মোমো তৈরির প্রস্তুত প্রণালী
হই হই রই রই আমার সব বন্ধুরা কই। চলে এলাম আপনাদের সেই আকাঙ্খিত রেসিপি নিয়ে। অনেকেই মোমো তৈরি রেসিপিটি শেয়ার করতে বলেছিলেন। আমি আমার দিন লিপিতে উল্লেখ করেছিলাম যে মোমো দিয়ে সন্ধ্যার নাস্তা করেছি। তখনই আমার কিছু বন্ধু কমেন্টসে লিখেছেন আমি যাতে মোমো তৈরির প্রস্তুত প্রণালী আপনাদের সাথে শেয়ার করি।
আমি আপনাদের কথা দিয়েছিলাম সময় সুযোগ করে শেয়ার করব। তাই আজ শেয়ার করছি।
কথা না বাড়িয়ে মন পূর্বে চলে যাই। মোমো তৈরির মূল উপকরণ গুলো হল ময়দা, চিকেন ,গাজর ও ফুলকপি।
আর মোমো যেই উপকরণ দিয়ে খেয়েছি, তাহলো চিলি অয়েল। আর এই চিনি অয়েল বানাতে যেসব উপকরণগুলো আমি ব্যবহার করেছি তা হল শুকনো মরিচের গুঁড়া, সাদা তিল ভাজা, সয়া সস, টমেটো সস, সামান্য পরিমাণ চিনি। আর ফ্লেভারের জন্য দিয়েছি রসুন বেরেস্তা।
| উপকরণ ও | পরিমাণ |
|---|---|
| ময়দা | দুই কাপ |
| কর্নফ্লাওয়ার | এক টেবিল চামচ |
| লবণ | পরিমাণ মতো |
| গাজর | একটা |
| ফুলকপি | অল্প পরিমাণে |
| রসুন | একটি |
| টমেটো সস | ২ টেবিল চামচ |
| সয়া সস | এক টেবিল চামচ |
| খোসা ছাড়ানো তিল | এক চা চামচ |
প্রস্তুত প্রণালী |
|---|
প্রথম ধাপ
প্রথমে ময়দা গুলোকে ও কনফ্লাওয়ার সামান্য পরিমাণে লবণ দিয়ে, নরমাল পানি দিয়ে গুলিয়ে নিতে হবে। একটু শক্ত করে গুলিয়ে নিতে হবে। এক ঘন্টার জন্য রেস্টে রেখে দিতে হবে, যাতে ডো টা একটু নরম হয়।
দ্বিতীয় ধাপ
মোমোর ভিতরে কিমা দেওয়ার জন্য। একটি মুরগি চার ভাগের এক অংশ ছোট ছোট করে কেটে ব্লান্ড করে নিয়েছে। মুরগি ব্লান্ড করা হয়ে গেলে, গাজর ও ফুলকপি যা কুচি কুচি করে কেটে রেখেছি তা ব্লান্ড করে নিতে হবে।
তৃতীয় ধাপ
এই পর্যায়ে এসে যা করতে হবে তা হল ব্লান্ড করা উপকরণ গুলোর সাথে বাটা মসলা, সয়া সস, ভিনেগার, টমেটো সস, ফুটন্ত গরম তেল, এবং পরিমাণ মতো লবণ দিয়ে সবগুলো উপকরণ ভালোভাবে মেখে নিতে হবে।
চতুর্থ ধাপ
আগে থেকে খামির বানিয়ে রাখা, তাই এখন আবার একটু সময় ধরে মেখে নিতে হবে। একটু নরম হয়ে গেলে ছোট ছোট লেচি করে নিতে হবে। অনেকটা পুরির মত। পুরির লুচি গুলো যেমন হয় মোমোর লেচি গুলো ঠিক তেমনি হয়। তবে এটা নির্ভর করে যার যার রুচির উপর। কেউ একটু বড় পছন্দ করে, আবার কেউ একটু ছোট পছন্দ করে। এটা কোন বিষয় না। আর মোমোর ভাঁজ ও বিভিন্নভাবে দেওয়া যায়।
তবে আমার কাছে এই ভাঁজ টা ই ভালো লাগে। লেচি গুলো তে সামান্য ময়দা লাগিয়ে পুরির মত করে বেলে নিতে হবে । সবগুলো লুচি বেলা হয়ে গেলে,ভিতরে কিমা দিয়ে মোমোর সেপ দিয়ে নিতে হবে।
পঞ্চম ধাপ
পঞ্চম এবং শেষ ধাপ। এ পর্যায়ে এসে একটি পাত্রে অল্প পরিমাণে তেল দিয়ে মোমো গুলো দিয়ে দিতে হবে। এবং সামান্য পরিমাণে পানি দিতে হবে যাতে ভালোমতো সিদ্ধ হয়ে যায়। এই কাজটি অন্যভাবে করা যায় একটি পাত্রে পানি দিয়ে উপর একটি স্ট্যান্ড দিয়ে বাপের মধ্যে ও মোমো সিদ্ধ করা যায়। তবে আমার কাছে এই ভাবে ই ভালো লাগে। একটু ক্রেছপি ক্রেছপি ভাব লাগে।
২০-২৫ মিনিটের মতো ভাব দিয়ে নামিয়ে ফেলতে হবে। নামানোর সাথে সাথে আগে থেকে বেরেস্তা করে রাখা রসুন গুলো দিয়ে দিতে হবে।
চিলি অয়েল বানানোর জন্য, তিল গুলোকে একটু ভেজে নিতে হবে, রসুন ভাঁজার যে গরম তেল গুলো
রয়েগেছে ঔ খান থেকে দুই টেবিল চামচ তেল দিয়ে দিতে হবে। সাথে দিয়ে দিতে হবে টমেটো সস চিলি ফ্লেক্স, সয়া ও সামান্য পরিমাণে চিনি।
তো হয়ে গেল মোমো ও চিলি ওয়েল তৈরি। এখন গরম গরম পরিবেশনের পালা। তো কেমন হলো আমরা এই রেসিপি। কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন। এবং বাসায় ট্রাই করবেন। নিজের হাতে বানানো খাবারের স্বাদ অন্যরকম।
আজ এখানেই আমার ব্লগ টির সমাপ্তি টানছি।
ধন্যবাদ সবাইকে সময় ও ধৈর্য্য নিয়ে পড়ার জন্য।
এইতো আপনার বন্ধুরা সব এখানেই আছি। আপনার মোমো দেখে যে পরিমাণ লোভ লাগছে ইচ্ছে করছে এখনই অনলাইনে অর্ডার দেই। কিন্তু মাত্র রাতের খাবার খেয়েছি। এজন্য আপনার কি জরিমানা করা যায় বলেন তো?😂
আরও আগে পোস্টটা দিতেন!!! তবে যাই বলি চমৎকারভাবে আপনি মোমো তৈরি করেছেন। প্রত্যেকটি ধাপ ও সুন্দর ভাবে দেখিয়ে দিয়েছেন। আর মোমো সত্যিই অনেক সুস্বাদু লাগে রসুন মরিচের বাটা চাটনির সাথে। কেন যেন আমাদের এখানে চিলি অয়েল দিয়ে এটা পরিবেশন করে। কলকাতায় কিন্তু আমি রসুন মরিচের চাটনি দিয়েই খেয়েছি। আমার এখনো সেই স্বাদ জিভে লেগে আছে। খুব ভালো লাগলো আপনার উপস্থাপনা।
মন জুড়ানো মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আমি চেষ্টা করেছি আপু ধাপে ধাপে দেওয়ার জন্য। যাতে কেউ চাইলে বানিয়ে নিতে পারে। জরিমানা মঞ্জুর করা হলো। জানিয়ে দিবেন কি জরিমানা
হলো আমার। চেষ্টা করব উশুল করতে। অনেক অনেক শুভকামনা রইল আপু আপনার জন্য।
বাহ! আপনার রিপ্লাই টা পেয়ে জরিমানা-উশুল হয়ে গেল। চমৎকার ভাবে আপনি মন্তব্য করেছেন। মাঝে মাঝে কিছু মন্তব্য পেলে মন ভালো হয়ে যায়। আপনার মন্তব্যটা এমনই। যাইহোক বেশি বেশি রেসিপি তৈরি করবেন আর আমাদেরকে জানাবেন। এটাও ভালো লাগে। এত চমৎকার একটি মন্তব্যের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমি আপনার খুব ফ্রেন্ড। আপনার প্রতিটা লেখা আমি খুব মনোযোগ দিয়ে পড়ি। আপনার লিখন দক্ষতা খুব চমৎকার। বাচনভঙ্গি অসাধারণ। আমি তো দশটা লিখতে গেলে ৯ টায় ভুল করি। আপনাদের কাছে শেখার আছে
অনেক কিছু। অনেক অনেক শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
ধন্যবাদ খুব সুন্দর একটি মম তৈরি রেসিপি শেয়ার করার জন্য। অসাধারণ ভাবে তৈরি করেছেন খুব ধাপে ধাপে আমাদেরকে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন এবং আমার মনে হয় যে কেউ চাইলে এটা দেখে বাসায় বানাতে পারবে।
আর হ্যাঁ সাথে সস টা কিন্তু অসাধারণ লাগছে দেখতে এক কথায় লোভ লেগে যাওয়ার মত।
হ্যাঁ আপু খেতে ও খুব ভালো লেগেছিল। বাসার সবাই খুব পছন্দ করেছিল। আর শীতে যে কোন গরম খাবারই ভালো লাগে। ধোয়া উড়ানো মম খাওয়ার মজাই আলাদা। আপনার বাসায় চেষ্টা
করবেন। সময় সুযোগ করে আমাদের কাছে শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ আপনাকে।
উফ আপু আপনার লেখায় তো জাদু আছে, সত্যি একদম তাই ধোয়া উঠানো মম দেখতে যেমন অসাধারণ আর মুখের ভিতর একটা ঢুকিয়ে দিয়ে হালকা করে চাপ দিতে যে কি ভালো লাগে,,,
অবশ্যই বাসায় তৈরি করব ভাবছি আগামীকালই তৈরি করব আর আপনার সাথে শেয়ারও করবে ইনশাআল্লাহ।
এই না হলে নারী। নারীরা সবই পারে। ঘরে বাইরে সমান তালে তাল মিলিয়ে চলতে পারে। আপনার মোমো রেসিপি দেখার অপেক্ষায় রইলাম ,ইনশাআল্লাহ ভালই হবে।
একদম তাই আমি নারী সব পারি,,
কথা টা ১০০% সিওর আমরা নারীরা এমন কোন জিনিস আছে যেটা পারিনা,
সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মুরগির পাওয়া যেমন পিল পিল করতে থাকে খাবারের খোঁজে,
আর নারীরা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করা সংসার গোছানো বাহির সামলানো বাচ্চা সামলানো হাসবেন্ডকে দেখাশোনা করা শশুর শাশুড়ির খেদমত করা কি করেন আসে খুব সুন্দর ভাবে গুছিয়ে থাকে। কাজ করতে করতে হাঁপিয়ে গেলেও মনে হয় ওই কাজটা রয়ে গেল। যাইহোক একটু বেশি বলে ফেললাম মনে হয়,
এত কিছু যখন একটা নারী সামলাতে পারে তাহলে মম তৈরি করাটাও খুব একটা কঠিন মনে হবে না তার কাছে। 😜🥰🥰🥰
অবশ্যই মমো তৈরি করব আর আপনার অপেক্ষার প্রহর শেষ করব ভালো থাকবেন
বাহ বাহ বাহ। দারুন আপনার জন্য মোমো তৈরি করা কোন ব্যাপারই না জটপট লেগে যান আর তৈরি করে ফেলুন, গরম গরম মোমো। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর করে গুছিয়ে মন্তব্য করার জন্য।
দারুন একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন ।মোমো হলো শীতের দিনে আমার খুব প্রিয় একটি খাবার। ছবিগুলো এত আকর্ষণীয় মনে হচ্ছে যে এখনই খেয়ে ফেলি। ভাই এভাবে ছবি দিলে হবেনা আমাদেরকে বানিয়ে খাওয়াতে হবে । 😄
মোমো তৈরি প্রতিটি উপকরণ আপনি খুব সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন এবং আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে প্রতিটি ধাপ আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন ।যেগুলো দেখে খুব সহজে যে কোন কেউ বাসাতেই তৈরি করতে পারবে।চিলি অয়েলের কালার অনেক সুন্দর হয়েছে ।এবার বলুন কবে আপনার বাসায় আসবো আর গরম গরম মোম খাব ।পরবর্তী রেসিপি জন্য অপেক্ষায় রইলাম।
আমার জন্য ভালো লাগলো যে আপনার খুব ভালো লেগেছে আমার রেসিপিটি। হ্যাঁ আপু আমি চেষ্টা করেছি ধাপে ধাপে দেওয়ার জন্য।
যাতে করে ইচ্ছে করলে কেউ বানাতে পারে
আমার রেসিপিটি ফলো করে। আর খেতেও বেশ সুস্বাদু হয়েছিল। গরম গরম খেতে সবাই পছন্দ করেছিল। আমি আবারো বানাবো কিছুদিন পর দেখি সময় করে নেই। ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য।
ধন্যবাদ খুব সুন্দর একটি মোমো রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করলেন। অসাধারণভাবে রেসিপিটি তৈরি করেছেন এবং খুব সুন্দর ভাবে ধাপে ধাপে আমাদের বুঝিয়ে দিয়েছেন যে কেউ আপনার রেসিপিটি ফলে করলে এরকম বানাতে পারবে। থ্যাংক ইউ অসাধারণ একটি রেসিপি শেয়ার করলেন।
আপনাকেও ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য। হ্যাঁ আপু অনেকেরই অনুরোধ ছিল যাতে আমি এই মম রেসিপিটি শেয়ার করি। তাছাড়া এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হওয়ার পর থেকে সবকিছুই ছবি তুলে রেখে দেই যা আপনাদের সাথে শেয়ার করা যায়। তাই ওদের সন্ধ্যায় বানানোর সময় ধাপে ধাপে ছবি তুলে রেখে দিয়েছিলাম আজ সময় সুযোগ করে আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। আপনারা সময় সুযোগ করে বাসায় চেষ্টা করবেন ইনশাআল্লাহ পারবেন।
আসলে দিদি ঠিকই বলেছেন এ প্লাটফর্মের যুক্ত হওয়ার পর থেকে ছবি তুলে রেখে দিই শেয়ার করার জন্য। তবে আপনার রেসিপিটি কিন্তু খুব সুন্দর হয়েছিল । তবে জানি না খেতে কতটা লোভনীয় দেখে মনে হচ্ছে বেশ মজাই লাগছে। সময় সুযোগ পেলে চেষ্টা করব। থ্যাংক ইউ দিদি রিপ্লাই দেওয়ার জন্য।
ধন্যবাদ আপু মন্তব্যের জন্য। মোবাইলে টাচ সমস্যা। তাই মাঝে মাঝে লিখে এক হয়ে যায় আরেক। সেন্ট করার পর দেখাও দেখা দেখা যায়। অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য দুঃখিত।
মোমো। ধন্যবাদ আপনাকে।
মোমো ওরে বাবা দেখেই জিভে জল চলে আসলো। ঐদিন আমি আপনাকে অনুরোধ করেছিলাম। এই মোমো তৈরির রেসিপিটা আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। আজকে আপনি সেটাই করেছেন। আসলে দেখতে অনেক বেশি লোভনীয় লাগছে। অবশ্যই বানানো চেষ্টা করব। ধন্যবাদ আপনাকে রেসিপিটা আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
হ্যাঁ আপু আপনাদের অনুরোধই আমি আজকে এই রেসিপিটি শেয়ার করেছি। শরীরটা খুব একটা ভালো না। তারপর বসে থাকতে ইচ্ছে করে না। আমার মনে হয় রোগ আরো পেয়ে বসে। তাই যতটুকু সম্ভব পাত্তা দেই না অসুস্থ
থাকে। আপনার কাছে ভালো লেগেছে আমার রেসিপিটি জেনে আমারও খুব ভালো লাগলো। আপনাদের ভালোলাগা আমার কাজ করার গতি বাড়িয়ে দেয়। আমি চেষ্টা করব আপনাদের পছন্দের জিনিসগুলো শেয়ার করার জন্য যাতে আপনাদের ভালো লাগে। ধন্যবাদ আপনাকে
মন্তব্যের জন্য।
সর্বদা একটা কথা অবশ্যই মাথায় রাখবেন। আপনি নিজেকে যত বেশি দুর্বল মনে করবেন আপনার শরীর কিংবা অন্যান্য মানুষ আপনাকে তার চাইতে অনেক বেশি দুর্বল মনে করবে। তাই আমার কাছে মনে হয় সর্বদা নিজেকে সতেজ রাখার জন্য। যে কাজগুলো করা প্রয়োজন সে কাজগুলো করা উত্তম। এতে করে আপনার মন ভালো থাকবে আপনার শরীর অসুস্থ থাকলেও সেটা এত বেশি অনুভব করতে পারবেন না। বর্তমান সময়ে আমি নিজেও বেশ ভালো নেই। কিন্তু তার পরেও চেষ্টা করছি একটু ভালো থাকার জন্য ধন্যবাদ।
একদমই তাই। আমি অসুস্থ কে খুব একটা পাত্তা দেইনি। যতটুকু সম্ভব স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করি। আমি খুব ভালো পেয়েছি। কিছু মানুষ আছে অল্পতেই ভেঙে যায়। আমার এক চাচা সর্দি আজকে পুরা বাসা ভেঙ্গে কিন্তু চিল্লাই। ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য।
আমার শাশুড়ির একই অবস্থা, সামান্য পরিমাণ একটু সর্দি জ্বর আসলে ওরা ঘর একদম মাথায় তুলে নেয়, কিন্তু আমি সর্বদাই চেষ্টা করি শান্ত থাকার জন্য। কেননা আমার কাছে মনে হয় আমি যদি চিৎকার করি আমার অসুস্থতার অবস্থা আরো বেশি খারাপ হবে। এবং আমার শরীর আরো বেশি ভেঙে পড়বে। তাই সর্বদাই নিজের শরীরের প্রতি যত্নবান হওয়া উচিত। এবং নিজেকে অনেক বেশি শক্ত রাখা উচিত।
প্রতিটা পরিবার এই মনে এমন একজন থাকে। আমার চাচা অসুস্থ হলে আর রুমে যেতে হয় না। আমাদের ঘরে থেকে বুঝতে পেরেছি অসুস্থ। ওরা বাসা তুলে রাখি। খুবই বিরক্ত লাগে আমার বিষয়টি।
আমাদের প্ল্যাটফর্মে আপনার মতন কয়েকটা আপু আছে। যারা সবসময় খাবার মেনু পোস্ট করে থাকে। আমার কাছে বেশ ভালো লাগে। খাবার দেখলে খেতে ইচ্ছে করে। কত চমৎকার করে তৈরি করেন আপনারা। খাবার আইটেম দেখে তো মাথা ঘুরে যায়। আপনি খুব সুন্দর করে ধাপে ধাপে উল্লেখ করে সবকিছু বলে দেন। আমার মনে হচ্ছে থেকে রেস্টুরেন্ট আপনার বানানোটা বেশি সুস্বাদু হয়েছে। আমি অর্ডার করলাম কুরিয়ার সার্ভিসে পাঠিয়ে দিবেন 🤭অসংখ্য ধন্যবাদ আপু
ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য।। তবে ভালই হয়েছিল। সুস্বাদু হয়েছিল। বাসার সবাই খুব পছন্দ করেছে। সত্যি কথা বলতে আমার রাঁধতে খুব ভালো লাগে। পরিবার পরিজনদের নিয়ে
খেতেও ভালো লাগে। চলে আসুন। যত ইচ্ছে খেয়ে যাবেন। ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনার পোস্ট শুরু করার কৌশলটা আমার অনেক ভালো লেগেছে।। আর হ্যাঁ মোমো তৈরি করার সিস্টেমটা আমার জানা ছিল না।। আজকে আপনার পোস্টের মাধ্যমে জেনে বেশ ভালো লাগলো আর শিখতেও পারল।।
ধন্যবাদ এত সুন্দর রেসিপি পোস্ট করার জন্য।।