"গ্যাংটকের ম্যালে কিছু ফুলের সমারোহ"
বন্ধুরা
আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি, আপনারা সবাই ভালো আছেন। আমি প্রতিদিন যে উৎসাহ উদ্দীপনা ও ভালোবাসা নিয়ে আপনাদের সাথে কিছু শেয়ার করতে আছি। আজ এ গুলো কিছুই নেই। তারপর ও কিসের টানে আবার চলে আসছি জানিনা। হয়তো বা এটাই ভালোবাসা। "আমার বাংলা ব্লগ" আমি একটা পরিবার মনে করি। যদিও আমি আপনাদের সাথে থাকতে পারি না। তারপরও আমি অনেকটা ভালোবাসি এই কমিউনিটিকে। এখানের প্রতিটা অ্যাডমিন ও মডারেটর সহ সকল সদস্যদের আমার পরিবার মনে করি। কিন্তু আমার থেকে অনেক বেশি ভালোবাসে আপনাদের আমার প্রিয় মানুষটি। সে আপনাদের জন্য রাতের পর রাত জেগে সে কাজ করে যাচ্ছে। আমি অনেকবার বলেছি কয়েকটা দিন ছুটি নিয়ে নেও। কিন্তু সে শুধু বলছে না আমি ছুটি নিলে হবে না। আমাকে শুধু বুঝিয়ে গেছে দিনের পর দিন। এমন কি সে যখন অসুস্থ হয়েছে তখনও সে নিয়মিত কাজ চালিয়ে গেছে।আমি তার সব কিছুর সাক্ষী। আজ সে কতটা
কষ্ট পেয়েছে তা আমি জানি। তার স্বপ্নের "আমার বাংলা ব্লগ" সেখানে কি পরিবেশ আজ। কার ও মনে কোন আনন্দ নেই। জীবনে টাকাই কি সব?
এমনকি ঘুরতে গিয়ে ও সারাদিন আমার সাথে ঘুরে রাতে ফিরে আমি ঘুমালে সারারাত জেগে কাজ করেছে। আবার সে সকাল হলে ঘুরতে বেরিয়েছে। আমি পাশে থেকে মুখ বুঝে শুধু দেখেছি। কিন্তু ও টের পেত না। ও ভাবতো আমি ঘুমাচ্ছি। কিন্তু এ গুলো সে কেনো করতো শুধু মাত্র আপনাদের ভালোবাসার জন্য। আজ যখন এত বাজে কথা তাকে শুনতে হয়েছে। তো আমি মেনে নিতে পারছি না। আমি সব কিছু সহ্য করতে পারি কিন্তু ওর অপমান আমি মানতে পারি না। এত বাজে কথা সে শুনার পর ও সে আমাকে শান্ত হওয়ার জন্য বুঝিয়ে যাচ্ছে। কি অদ্ভুত মানুষ। যাই হোক ও সব কথা বাদ দেওয়া ভালো। পৃথিবীতে সব মানুষ এক না। ভালো মানুষের থেকে শয়তান রুপি মানুষই বেশি। আজ ওই অমানুষের কর্মের জন্য ফল ভোগ করছে সবাই।
এরআগে গ্যাংটক ম্যালের ফটোগ্রাফি আমার প্রিয় মানুষটির পোস্টের মাধ্যমে দেখেছেন। আমি এবার ঘুরতে গিয়ে খুব কম ছবি তুলেছি। সেখান থেকেই কিছু কিছু আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। আমরা ১৩ তারিখ গ্যাংটক পৌঁছায় হোটেলে ঘণ্টা খানেক রেস্ট নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম ম্যালের উদ্দেশ্যে। ম্যালে গিয়ে ও দেখি অনেক ফুল।তাই আর কোনদিক চোখ গেলো না। আমার ছবি তোলা দেখে আমার প্রিয় মানুষটি বলে - তুমি সেই কলকাতা থেকে এত দূর এসেছো শুধু ফুল দেখতে।তুমি কি ফুল ছাড়া কিছু দেখতে পাও না। আসলে যার যেটা ভালো লাগে। আমি আর কোন কথায় কান দিলাম না, শুধু হেসে উড়িয়ে দিলাম। আমার দুর্বল পয়েন্ট হলো ফুল। চলুন ফুলের রাজ্যে ফিরে যাই।
কত সুন্দর ফুলে ফুলে আছে গাছ গুলো।বিভিন্ন রঙের চন্দ্রমল্লিকা ফুলে ভরে আছে গাছ গুলো।
দিদিভাই লেখার মত কোন শব্দ নেই, বলার মত হয়তো কোন ভাষা নেই। মানুষ এমন ভাবেও নোংরামি করতে পারে কি করে! তবে ঈশ্বর বলেছেন তো মিষ্টি বড়োই গাছেই বেশ ঢিল ছুড়ে মারে সবাই। দাদাকে নিয়ে নতুন করে বলার মত কিছু নেই আমার। আজ অনেক লম্বা সময় ধরে সবটা দেখে আসছি। আমি শুধু বলবো, একটা ভালো কাজের পিছনে অনেকে আসবে এমন বাঁধা দিতে। চারদিকে চোখ কান খোলা রেখে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।
আর ফুলের ছবি গুলো খুব ভালো লাগলো। সত্যি বলতে শীতকালে চন্দ্রমল্লিকা যেন তার রূপের পসরা নিয়ে হাজির হয়ে যায় আমাদের সকলের কাছে। মুগ্ধ করে দেওয়ার মত সৌন্দর্য্য পুরোই।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
একদম ঠিক বলেছেন বৌদি,পৃথিবীতে ভালো মানুষের চেয়ে শয়তান রুপি মানুষের সংখ্যাই বেশি।কিন্তু ভালো মানুষ না থাকলে পৃথিবীটা এতদিনে ধ্বংস হয়ে যেত।তাই তো এখনও আমরা সুন্দর পৃথিবীটা দেখতে পাচ্ছি।দাদা আমাদের জন্য অনেক কষ্ট করে সেটা আমরা জানি।এত ব্যস্ততার মাঝেও কখনো ছুটি নেন না।এসব ভালোবাসার জন্যই সম্ভব।আজকে একজনের জন্য পুরো পরিবেশটাই কেমন হয়ে গিয়েছে আসলে।তবে আশা করছি খুব তাড়াতাড়ি সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে।চিন্তা করবেননা ।আপনার গ্যাংটক থেকে তোলা ফুলের ফটোগ্রাফি গুলো খুব সুন্দর লাগছে বৌদি।ধন্যবাদ পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
ফুলের ফটোগ্রাফি নিয়ে আপনাকে নতুন করে তো আর কিছু বলার নেই দিদি।আপনার ফুলের প্রতি টান,দুর্বলতা সবই আমার বাংলা ব্লগ প্রত্যেক সদস্যরা জানে।তাই এই বিষয় নিয়ে আমি আর কিছু বলছিনা।
যে বিষয়টি বলার তা হলো,আমাদের চার পাশে অনেক রকম মানুষ মিলেমিশে থাকে।তাদের মধ্য অধিকাংশই হয়তো মুখোষধারী।তাঁদের থেকে অনেক সময়ই আমরা বিভিন্ন ভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে থাকি,যা যা আমাদের মধ্যে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করে।আমাদের কিন্তু এখানেই থেমে গেল হবে না,বা তাদের নিয়েই ভাবতে থাকলে হবেনা।সেগুলো আমাদের সাময়িকভাবে গ্রহণ করতে হবে,সেখান থেকে শিক্ষা নিতে হবে এবং অতঃপর তাদের অতিক্রম করে আমাদের স্বাভাবিক জীবনে এগিয়ে যেতে হবে ।
সবসময় মনে রাখতে হবে,তারা ছাড়াও আমাদের জীবনে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ মানুষ আছে,তাদের ভুলে গেলে বা ভুল বুঝলে চলবে না।চেষ্টা করতে হবে তাদের নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার।আসলে মুভঅন টা আমাদের প্রত্যেকের জীবনে খুবই জরুরী, জীবন কারোর জন্য থেমে থাকে না।
দাদার অপমান আমরাও সহ্য করতে পারিনা! একটা মানুষ আমাদের জন্য এতো কিছু করছে, বিনিময়ে তাকে কি দিলাম আমরা! অপমান? ঘটনাটা শুনার পর আমার খুব খারাপ লেগেছিল। আসলে আমাদের চারপাশে দিদি কিছু মানুষরূপী জানোয়ার থাকবেই! একটি পরিবারের পরিবেশ নষ্ট করতে চাইবে। যাক, আমরা সবাই আছি দাদার সাথে, অদূর ভবিষ্যৎ ও পাশে থাকবো! দাদাকে আমি অনেক ভালোবাসি 🌼🦋। যাক, আপনার গ্যাংটাকে ঘুরার ফুলের ফটোগ্রাফিগুলো সুন্দর হয়েছে খুব দিদি।
আমার বাংলা ব্লগ আমাদের পরিবার। আর আপনি এবং আমাদের দাদা হল এই পরিবারের প্রাণ ভোমরা। আপনারা আমাদের পাশে আছেন বলেই আমরা সুন্দর একটি পরিবার পেয়েছি। কিন্তু যারা আপনাদের বিরুদ্ধে কথা বলে এবং আপনার প্রিয় মানুষটিকে অপমান করে কথা বলে তাদের মনুষ্যত্ব বলতে কিছুই নেই। যে মানুষটি আমাদের জন্য এত কিছু করছে তার বিরুদ্ধে কথা বলা সত্যি মনুষত্বহীন মানুষের কাজ। যাইহোক বৌদি আপনার শেয়ার করা ফটোগ্রাফি গুলো অনেক সুন্দর হয়েছে।
ঠিক বলেছেন বৌদি দাদা আমাদের কে ভীষণ ভালোবাসে এবং কমিউনিটিকে। আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটির সবাই আমরা এক পরিবার। ঠিক বলেছেন দাদা ভীষণ কষ্ট পেয়েছে। আমরাও সবাই ভীষণ কষ্ট পেয়েছি। বৌদি আমি আপনার কষ্ট বুঝতে পারছি কারন প্রিয় মানুষের অপমান কোন ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। কিছু খারাপ মানুষের কারনে আজকে সবাই আমরা ভীষণ কষ্ট পাচ্ছি। দোয়া করি সব কিছু যেনো আগের মতো ঠিক হয়ে যায়। আসলে আমি আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে কাজ করে যে ভালোবাসা পেয়েছি সেটা কখনো টাকা দিয়ে পাওয়া যাবে না। বৌদি আপনার পুরো পরিবারের জন্য শুভ কামনা রইলো 🤲
আসলে দাদার মতো ভালো অভিভাবক পাওয়া সম্ভব নয়। তিনি অসুস্থ থাকার পরও কোনদিন কাজের গাফিলতি করেননি। সব সময় তিনি আমাদের জন্য কাজ করে গিয়েছেন।
দারুন কিছু শীতকালের ফটোগ্রাফি আজকে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন বৌদি। আসলেই শীতকালে দারুন দারুন ফুল দেখতে পাওয়া যায়।
আসলে কি বলবো বৌদি, ভালো মানুষের পিছনে শয়তান লেগে থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। আসলে আমাদের মাথার উপর ছায়ার মত দাদাকে অপমান করলে আমাদের খুব খারাপ লাগে।যে দিন থেকে এই পরিবারে কাজ করছি ঐদিন থেকে আস্তে আস্তে এই পরিবারকে আপন মনে হয়েছে।
যাই হোক এই রকম ফুলের রাজ্য থাকলে আর কি লাগে। সবগুলো ছবি বেশ সুন্দর। ধন্যবাদ
এখানে তো দেখছি সবই ফুল। আর শেষের ফুল টা আমার খুব প্রিয়, যে পান্ডা দেখাচ্ছে। সত্যিই শিশু আর ফুলে কোন তফাৎ নেই। আর আপনি যে ফুলের ছবিগুলো তুলেছেন তার অনেকগুলোই নাম জানিনা। কিন্তু ফুল নাম জানা হোক বা অজানা তা সুন্দরই থাকে।
সত্যি বলতে ভেবেছিলাম, যা হয়েছে সেটা নিয়ে আর কথা তুলবো না। কিন্তু বৌদি সত্যি আপন মানুষ বিশেষ করে নিজের স্বামীর সম্পর্কে, পরিবারের সম্পর্কে কোন খারাপ কথা শুনলে কোন মেয়েই হয়তো চুপ থাকতে পারে না। আপনি চিন্তা করবেন না বৌদি। সব ঠিক হয়ে যাবে। আর আমরা একসাথেই থাকবো। দাদাকে অপমান করলে আমাদেরও সহ্য হবে না। আর দাদা যে কতটা পরিশ্রম করে আমাদের জন্য, সেটা তো আপনার লেখার মাধ্যমে বুঝতে পারলাম। আর এর আগেও দাদার মুখে শুনেছি হ্যাংআউটে।