এলোমেলো আলোকচিত্র- #০৬
| হ্যালো বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালো আছেন। সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি। |
|---|
আজ কিছু এলোমেলো আলোকচিত্র শেয়ার করবো আপনাদের সাথে। আশা করি আজকের এই আলোকচিত্রগুলি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
![]() |
|---|
Photo by @winkles
এই আলোকচিত্রটি একটি খাদ্যসামগ্রী শস্যের। কিন্তু দেখে কি মনে হচ্ছে! দেখে একটি ঘাস জাতীয় উদ্ভিদের মতোই লাগছে। প্রথমে আমি দেখে সেটাই ভেবেছিলাম, কিন্তু আসলে এটা ঘাস জাতীয় দেখতে হলেও উদ্ভিদটি একটি সস্যের, যা কোনো কোনো দেশে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি খাদ্য, মূলত আফ্রিকান দেশগুলোতে খুবই জনপ্রিয় । এখন বর্তমানে এইগুলো আমাদের এশিয়াতেও খুব চাষযোগ্য হয়ে উঠেছে। মাঠে অনেকেই চাষাবাদ করছেন এটি। এটির পাতাগুলো আর হাইট যদি লক্ষ্য করা যায় তাহলে কিছুটা গম গাছের মতো লাগবে। এই শস্য উদ্ভিদগুলোর নামও প্রচুর আছে আবার অসংখ্য প্রজাতিও আছে। আর এই প্রজাতি অনুযায়ী দেখতেও একটা একটা অন্য ধাঁচের হয়ে থাকে। জোয়ার বা সর্গাম নামের এইরকম অনেক নাম আছে। তবে যাইহোক, এই উদ্ভিদটি লাভদায়ী অনেক ক্ষেত্রে, খাদ্যের জন্যও যেমন কাজে লাগছে আবার অনেক প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রও তৈরি করা যায় যেগুলো আমাদের নিত্যদিনের কাজেও ব্যবহার হয়।
![]() |
|---|
Photo by @winkles
![]() |
|---|
Photo by @winkles
এই আলোকচিত্রটি আমাদের ওয়েস্ট বেঙ্গলের ইউনিভার্সিটি থেকে তুলেছিলাম। মূলত একদিন ইউনিভার্সিটিতে এক ভাইয়ের রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বিষয়ে গিয়েছিলাম। আর তখন এই ছবিটি তুলেছিলাম। ইউনিভার্সিটির পিছনের দিকে অনেক বড়ো একটি লেক আর তার চারিপাশে বিল মতো। বলতে গেলে একদম বিলের মতো জায়গায়। জায়গাটা বেশ সুন্দর, এই ইউনিভার্সিটির আগে তেমন কোনো ডেভেলপমেন্ট ছিল না, বর্তমানে এখন বিভিন্ন ধরণের কারখানা, কলেজ ইত্যাদি গড়ে উঠছে। যাইহোক, লেকের পার থেকে ভিউটা দেখতে আমার কাছে বেশ ভালো লাগছিলো, ফলে একটা ছবি তুলে নিয়েছিলাম।
![]() |
|---|
Photo by @winkles
এই আলোকচিত্রটি একটি ফুলের। তবে এটি একটি লতাপাতার থেকে প্রস্ফুটিত হয়েছে। এই ছবিটিও ইউনিভার্সিটির ওখান থেকে তোলা। পাশে লতানো গাছে এই সাদা ফুলটি হয়ে ছিল, আর আগাছাসমূহের মধ্যে একটা ফুল হাওয়ায় বেশ দোলাদোলি করছিলো, দেখতেও বেশ লাগছিলো তাই ম্যাক্রো ক্যামেরা ইউস করে ছবিটি তুলে নিয়েছিলাম।
![]() |
|---|
Photo by @winkles
![]() |
|---|
Photo by @winkles
![]() |
|---|
Photo by @winkles
![]() |
|---|
Photo by @winkles
এই আলোকচিত্রটি কচুরিপানা কিছু ফুলের। এটি অনেকটা সন্ধ্যার সময়ে তোলা বলা যায়। এটি একটি নালার ভিতরের দিকে পুরো বিস্তীর্ণ জায়গা জুড়ে প্রস্ফুটিত হয়ে রয়েছে যেটা দেখতে অনেকটা আকর্ষণীয় লাগছিলো সামনের থেকে। কচুরিপানা ফুলগুলো এমনিতেই দেখতে অনেক ভালো লাগে আমার কাছে। এই ফুলগুলো ভেবেছিলাম কাছে গিয়ে কিছু তুলে অন্য, কিন্তু দিনের লাইট এতটাই কমে গিয়েছিলো যে কাছের থেকে তুললেও ঝাপসা আসতো। আর তাছাড়া রাস্তার থেকে অনেকটা নিচের দিকে ফলে নামাটাও রিস্ক ওই সময়ে। যাইহোক, ভালো লাগছিলো দেখতে ফুলগুলো তাই দূর থেকে তুলে নিয়েছিলাম।
![]() |
|---|
Photo by @winkles
এই আলোকচিত্রটি আরেকটি ফুলের। এই ফুলগুলো মনে হয় আমাদের অনেকের কাছে পরিচিত, কারণ প্রায় দেখা যায় এই ফুল। যদিও এই ফুলগুলো আলাদা ভাবে অনেকে চাষ করে থাকে, কিন্তু রাস্তাঘাটেও অনেক সময় দেখা যায়। আমিও এই ফুলের ছবিগুলো রাস্তার পাশ থেকে তুলেছিলাম। এই ফুলগুলোকে লিপিয়া আলবা বলে, তাছাড়া এর বহু নাম আছে। অনেক প্রকারের এবং অনেক কালারের দেখতে হয়ে থাকে ফুলগুলো। সাদা কালার, লাল ইত্যাদি জাত ভেদে দেখতে হয়ে থাকে। তবে ফুলগুলো খুবই আকর্ষণীয় হয়ে থাকে, বিশেষ করে এর পাপড়িগুলো। পাপড়িগুলোর খুব নিকট থেকেও একটা হালকা সুগন্ধ আসে। অনেক সৌন্দর্যবর্ধিত একটি ফুল।
শুভেচ্ছান্তে, @winkles
| ক্যামেরা | স্যামসুং গ্যালাক্সি M33 5G |
|---|---|
| লোকেশন | বেরুনানপুখুরিয়া |
| তারিখ | ২১ & ২৪ মে ২০২৩ |
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |











great photos
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
দাদা আপনার তোলা এত সুন্দর এলোমেলো কিছু ফটোগ্রাফি দেখে আমি তো একেবারে মুগ্ধ। আপনি খুবই সুন্দর এলোমেলো কিছু আলোকচিত্র নিয়ে আমাদের মাঝে হাজির হয়েছেন। বিভিন্ন জায়গা থেকে তোলা এই আলোকচিত্র গুলো সত্যি খুবই মুগ্ধকর। খাদ্য সামগ্রী শস্যের যে ফটোগ্রাফিটা করেছেন তা দেখে তো আমি চোখ ফেরাতে পারছিলাম না। ইউনিভার্সিটিতে এক ভাইয়ের রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বিষয়ে গিয়েছিলেন। আর তখন লেকের খুবই সুন্দর ফটোগ্রাফি করেছেন। সব মিলিয়ে আপনার প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি একেবারে মন ছোঁয়া ছিল। আসলে ফটোগ্রাফি করতে যেমন ভালোবাসি তেমনি দেখতেও আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। আপনার কাছ থেকে পরবর্তীতে ও এরকম সুন্দর সুন্দর এলোমেলো আলোকচিত্র গুলো দেখার জন্য অপেক্ষায় থাকলাম দাদা।
ম্যাক্রো ক্যামেরা ইউস করে কখনো ফটোগ্রাফি করা হয়নি দাদা। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে অনেক ভালো লাগলো। অনেক অচেনা ফুলের সাথে পরিচিত হলাম। আর এতো সুন্দর একটি জায়গায় ইউনিভার্সিটি ভাবতেই বেশ ভালো লাগছে। নদী কিংবা লেকের পাড়ের খোলা হাওয়া আর সুন্দর প্রকৃতি সব মিলিয়ে জায়গাটা সত্যিই দারুন। কচুরিপানা ফুল আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। গ্রামের বাসায় গেলে এই সুন্দর দৃশ্যগুলো বেশি দেখতে পাই। আমার কিন্তু ভীষণ ভালো লাগে। পানিতে না নেমে ফটোগ্রাফি করে ভালোই করেছেন। এই হালকা অন্ধকারে পানিতে নেমে রিক্স না নেওয়াই ভালো হয়েছে দাদা। লিপিয়া আলবা ফুল কোথাও দেখতে পেলাম না দাদা😔। হচ্ছে আপনি ভুল করে ফটোগ্রাফি গুলো শেয়ার করেননি। যাইহোক দাদা দারুন সব ফটোগ্রাফি গুলো সবার মাঝে উপস্থাপন করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
প্রিয় দাদা, অনেক সুন্দর সুন্দর দৃশ্যের চমৎকার ফটোগ্রাফি আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনার তোলা প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফি দেখতে আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। একই সাথে প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফির বর্ণনাগুলো পড়ে আমার আরো বেশি ভালো। অসাধারণ সুন্দর একটি ফটোগ্রাফি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য প্রিয় দাদা আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
দাদা আপনি মাইক্রো ক্যামেরা ইউস করে অনেক সুন্দর সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো সত্যিই দাদা অসাধারণ ছিল। অনেক অচেনা জায়গার সঙ্গে পরিচিত হলাম এবং অনেক অচেনা ফুলের সঙ্গে পরিচিত হলাম। ওয়েস্টবেঙ্গলের ইউনিভার্সিটির ফটোগ্রাফি টা অনেক বেশি ভাল লেগেছে। ফটোগ্রাফি গুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ দাদা।
সব ছবিগুলোই সুন্দর তুলেছেন দাদা, তবে বেশি ভালো লেগেছে ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটির পিছন পাশের লেকের ভিউ ফটো দুটো।
শুভেচ্ছা রইল আপনার জন্য 🙏
দাদা প্রথম ফটোগ্রাফি টা আমি ভেবেছিলাম হয়তো গমের ফটোগ্রাফি। আমার কাছেও খাদ্যশস্য মনে হয়েছিল। কিন্তু আপনার পোস্ট পড়ে বুঝতে পারলাম যে এটা আসলে গম গাছের না। কিন্তু ফটোগ্রাফি টা দারুন করেছেন। আপনি তো দেখছি ইউনিভার্সিটিতে গিয়েও ফটোগ্রাফি করে নিয়েছেন। দেখে কিন্তু অসাধারণ লাগছে ছবিটা। আসলে যে কোন ছোট কিছু ম্যাক্রো ক্যামেরা দিয়ে ফটোগ্রাফি করলে সেটা দেখতে ভালো আসে। তাই আপনার ছোট্ট ফুলটা ও কিন্তু সুন্দর এসেছে। আর একটা কথা ঠিক বলেছেন দাদা কচুরিপানার ফুল গুলো একদম কাছে থেকে তোলার রিস্ক। কারণ হচ্ছে সেখানে পানি থাকে। তবে আজকে আপনার অ্যালবামটা আমার কাছে ভীষণ ভালো লেগেছে।
দাদা প্রথম ছবিটা দেখে আমি প্রথমে ভেবেছিলাম হয়তোবা এটা যে কোন উদ্ভিদের হবে। তবে এটা যে খাদ্যশস্য এটা কিন্তু বুঝতে পারিনি। কিন্তু আবার অনেকটা দেখতে গম গাছের মত লাগছে। তাছাড়া আকাশের লাল আভার সাথে উদ্ভিদটা কিন্তু ভীষণ দারুন লাগছে দেখতে। আর আমার কাছে সব থেকে বেশি ভালো লেগেছে ইউনিভার্সিটির পেছনে বিলের ফটোগ্রাফি টা। তাছাড়া দেখছি ম্যাক্রো ক্যামেরা দিয়ে খুব সুন্দর একটা ছোট্ট উদ্ভিদের ফটোগ্রাফি করেছেন। এগুলো আমাদের এখানে অনেক বেশি দেখা যায়। কিছুদিন আগে আমিও অনেক বড় একটা জমিনে কচুরিপানা দেখেছিলাম। আসলেই কাছ থেকে এগুলো ফটোগ্রাফি করা যায় না। তবে দূর থেকে হলেও ফটোগ্রাফি টা আমার কাছে বেশি ভালো লেগেছে। সব মিলিয়ে আপনার ফটোগ্রাফি অসাধারণ হয়েছে।
দাদা প্রথম ফটোগ্রাফিটা খাদ্যসামগ্রী শস্যের হলেও প্রথমে আমি বন্য ফুল ভেবেছিলাম। অসাধারন ফটোগ্রাফি করেছেন। আর ওয়েস্ট বেঙ্গলের ইউনিভার্সিটির ফটোগ্রাফিটা দেখে আমি অবাক। একেবারে বিলের মাঝখানে বিশাল বড় ইউনিভার্সিটি। একটি মাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দিয়ে সম্পূর্ণ এলাকাটা উন্নত হয়ে যাচ্ছে। একেই বলে শহরায়ন,নগরায়ন। ধন্যবাদ দাদা।