মজাদার বোয়াল মাছের রেসিপি
আসসালামু আলাইকুম
আমার বাংলাব্লগের বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন ভাল আছেন নিশ্চয়ই। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালই আছি আলহামদুলিল্লাহ।
আজকে আমি আবার আপনাদের সামনে একটি রেসিপি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম । আজকে আপনাদের সাথে বোয়াল মাছ আলু ও টমেটো দিয়ে রান্না করেছি সেটি শেয়ার করব । এ রেসিপিটা মনে হয় অনেকদিন আগের একটি রেসিপি কবে যে বানিয়ে রেখেছিলাম তা মনে ছিল না । আজকে ফোন ঘাটতে ঘাটতে দেখি যে একেবারে পেছনের দিকে পড়ে রয়েছে । ভালোই হলো রেডিমেড একটি রেসিপি আপনাদের সাথে শেয়ার করার জন্য পেয়ে গেলাম । এরকম ফোনের ভিতরে হঠাৎ করে কোনো কিছু পেয়ে গেলে তখন নিজের কাছেই ভালো লাগে । আরে বোয়াল মাছ এভাবে টমেটো আলু দিয়ে রান্না করলে খেতে খুবই ভালো লাগে । তবে বোয়াল মাছ হঠাৎ হঠাৎ খেতেই আমার কাছে বেশি ভালো লাগে অতিরিক্ত খেতে খেতে তখন আর দেখলেও খারাপ লাগে । আজকে বাজার থেকে তিন চার কেজির বড় একটি বোয়াল মাছ কিনে নিয়ে এসেছে আল্লাহই যেন এটি কিভাবে শেষ করবো । আমার কাছে বোয়াল মাছ তেমন একটা খেতে ভালো লাগে না কিন্তু তারপরও সব মাছই আমি খাওয়ার চেষ্টা করি ।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
টমেটো
আলু
পেঁয়াজ
মরিচ
হলুদের গুঁড়া
মরিচের গুড়া
জিরার গুড়া
পেঁয়াজ বাটা
আদা বাটা
রসুন বাটা
ধনিয়া পাতা
লবণ
তেল
কার্যপ্রণালী
প্রথমে চুলায় একটি করাই বসিয়ে তার ভিতরে আলু দিয়ে দিয়েছি । আলুগুলো ভেজে নিব এখানে আমি আলু খুব বেশি ভাজবো না হালকা করে ভেজে নেব । তারপর ভাজা হয়ে গেলে আলুগুলো একটা বাটিতে তুলে রেখে ওই তেলের ভিতরেই পেঁয়াজ মরিচ দিয়ে হালকা নরম করে ভেজে নিব ।
এরপর পেঁয়াজ ভাজা হয়ে গেলে সব বাটা মশলা ও গুড়া মসলাটা দিয়ে মসলাটাকে অনেকক্ষণ ধরে কষিয়ে নিয়েছি ।তারপর কষানো হয়ে গেলে তার ভিতরে কেটে রাখা মাছগুলো দিয়ে দিয়েছি । মাছগুলো দিয়ে আরো একটু সময় মসলাটার সাথে হালকা একটু পানি দিয়ে কষিয়ে নিয়েছি ।
মাছ কিছু সময় কষানো হয়ে গেলে টমেটো গুলো দিয়ে দিয়েছি । টমেটো গুলো দিয়ে আরো বেশ খানিকটা সময় কষিয়ে নিয়েছি । তারপর ভেজে রাখা আলু গুলো দিয়ে দিয়েছি ।তারপর আরো একটু সময় ভালো করে মাছগুলো কষিয়ে রান্না করে নিয়েছি ।
আমি যেহেতু তরকারিতে ঝোল খেতে পছন্দ করি এজন্য ভালোমতো কষানো হয়ে গেলে তার ভিতরে পানি দিয়ে দিয়েছি । পানি দিয়ে ঢাকনা দিয়ে আরও বেশ খানিকটা সময় রান্না করে নিয়েছি । তারপর ঢাকনা খোলার পরে যখন পানিটা কিছুটা টেনে আসবে সেই মুহূর্তে ধনিয়া পাতা ও জিরার গুঁড়ো দিয়ে আরো বেশ খানিকটা সময় রান্না করে নিয়েছি । তারপর রান্নাটা হয়ে গেলে চুলাটা বন্ধ করে দিয়েছে এবং একটু পরে একটা বাটিতে ঢেলে নিয়েছি । তারপর গরম গরম পরিবেশন করেছি খেতে কিন্তু খুবই টেস্টি হয়েছিল আমার খাবারটা ।
আশা করছি আমার আজকের এই ব্লগটি আপনাদের সকলের কাছে ভালো লেগেছে। আজকের মত এখানেই বিদায় নিচ্ছি। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।
| ফটোগ্রাফার | @tauhida |
|---|---|
| ডিভাইস | samsung Galaxy s8 plus |
ধন্যবাদ
| আমি তৌহিদা, বাংলাদেশ আমার মাতৃভূমি।বাংলাদেশে আমার জন্ম।আমি আমার মাতৃভূমিকে ভালোবাসি। আমি বিবাহিতা, এক সন্তানের মা। আমি রান্না করতে ও খেতে ভালোবাসি,আমি ঘুরতেও অনেক ভালোবাসি। |
|---|
@tauhida
*** VOTE @bangla.witness as witness
OR SET @rme as your proxy
টমেটো এবং আলু দিয়ে বোয়াল মাছের মজাদার রেসিপি তৈরি করেছেন আপু। দেখে মনে হচ্ছে খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছে। যদিও আমি বোয়াল মাছ খেতে পছন্দ করি না তবুও আজকে আপনার রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে খেতে মজা হবে। ধন্যবাদ জানাচ্ছি মজাদার এই রেসিপিটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
রেসিপিটি আসলে অনেক মজা হয়েছিল ।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
বোয়াল মাছ এ বছরে আর খাওয়া হয়নি তবে ৪ কেজি ওজনের বড় বোয়াল মাছ কিনে শেষ করার কথা ভাবছেন তাহলে আমাকে দাওয়াত দিন 😆 অনেক লোভনীয় লাগছে আপু রেসিপির ছবি দেখে বোঝা যাচ্ছে খেতে অনেক সুস্বাদু হয়েছে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
এত বড় বোয়াল মাছ আনলে আমার কাছে সত্যিই খারাপ লাগে একা একা খেয়ে শেষ করা যায় না । আপনাকে দাওয়াত দিতে পারলে তো ভালই হতো এসে খেয়ে যেতে পারতেন ।
মাঝে মাঝে ফোনের গ্যালারি ঘটলে অনেক ধরনের রেসিপি সামনে চলে আসে। আপু আপনি এই রেসিপি অনেকদিন আগে তৈরি করেছিলেন আর অবশেষে আমাদের মাঝে শেয়ার করলেন দেখে ভালো লাগলো। টমেটো এবং আলু দিয়ে বোয়াল মাছের রেসিপি দারুন হয়েছে।
ঠিকই বলেছেন আপু এ ধরনের ছবিগুলো পেলে তখন ভালই কাজে লাগে ।
মজাদার বোয়াল মাছের রেসিপি সুস্বাদু মনে হচ্ছে। তাই খেতে ইচ্ছা করছে। আপনার রেসিপির পরিবেশনে আমার অনেক ভালো লেগেছে। এত সুস্বাদু মজাদার রেসিপি শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
রেসিপিটা আসলেই অনেক সুস্বাদু হয়েছিল ধন্যবাদ আপনাকে ।
বোয়াল মাছ চার কেজি ওজনের মানে বেশ বড়ো আপনার খেতে খেতে অরুচি এসে যাবে যেহেতু পছন্দ করেন না তেমন। বোয়াল মাছের রেসিপি আলু ও টমেটো দিয়ে করার কারনে খেতে নিশ্চয়ই অনেক সুস্বাদু হয়েছে। ধাপে ধাপে রন্ধন প্রনালী চমৎকার সুন্দর করে আমাদের সাথে ভাগ করে নিয়েছেন। আমার খুব ভালো লাগে বোয়াল মাছ খেতে।রন্ধন প্রনালী চমৎকার করে আমাদের সাথে ভাগ করে নেয়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
এজন্য আমি মাঝে মাঝে বলি যে বোয়াল মাছ আর না আনার দরকার নাই কিন্তু চোখের সামনে বড় ভালো বোয়াল মাছ দেখে না এনেও পারা যায় না ।
বোয়াল মাছ আমার খুবই প্রিয়।
এখন তো বর্ষার মৌসুম মাঝে মাঝে আমাদের পদ্মা তে অনেক বড় বড় বোয়াল ধরা পড়ছে।
এই বর্ষার মৌসুমে বেশ কয়েকবার বোয়াল মাছ খাওয়া হয়েছে।
আসলে বোয়াল মাছের স্বাদটাই অন্যরকম।
আপনি বোয়াল মাছের লোভনীয় রেসিপি প্রস্তুত করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন দেখেই বোঝা যাচ্ছে খেতে খুব মজা হয়েছিল।
বোয়াল মাছ আমার কাছে তেমন একটা ভালো লাগে না তারপরও মাঝে মাঝে খাই ।
তবে আপু মাঝে মাঝে মোবাইলে গ্যালারিতে অনেক কিছু রয়ে যায় যা চোখে পড়ে না। যাইহোক আজকে আপনি খুব সুন্দর করে বোয়াল মাছের রেসিপি করেছেন। মাছের মধ্যে আলু এবং টমেটো দিলে খেতে বেশ ভালোই লাগে। আর ধনিয়া পাতা দিলে রেসিপির মধ্যে আলাদা একটা ঘ্রাণ হয়। মজার রেসিপিটি অনেক সুন্দর করে আমাদের মাঝে উপস্থাপনা করেছেন।
আসলেই আপু যখন পোস্ট করার মতো কিছু পায় না। এমন কিছু ফোনের মধ্যে পেয়ে গেলে বেশ ভালো লাগে। বোয়াল মাছের রেসিপি টা বেশ দারুণ তৈরি করেছেন আপু। রেসিপি টা দেখে বেশ লোভনীয় লাগছে। রেসিপি টার প্রতিটা ধাপ দারুণ উপস্থাপন করেছেন। সবমিলিয়ে বেশ চমৎকার ছিল রেসিপি টা।