স্বাস্থ্যকর জিরা পানির রেসিপি।
জিরা পানি
উপকরন সমূহ
| উপকরণ | পরিমান |
|---|---|
| তেঁতুল | ১০০ গ্রাম |
| পুদিনাপাতা | ৮/১০ টি |
| কাঁচা মরিচ | ১ টি |
| বিটলবণ | ১/৪ চা চামচ |
| জিরাগুড়া | ১/৪ চা চামচ |
| ঠান্ডা পানি | ১ গ্লাস |
তৈরির প্রক্রিয়া
প্রথমে এক গ্লাস ঠান্ডা পানি নেই। ঠান্ডা পানি দিয়ে জিরা পানি তৈরি করলে সেটা খেতে বেশি মজা লাগবে।
তারপর একটা পিরিচে পুদিনা পাতা আর কাঁচামরিচ নিয়ে কোন শক্ত কিছু দিয়ে পিষে দুটো মিশিয়ে নেই। যাতে কাঁচা মরিচ এবং পুদিনা পাতার ফ্লেভারটা ভালোভাবে পাওয়া যায়। কাঁচা মরিচ এবং পুদিনা পাতা থেকে রস বের হওয়ার পর মিশ্রণটা গ্লাসের ভেতরে ঢেলে দেই।
এখন গ্লাসের ভেতরে বিট লবণ দিয়ে দিই।
তারপর গুলিয়ে রাখা তেতুল গ্লাসের ভেতর ঢেলে দেই। তবে অবশ্যই তেতুলের বিচি আগেই আলাদা করে নিতে হবে।
এখন জিরার গুড়া গ্লাসের ভেতর ঢেলে দেই। তারপর একটি চামচ দিয়ে নেরে চেড়ে ভালো মতো সবকিছু মিশিয়ে নিই। ব্যস তৈরি হয়ে গেল মজাদার জিরা পানি। তবে আপনারা চাইলে সাথে কিছুটা চিনিও এড করতে পারেন। অনেকেই আছেন যারা জিরা পানিতে কিছুটা মিষ্টি পছন্দ করেন।
আজকের মত এখানেই শেষ করছি। পরবর্তীতে আপনাদের সাথে দেখা হবে অন্য কোন নতুন লেখা নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।
| ফটোগ্রাফির জন্য ব্যবহৃত ডিভাইস | হুয়াই নোভা 2i |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @rupok |
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
ভাইয়া নববর্ষের অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। আপনি দারুন স্বাদের শরবতের রেসিপি নিয়ে হাজির হয়েছেন।যা দেখে আমার খুব ই ভাল লেগেছে।আর জিরা পানি ওয়েট লসের জন্য অনেক ভাল কাজ করে।ধন্যবাদ ভাইয়া শেয়ার করার জন্য।
এই জিরা পানি খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি অনেক স্বাস্থ্যকর একটি পানীয়। বর্তমানে এই প্রচন্ড গরমের ভিতর এই জিরা পানি হতে পারে একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ড্রিংকস।
এই প্রচন্ড গরমে এমনিতেই টিকে থাকা যাচ্ছে না কেটে খাওয়া মানুষ তাদের কি অবস্থা তাহলে। সত্যিই অনেক কষ্টদায়ক আল্লাহ যেন আমাদের রক্ষা করেন। গরমের সময় বিভিন্ন ধরনের শরবত স্বাস্থ্যকর জিরা পানি তৈরি এগুলো সত্যিই অনেক উপকারী। অনেক ভালো লাগলো ভাই আপনার জিরা পানির রেসিপি দেখে।
ধন্যবাদ আপনাকে আপনার মন্তব্যের জন্য।
শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা রইলো ভাইয়া।সারাদেশে এখন প্রচন্ড গরম আবহাওয়া।এই গরমের মধ্যে সুস্থ থাকাটা খুবই কষ্টদায়ক হয়ে পড়েছে।আমরা সারাদিন ফ্যানের নিচে বসে থেকেও সুস্থ থাকতে পারছি না কিন্তু যারা মাঠেঘাটে রাস্তায় কাজ করছেন তাদের কথা ভাবলেই খুবই খারাপ লাগে।ভাইয়া আপনি আজকে অনেক উপকারী একটি পানীয় শেয়ার করেছেন যা সকলের জন্য খুবই উপকারী একটি রেসিপি।প্রতিটি উপাদান স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী যা খেলে শরীর ও মন দুই ভালো হবে।অবশ্যই রেসিপি টি বাসায় তৈরি করে সবাইকে খাওয়াবো।স্বাস্থ্য উপকারী রেসিপি টি শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
আপনাকেও নববর্ষের অনেক শুভেচ্ছা। এটি আসলেই অনেক স্বাস্থ্যকর একটি পানীয়। সেই সাথে খেতেও দারুন মজা লাগে।
এই জিরা পানির উপকারিতা বলে শেষ করা যাবেনা।শুধুমাত্র রোজার সময় শরীরকে ঠান্ডা করার জন্যই না,এটি শরীরের অতিরিক্ত চর্বি ভ্যানিশ করার জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি পানীয়।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
ঠিকই বলেছেন। শরীরের চর্বি কমানোর জন্য এই জিনিসটি বেশ কার্যকরী।
প্রথমে ছবিটা দেখে ভেবেছিলেন এটা বোধহয় আম পোড়ার শরবত। তারপরে দেখলাম জিরা শরবত। এই গরমে আমপোড়া বা জিরা শরবত বা লেবুর শরবত খেতে বেশ ভালই লাগে। এত রিফ্রেশিং হয়ে যায় শরীর বলার মত না! সাময়িক বিষয়টা তবুও মনে হয় আত্মা জুড়িয়ে যায়! দারুন রেসিপি শেয়ার করেছেন।এই গরমে উপদেয়।
সারাদিন রোজা থাকার পর এমন এক গ্লাস শরবত হলে আসলেই আত্মা জুড়িয়ে যায়।
দারুন একটি লোভনীয় পানীয় নিয়ে আজ আমাদের মাঝে রেসিপি পোস্ট করেছেন। আসলে এক সময়ে জিরা পানি খেতাম। কিন্তু আপনার মতো করে এত সুন্দর করে খাওয়া হয়ে উঠে নি। আমার মনে হয় প্রচন্ড গরমে এই পানীয়টি বেশ প্রশান্তি এনে দিবে দেহে । বেশ সুন্দর করে ধাপে ধাপে রেসিপিটি আপনি আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন। ধন্যবাদ ভাইয়া।
জিরা পানি আমার খুব পছন্দ। তবে জিরা পানি বাসায় কখনও তৈরি করে খাওয়া হয়নি। বাহিরে থেকে কিনে খাওয়া হয়েছে। যাইহোক এই গরমে এক গ্লাস জিরা পানি খেলে কলিজা একেবারে ঠান্ডা হয়ে যাবে। দারুণ একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন ভাইয়া। বাসায় অবশ্যই একদিন ট্রাই করে দেখবো রেসিপিটা। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।