এলোমেলো আলোকচিত্র ( পর্ব ৩৬ )
| হ্যালো বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালো আছেন। সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি। |
|---|
আজকে আপনাদের সাথে কিছু এলোমেলো আলোকচিত্র শেয়ার করে নেবো। এই পর্বে আলোকচিত্রের মধ্যে কি কি থাকছে সেটা দেখে নেওয়া যাক।
Photo by @winkles
![]() |
|---|
Photo by @winkles
![]() |
|---|
Photo by @winkles
এই আলোকচিত্রগুলি কালী পুজোর কিছু অংশবিশেষ থেকে তোলা। এখানে প্রথমে একটি স্পাইডার ম্যানের মতো কিছু দৃশ্য দেখতে পাচ্ছেন। এইগুলো সাধারণত কাপড়ের মাধ্যমে ডিজাইনগুলো তৈরি করা। মাকড়সার জালটিও তৈরি করেছে বাঁশ আর কাপড়ের মাধ্যমে। আর একটি মেয়ে মানুষের ডিজাইনও তৈরি করেছে এবং সেটি মাকড়সার জালের সাথে আটকে আছে, এমন বোঝাতে। এরপর একটি প্যান্ডেলের ডিজাইন দেখতে পাচ্ছেন, যেখানে উপরে কাপড়ের মাধ্যমে বিভিন্ন ডিজাইন তৈরি করেছে আর এই ডিজাইনগুলোর মধ্যে সাধারণত লাইটিং ইফেক্ট দেওয়া আছে। এরপর আরেকটি প্যান্ডেলের গায়ে মূলত বিভিন্ন ডিজাইন ফুটিয়ে তোলা, যেমন- বৃত্তাকার, গোলাকার, ত্রিভুজাকার। মূলত একটা জ্যামিতিক বিষয় ফুটিয়ে তোলা আর কি।
ক্যামেরা: স্যামসুং গ্যালাক্সি M33 5G
লোকেশন: কলকাতা
তারিখ: ১৪ নভেম্বর ২০২৩
![]() |
|---|
Photo by @winkles
![]() |
|---|
Photo by @winkles
![]() |
|---|
Photo by @winkles
এই আলোকচিত্রগুলি তুলেছিলাম কচুয়ার লোকনাথ মন্দির থেকে। এই লোকনাথ মন্দিরটি এখানে অনেক বড়ো করে স্থাপন করা। এটি দেখলে বুঝতে পারবেন, নতুনভাবে সংস্করণ করা হয়েছে। আমি যখন গিয়েছিলাম, তখন ব্যাক সাইডে অনেক কাজবাজ চলছিল মন্দিরের। ভিতরটাও অনেক সুন্দর এবং অনেক কক্ষের সমন্বয়ে তৈরি করা। তবে সংস্করণের মাধ্যমে ডিজাইনগুলো বেশ ভালো করেছে। প্রত্যেক পিলারের গায়ে দেব দেবীর মূর্তি আছে আর সব থেকে যে বিষয়টা ফুটিয়ে তুলেছে, সেটা হলো, এখানে মহাদেবের নৃত্যের তালভঙ্গির বিষয়টাও ফুটিয়ে তুলেছে। এছাড়া মন্দিরের একদম চূড়ায় ত্রিদেবের মূর্তিও বড়ো করে তৈরি করেছে অর্থাৎ মহাদেব, ব্রহ্মা, বিষ্ণু দেবের মূর্তি। আর এই পাশে আরেকটি চিত্রে দেখতে পাবেন, এখানে পুজো করা হয়। কারো নামে মানসিক বা গোত্র দিয়ে পুজো দিয়ে দিতে বললে পুরোহিত মশাইরা সেটা দিয়ে দেন।
ক্যামেরা: স্যামসুং গ্যালাক্সি M33 5G
লোকেশন: বেড়াচাঁপা
তারিখ: ১ মার্চ ২০২৪
![]() |
|---|
Photo by @winkles
![]() |
|---|
Photo by @winkles
এই আলোকচিত্রটি তুলেছিলাম ইকো পার্ক থেকে। এখানে একটি ফুলের আলোকচিত্র দেখতে পাচ্ছেন, এইগুলোকে সাধারণত ল্যান্টানা ফুল বলে। অনেকেই জানবেন, কারণ এই ফুলগুলো মূলত বিভিন্ন জায়গায় বর্তমানে দেখা গিয়ে থাকে। এই ফুলগুলোর অনেক প্রজাতি আছে, তবে লাল কালারের ফুলগুলো অনেক সুন্দর লাগে। তবে এর যে আরেকটা হলুদ কালারের ল্যান্টানা ফুল আছে, সেটা দেখতেও বেশ উজ্জ্বল। আবার এক প্রজাতি আছে, যেগুলোর পাপড়ি লাল এবং হলুদ এর সমন্বয়ে। আর এইগুলো আরো বেশি সুন্দর লাগে। এর গাছগুলোও অনেক ছোট ঠিকই, কিন্তু পাতাগুলো বেশ পুরু আর ধারালো। তবে পাতাগুলো চিরসবুজ আর ঘন আছে।
ক্যামেরা: স্যামসুং গ্যালাক্সি M33 5G
লোকেশন: কলকাতা
তারিখ: ১০ মে ২০২৪
![]() |
|---|
Photo by @winkles
![]() |
|---|
Photo by @winkles
![]() |
|---|
Photo by @winkles
এই আলোকচিত্রগুলি তুলেছিলাম গঙ্গার ঘাট থেকে। বিকেলে বা সন্ধ্যার মুহূর্তে গঙ্গার ঘাটে গেলে বেশ ভালো লাগে আর গঙ্গার দৃশ্যটাও অনেক সুন্দর লাগে। এখানে প্রতিদিনই মানুষের অনেক ভিড় হয়, সবাই এখানে এসে গঙ্গার সৌন্দর্য উপভোগ করে এবং গঙ্গার জল মাথায় ছিটায়। গঙ্গার জলকে পবিত্র জল মানা হয়ে থাকে, ফলে সব পাপমোচন করতে এই জল মাথায় ছিটায় বা অনেকে স্নানও করে থাকে। যাইহোক, এরপর গঙ্গার পাশ দিয়ে হাঁটার সময়ে সাইডে একটি জলের ফ্লোরা দেখছিলাম, যেখানে সাথে লাইটিং ইফেক্টটা দেওয়া ছিল আর যার জন্যই দেখতে অনেক সৌন্দর্যমন্ডিত লাগছিলো।
ক্যামেরা: স্যামসুং গ্যালাক্সি M33 5G
লোকেশন: কলকাতা
তারিখ: ৮ জুন ২০২৪
![]() |
|---|
Photo by @winkles
এটি একটি খাবারের আলোকচিত্র। এটি সাধারণত পিজ্জার। এটি রেগুলার প্যান চিকেন সসেজ দিয়ে করা ছিল। আমি মূলত পিজ্জা তেমন একটা সচরাচর খাই না। মাঝে মধ্যে খেতে ইচ্ছা হলে অর্ডার করে দেই। তবে পিজ্জা খেতে কিন্তু খারাপ লাগে না, খাওয়ার সময়ে ভালই লাগে, সেটা চিকেন হোক বা ভেজ। কিন্তু আমার কেন জানি তেমন খেতে বা অর্ডার করতে ইচ্ছা করে না। অর্ডার করার সময়ে প্রতিবারই আমি এভোইড করে যাই এটাকে। তবে এই পিজ্জাটা খেতে দারুন লেগেছিলো আমার কাছে।
ক্যামেরা: স্যামসুং গ্যালাক্সি M33 5G
লোকেশন: কলকাতা
তারিখ: ১৯ জুন ২০২৪
শুভেচ্ছান্তে, @winkles
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |













Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
দাদা সব সময় মত আপনার তোলা এই ফটোগ্রাফি গুলো ও আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে দেখতে। এত সুন্দর করে সব গুলো ফটোগ্রাফি আপনি করেছেন দেখতে অসাধারণ লাগছে। এই ধরনের ফটোগ্রাফি গুলো দেখলে একেবারে মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছা করে। ভিন্ন ভিন্ন সময়ে এই ফটোগ্রাফি গুলো করেছেন। যার কারণে দেখতে খুব ভালো লাগছে দাদা। কালীপুজোর সময়ও বেশ দারুন কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন। এই ফটোগ্রাফি গুলো ও শেয়ার করাছেন দেখে ভালো লাগলো। এত সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করলেন তা ঠিক আছে। তবে পিজ্জার ফটোগ্রাফি কেন যে শেয়ার করলেন। এখন তো অনেক লোভ লেগে গেলো। দেখে তো মনে হচ্ছে এটা অনেক বেশি মজাদার ছিল। এত লোভনীয় একটা পিজ্জা খেতে তো দারুন লাগবেই। এত সুন্দর করে ফটোগ্রাফি করেছেন, আর আমাদের মাঝে ভাগ করে নিয়েছেন এজন্য ধন্যবাদ দাদা।
বিভিন্ন ধরনের কিছু আলোকচিত্র শেয়ার করেছেন দেখে ভালো লাগলো। বিশেষ করে ফুলের ফটোগ্রাফি এবং গঙ্গার ঘাট এর ফটোগ্রাফি আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লেগেছে। খাবারের ফটোগ্রাফি টা দেখে বেশ লোভনীয় লাগছে। বাকি ফটোগ্রাফি গুলোও ভালো ছিল। ধন্যবাদ দাদা এত সুন্দর কিছু আলোকচিত্র আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
দাদা বরাবরের মতো আজকেও দারুণ কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন আমাদের সাথে। ল্যান্টানা ফুল দেখতে খুব সুন্দর লাগে। গঙ্গার ঘাট থেকে তোলা ফটোগ্রাফি গুলো সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে। তাছাড়া পিজ্জা আমার ভীষণ পছন্দ। বার্গার দেখলে আমার কেনো জানি মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। তবে পিজ্জা দেখলেই খেতে ইচ্ছে করে। যাইহোক এতো সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা।
দাদা আপনার তোলা ফটোগ্রাফি গুলো দেখলেই মনটা একেবারে ভালো হয়ে যায়। সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি করেন আপনি সবসময়। আপনার ফটোগ্রাফি গুলোর প্রশংসা যতই করবো ততই খুব কম হবে। নিজের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে এরকম ফটোগ্রাফি করলে একটু বেশি সুন্দর লাগে। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো বেশিরভাগ সময় দেখি। বরাবরের মতোই সুন্দর ফটোগ্রাফি করেন আপনি। আমার কাছে আপনার আজকের ফটোগ্রাফি গুলো ও অনেক ভালো লেগেছে। বিশেষ করে কালীপুজোর সময় তোলা ফটোগ্রাফি গুলো একটু বেশি ভালো লেগেছে দেখতে। আর পিজ্জার ফটোগ্রাফি টাও ভালো লেগেছে। কিন্তু একটু বেশি লোভ লেগে গিয়েছে দেখে। ধন্যবাদ দাদা ফটোগ্রাফিগুলো শেয়ার করার জন্য।
দাদা আপনার শেয়ার করা ফটোগ্রাফি গুলো দারুন হয়েছে। বিশেষ করে গঙ্গার ঘাটের সৌন্দর্য দেখে বেশি ভালো লেগেছে। সত্যি দাদা সুন্দর কিছু দেখলে ফটোগ্রাফি করতে ইচ্ছে করে। আর সেই ফটোগ্রাফি গুলো শেয়ার করতেও ভালো লাগে।
কালীপুজোর প্যান্ডেলের ডেকোরেশন, লোকনাথ মন্দিরের ছবি, ফুলের প্রাণবন্ত সতেজ ছবিগুলো কিংবা গঙ্গার ধারের ছবিগুলো যেটাই বলি না কেন, সবগুলোই দারুণ তুলেছিলেন ভাই। বেশ উপভোগ করলাম।