কালো জিরা দিয়ে পটল ভর্তার মজাদার রেসিপি।
সবাইকে শুভেচ্ছা।
আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা, কেমন আছেন? আশাকরি ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি। প্রত্যাশা করি সবসময় ভাল থাকেন। আজ ১৮ই কার্তিক হেমন্তকাল,১৪৩০ বঙ্গাব্দ।৩রা নভেম্বর,২০২৩ খ্রীস্টাব্দ।
রান্নার উপকরণ
| উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|
| পটল | ৫টি |
| পিয়াজ | ২টি |
| কালো জিরা | ২টেঃ চামচ |
| রসুন | ১টি |
| কাঁচা মরিচ | ৭-৮টি |
| লবন | পরিমাণ মত |
| সরিষার তেল | ২ টেঃ চামচ |
রন্ধণ প্রনালী
ধাপ-১
প্রথমে পটল ছিলে পাতলা পাতলা করে কেটে ধুয়ে নিয়েছি। এবং রসুন ও পিয়াজ ছিলে কুচি করে নিয়েছি। সেই সাথে কালো জিরা ভালোভাবে ধুয়ে নিয়েছি।
ধাপ-২
এবার চুলায় একটি হাড়ি বাসিয়ে দিয়েছি।হাড়ি গরম হয়ে এলে তাতে ১ টে; চামচ তেল দিয়ে দিয়েছি।
ধাপ-৩
তেল গরম হয়ে এলে তাতে কালো জিরা দিয়ে দিয়েছি।
ধাপ-৪
কালো জিরা ভাজা ভাজা হয়ে এলে তাতে একে একে রসুন,কাঁচা মরিচ, পটল কুচি ও লবন দিয়ে দিয়েছি। এবং সকল উপকরণ ভালো ভাবে মিশিয়ে নিয়েছি । এবং একটি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিয়েছি সিদ্ধ হওয়ার জন্য।
ধাপ-৫
যখন সকল উপকরণ ভালোভাবে সিদ্ধ হয়ে যাবে এবং পানি শুকিয়ে আসবে তখন তা চুলা থেকে নামিয়ে নিয়েছি।
ধাপ-৬
ভেজে নেয়া সকল উপকরণ পাটায় মিহি করে বেটে একটি পাত্রে তুলে নিয়েছি। এবং কাঁচা পিয়াজ ও সামান্য সরিষার তেল দিয়ে ভালোভাবে মেখে নিয়েছি। আর এভাবেই তৈরি করে নিলাম কালো জিরা দিয়ে পটল ভর্তার মজাদার রেসিপি।
পরিবেষণ
এরপর একটি প্লেটে তুলে নিয়ে সাজিয়ে পরিবেষণ করেছি।
আশাকরি আজকের কালো জিরা দিয়ে পটল ভর্তার মজাদার রেসিপি আপনাদের ভাল লেগেছে।আমার কাছে বেশ ভাল লেগেছে। সবার সুস্বাস্থ্য কামনা করে আজ আমার রেসিপির ব্লগ এখানেই শেষ করছি। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন। আবার দেখা হবে নতুন কোন পোস্ট নিয়ে।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেণী | রেসিপি |
|---|---|
| ক্যামেরা | Redmi Note 5A |
| পোস্ট তৈরি | @selina75 |
| তারিখ | ৩রা নভেম্বর,২০২৩ |
| লোকেশন | ঢাকা,বাংলাদেশ |
কালো জিরা খেলে আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকার হয়। কালো জিরা রক্তচাপ কমায় শরীরের। তবে আজকে আপনি খুব সুন্দর করে কালো জিরা এবং পটল দিয়ে ভর্তা রেসিপি করেছেন। তবে ভর্তা খেতে আমি অনেক পছন্দ করি। এ ধরনের ভর্তা দিয়ে গরম ভাত এবং গরম ডাল দিয়ে খেতে অনেক মজা লাগে। তবে আপনার ভর্তার রেসিপি দেখে আমার জিভে জল এসে গেল। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর করে ভর্তার রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
জি ভাইয়া কালোজিরা শরীরের জন্য বেশ উপকারী। অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া মন্তব্যের জন্য।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
ভর্তা রেসিপি আমিও অনেক পছন্দ করে থাকি এবং সকল মানুষই কম বেশি পছন্দ করে থাকেন। একটা কথা ঠিক মাছ মাংস দিয়ে আমারও বেশি ভাত খেতে পারিনা কিন্তু ভর্তা দিয়ে তার বেশি ভাত খাওয়া যায়। অনেক ভালো লাগতেছে যে আপনি কালো জিরা দিয়ে পটল ভর্তা রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আর কালোজিরা তো খুবই উপকারী আমাদের দেহের জন্য। প্রতিটি ধাপ খুব সুন্দর করে উপস্থাপনা করেছেন। প্রয়োজনীয় উপকরণগুলি সঠিক ভাবে তুলে ধরেছেন এবং আপনারা পোস্টটি আমার ভীষণ ভালো লাগলো। উপস্থাপনা মাশাআল্লাহ 😇🥰
জি ভাইয়া কালো জিরা প্রতিদিন সকালে খেলে শরীরের জন্য বেশ উপকার। ধন্যবাদ ভাইয়া।
https://twitter.com/selina_akh/status/1720494897487343792
এ জাতীয় ভর্তা রেসিপি গুলো আমার খুবই প্রিয়। চমৎকারভাবে আপনি এ রেসিপি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করছেন। আপনার রেসিপির মাধ্যমে নতুন কিছু ধারণা ওজন করতে পারলাম এবং শিখলাম।
অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া মন্তব্যের জন্য।
আপনি তো অনেক সুন্দর করে কালোজিরা দিয়ে পটল ভর্তার রেসিপি করেছেন। তবে ভর্তা খেতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। ভর্তা দিয়ে গরম ভাত এবং গরম ডাল দিয়ে খেতে অনেক মজা লাগে। তবে এটি ঠিক কালোজিরা শরীরের জন্য অনেক উপকার খেলে। তবে আপনি খুব চমৎকারভাবে ভর্তার রেসিপিটি করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর করে কালোজিরা এবং পটল দিয়ে ভর্তা রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আমিও ডাল ,ভর্তা আর ভাত একসাথে খাই। অনেক ধন্যবাদ আপু।
যে কোন ভর্তার কাছেই আমি দূর্বল।কালো জিরা দিয়ে হলে তো আর কথায় নাই।কালোজিরে এমনিতেও খুব ভালো শরীরের জন্য আর খেতও মুখরোচক। আপনার কালো জিরা দিয়ে পটল ভর্তা রেসিপিটি খুব লোভনীয় হয়েছে।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
যেকোনো ধরনের ভর্তা খেতে আমি খুব পছন্দ করি। পটল ভর্তা অনেকবার খেয়েছি। কিন্তু কালোজিরা দিয়ে পটল ভর্তা খাওয়া হয়নি কখনো।আপনার ভর্তার রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে গরম ভাতের সাথে খেতে খুবই মজা লাগবে। ধন্যবাদ চমৎকার এই রেসিপিটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। আপনার রেসিপি ফলো করে বাসায় একদিন অবশ্যই ট্রাই করবো।
একদিন ট্রাই করবেন অবশ্যই । আশাকরি ভালো লাগবে। ধন্যবাদ আপু।
ব্যক্তিগতভাবে আমার এটাই মনে হয় যে মাছ মানুষের থেকে মাঝে মাঝে ভর্তা দিয়ে অনেক বেশি ভাত খাওয়া যায়। যদিও কালোজিরা ভর্তা আমি কয়েকবার খেয়েছি তবে কালোজিরা দিয়ে পটল ভর্তা কখনো খাওয়া হয়নি আপনার এই রেসিপিটি আমার কাছে একদম নতুন লেগেছে। এছাড়া কালোজিরা সম্পর্কে আপনি মোটামুটি অনেক সুন্দর একটি ধারণা আমাদের মাঝে পোষণ করেছেন। মজাদার এই রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।