স্পোর্টস :- ইন্টারমিয়ামি ও ডি-সি ইউনাইটেড মধ্যকার ফুটবল ম্যাচ।
আমি @tuhin002, আমি আমার বাংলা ব্লগের সকল সদস্যগনকে আমার পক্ষ থেকে জানায় সালাম," আসসালামু আলাইকুম" সবাই কেমন আছেন ? আশা করি, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে অনেক ভালো আছেন। আমি ও আপনাদের দোয়ায় এবং মহান আল্লাহুর অশেষ রহমতে ভাল আছি। আজকে আমি খেলাধুলা বিষয় সম্পর্কে আপনাদের সামনে একটি পোস্ট শেয়ার করতে যাচ্ছি।
খেলার রিভিউ
আজকের খেলায় প্রথমেই ইন্টার মায়ামি মেসি এবং লুইস সুয়ারেজ বাদে তারা মাঠে নামে। ভাষ্যকার প্রথমের দিকেই বলেছিল আজকে ইন্টারমিয়ামর জেতাটা বেশ কঠিন হয়ে পড়বে। খেলার প্রথমের দিকে ইউনাইটেড বেশ আক্রমণাত্য খেলা খেলছিল। তাদের খেলার যে ধরনটা ছিল তারা বেশ সেই ধরনের খেলে গিয়েছিল এবং এর ফলাফল হিসেবে তারা প্রথম গোল করে ফেলেন। বারবার তারা আক্রমণ করেছিল আর আক্রমণের ফলশ্রুততে তারা প্রথম গোল পায়। ফুটবল খেলা এমন একটি খেলা যারা নিজেদের কাছে বেশি বল রাখতে পারবে তারাই শেষ পর্যন্ত জয়ী হতে পারবে যদি খেলার ছন্দপত না ঘটে।
ডিসি ইউনাইটেড যখন প্রথম গোলে এগিয়ে যায়, এরপরে দুই দল বেশ আক্রমণাত্মক খেলা শুরু করে দেয়। যদিও ডিসি ইউনাইটেড থেকে ইন্টার খুব বেশি চাপ দিয়েছিল। বুঝতে পারছেন যখন একটা গোলে পিছিয়ে থাকে তখন তাদের যেকোনো ভাবে গোল পরিশোধ করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। অন্য যে কোন খেলার মতই আজকের ম্যাচটা খুবই উত্তেজনা পূর্ণ ছিল। খেলাতে যে যখন বল পেয়েছিল সে তখন ছুটিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। অর্থাৎ খেলাটা খুবই উত্তেজনাপূর্ণ খেলা চলছিল। যদিও দুই দল চমৎকার খেলেছিল তারপরেও ইউনাইটেড প্রথম গোল দেয়ার পরে তারা একটু নরম পড়ে যায় এবং ইন্টারমিয়ামি চাপ চলে যায়। কারণ যখন তারা দেখছে গোল খেয়ে গেছে এখন আর কোন উপায় নেই, তাই তারা সবসময় আক্রমনাত্মক খেলা শুরু করল। আর এর ফলে সেই কাঙ্ক্ষিত অর্জন টি পেল অর্থাৎ ইন্টারমিয়ামি এক গোল দিয়ে দিল। এই গোলে এক এক গোলের ড্র হয়ে গেল।
যেহেতু ফুটবল খেলা ৯০ মিনিটের খেলা এবং এর মধ্যে কিছু এক্সট্রা টাইম দেয়া হয়। প্রথম ৪৫ মিনিটে ইন্টার মিয়ামি এবং ডিসি ইউনাইটেডের খেলাটি এক এক গোলে সমতা থাকে। সবচেয়ে বড় কথা খেলা দুই দলই খুবই ভালো খেলেছে। ডিসি খুবই সুযোগ তৈরি করতে পেরেছিল কিন্তু সবাই ঠিক রকম সুযোগ কাজে লাগাতে পারে নাই। প্রথম হাফের মধ্যে সবচেয়ে ডিসি ইউনাইটেড বেশি সুযোগ তৈরি করছিল কিন্তু তাদের সুযোগের মাত্র একটা গলি হয়েছে। ইন্টারমিয়ামি খুব কম সুযোগ তৈরি করলেও তারা তাদের শেষ পর্যন্ত হাফটাইমের ভিতরেই তারা গোলটি শোধ করতে সক্ষম হয়।
এরপরে লুইস সুয়ারেজ প্রথম হাফের পরে ওঠে। মাঠে নেবেই লুইস সুয়ারেজের চমক। খেলার ১০-১৫ মিনিট অতিবাহিত না হতেই চমৎকার একটি গোল করে ফেলেন তিনি। আর এই গোলের বিনিময়ে ডিসি ইউনাইটেড এর থেকে ইন্টারমিয়ামি এক গোলে এগিয়ে যান অর্থাৎ তখন গোলের স্কোর দাঁড়ায় ২-১। বরাবরের দুই দল খুবই ভালো খেলেছিল। সবাই কাউন্টার অ্যাটাকিং গিয়েছিল। ডিসি ইউনাইটেড বারবার গোলের মধ্যে গিয়ে তারা পরাস্ত হচ্ছিল। যদি বরাবরই তারা খুবই ভালো খেলছিল কিন্তু যে কাঙ্খিত যে বিষয়টা সেটা থেকে তারা বারবার ফিরে আসছিল। খেলাটি দেখে বেশ ভালো লাগছিল।
যখন দুই দল খুবই উত্তেজনা পূর্ণ মুহূর্ত চলছিল তখন একে অপরের কাউন্টার অ্যাটাকিং গেলেও ডিসি গোল করতে না পারলেও ইন্টার মিয়ামি কিন্তু থেমে নেয়। ঠিক কিছু সময়ের মধ্যে আবারো লুইস সোয়ারেজ ঝলক। আবারো তিনি আরেকটি গোল করে ফেলেন। এই গোলটি অসাধারণ একটি গোল করেছিলেন। আসলে এই গোলটি না দেখলে এর বর্ণনা করাটা একটু কঠিন কারণ গোলটি এতটাই চমৎকার গোল ছিল। তারপরও বলতেছি লুইস সুয়ারেজের পায়ে যখন বলটা আছে তখন সে বলেন নিচের একটু চিফ করে দেয় আর অমনিতেই বল গোলকিপারের মাথার উপর দিয়ে জালের মধ্যে চলে যায়। আর এই বল যাওয়াতে তারা ৩-১ গোলে এগিয়ে যায়।
শেষ পর্যন্ত ডিসি ইউনাইটেডকে ইন্টার মায়ামি ৩-১ গোলে পরাজিত করে। ইন্টার মিয়ামির খেলাটা ধরন পরিবর্তন হয়ে যায় লুইস সুয়ারেজ মাঠে নামার পর থেকেই। প্রথম হাফে যে খেলা করছিল তাতে মনে হয়েছিল তারা হেরে যাবে। কিন্তু লুইস সুয়ারেজ আসার পরে দলের মধ্যে একটা ইউনিটি তৈরি হয়ে যায়। আর এ থেকে তারা তাদের ছন্দে ফিরে আসে এবং সেই ছন্দকে কাজে লাগিয়ে তারা এই ম্যাচটি জিতে নেয়।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেণী | স্পোর্টস |
|---|---|
| ডিভাইস | poco M2 |
| স্ক্রিনশট সোর্স | Apple tv |
| লোকেশন | মেহেরপুর |
| সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই প্রত্যাশায় নিয়ে শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ। |
|---|
👨🦰আমার নিজের পরিচয়👨🦰
আমি আবুল বাশার খায়রুল আলম তুহিন। আমার জন্ম ১১ এপ্রিল ১৯৯৫ সালে। আমার বাসা মেহেরপুর জেলা,গাংনী থানা, জুগীর গোফা গ্রাম। আমি বিবাহিত। বর্তমানে আমার একটা পুত্র সন্তান আছে। আমি গ্রাজুয়েশন শেষ করেছি রাজশাহী নিউ গভমেন্ট ডিগ্রী কলেজ থেকে। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ব্লগে কাজ করতে অনেক ভালোবাসি। এই ব্লগে কাজ করার মাধ্যমে আলাদা প্রশান্তি পায়। আমি ছবি আঁকতে,গান গাইতে,কবিতা লিখতে অনেক পছন্দ করি। এছাড়া আমি বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে খুব পছন্দ করি। আর আমি স্টিমেটে জয়েন করেছি (২৭ - ০৬ - ২০২২) সালে। সংক্ষিপ্ত আকারে আমার নিজের পরিচয় আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইলো।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
https://twitter.com/ABashar45/status/1769291135493796336?t=UkwQ-eAik8pOH8X_DsGutQ&s=19
ফুটবল খেলা খুব একটা দেখা হয় না। বিশ্বকাপের সময় ম্যাচগুলো দেখা হয়। আপনি এত সুন্দর ভাবে বর্ণনা করেছেন ও সুন্দরভাবে এর বিবরণ তুলে ধরেছেন। হালকা খেলার ধারণা পেলাম। যাই হোক আপনার জন্য শুভেচ্ছা রইল।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ভাই সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
যদিও এই ম্যাচে লিওনেল মেসি খেলেনি। তবুও লুইসোয়ারেজের দুই গোলে সহজ জয় নিশ্চিত করেছে ইন্টার মিয়ামি। গোল ব্যবধান ৩ -১ হয়েছিল। আপনি খুবই সুন্দর ভাবে ম্যাচটির রিভিউ দিয়েছেন। ধন্যবাদ আপনাকে।
খুবই একটা অসাধারণ ম্যাচ ছিল। এই খেলাটি দেখে খুবই ভালো লাগছিল কারণ খেলাটি সব সময় উত্তেজনা পূর্ণ ছিল। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
অনেক সময় একটা খেলোয়ারের ইফেক্ট দলের উপর খুব ভালোভাবে পড়ে। যেমনটা লুইজ সুয়ারেজ নামার পরে হয়েছে। মূহুর্তেই খেলা বদলে যায় ইন্টার মায়ামির। মেসি ওখানে যাওয়ার পর এখন দেখি অনেকেই খেলা দেখে মেজর লীগ সকার খেলা দেখে। আপনার করা ম্যাচ রিভিউ টা বেশ ভালো ছিল। ধন্যবাদ আমাদের সঙ্গে শেয়ার করে নেওয়ার জন্য।
মেসি একজন ফুটবল প্লেয়ারের নাম না, মেসি হলো ফুটবলের একজন আর্ট। যে ফুটবলকে রাঙিয়ে রেখেছে। আপনি ঠিক বলেছেন একজন প্লেয়ার যে কোন মুহূর্তে খেলার রং পাল্টিয়ে দিতে পারে। এই ম্যাচে সুয়ারেজ করে দেখিয়েছে।
প্রথম থেকেই ইন্টারমিয়ামি অনেক চাপের মুখে পড়ে কারন হয়ে পারে মেসি ম্যাচে না থাকাটা। মেসি থাকলে হয়তো এতটা চাপের মুখে পড়তে হয় না মিয়ামিকে। আর সুয়ারেজ অনেক অভিজ্ঞতা সম্পুর্ণ একজন প্লেয়ার। তার খেলা আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। তিনি মেসির সাথে দীর্ঘদিন দিন ধরে খেলেছে। তিনি মাঠে নামাতে জয় পাবে এইটাই স্বাভাবিক।
আসলে এই ম্যাচটাতে মেসি না থাকলেও দলের উপর খুব একটা প্রভাব পড়েনি। কারণ সুয়ারেজ আসার পর থেকে খেলার চিত্রটা পুরোটাই ভিন্ন হয়ে যায়। একাই এসে দলটাকে জিতে নিয়ে যায়।