"বেগুন দিয়ে বড় আমুদি মাছের ঝোল রেসিপি"
নমস্কার
বেগুন দিয়ে বড় আমুদি মাছের ঝোল রেসিপি:
আসলে বাঙালির দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় ছোট মাছের একটি পদ অত্যন্ত জনপ্রিয়।আর ছোট মাছ খেতে কমবেশি সকলেই পছন্দ করেন, কারন এটা বেশ মুখরোচক হয়ে থাকে।তাই আজ একটি ঝোল রেসিপি পোষ্ট নিয়ে হাজির হয়েই গেলাম।তো তৈরি করে ফেললাম বেগুন দিয়ে বড় আমুদি মাছের ঝোল রেসিপি। আমুদি মাছের কিন্তু অনেক প্রকার রয়েছে।যেমন--সাদা,লাল কিংবা হলুদ জাতের আমুদি।ছোট জাতের আমুদিগুলি বাজারে বেশি বিক্রি হয় এবং পাওয়া যায়।কিন্তু আজ আমি বড় জাতের আমুদি মাছের রেসিপি শেয়ার করবো।এটা খেতে বরাবরই টেস্টি।এই আমুদি মাছগুলো দেখতে অনেকটা তপসে মাছ কিংবা পাবদা মাছের মতোই দেখতে লাগে।আশা করি এই রেসিপিটি ভালো লাগবে আপনাদের কাছেও।তো কথা না বাড়িয়ে চলুন রেসিপিটি শুরু করা যাক----
উপকরণসমূহ:
2.বেগুন-3 টি
3.কাঁচা মরিচ - 7 টি
4.লবণ- 1 টেবিল চামচ
5.হলুদ-1/2 টেবিল চামচ
6.লাল মরিচ গুঁড়া-1/2 টেবিল চামচ
7.পাঁচফোড়ন-1/3 টেবিল চামচ
8.পেঁয়াজ কুচি-2টি
9.জিরে বাটা-1 টেবিল চামচ
10.শুকনো মরিচ,আদা ও রসুন বাটা- 1 টেবিল চামচ
11.সরিষার তেল- 100 গ্রাম
12.জল
প্রস্তুত-প্রণালী:
ধাপঃ 1
প্রথমে আমি মাছগুলোর আশ ছাড়িয়ে ভালোভাবে কেটে নিলাম।এরপর জল দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিলাম।
ধাপঃ 2
তারপর পরিমাণ মতো লবণ ও হলুদ মিশিয়ে নিলাম।এতে লবণের পরিমাণ কম দিতে হবে কারন সামুদ্রিক মাছে লবণ দেওয়া থাকে।
ধাপঃ 3
এবারে মিডিয়াম আঁচে একটি পরিষ্কার কড়াই বসিয়ে দেব চুলায়।তারপর সরিষার তেল দিয়ে হালকা গরম করে মাছগুলো দিয়ে দেব।
ধাপঃ 4
এখন উল্টেপাল্টে মাছগুলো বাদামি রঙের করে ভেজে নেব।তারপর একটি পাত্রে তুলে নিলাম।
ধাপঃ 5
ধাপঃ 6
এবারে বেগুনগুলি লম্বা ফালি করে কেটে ধুয়ে নিলাম জল দিয়ে ভালোভাবে।
ধাপঃ 7
এখন কড়াইতে হালকা তেল দিয়ে বেগুনগুলি দিয়ে দিলাম।
ধাপঃ 8
এরপর পরিমাণ মতো লবণ ও হলুদ দিয়ে দিলাম বেগুনের মধ্যে।
ধাপঃ 9
এবারে কাঁচা মরিচ দিয়ে দিলাম বেগুনের মধ্যে।
ধাপঃ 10
এখন পরিমাণ মতো জল দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রেখে দেব।
ধাপঃ 11
এবারে বেগুন সেদ্ধ হয়ে গেলে তার মধ্যে ভেজে রাখা আমুদি মাছ দিয়ে দিলাম।
ধাপঃ 12
এখন পুনরায় কড়াইতে তেল দিয়ে পেঁয়াজ কুচি ও পাঁচফোড়ন দিয়ে দিলাম।
ধাপঃ 13
এরপর জিরে বাটা,আদা বাটাসহ সব মসলা দিয়ে দিলাম পেঁয়াজ ভাজির মধ্যে।
ধাপঃ 14
এখন তরকারীটি ঢেলে দিলাম ভেজে নেওয়া মসলার মধ্যে।
ধাপঃ 15
এবারে তরকারিতে ছোট ছোট বলক চলে আসলে নামিয়ে নিতে হবে।
শেষ ধাপঃ
সবশেষে কড়াই থেকে নামিয়ে নিলাম একটি পাত্রে তরকারি।
পরিবেশন:
তো তৈরি করা হয়ে গেল আমার বেগুন দিয়ে বড় আমুদি মাছের ঝোল রেসিপি।এখন এটি গরম গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করতে হবে।এটি খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছিল।
পোষ্ট বিবরণ:
| শ্রেণী | রেসিপি |
|---|---|
| ডিভাইস | poco m2 |
| অভিবাদন্তে | @green015 |
| লোকেশন | বর্ধমান |
| আমার পরিচয় |
|---|
আপনার পোষ্টের মাধ্যমে মনে হচ্ছে এই মাছের সাথে প্রথমবার পরিচিত হলাম।
তবে আপনার প্রস্তুত করার রেসিপি বেশি লোভনীয়।
বিশেষ করে ভাজি করা মাছগুলো দেখে তো লোভ সামলানো যাচ্ছে না।
পুরো রেসিপিটি বেশ সুন্দরভাবে ফটোগ্রাফি করে ফটোগ্রাফি গুলো শেয়ার করেছেন নিশ্চয়ই খুব সুস্বাদু ছিল খেতে।
আসলেই মাছগুলি লোভনীয় ও সুস্বাদু ভাইয়া।ধন্যবাদ আপনার মতামত প্রকাশ করার জন্য।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
Thanks.
আমুদি মাছ দেখতে তো খুব সুন্দর। তবে আমুদি মাছ কখনো খাওয়া হয়নি আমার। যাইহোক বেশ মজাদার একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন আপু। বেগুন এবং মাছ দিয়ে এমন রেসিপি তৈরি করলে খেতে দারুণ লাগে। পাবদা মাছ এবং বেগুন দিয়ে এমন রেসিপি তৈরি করে মাঝেমধ্যে বাসায় খাওয়া হয়। যাইহোক এতো মজাদার একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
হ্যাঁ ভাইয়া, আমুদি দেখতে খুবই সুন্দর কিছুটা তপসে মাছের মতোই দেখতে।ধন্যবাদ আপনাকে।
দিদি আপনি এত সুন্দর ভাবে আমুদি মাছকে সাজিয়েছেন দেখে মনে হচ্ছে ফুল সাজিয়েছেন। এই মাছ কখনও দেখা হয়নি আর খাওয়াও হয়নি। তবে বেগুন দিয়ে যেকোনো মাছ রান্না করলে খেতে খুবই সুস্বাদু লাগে। আপনার রেসিপি দেখেই বুঝা যাচ্ছে খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছিল। ধাপগুলো খুব সুন্দর ভাবে বর্ণনা করেছেন। আপনার উপস্থাপনাও খুব সুন্দর হয়েছে। ধন্যবাদ মজাদার রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
আসলেই বেগুন দিয়ে যেকোনো ধরনের মাছ খেতে মজা হয়, আপনার সুন্দর অনুভূতি প্রকাশ করার জন্য ধন্যবাদ আপু।
বেগুন দিয়ে বড় আমুদি মাছের ঝোল রেসিপি তৈরি করে আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন আপু। আপনার তৈরি করা রেসিপিটা আমার কাছে ইউনিক রেসিপি বলে মনে হয়েছে। এর আগে আমি কোনদিন এই মাছের রেসিপি দেখেছিলাম না।
হ্যাঁ ভাইয়া, কিছুটা ইউনিক।আমিও বড় জাতের আমুদি দিয়ে প্রথম তৈরি করলাম এই রেসিপিটি, ধন্যবাদ আপনাকে।
আমুদি মাছ আজকে প্রথম নাম শুনলাম আপু। তবে মাছগুলো দেখতে ভীষণ সুন্দর। বেগুন দিয়ে খুবই মজাদার ভাবে রেসিপিটা তৈরি করেছেন। আপনার রেসিপিটা দেখে খুবই সুস্বাদু মনে হচ্ছে আপু। এত সুন্দর একটি রেসিপি তৈরি করে আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপু।
মাছটি দেখতে শুধুই সুন্দর নয়,খেতেও বেশ মজার আপু।ধন্যবাদ আপনাকে।
মাছটা যেমন প্রথম দেখলাম ঠিক তেমনি নামটা আজকে প্রথম শুনলাম। আসলে এগুলো আমাদের এদিকে পাওয়াই যায় না। আপনার রান্নার কালার টা দেখে মনে হচ্ছে অনেক বেশি সুস্বাদু হয়েছে। তবে ইচ্ছে করছে এই মাছের স্বাদ গ্রহণ করতে।
আপু,সমুদ্র এলাকায় এ ধরনের মাছগুলো বেশি পাওয়া যায়, ধন্যবাদ আপনাকে।
মাছ খেতে আমি অনেক পছন্দ করি, তবে আমুদি মাছের নামের সঙ্গে আমি পরিচিত না। রান্নার প্রতিটি ধাপ খুবই সুন্দর ছিল। দেখে বোঝা যাচ্ছে খেতে অনেক সুস্বাদু হয়েছিল। মাছগুলো আগে বেজে নিলে খেতে অনেক টেস্ট হয়। ধন্যবাদ আপু আপনাকে চমৎকার একটি রেসিপি উপহার দেওয়ার জন্য।
আমরা সব মাছই আগে ভেজে নিই ভাইয়া, এতে খেতে বেশ স্বাদ লাগে ঠিক বলেছেন।ধন্যবাদ আপনাকে ও।
মাছের নাম শুনেই তো মন ভালো লাগে।আমুদি মাছ।অর্থাৎ এই মাছটি আনন্দে থাকতে ভালোবাসে।নামটি শুনে এমনটাই মনে হয়।এই মাছ যদিও আমার মাছ হিসেবে কখনো খাওয়া হয়ে উঠেনি। তবে মনে হয় শুঁটকি মাছে খেয়েছি।নাম জানতাম না।আজ জানলাম।শুঁটকি মাছ গুলো দেখতে ঠিক এমনটাই।লেজ খুব লম্বা।তা মনে হলো।যেকোনো মাছ বেগুন দিয়ে রান্না করলে খেতে খুব মজার হয়। রেসিপিটি ধাপে ধাপে তুলে ধরার জন্য অনেক ধন্যবাদ দিদি।
আপু,আমি অবশ্য শুটকি মাছ সম্পর্কে জানি না।কারন আমরা সব ধরনের মাছ টাটকা কিনে খেয়ে থাকি,আপনার সুন্দর অনুভূতির জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
এই মাছের নাম আমি আগে কখনোই শুনিনি। আপনার কাছ থেকে আজকে প্রথমবারের মতো মাছটির নাম শুনলাম। আপনি বেগুন দিয়ে মজাদার ভাবে এই মাছের রেসিপি তৈরি করেছেন দেখে খুব ভালো লাগলো। নিশ্চয়ই এই রেসিপিটা অনেক মজাদার হয়েছিল। এই দুপুর বেলায় আপনার রেসিপিটি দেখে আমার একটু বেশি লোভ লেগে গিয়েছে। ধন্যবাদ জানাই আপনাকে, এত মজাদার রেসিপি তৈরি করে আমাদের মাঝে সুন্দর করে শেয়ার করে নেওয়ার জন্য।
ভাইয়া, হয়তো এই মাছের নামের পার্থক্য রয়েছে অঞ্চলভেদে।তবে আমাদের এখানে এটাকে আমুদি,আমাদি ইত্যাদি বলা হয়, ধন্যবাদ আপনাকে।