লাইফস্টাইলঃ- বৃষ্টি আপু এবং নেভ্লু ভাইয়ের সাথে বসে বিখ্যাত রাজা চা খাওয়া।
আসসালামু আলাইকুম,
সবাইকে শুভেচ্ছা ও স্বাগতম জানাচ্ছি আমার নতুন ব্লগে। আশা করি বন্ধুরা আপনারা সবাই ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি আমি আপনাদের সাথে যুক্ত হয়েছি কক্সবাজার শহর থেকে বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণাঞ্চল। অনেক ভালো লাগে সব সময় আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে নিজের ভালো লাগার বিষয় গুলো শেয়ার করতে। এখানে ভালো মন্দ বিষয়গুলো সবার সাথে শেয়ার করা যায়। সবার সাথে সুন্দর কাজের এংগেজমেন্ট ধরে রাখা যায়। সবাই একে অপরকে অনেক বেশি সহযোগিতা করে থাকেন। সবচেয়ে ভালো লাগে এত সুন্দর বন্ধুত্বসুলভ আচরণ সবার মধ্যে। আজকে আমি আপনাদের সাথে যে বিষয় নিয়ে শেয়ার করব তা অবশ্যই আমার পোস্টের টাইটেল দেখে বুঝতে পারছেন বন্ধুরা।
আসলে আমার সাথে অনেকের দেখা হওয়ার সুযোগ হয় আপনার অবশ্যই জানেন। যারা কক্সবাজার ঘুরতে আসেন সবার সাথে চেষ্টা করি দেখা করার। কিন্তু মাঝেমধ্যে সময় সুযোগ থাকে না অথবা আমিও শহরে থাকি না সেই সুবাদে অনেকের সাথে দেখা করার সুযোগ হয় না। কিন্তু চেষ্টা করি সবার সাথে দেখা করার। যেহেতু আমরা সবাই ভার্চুয়ালি ব্লগের কাজকর্ম করি সবার সাথে সবাই পরিচিত। কিন্তু সরাসরি দেখা করার মজাটাই আলাদা। সরাসরি সবার সাথে পরিচিত হওয়া সবার সাথে ভালো মন্দ আলাপ করা খুব ভালো লাগে। তাই কমিউনিটির যখন কেউ কক্সবাজার ঘুরতে আসেন আমিও তাদের সাথে দেখা করতে চেষ্টা করি।
বৃষ্টি আপু @bristy1 এবং নেভ্লু ভাই @nevlu123 অনেকদিন ধরে বলে আসছিল কক্সবাজার ঘুরতে আসবেন। তাদের সাথে আমাদের কমিউনিটির ছোট ভাই বিজয় আসছিল @bijoy1। তারা যখন আসবে আমাকে বলছিল কক্সবাজার ঘুরতে আসবে। উনারা আসার সময় সবগুলো ঠিকঠাক করে আসছিল রুম বুকিং থেকে শুরু করে। যখন আসবে শুনলাম তখন বেশ ভালো লাগছিল। আসার পরের দিন তাদের সাথে দেখা করার জন্যই চেষ্টা করছিলাম। বৃষ্টি আপু এবং নেভ্লু ভাইয়ের সাথে দেখা করব বেশ ভালো লাগা কাজ করছিল আমার। তো ভাইয়ারা সুগন্ধা পয়েন্টে থাকবে আমাকে জানালো আমিও মেয়ে দুজনকে নিয়ে আমি চলে গেলাম দেখা করতে।
যখন আমি সুগন্ধা বীচে যাই তখন বৃষ্টি আপু এবং ভাইয়াকে বললাম আমি আসছি। তখন ওনারা চলে আসলো। আসলে আমার চিনতে একদম কষ্ট হয়নি। যেহেতু ভাইয়াদেরকে সব সময় ব্লগিংয়ের মাধ্যমে দেখি তাদের ফটোগ্রাফি গুলো সব সময় পোস্টের মাধ্যমে দেখি তাই খুব সহজে খুঁজে পেয়েছি। আমার একদম কষ্ট হয়নি চিনতে। দেখার পরে এদিক ওদিক আমরা অনেক হাঁটাহাঁটি করেছিলাম। আমরা সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে একটি টমটম নিয়ে লাবনী পয়েন্টে চলে আসি। সেখানে মেয়েদের বাবা হাজির হয় কিছুক্ষণ পরে। ভাইয়া এবং আপু তাছাড়া ও বিজয়ের সাথে বেশ কথা হয় সবার সাথে বসে। আমরা রেস্টুরেন্টে বসে হালকা নাস্তা করি।
চিন্তা করলাম যে নাস্তা খাওয়ার পরে একটু চা খাব। তখন আমরা লাবনী পয়েন্টের মোড়ে আবার চলে আসি। আমরা ভাবছিলাম কফি খাব। তাই নেভ্লু ভাইয়া আর আপু একটি দোকান দেখায় দিল বিখ্যাত রাজা চা। তবে একটি দুঃখের বিষয় হচ্ছে এই লাবনী পয়েন্টের দিক থেকে সব সময় আসা যাওয়া করি কিন্তু বিখ্যাত রাজা চায়ের দোকানে বসে কখনো চা খাওয়া হয়নি। যখন ভাইয়া আপু সেই দোকানটি দেখায় দিল সোজা সেইদিকে চলে গেছি। যাওয়ার পরে আমরা সবাই চা অর্ডার দিলাম। সবাই মিলে সেখানে আড্ডা করলাম বসে। আমরা আড্ডা দিতে দিতে চা গুলো চলে আসে।
আমার একটি বিষয় বেশ ভালো লাগে চায়ের ডেকোরেশন গুলো খুবই পছন্দ হয় আমার। উপরে বেশ সুন্দর করে লাভ সেফ দিয়ে ডিজাইন করে দিল। সবাই বসে মালাই চা খেলাম বেশ ভালো লাগছিল খেতে। চা খাওয়ার সাথে আড্ডাও বেশ জমলো। যেহেতু শীতকাল ছিল বসে গরম গরম চা খেতে খুবই ভালো লাগছিল। আসলে এই বাংলা ব্লগ পরিবারের যে কোন সদস্যের সাথে বসে গল্প করতে আড্ডা দিতে আমি ভীষণ পছন্দ করি। যদিও এত বেশি সময় সুযোগ পাই না যেহেতু কম সময়ের মধ্যে যতটুকু হয় ততটুকু বেশ ভালো লাগে। বৃষ্টি আপুর সাথে এবং নেভ্লুভাইয়ের সাথে এবং বিজয়ের সাথে আলাপ করে আমার বেশ ভালো লেগেছে। উনারা সবাই এত ফ্রেন্ডলি আলোচনা করেন এত সহজ সরল মনের মানুষ সত্যি কথা না বললেই বোঝা যায় না।
আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের যত জন সদস্যের সাথে আমার দেখা হয়েছে সবাই অনেক ভালো মনের মানুষ। যেটা সত্যি কথা তা হচ্ছে ভালো মনের মানুষ না হলে এত বড় একটি কমিউনিটিতে কাজ করার সুযোগ হতো না। এত বড় একটি প্ল্যাটফর্মে কাজ করার একমাত্র উপায় হচ্ছে বন্ধুত্বসুলভ আচরণ করা। সবার সাথে খুব মিলেমিশে কাজ করা। সরাসরি দেখা করলেই বুঝা যায় কত সুন্দর মনের মানুষ সবাই। বিজয়কে তো দেখেই অনেক ভালো লাগলো একদম ছোট ভাই এর মত আমার দেখে তাই মনে হলো। যখন বিজয়ের সাথে দেখা হল তখন থেকেই আমার কেমন জানি ছোট ভাই ছোট ভাই মনে হলো। যেহেতু আমার আপন ছোট দুই ভাই আছে তো আমি বিজয়কে আমার আরেক ছোট ভাই মনে করে নিলাম সেদিন থেকেই।
আর নেভ্লু ভাই এবং বৃষ্টি আপুকে তো আমার ভাই বোনের চেয়ে আরও অনেক বেশি। পরবর্তীতে সেখানে সময় কাটালাম সময় কাটিয়ে যখন রাত হয়ে যাচ্ছিল তাদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে এলাম। তবে তাদের কাছে একটি রিকোয়েস্ট রাখছিলাম বাসায় আসার জন্য। আসলে এত দূর থেকে সবাই কক্সবাজার ঘুরতে আসে কিন্তু এদিক ওদিক ঘুরতে ঘুরতে সময় গুলো কোন দিক থেকে শেষ হয়ে যায় বলা যায় না। যেহেতু আমরা কক্সবাজারে থাকি কক্সবাজার থেকে দূরে ঘুরতে গেলে বোঝা যায় সময়গুলো কত স্বল্প সময়ের মধ্যে চলে যাই।
তো সেখান থেকে বিদায় নিয়ে বাসায় আসলাম। মুহূর্তটি বেশ ভালো কাটছিল। আশা করি বন্ধুরা আমার আজকের ব্লগ পড়ে আপনাদের কাছেও ভালো লাগবে। সবাইকে সময় দিয়ে পাশে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
| ডিভাইসের নাম | Wiko,T3 |
|---|---|
| মডেল | W-V770 |
| Location | কক্সবাজার -সী বিচ লাবণী পয়েন্ট |
| ফটোগ্রাফার | @samhunnahar |
| ক্যাটাগরি | লাইফ স্টাইল |
সবাইকে অনেক ধন্যবাদ সময় দিয়ে আমার ব্লগটি ভিজিট করার জন্য।
আমার পরিচয়
আমি সামশুন নাহার হিরা। আমার ইউজার আইডি @samhunnahar। আমি আমার বাংলা ব্লগে কাজ করছি বাংলাদেশের কক্সবাজার থেকে। আমি বাংলা ভাষায় লিখতে-পড়তে ভালবাসি। আমি রান্না করতে পছন্দ করি। ভ্রমণ আমার প্রিয় একটি নেশা। আমি বিভিন্ন ফটোগ্রাফি করতে পছন্দ করি। আমি আমার মনের ভাব বাংলায় প্রাকাশ করতে পেরে অনেক আনন্দিত। তার জন্য আমার প্রাণের কমিউনিটি "আমার বাংলা ব্লগ"কে অনেক ভালবাসি।
আচ্ছা তাহলে আপনিও বৃষ্টি আপু এবং নেভ্লু ভাইয়ের সাথে দেখা করে বিখ্যাত রাজা চা খেয়েছেন। বিজয় ভাইয়ের পোষ্ট পড়ে বিখ্যাত রাজা চা সম্পর্কে অনেক কিছু জেনেছি। যায়হোক তিনচারজন ভেরিফাইড মেম্বার এক সাথে হয়ে ভালোই সময় অতিবাহিত করেছেন। ধন্যবাদ।
সত্যি ভাইয়া আমার বাংলা ব্লগের ইউজারদের সাথে দেখা করতে পারলে অনেক ভালো লাগে।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আসলে আপু আপনার সাথে দেখা করতে পেরে আমরা অনেক আনন্দিত। সত্যি বলতে আপনি এবং ভাইয়া দুজনই অনেক ভালো মনের মানুষ। আদিলা আর রাইদার কথা কি বলবো ওরা তো একেক জন রাজকন্যা । কক্সবাজার আমি অনেকবার গিয়েছি তবে এইবারের মত মজা আর কখনো পাইনি।অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু আপনার জন্য শুভকামনা রইলো।
অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে। আপনার লেখাগুলো পড়ে অনেক বেশি ভালো লেগেছে।
আমার বাংলা ব্লগের মাধ্যমে আমরা এখন সবার সাথেই অনেক বেশি পরিচিত। আমাদের যদিও এখনো পর্যন্ত কারো সাথেই দেখা হয়নি, তবে ভবিষ্যতে অবশ্যই দেখা হবে ইনশাল্লাহ। নিবলু ভাইয়া এবং বৃষ্টি আপুর সাথে দেখা করেছেন শুনে অনেক ভালো লাগলো। উনাদেরকে এতটা আপন করে নিয়েছেন দেখে বেশি ভালো লেগেছে। অনেক সুন্দর একটা মুহূর্ত আজকে আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। যা দেখেই অসম্ভব ভালো লেগেছে।
অনেক সরল মনের মানুষ উনারা সবাই। তাদের পেয়ে তো বেশ সুন্দর সময় কাটিয়ে ছিলাম।
বৃষ্টি আপুর একটা পোস্টে অবশ্য পড়েছিলাম আপনার সাথে দেখা হয়েছে। আপনারা সবাই একসাথে বসে বিখ্যাত রাজা চা খেয়েছেন। আসলেই ভার্চুয়ালি যাদের সাথে কাজ করি তাদের সাথে দেখা হলে খুবই ভালো লাগে। বৃষ্টি আপু, নেভলু ভাইয়া এবং বিজয় ভাইয়া সবার সাথে দারুন কিছু মুহূর্ত কাটিয়েছেন। চায়ের ডেকোরেশন টা আমার কাছেও বেশ ভালো লেগেছে। সুন্দর এই মুহূর্তগুলো শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনিও চলে আসেন আপু রাজা চা খেতে যাবো।
বৃষ্টি আপু নেভলু ভাইয়া তার সাথে বিজয় ভাইয়া সবার সাথে অনেক সুন্দর মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন আপু। আসলে আপনি ঠিকই বলেছেন এই কমিউনিটি তে যারা কাজ করে সবাই অনেক সরল মনের মানুষ। সবার কত সুন্দরভাবে সবার সাথে কথা বলে সবকিছু শেয়ার করে। আমার তো এই কমিউনিটিতে কাজ করতে ভীষণ ভালো লাগে। সব থেকে বেশি ভালো লাগে আপনাদের সাথে কথা বলতে। আপনার দুই মেয়ে ও ভাইয়াকে সাথে নিয়ে অনেক সুন্দর ভাবে ওদের সাথে রাজা চা খেয়েছেন একটা রেস্টুরেন্টে নাস্তা করেছেন। সব মিলিয়ে আপনার সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ে খুবই ভালো লাগলো আপু। সব থেকে বেশি ভালো লাগলো এটা জেনে যে আপনার বাসা কক্সবাজার হওয়ার কারণে প্রায় অনেকের সাথে আপনার দেখা হয়েছে । ধন্যবাদ আপু।
অনেক ধন্যবাদ আপু সময় দিয়ে আপনি আমার পুরো ব্লগ ভিজিট করেছেন।
আপনাদের সবার কাটানো এত সুন্দর একটা মুহূর্ত দেখে তো অনেক ভালো লেগেছে। আপনারা সবাই মিলে দেখছি বিখ্যাত রাজা চা ও খেয়েছিলেন। নিবলু ভাইয়া, বৃষ্টি আপু আর বিজয় ভাইয়ের সাথে সরাসরি পরিচিত হয়েছেন দেখে আরো ভালো লাগলো। সবার সাথেই সুন্দর মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন। আর সেই মুহূর্তটা আজ আমাদের মাঝে শেয়ার করলেন দেখে খুব ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপু সুন্দর মুহূর্ত শেয়ার করার জন্য।
সবার সাথে সরাসরি দেখা করতে পেরে অনেক ভালো লাগছিল। আপনারাও আসেন ভাইয়া।
https://x.com/nahar_hera/status/1824156515147911618?t=RsLBpTf0XuQ6pfJOlWw2NA&s=19
আপু সেদিনকার মুহূর্তগুলো এখনো চোখে ভাসে।কত সুন্দর সময় ছিল।সন্ধ্যার আগে থেকে রাত প্রায় ৯টা বেজে গিয়েছিল।কিভাবে সময়গুলো পার হয়ে গেলে বুঝতেই পারলাম না। খুব ভালো লেগেছিল আপনাদের সাথে সেদিনের মুহূর্তগুলো উপভোগ করতে পেরে। আর চা গুলো সত্যিই অনেক মজার ছিল। আমরা আগে খেয়েছি সেখানে ভাবলাম আপনাদেরও নিয়ে যাওয়া যায়। যাইহোক এত সুন্দর মুহূর্ত গুলো আবারো তুলে ধরেছেন দেখে খুব ভালো লাগলো আপু।
আমার ও অনেক ভালো লাগছিলো আপনাদের সাথে দেখা করতে পেরে। এমন সময় গুলো জীবনে বারবার ফিরে আসুক আপু। আমার মেয়েরা তো আপনাদের ছবি দেখলে চিনে পেলে।
আপু আপনাদের সবার কাটানো সুন্দর একটা মুহূর্ত দেখে অনেক ভালো লাগলো। আপনারা সবাই মিলে বিখ্যাত রাজা চা ভাত খেয়েছেন এবং রেস্টুরেন্টে নাস্তা করেছেন দেখে অনেক ভালো লাগলো। সুন্দর একটা মুহূর্ত আজ আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ আপু আমার পোস্ট পড়ে আপনার ভালো লাগার জন্য।
আপনার শেয়ার করা পোস্টটি পড়ে অনেক ভালো লাগলো আপু।