ভূতের গল্পঃ " মেছো ভূতের কান্ড কারখানা " ( শেষ পর্ব )
বন্ধুরা
আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি, আপনারা সবাই ভালো আছেন।আজ আবার ফিরে এসেছি ভূতের গল্প নিয়ে।আজ আপনাদের সাথে ভূতের গল্পের শেষ পর্ব আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।
হারুন বললো, শোন মেছো ভূত তুই আমাকে ভীতু ভাবিস না। আমি বিনা অপরাধে মাথা নত করি না।
মেছো ভূত তখন নরম হয়ে বললো, তুমি তো রোজ রাতে মাছ ধরে নিয়ে যাও । কোনদিন কি চেয়েছি ?আজ প্রথম চাইছি। আমার ক্ষিদে পেয়েছে অনেক দিন কিছু খাইনি। হারুন বললো, আমার ঘরে মেয়ে ও বউ না খেয়ে আছে। আমি বাড়ি ফিরলে এই মাছ বাজারে বিক্রি করে চাল কিনবো তারপর তারা খেতে পারবে। কিন্তু বাপু আমি আমি তোমাকে মাছ দিলে আমার মেয়েটা না খেয়ে থাকবে। আমার সোজা সাপটা কথা আমি আমার মাছ দেবো না।
এই কথা শুনা মাত্রই রেগে গিয়ে তার হাত থেকে মাছের কেড়ে নিতে যাচ্ছিলো। ঠিক তখনই হারুন খপ করে হাত ধরে ফেললো।বলে রাখি হারুনের গায়ে বেশ জোর ছিলো। তাই সে কাউকে পরোয়া করতো না। হারুন হাত ধরে টান দিয়ে ফেলে দিলো। এবার মেছো ভূত ও হারুনের ভিতর বেশ মারামারি বেধে গেলো। এক পর্যায়ে মেছো ভূত হেরে গিয়ে হারুনকে হুমকি দিয়ে চলে গেলো। হারুন মনে মনে বেশ ভয় পেয়েছিলো। হারুন সেখান থেকে অতি দ্রুত বাড়ি বউকে ডাকতে লাগলো।হারুনের বাড়ি ফিরতে ফিরতে সকাল হয়ে গিয়েছিলো। হারুন বাড়ি ফিরেই অসুস্থ হয়ে পড়লো। এরপর সেই রাতের সকল ঘটনা তার বউকে খুলে বললো। বই তো শুনে ভয় পেয়ে গেল। সেদিনের পর থেকে হারুন আর একা একা কখনো মাছ ধরতে যায়নি।
আশা করি, গল্পটি আপনাদের ভালো লাগবে। আবার নতুন কোন বিষয় নিয়ে আবার আসবো।সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
হাহা মেছো ভুত হারুনের সাথে মারামারি করে না পেরে হুমকি দিয়ে চলেই গেল।সব ভুত জাতির মানসম্মান শেষ,কেউ আর তাদের ভয় পাবেনা।কিন্তু হারুন পরের দিন অসুস্থ হয়ে পড়েছিল ভয়ে হয়তোবা।যায় জন্য আর একা মাছ ধরতে যায়নি কখনও।ভালো লেগেছে বৌদি গল্পটি।ধন্যবাদ বৌদি সুন্দর গল্পটি শেয়ার করার জন্য।
হারুন এবং মেছো ভূত সাথে মারামারি হল। আমি কিন্তু ভূত দেখলে বা শুনলে অনেক ভয় পাই।মেছো ভূত হারুনকে যখন হুমকি দিল তখনই আমার কাছে আরো ভয় লেগে গেল। যাক হারুন বাড়িতে গিয়ে তার ওয়াইফকে কথাগুলো বললেন। তবে আমি ভূতের গল্প অনেক শুনেছি এরকম ভয়ংকর ভূতের গল্প শুনি নাই। অনেক সুন্দর করে মেছো ভূত এর গল্প আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
হারুন মনে মনে ভয় পেলেও বেশ সাহসিকতার সহিত মেছো ভূতের সাথে মারামারি করেছে এবং মেছো ভূতকে হারিয়ে মাছ গুলো বাড়িতে নিয়ে যেতে পেরেছে। হারুনের সাহসিকতার প্রশংসা করতেই হয়। সবমিলিয়ে গল্পটি পড়ে খুব ভালো লাগলো বৌদি। আশা করি সামনে আরও অনেক গল্প আমাদেরকে উপহার দিবেন। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
আপনার ভূতের গল্প পড়ে আমার অনেক ভয় লেগে গেল। হারুন এবং মেছো ভূতের মারামারি হয়েছে। তারপর হারুন একটু অসুস্থ হয়ে পড়ল। আসলে এইভাবে সামনে থেকে ভূত দেখলে অনেকেই মারা যাবে। যাক হারুন বাড়িতে গিয়ে তার ওয়াইফের সাথে কথাগুলো শেয়ার করল। অনেক সুন্দর করে পোস্টটি আমাদের মাঝে উপস্থাপনা করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।