টানা দুটি টেস্ট সিরিজে শ্রীলঙ্কার ঘোর ব্যর্থতা
| হ্যালো বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালো আছেন। সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি। |
|---|
আজকে আপনাদের সাথে একটি সাধারণ লেখা শেয়ার করে নেবো। তবে এটি খেলা সম্বন্ধিত একটি লেখা। মূলত বর্তমানে ইংল্যান্ড আর শ্রীলঙ্কার মধ্যে টেস্ট সিরিজমুলক একটি খেলা চলছে। যদিও আমার এই খেলাটা দেখা হচ্ছে না, তবে আজকে একটু হাইলাইটস হিসেবে কিছুটা দেখছিলাম। আপাতত দুটি সিরিজ শেষ হয়ে গিয়েছে তিনটির মধ্যে। কিন্তু এই ম্যাচে দেখলাম শ্রীলঙ্কার অবস্থা পুরোটাই বেহাল, মানে দুটি সিরিজই হারলো তো 'গো' হারা। আসলে ইংল্যান্ড কিন্তু বর্তমানে টেস্ট সিরিজে একদম পাকা প্লেয়ার টিম একটা যাকে বলে। ইন্ডিয়ার পাশাপাশি অবস্থান করার মতো ক্ষমতা রাখে তারা। এর আগে টেস্ট ওয়ার্ল্ড কাপ এও তারা উইনার হয়ে গিয়েছিলো। তবে সেদিক থেকে যদি শ্রীলঙ্কার অবস্থা বিবেচনা করা হয়ে থাকে তাহলে পুরো নড়বড়ে।
এখন তাদের আগের মতো কোনো অবস্থান নেই, যে ধরে রাখবে। কারণ টেস্ট ম্যাচে যে একটা ধৌর্যশীল অভিজ্ঞতার সাথে দীর্ঘ সময় ধরে খেলে যেতে হয়, সেটাই তাদের হয়ে ওঠে না। একপ্রকার বলা যায় যে, তাদের ফরম্যাট কিছুটা ওই টি২০ বা ওয়ানডে এর মতো। মেইনলি তাদের যে প্লেয়ার আছে টপ এবং মিডিল অর্ডারের ব্যাটসম্যানদের ফরম্যাট ঠিক নেই কোনো। যেসব কিছু কিছু পুরানো প্লেয়ার আছে, তারা তাদের ওই অভিজ্ঞতার উপর ডিপেন্ড করে রান করে বেরিয়ে যায়, কিন্তু আল্টিমেটলি সেই রান দিয়ে কিছু হয় না। অনেক ক্ষেত্রে ওয়ানডে বা টি২০ তে মাঝে মাঝে কাজে লেগে গেলেও টেস্টে একদম জিরো চান্স থাকে, কারণ টেস্ট এর ফরম্যাটই একদম ভিন্ন। ৫ দিনের ম্যাচের মধ্যে একটা আলাদা বিষয় থাকে, যেখানে একটা হিউজ রান রাখার ফরম্যাট নিয়ে চলতে হয়।
কারণ দেখা যায় যে, ৫ দিনের ম্যাচ যদি ২ দিনেই শেষ হয়ে যায়, তাহলে সেটা আর কিসের টেস্ট ম্যাচ হলো! তবে হ্যা বোলিং পিচ হলে সেটা সম্ভব হয়ে যায় অনেক সময়। তবে যাইহোক, ইংল্যান্ড এর সাথে যে দুটি ম্যাচ খেলা হলো, তাতে অলরেডি সিরিজ হেরে বসে আছে। মানে ২টি ম্যাচ তাও আবার ২ দিন করে শেষ হয়েছে, ২ টি ম্যাচ মিলিয়েও ৫ দিন হয়নি, ভাবুন কি অবস্থা! পুরো নড়বড়ে হয়ে গিয়েছে টিম। আসলে এক্ষেত্রে ইংল্যান্ড এর কিন্তু পেসার এবং লেন্থ এর বোলিংদের কমতি নেই, ফলে কিছু কিছু পেসার এর বলার আছে, যাদের চাপ ধরে রাখাও একটা মুশকিল। ইংল্যান্ড এর জো রুট একাই যা খেলে দেয়, তাতেই টিম এর অর্ধেক রান উঠে যায়।
বেশ ধৌর্যশীল একজন প্লেয়ার, টেস্টে একার ২০০ এর উপরে রানেরও রেকর্ড আছে। ইংল্যান্ড কিন্তু এক্ষেত্রে প্রথম ইনিংসে হিউজ রান তোলে, মূলত এটাই কিন্তু টেস্টের মূল পয়েন্ট, প্রথম ইনিংসে ঝেড়ে রান না তুলতে পারলে পরের ইনিংসে গিয়ে সেই সময় পাওয়া যায় না। তবে ইংল্যান্ডের একজন অলরাউন্ডারই বাজিমাত করে দিয়েছে তাদের। যেমন বলে উইকেট নিয়েছে আবার তেমনি ব্যাটিং-এ শতরানের ধামাকাদার ইনিংস খেলেছে। মূলত টিমের হয়ে আর কারো খেলা লাগেনি, দুইজনের বাদলতে এই রানের পাহাড় গড়ে যায়।
এক্ষেত্রে বলতে গেলে দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ড এর আর বেশি একটা কষ্ট করা লাগেনি, কারণ শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংসে সেই রান তুলতেই পারেনি। ফলে দ্বিতীয় ইনিংসে টার্গেট পড়ে যায় একটা হিউজ। আসলে টেস্টে একটা সুবিধা হলো যে, প্রথম ইনিংসে ভালো রান করে তার মধ্যেই যদি আটকিয়ে দেওয়া যায়, তাহলে দ্বিতীয় ইনিংসে গিয়ে ফিল ফ্রি হয়ে খেলা যায়। তবে যাইহোক, সিরিজ তো গো হারা হেরেছে অলরেডি, এখন তাদের অন্তত হোয়াটয়াশ এর হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করার লড়াই শেষ টেস্ট ম্যাচে।
শুভেচ্ছান্তে, @winkles
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |



Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
৫ দিনের টেস্ট ম্যাচ ২ দিনে শেষ হলে খেলা দেখে একেবারেই মজা নেই। শ্রীলংকা দলে এখন টেস্ট প্লেয়ার তেমন নেই বললেই চলে। তাছাড়া ইংল্যান্ড নিঃসন্দেহে টেস্ট ক্রিকেটে অন্যতম শক্তিশালী একটি দল। শ্রীলংকা তৃতীয় টেস্ট ম্যাচেও হারবে। এদিকে বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের টেস্ট সিরিজ জমে উঠেছে। দেখা যাক বাংলাদেশ এই সিরিজ জিততে পারে কিনা। যাইহোক পোস্টটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা।
দাদা টানা দুটি টেস্ট সিরিজে শ্রীলঙ্কার ঘোর ব্যর্থতার অনেক কারনও রয়েছে। তাদের দলটা নষ্ট হয়ে গেছে। এক সময় তারা বড় বড় টুনামেন্টের ফাইনাল খেলতো অথচ তাদের পুরাতন প্লেয়ার গুলো চলে যাওয়ার পরে তেমন ভাবে আর দলটা ঘড়ে উঠতে পারে নাই। তাছাড়া ইংল্যান্ডও কিন্তুু শক্ত একটি দল। যার ফলে এমন অবস্থা হলো। ধন্যবাদ।