ছুটির দিনে দাদু বাড়ি ভ্রমণ
যেহেতু দীর্ঘদিন পরে দাদু বাড়িতে গিয়েছিলাম,মূলত পারিবারিক একটা অনুষ্ঠানের কারণে। যদিও আমি বিগত পর্বে সেই কারণটা লিখে ছিলাম। তারপরেও মোটামুটি সারাটা দিন সেদিন বেশ ভালই কর্মব্যস্ত সময় গিয়েছে। যেহেতু অনেক লোকের খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন ছিল, তাই ব্যস্ততাপূর্ণ সময় যাওয়া নিতান্তই স্বাভাবিক।
এসবের মাঝেও আমি নিজের মতো করে কিছুটা সময় কাটানোর চেষ্টা করেছিলাম। কারণ গ্রাম আমাকে একটু বেশি টানে। আর তাছাড়া এমন সুন্দর নিরিবিলি পরিবেশ ও প্রকৃতির মাঝে আসতে পেরে, কিছুটা ভালো লাগছিল।
তবে শুধু এখানে একটা মাত্র কারণেই আসতে ইচ্ছে করে না, সেটা হচ্ছে মোবাইল নেটওয়ার্কের স্বল্পতার জন্য। তাছাড়া যাতায়াতের রাস্তার অবস্থাও বেশ নাজুক। এখনো নৌকায় চড়ে নদী পাড়ি দিয়ে গ্রামে আসতে হয় এবং দীর্ঘ অনেকটা পথ চরের ভিতর দিয়ে পায়ে হেঁটে দাদু বাড়িতে আসতে হয়।
হয়তো আপনার এরকম মনোরম পরিবেশে হঠাৎই আসতে কিছুটা ভালো লাগতে পারে, তবে যাতায়াত ব্যবস্থা ও মোবাইল নেটওয়ার্কের উন্নয়ন না ঘটলে, দীর্ঘ সময় এসে এখানে থাকা অনেকটা বিরক্তির কারণ হয়ে যেতে পারে। এটা অনেকটা দ্বীপের মতো এলাকা মানে চতুর্দিকে শুধু নদী আর মাঝখানে উঁচু জায়গাতে গ্রামীণ জনপদ গড়ে উঠেছে।
এখানকার মানুষগুলোকে একপ্রকার প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করে টিকে থাকতে হয়। এই তো যখন কিছুদিন আগে বন্যা হল, তখন চতুর্দিকে শুধু থৈ থৈ পানি আবার এখন সব পানি শুকিয়ে গিয়েছে এবং নদী চলে গিয়েছে অনেকটা দূরে। মূলত কৃষি কাজ ও নদীতে মাছ ধরা এখানকার মানুষের জীবন জীবিকার প্রধান উৎস।
স্বল্প সময়ের জন্য এসেছিলাম সময়টা যে একদম খুব খারাপ কেটেছে তা বলবো না। বলা যায় দীর্ঘদিন পরে অনেক পুরনো মানুষগুলোর সঙ্গে দেখা হয়েছিল, বেশ ভালোই কুশল বিনিময় হয়েছে। তাছাড়া দাদু ভাইয়ের সঙ্গে দীর্ঘ সময় গল্প হয়েছে এবং আশেপাশে যে সকল আত্মীয়-স্বজনেরা ছিল তাদের সঙ্গেও টুকটাক কথা হয়েছে। সব মিলিয়ে শুক্রবারের এই ছুটির দিনে সময়টা ছিল বেশ উপভোগ্য। যদিও সবাই জোর করে ছিল থাকার জন্য, তবে কর্মের তাগিদেই আবারো ফিরে যেতে হবে ঐ যান্ত্রিক শহরে, তাই হয়তো সবার অনুরোধ রাখতে পারিনি।
আমার এবারের এই দাদু বাড়ি ভ্রমণের উপর ভিত্তি করে, একটা ছোট ভিডিও বানানোর চেষ্টা করেছি। আপনাদের সঙ্গে তা শেয়ার করে নিলাম, আশা করি ভালো লাগবে।
ধন্যবাদ সবাইকে।
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
এটা অবশ্য ঠিক বলেছেন ভাইয়া, প্রথম প্রথম এমন পরিবেশে গেলে ভালো লাগবে। কিন্তু যখন দেখা যাবে নেটওয়ার্কের সমস্যা, যাতায়াতের সমস্যা দেখা দিবে তখন যেতে মন চাইবে না। তবে গ্রামের পরিবেশটা দারুণ ছিল! এমন দ্বিপের মতো গ্রাম তো ভালোই লাগে। আর কয়টা দিন থাকতে পারলে উপভোগ করতে পারতেন। কিন্তু ব্যস্ততা আমাদের সে সুযোগ দেয় না, ঠিকই যান্ত্রিক শহরে ছুটে চলে যেতে হয়!
নেটওয়ার্ক বা যাতায়াত ব্যবস্থা ঠিক থাকলে আরও কয়েকটা দিন থাকা যেত, কিন্তু এটাই তো মেইন সমস্যা।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
ভাই আপনি ছুটির দিনে দাদু বাড়িতে গিয়েছেন যেন খুবই ভালো লাগলো। যদি এর আগে আপনার পোস্ট দেখেছিলাম আপনাদের বয়স হয়েছে তাতে আপনাকে যেতে বলে কিন্তু আপনি কাজের চাপে যেতে পারেন না তবে ছুটিতে দাদুর বাসায় ভ্রমণ করতে গেছেন খুবই ভালো একটা বিষয়। ধন্যবাদ ভাই এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
জি ভাইয়া বিগত পর্বে লিখেছিলেন কারণটা দেখেছিলাম। অবশ্যই খাওয়া দাওয়ার আয়োজন হলে একটু ব্যস্ততা পূর্ণ সময় যাওয়া নিতান্তই স্বাভাবিক। আপনার দাদু বাড়ির গ্রাম অঞ্চলে প্রকৃতির সৌন্দর্যর ফটোগ্রাফি গুলো তো আমার ভীষণ ভালো লাগলো। আপনাকে অনেক সুন্দর লাগতেছে আপনি বসেছিলেন। সবথেকে ভালো লাগলো আঁখের রাস্তাটি। জি ভাইয়া গ্রাম আপনাকে বেশি টানে কারণ গ্রামের যে সুন্দর পরিবেশ মন এমনিতেই ভালো হয়ে যায়। মন মেজাজ সব সময় সতেজ থাকে। আমাদের যদি প্রতিজনের নানী বাড়ির অঞ্চল এ যাওয়া যায় তাহলে সব জায়গায় নেটওয়ার্কের সমস্যা আর নেটওয়ার্কের সমস্যা হলে তো আপনার তো অনেক সমস্যা।কারণ আপনাকে সব দিকে ঠিক রাখতে হয়।নেটওয়ার্ক ছাড়া এক মুহূর্ত চলতে পারব না। জ্বি ঠিক বলেছেন কৃষি কাজ ও নদীতে মাছ ধরা এখানকার মানুষের জীবন জীবিকার প্রধান উৎস কিন্তু হাজারো প্রতিকূলতার মধ্যে তারা টিকে থাকে। আমার কাছেও গ্রামীন পরিবেশটা খুবই ভালো লাগে এবং আপনি ছুটি পেলেই যে চলে যান শহর ছেড়ে গ্রাম।কারণ গ্রামের মধ্যে অনেক প্রশান্তি কাজ করে। পুরনো মানুষগুলোর সাথে কথা দেখা করলে ভাইয়া। অনেক মনটা হালকা হয়ে যায়। আপনি ভিডিওগ্রাফির মাধ্যমে অনেক সুন্দর একটি মুহূর্ত তুলে ধরেছেন ভাইয়া। ভীষণ ভালো লাগলো। এত সুন্দর মনোরম নিরিবিলি পরিবেশ
https://twitter.com/sharifShuvo11/status/1723231179279925551?t=5aQqCCEXZnjKZOvNw8FvAA&s=19
ভাই আপনার দাদু বাড়ি যাত্রাপথ দেখছি পুরোই এডভেঞ্চার। অনুষ্ঠানের কারণে অনেক দিন পর দাদু বাড়িতে গিয়েছিলেন জেনে অনেক ভালো লাগলো ভাই। গ্রামীন পরিবেশের সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি গুলো দেখে তো মুগ্ধ হয়ে গেলাম ভাই। এরকম সুন্দর পরিবেশের মাটির রাস্তা আমাদের গ্রামেও আছে। আপনার পরিবারের সবার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল ভাই।
এটা সত্য আমার দাদুবাড়ি এলাকাটা একদম গ্রামীণ পরিবেশে অবস্থিত, তবে নেটওয়ার্ক ও যাতায়াত ব্যবস্থা খুব একটা ভালো না, ভাই।
কিছু পেতে গেলে কিছু ছাড় দিতে হয়। এইরকম সুন্দর মনোরম গ্রাম্য পরিবেশ উপভোগ করতে গেলে নেটওয়ার্ক এবং রাস্তাঘাট টা একটু ছাড় দিতেই হবে। গ্রামে কাজে গেলেও বেশ চমৎকার সময় কাটিয়েছেন পরিবারের সঙ্গে ভাই। আপনার ভিডিওটা এবং ফটোগ্রাফি গুলো অসাধারণ ছিল। এদিকের মানুষের আবার সমস্যাও আছে।
আপনার কথায় যুক্তি আছে, অবশ্যই কিছু পেতে হলে কিছু ছাড় দিতে হয়, এটা একদম ঠিক বলেছেন ভাই।
মোবাইল নেটওয়ার্কের সমস্যার কারণে অনেক জায়গায় যেতে ইচ্ছে করে না। তবে ক্ষনিকের জন্য কোথাও গেলে অনেক ভালো লাগে। কিন্তু স্থায়ীভাবে বসবাস করতে গেলে আমরা অনেক সমস্যার সম্মুখীন হই। যাইহোক ভাইয়া আপনি আপনার দাদু বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন জেনে ভালো লাগলো। গ্রামীন পরিবেশে সময় কাটাতে সত্যি অনেক ভালো লাগে।
মূলত এই দুটো কারণেই আমার দাদু বাড়িতে তেমনটা যাওয়া হয়না আপু।
আসলেই ভাই যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো না থাকলে এবং নেটওয়ার্ক জনিত সমস্যা থাকলে বেশি দিন সেখানে থাকা যায় না। কারণ আমরা ফোন বা ইন্টারনেট ছাড়া এক মুহূর্তও থাকতে পারি না। তবে এমন জায়গায় মাঝেমধ্যে ঘুরতে গেলে মনটা প্রশান্তিতে ভরে যায়। ভিডিওটা দেখে সত্যিই খুব ভালো লাগলো। চারিদিকে শুধু গাছপালা আর গাছপালা এবং বাচ্চারা বেশ মজা করে ব্যাডমিন্টন খেলছে। সবমিলিয়ে আপনার পোস্টটি বেশ ভালো লাগলো ভাই। শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
এটা সত্য যে আসলেই এই জায়গা গুলোতে স্বল্প সময়ের জন্য ঘুরতে যাওয়া ঠিক আছে, তবে অধিক সময়ের কথা চিন্তা করলে, কিছুটা জটিলতা সম্পন্ন পরিবেশ সৃষ্টি হয়।