"পুরনো অ্যালবাম থেকে সিকিমের চা বাগানে কিছু ফটোগ্রাফি ও সুন্দর কিছু মুহূর্ত "
বন্ধুরা
আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি। আপনারা জানেন পরিবারের সবাই মিলে ঘুরতে গিয়েছিলাম। সিকিমের শেষ দিনে গেলাম চা বাগানে। আমি সিকিমে যাওয়ার আগে কখনো চা বাগান দেখিনি। তাই টিভিতে দেখতাম আর ভাবতাম আমি কি কোনদিন চা বাগান দেখতে পাবো। কোনদিন কি চা গাছের সঙ্গে ছবি তুলতে পারবো। ঠিক তখনই আপনাদের দাদা বলতো একটু সময় দেও তোমার সব ইচ্ছা পূরণ হবে। সিকিম যাওয়ার পথে অনেক জায়গায় চা বাগান দেখেছি। তাই অনেকবার গাড়ি থেকে নামতে চেয়েছিলাম। তখন আমাদের বললো এখানে না নেমে আগে চলুন এর থেকে অনেক বড় চা বাগান আছে। আমাদের সিকিমের শেষ দিনের ভ্রমণে গেলাম temi টি। দূর থেকে দেখতে অনেক সুন্দর লাগছিলো । বিশাল বড় এক চা বাগান। এখানে আমাদের মতো আরো অনেক ভ্রমণ পিপাসুরা এসেছে। এত বড় চা বাগান দেখে আমার চোখ জুড়িয়ে গিয়েছিলো। চা বাগানের ভিতর ঢুকতে গেলে আগে টিকিট কেটে আনতে হবে। তাই টিকিট কেটে আনার আগেই আমি অন্যদের সাথে চা বাগানের ভিতর ঢুকে পড়লাম। আসলে আমার টিকিট কেটে আনার ধৈর্য ছিলো না। জীবনের প্রথম বার হাত দিয়ে চা পাতা ছিঁরার মজাই আলাদা। তবে প্রচুর ঠান্ডা ও ছিলো।এদিকে আবার হাওয়া দিচ্ছিলো। সিকিমের রাস্তার পাশে বড় বড় চেরি ব্লোসাম ফুল গাছ ছিলো। Temi টি বাগানের আর চেরী ব্লোসম ফুলের সৌন্দর্য এ দুই মিলে মিশে একাকার হয়ে গিয়েছিলো। চা বাগানের ভিতরে ঢুকতেই চোখে পড়লো ছোট ছোট ফুল ফুটেছে। চা গাছের ফুল। সে গুলো ও বেশ সুন্দর লাগছিলো। কিছুক্ষন ধরে চা বাগানের ফটোশুট করলাম। এরপর আমরা ওই চা বাগান থেকে তৈরি করা চা খেলাম সবাই মিলে। এরপর আমি আমার পরিবারের সবার জন্য ওখানের চা কিনলাম। যদিও তেমন কেউ চা খায় না। একমাত্র পরিবারের ভিতর আমি চা খেতে পছন্দ করি। যদিও বা এর আগে আমি পছন্দ করতাম না। আর এখন চা খেলে ভালই লাগে না। এই চা খাওয়া নিয়ে একটা মজার ঘটনা আছে। সেটা নয় অন্য একদিন আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। এখন সেই চা বাগানের কিছু ফটোগ্রাফি আপনাদের শেয়ার করবো।আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।
আমরা টিকিট কেটে চা বাগানের ভিতর প্রবেশ করলাম।দেখলাম অনেকে I ❤️temi লেখার পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছে।আমরাও কিছু ছবি তুললাম।
তারিখ:১৬ ই নভেম্বর ২০২২, সকাল ১০.১২ মিনিট
স্থান: সিকিম, temi বাগান
বিশাল বড় চা বাগান। যত দূর পর্যন্ত চোখ যায় শুধু চা আর চা। চা বাগান হালকা কুয়াশায় ঢাকা ছিলো। চা পাতার উপর সকালের হালকা রোধ পড়তেই পাতা গুলো যেনো চক চক করছে।
তারিখ: ১৬ ই নভেম্বর ২০২২, সকাল ১০.১৭মিনিট
স্থান: সিকিম, temi বাগান
সিকিমে যাওয়ার পর যে ফুলটি আমার মন কেড়েছিল।সেটি হলো চেরী ব্লোসম ফুল। সত্যি বলতে ফুলটি আমার খুবই ভালো লেগেছিলো। তাই কিছু ছবি তুলে নিলাম। কিছুক্ষন চা বাগানের চার পাশ ঘুরে দেখতে গিয়েছিলাম আমি ও আমার প্রিয় মানুষটি। এটি আমার প্রিয় মানুষটির পছন্দের চা। যা একবার খেয়েই সে ওই temi চা এর প্রেমে পড়ে গিয়েছে।সেই দিন থেকে প্রতিদিন সন্ধ্যায় তার এই চা খেতেই হবে।
তারিখ: ১৬ নভেম্বর ২০২২, সকাল ১০.৩০ মিনিট
স্থান: সিকিম, temi বাগান
চা বাগানের ভিতরে টিনটিন বাবু আনন্দে খেলা করছিল।চা বাগানের সাথে নিজের কিছু সেলফি তুলে দিলাম। আর কিছু চারপাশের পরিবেশের ছবি তুলে নিলাম।যেখানে ঘুরতে যাই সেই থেকেই পাহাড় খুবই সুন্দর লাগছিলো। সত্যি বলতে পাহাড়ের প্রেমে পড়ে গিয়েছিলাম।বার বার কুয়াশা ঘেরা পাহাড়ের সৌন্দর্য আমাকে টানছিলো।
তারিখ:১৬ নভেম্বর ২০২২,সকাল ১০.৩৪ মিনিট
স্থান: সিকিম,চা বাগান
চা পাতার সৌন্দর্য ও পাতার ফাঁকে ফাঁকে ছোট ছোট সাদা গুলো।যা চা বাগানের সৌন্দর্য হাজার গুণ বাড়িয়ে দিয়েছিলো।
তারিখ:১৬ নভেম্বর ২০২২, সকাল - ১০.৩৯ মিনিট
স্থান: সিকিম, চা বাগান
ক্যামেরা পরিচিতি: redmi 8 poro
ক্যামেরা লেন্থ : ৫ মিলিমিটার
চারিদিকে ঘুরলেই বোঝা যায় আমাদের প্রকৃতি কতটা সুন্দর!
নিজ চোখে এখনো চা বাগান দেখা হয়নি তবে আপনাদের ভ্রমণ সম্পর্কিত লেখায় অনেক অভিজ্ঞতা পেয়েছি।
সুন্দর ছিল মুহুর্তগুলো।শুভ কামনা রইলো।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আমার কখনও চা বাগানে যাওয়ার সুযোগ হয়নি।টিভিতে দেখি আর মনে যদি কখন যেতে পারি তাহলে বেশ মজা করবো।আসলেই চা বাগান থেকে চা পাতা ছিঁরার মজাই আলাদা।আর যদি সেখানে বসে চা পান করা যায় তাহলে আরো ভালো লাগা কাজ করবে।আসলেই বৌদি চেরী ব্লোসম ফুল বেশ দারুন। বিশেষ করে কালার গুলো এত সুন্দর যা যে কারো ভালো লাগবেই। সব মিলিয়ে বেশ অসাধারণ। ছবিগুলো বেশ চমৎকার। ধন্যবাদ
এমন দৃশ্য যার মন ভালো থাকে না, তার মনও ভালো হয়ে যাবে! সিকিমের সৌন্দর্য যে কাউকে আকৃষ্ট করবে। দিদি আপনার স্বপ্ন তাহলে পূরণ হলো। টেমি ট্রি চা বাগানের চা খাওয়াও হলো। তবে মজার ব্যাপার হলো আপনি ছাড়া কেউ চা তেমন খাইনা। আপনি চা পিপাসু মানুষ তাহলে। আমার কিন্তু চা খেতে ভালোই লাগে। ব্লোসম ফুল দেখতে বেশ সুন্দর 🌼
দাদাকে নিয়ে যতই বলা হোক না কেনো ততই যেনো কম হয়ে যায়।আপনি খুব ভাগ্যবতী বৌদি,আর তেমন দাদাও।কারণ দাদার এতো ব্যস্ততা থাকার পরেও আপনি এতো সুন্দর ভাবে সব বুঝেন।এই চা গুলো আবার আমার খুব একটা পছন্দ নয়।অর্থাৎ বেশি করে দুধ চিনি দিয়ে চা না খেলে চা খাওয়ার মতোই লাগেনা!
অনেকদিন পর আপনার ছবি দিলেন বৌদি।
প্রকৃতির পরিবেশে অনেক সুন্দর একটি জায়গা দেখতে পেলাম বৌদি। চা বাগানে কখনো ঘুরতে যাওয়ার সুযোগ হয়নি। আজকে আপনার চা বাগানের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে ভালো লাগলো। টিনটিন বাবুকে দেখে মনে হচ্ছে সে অনেক আনন্দ পেয়েছে। ধন্যবাদ আপনাকে বৌদি এত সুন্দর চা বাগানের দৃশ্য আমাদের দেখানোর জন্য। আপনার জন্য শুভকামনা রইল
সিকিমের চা বাগানের ফটোগ্রাফি দেখে মন ভরে গেল সকাল সকাল।বড় বড় চেরি ব্লোসাম ফুল কেমন অদ্ভুত সুন্দর নাম।আপনার মাধ্যমে আমরাও দেখে নিলাম চা বাগান।দাদা আপনার ইচ্ছে পূরণ করেছে এটা সত্যি আনন্দের ।প্রত্যেকটা ছবি খুবই সুন্দর।ধন্যবাদ বৌদি।