রেসিপি :- বিগ্রেড মাছের দোপেঁয়াজা রেসিপি।
হ্যালো বন্ধুরা,
আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। প্রতিদিনের মত আজকেও আপনাদের সামনে এসে হাজির হলাম। আজকে আমি আপনাদের সামনে অনেক সুন্দর একটা রেসিপি নিয়ে এসেছি। আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব বিগ্রেড মাছের দোপেঁয়াজা রেসিপি। রেসিপিটা খেতে অনেক মজার।
বিগ্রেড মাছের রেসিপি খেয়েছি অনেক দিন হয়েছে । কিছুদিন আগে আমাদের বাড়িতে বিগ্রেড মাছ নিয়ে এসেছিল। দেখে ভীষণ ভালো লেগেছিল। আসলে এই মাসটা খেতে কিন্তু ভীষণ ভালোই লাগে । আর আমি কিন্তু এই ধরনের মাছ গুলো দোপেঁয়াজা করতেই বেশি পছন্দকরি। তাই জন্য এই রেসিপিটাও সেই ভাবেই করেছি। আসলে রান্না করার পর রেসিপিটা খেতে কিন্তু খুবই মজাদার হয়েছিল। আসলে এই মাছের ঝোল খেতে সব থেকে বেশি মজাদার হয়েছিল। আমরা পরিবারের সবাই মিলে খুবই মজা করে খেয়েছিলাম। আশা করি রেসিপিটা আপনাদের ভালো লাগবে।
তো চলুন,
এই রেসিপিটি তৈরি করতে আমার কি কি উপকরণ লাগলো এবং আমি পুরো রেসিপি কিভাবে তৈরি করলাম তার বর্ণনা নিচে প্রতিটা ধাপে উপস্থাপন করলাম। আশা করি আমার আজকের রেসিপি আপনাদের ভালো লাগবে।
প্রয়োজনীয় উপকরণ :
| উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|
| মাছ | ১০ টুকরো |
| টমেটো কুচি | ১ কাপ |
| পেঁয়াজ কুচি | ১ কাপ |
| রোসন বাটা | ১ টেবিল চামচ |
| কাঁচামরিচ কুচি | ২ টেবিল চামচ |
| ধনিয়া পাতা কুচি | ২ টেবিল চামচ |
| হলুদের গুঁড়া | ২ টেবিল চামচ |
| মরিচের গুঁড়া | ২ টেবিল চামচ |
| মসলা গুড়া | ১ টেবিল চামচ |
| লবন | পরিমাণমতো |
| তেল | পরিমাণমতো |
রান্নার বিবরণ :
ধাপ - ১ :
প্রথমে আমি মাছের টুকরো গুলো ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিলাম। এরপরের মধ্যে হলুদ গুলো এবং পরিমাণ মতো লবণ দিয়ে মেখে নিলাম।
ধাপ - ২ :
এরপর আমি চুলায় একটি কড়াই বসিয়ে দিলাম। এরপরে এর মধ্যে পরিমাণ মতো তেল দিয়ে দিলাম। তেল গরম হয়ে গেলে এর মধ্যে মাছের টুকরো গুলো দিয়ে দিলাম।
ধাপ - ৩ :
এরপরে মাছের টুকরো গুলোকে উল্টাপাল্টা ভালোভাবে ভেজে নিব। ভাজা হয়ে গেলে মাছগুলো নামিয়ে নিব।
ধাপ - ৪ :
এরপরে আবারো চুলায় একটি কড়াই দিয়ে দিলাম। পরের মধ্যে তেল দিয়ে দিলাম। এরপরে একটু একটু করে পেঁয়াজকুচি, কাঁচামরিচ কুচি , টমেটো কুচি, রসুন বাটা দিয়ে দিলাম।
ধাপ - ৫ :
এরপরে সবগুলো মসলা দিয়ে দিলাম। এরপরে নেটে ছেড়ে কিছুক্ষণ ভালোভাবে কষিয়ে নিলাম।
ধাপ - ৬ :
কিছুক্ষণ কষানো হলে এর মধ্যে কিছুটা পরিমাণে পানি দিয়ে দিলাম। কিছুক্ষণ কষিয়ে নেব।
ধাপ - ৭ :
এরপরে এরমধ্যে ভাজা মাছগুলো দিয়ে দিলাম।
ধাপ - ৮ :
এভাবে আমি কিছুক্ষণ রান্না করতে থাকবো। অনেকটা ঝোল শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করব।
ধাপ - ৯ :
এরপরে এর মধ্যে ধনিয়া পাতা কুচি দিয়ে দিলাম। অনেকটা শুকিয়ে আসলে এরপর চুলা থেকে নামিয়ে নেব।
শেষ ধাপ :
এরপর পরিবেশন করলাম। আশা করি আমার আজকের রেসিপি আপনাদের ভালো লাগবে। পরবর্তীতে আবারও দেখা হবে নতুন কিছু নিয়ে। সবাই ভালো থাকবেন।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেণী | রেসিপি |
|---|---|
| ডিভাইস | Redmi note 9 |
| ফটোগ্রাফার | @tasonya |
| লোকেশন | ফেনী |
আমার পরিচয়
আমার নাম তাসলিমা আক্তার সনিয়া। আমি বাংলাদেশী। বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা বলে আমি অনেক গর্বিত। আমি গ্রেজুয়েশন কমপ্লিট করেছি। আমি ছবি আঁকতে ভালোবাসি। বিশেষ করে যে কোন ধরনের পেইন্টিং করতে পছন্দ করি। যখনই অবসর সময় পায় আমি ছবি আঁকতে বসে পড়ি। এছাড়াও আমি ভ্রমণ করতে পছন্দ করি। কিছুদিন পর পর বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করার চেষ্টা করি। এছাড়াও আমি বিভিন্ন ধরনের কারুকাজ করতে পছন্দ করি। রান্না করতেও আমার খুব ভালো লাগে। আমি বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করতে পছন্দ করি। আমি যখনই সময় পাই আমার পরিবারের সবাইকে বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করে খাওয়াই। আমি সব সময় নতুন নতুন কিছু করার চেষ্টা করি।
🎀 ধন্যবাদ সবাইকে 🎀 |
|---|

আসলে সিলভার মাছ আমার তেমন একটা পছন্দ নয়। তবে ব্রিগেট মাছটা কিন্তু আমার খুবই পছন্দ। এই মাছ খুব বড় এবং মোটাসোটা হয়ে থাকে। বিশেষ করে মাথাটা অনেক বড় হয়ে থাকে। যাই হোক সেই মাছের সুন্দর রেসিপি করে আজকে আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন আপু। খুবই ভালো লাগলো সুন্দর এই রেসিপি। অতি লোভনীয় ছিল।
ঠিক বলেছেন এই মাছের মাথাটা সত্যি অনেক বেশি বড় হয়ে থাকে। আসলেই অনেক বেশি লোভনীয় ছিল রেসিপিটা।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
মাছে ভাতে বাঙালি আমরা প্রতিদিন একবার হলেও কিন্তু খেয়ে থাকি মাছ।
অনেক মজাদার একটি রেসিপি প্রস্তুত করেছেন দেখেই লোভ হচ্ছে।
ফটোগ্রাফির সাথে ধাপগুলো অনেক সুন্দর ভাবে উপস্থাপনা করেছেন শুভেচ্ছা রইল আপনার জন্য।
বেশি মুখ দিবেন না আবার আমাদের পেট ব্যথা করবে না হলে।
বিগ্রেড মাছের দোপেঁয়াজা রেসিপি দেখেই খেতে ইচ্ছা করছে। এতো মজাদার রেসিপি ধাপে ধাপে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। রেসিপি পরিবেশন অসাধারণ হয়েছে।
আমার তো নিজেরই খেতে ইচ্ছে করছে এই রেসিপিটা আবারো দেখে।
ইশ আপু কি যে লোভনীয় লাগছে ইচ্ছে করছে খেয়ে ফেলি।অনেক দিন বিগ্রেড মাছ খাওয়া হয়না।তাই আপনার রেসিপি দেখে তো লোভ সামলাতে পারছিনা।যাইহোক লোভনীয় একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপু।
ইচ্ছে করলে আমার বাড়িতে চলে আসেন আপনাকে তৈরি করে খাওয়াবো। অনেকদিন যেহেতু খাওয়া হচ্ছে না, তাহলে ভাইয়াকে বলবেন বাজার থেকে নিয়ে আসার জন্য। আনলে তৈরি করে খেয়ে ফেলুন।
যেকোনো মাছের দোপেয়াজা খেতে খুবই মজা লাগে। আপনি ব্রিগেড মাছের দোপেয়াজা করেছেন যা দেখতে খুবই লোভনীয় লাগছে। ব্রিগেড মাছের দোপেয়াজা করে আপনারা সবাই মিলে খুব মজা করে খেয়েছেন জেনে খুব ভালো লাগলো। রন্ধন প্রণালী টা আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
আমার নিজের কাছেও যেকোনো মাছের দোপেঁয়াজা খেতে খুবই ভালো লাগে।
এই মাছের দোপেঁয়াজা খেতেই বেশি ভালো লাগে।আমিও এই মাছ খুব খেতে ভালোবাসি।পেটির অংশে তেল তেলে ভাবটা বেশ ভালো লাগে খেতে।আপনার দোপেয়াঁজা খুব লোভনীয় হয়েছে। প্রতি টি ধাপ খুব চমৎকার ভাবে উপস্থাপন করেছেন সব মিলিয়ে অসাধারণ একটি রেসিপি। ধন্যবাদ আপু অসাধারণ রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য।
এই মাছটা খেতে বেশিরভাগ মানুষই ভালোবাসে বলে আমি মনে করি।
এই ব্রিগেড মাছ আমি অনেকদিন আগে খেয়েছিলাম। ভালোই লাগে এই মাছগুলো খেতে। তাছাড়া আপনি যেভাবে ভেজে মাছগুলো রান্না করেছেন দেখে বোঝা যাচ্ছে খেতে অনেক মজাদার হয়েছিল। যেকোন মাছ ভেজে রান্না করলে খেতে খুবই সুস্বাদু হয়। কালারও লোভনীয় লাগছে দেখতে।
আসলেই আপু এই মাছগুলো খেতে সত্যি অনেক ভালো লাগে।
ইস্ দেখেই তো খেতে মনে চাইছে। আপনি তো প্রতিদিনই বেশ দারুন দারুন রেসিপি করেন। আর আজকে আমাদের সাথে এমন সুন্দর একটি মাছের ভূনা শেয়ার করলেন। আপনার শেয়ার করা মাছের ভূনা দেখে তো মনে হচেছ খেতেও বেশ স্বাদের হবে। বেশ সুন্দর করে উপস্থাপনাও করেছেন। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
খেতে চাইলে চলে আসুন। আপনার জন্য দরকার হলে আবার রান্না করব। আসলে এটা অনেক স্বাদের হয়েছিল।