিষয়। বিভিন্ন সময়ের করা ফটোগ্রাফি গুলো দেখে অনেক ভালো লাগলো দাদা।
আপনাদের কাছে এটা একটা আনন্দদায়ক মূহুর্ত যে পূজার প্যান্ডেল তৈরি হচ্ছে। ভেজ মাঞ্চুরিয়ান টা দেখে বেশ লোভনীয় লাগছে দাদা। এটা আগে কখনো দেখিনি। সন্ধ্যায় চা খেতে গিয়ে স্টেশনের ছবিটাও বেশ চমৎকার তুলেছেন। সবমিলিয়ে দারুণ ছিল আপনার আলোকচিত্র গুলো।।
সব জায়গায় একই অবস্থা ট্রেন লাইন দিয়ে পার হওয়া। জীবনের মায়া নেই মনে হয়! বেশ সুন্দর হয়েছে আপনার ফটোগ্রাফি গুলো। ধন্যবাদ দাদা।
দাদা ভেজ মাঞ্চুরিয়ান এ আবার পেয়াজ কেন? আমাদের এখানেও টানা বৃষ্টি চলতেছে।বাইরে বের হবার জো নেই। ছবিগুলো অনেক সুন্দর হয়েছে।ছবির পেছনের গল্পগুলোও সুন্দর। ধন্যবাদ দাদা সুন্দর ফটোগ্রাফ গুলো শেয়ার করার জন্য।
সত্যি দারুন এলোমেলো ফটোগ্রাফি নিয়ে আজকে আপনি আমাদের মাঝে একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন যেখানে রেসিপি রয়েছে হয়েছে রেস্টুরেন্ট রয়েছে রেল লাইন এছাড়াও রয়েছে ভালো লাগার মত অনেক ফটোগ্রাফি। সমস্ত ফটোগ্রাফি গুলো দেখে আমি অনেক খুশি হয়েছি। আরো খুশি হয়েছি পাশের বর্ণনা গুলো পড়ে অনেক কিছু জানে।