লাইফস্টাইল পোস্ট || অবশেষে গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন করতে সক্ষম হলাম (দ্বিতীয় পর্ব)
আসসালামু আলাইকুম,
আমার বাংলা ব্লগের সকল বন্ধুরা ,আপনারা সবাই কেমন আছেন ? আশা করি সবাই খুব ভালো আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর রহমতে খুব ভালো আছি।
প্রতিদিনের মতো আজকেও আমি আপনাদের সামনে আরো একটি নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো, কিভাবে টাটা কোম্পানি থেকে গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন করে আমার নামে নিলাম সেই প্রসঙ্গে। অর্থাৎ এই ব্লগের দ্বিতীয় পর্ব নিয়ে। যাইহোক গত পর্বে আপনারা পড়েছিলেন, আমি গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন করার জন্য টাটার অফিসে ঢুকেছিলাম। তারপর অফিসের স্টাফের কাছে সবকিছু বলার পর, তিনি আমাকে কিছু কাগজপত্র দিতে বললেন প্রমাণস্বরূপ। আমি কাগজপত্র গুলো দিলাম সেই লোককে। তারপর তিনি মালিকানা পরিবর্তনের সব ডকুমেন্টস আমাকে দিয়ে দিলো এবং আমি তারপর তাদের রেজিস্টার খাতায় সিগনেচার করলাম।
তারপর সেই স্টাফ আমাকে বললো, এই ডকুমেন্টস নিয়ে উত্তরা বিআরটিএ যেতে হবে। তারপর মালিকানা পরিবর্তনের ফি ব্যাংকে জমা দিয়ে, ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিলে আমার নামে গাড়ির স্মার্ট কার্ড বের হবে। যাইহোক আমি সেখান থেকে বের হয়ে গেলাম এবং ভাবলাম পরের দিন উত্তরা বিআরটিএ তে যাবো। যাইহোক আমার খুব কাছের এক বড় ভাই, নাম হচ্ছে আলতাফ। উনি আমার সাথে দক্ষিণ কোরিয়াতে ছিলেন। উনার বাসা বনশ্রীতে। তাই আমি ভাবলাম যেহেতু এদিকে এসেছি,তাই উনার সাথে একটু দেখা করে যাই। আমি আলতাফ ভাইকে ফোন দেওয়ার পর উনার কথামতো খিলগাঁও রেলগেইট থেকে রিকশা নিয়ে সোজা চলে গেলাম আলতাফ ভাইয়ের বাসার সামনে। তারপর উনি আমাকে বেশ জোরাজুরি করলে উনার বাসায় যেতে।
কিন্তু আমি বললাম যে পরবর্তী বার যাবো। কারণ আমাকে বাসায় ফিরতে হবে একটু তাড়াতাড়ি। কিন্তু উনি আমার কোনো কথাই শুনলেন না। আমাকে জোর করে পাশের একটি রেস্টুরেন্টে ঢুকলেন। তারপর কাচ্চি বিরিয়ানি এবং বোরহানি অর্ডার করলেন। আরো কিছু অর্ডার করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু আমি নিষেধ করি। যাইহোক খাওয়া দাওয়া শেষ করে পাশের একটি ক্যাফে থেকে দুই কাপ চা আনালাম। সেই রেস্টুরেন্টের খাসির কাচ্চি আসলেই খুব সুস্বাদু ছিলো। যাইহোক আমরা বিভিন্ন ধরনের গল্প করতে করতে, হঠাৎ আলতাফ ভাই বললো, সেখানকার একটি শপিং মলের নিচতলায় একটি দোকান ভাড়া নেওয়ার প্রসঙ্গে কথাবার্তা চলছে।
শপিং মলের নাম হচ্ছে ইষ্টার্ণ বনবীথি শপিং কমপ্লেক্স। যাইহোক আমরা শপিং মলে ঢুকলাম দোকানটি দেখার জন্য। কারেন্ট ছিলো না বলে মোটামুটি অন্ধকার ছিলো ভিতরে। আমরা দোকান দেখে আশেপাশের দোকানের লোকজনের সাথে কথা বলে মার্কেট থেকে বের হয়ে গেলাম। তারপর আমি আলতাফ ভাইয়ের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আমার বাসায় চলে আসলাম। এরপরের দিন গাড়ির সব কাগজপত্র সহ উত্তরা বিআরটিএ এর উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম সকাল ৯ টার দিকে। উত্তরা বিআরটিএ বেলা ১১ টার দিকে পৌঁছে গেলাম। তারপর বিআরটিএ এর ভিতরে থাকা এনআরবিসি ব্যাংকে জিজ্ঞেস করলাম ব্যাংকে কতো টাকা জমা দিতে হবে। এরপর কি কি হলো সেটা জানতে হলে আপনাদেরকে পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। (চলবে)
পোস্টের বিবরণ
| ক্যাটাগরি | লাইফস্টাইল |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @mohinahmed |
| ডিভাইস | Samsung Galaxy Note 20 Ultra 5g |
| তারিখ | ২২.৯.২০২৩ |
| লোকেশন | w3w |
বন্ধুরা আজকে এই পর্যন্তই। আপনাদের কাছে পোস্টটি কেমন লাগলো, তা কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আবারো ইনশাআল্লাহ দেখা হবে অন্য কোনো পোস্টে। সেই পর্যন্ত ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।
পোস্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমার পরিচয়
🥀🌹আমি মহিন আহমেদ। আমি ঢাকা বিভাগের নারায়ণগঞ্জ জেলায় বসবাস করি এবং আমি বিবাহিত। আমি দক্ষিণ কোরিয়াতে দীর্ঘদিন ছিলাম এবং বর্তমানে বাংলাদেশে রেন্ট-এ- কার ব্যবসায় নিয়োজিত আছি। আমি ভ্রমণ করতে খুব পছন্দ করি। তাছাড়া ফটোগ্রাফি এবং আর্ট করতেও ভীষণ পছন্দ করি। আমি স্টিমিটকে খুব ভালোবাসি এবং লাইফটাইম স্টিমিটে কাজ করতে চাই। সর্বোপরি আমি সবসময় আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে আন্তরিকতার সহিত কাজ করতে ইচ্ছুক।🥀🌹
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
Twitter Link
জী ভাইয়া অনেক ধরে শুনতেছি আপনি আপনার গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন করার জন্য চেষ্টা করতেছেন। অবশেষে অনেক চেষ্টা করার পরে আপনার গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন হয়ে আপনার নিজের নামে হওয়ার খুবর শুনে খুশি হলাম। খুশিতে আপনি আমাদেরকে কাচ্চি খাওয়াবেন। আর সেই জাগায় অন্য জন থেকে কাচ্চি খেলেন,হে হে হে। ধন্যবাধ।
হাহাহা, ভাই এখনো পুরোপুরি কাজ শেষ হয়নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে এই মাসের শেষের দিকে উত্তরা বিআরটিএ যেতে হবে। যাইহোক পোস্ট পড়ে চমৎকার মন্তব্য করার জন্য আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।