রমজানের প্রথম জুম্মার নামাজ আদায়।
শেষ পর্যন্ত যখন মসজিদে পৌঁছলাম তখন প্রায় বেলা একটা বেজে গিয়েছিলো। মসজিদে পৌঁছে দেখি নিচতলা থেকে পাঁচতলা পর্যন্ত কোন জায়গা নেই। শেষ পর্যন্ত ছয়তলায় বসার জায়গা পেয়েছিলাম। আর কিছুক্ষণ পরে গেলে হয়তো সেটাও কপালে জুটতো না। যাই হোক মসজিদে পৌঁছে নামাজ আদায় করে শেষ পর্যন্ত যখন মসজিদ থেকে বের হলাম তখন প্রায় বেলা দুটো বেজে গিয়েছে। তবে নিচে নামার আগে উপর থেকে নিচের দিকে তাকিয়ে দেখি মসজিদের বাইরের রাস্তাটা লোকে লোকারণ্য হয়ে রয়েছে। এতটা ভিড় দেখে আমি কিছুটা অবাক হলাম। অবশ্য যখন নিচে নামলাম তখন বিষয়টা বুঝতে পারলাম।
বনশ্রীর এই মসজিদের পাশের রাস্তাটা জুম্মার নামাজের পর রীতিমতো হাটবাজারে পরিণত হয়। সেখানে এমন কোন জিনিস নাই যা পাওয়া যায় না। টুপি, পাঞ্জাবি থেকে শুরু করে মাছ, মুরগি, ফল, সবজি সবই সেখানে বিক্রি হয়। যার ফলে জুম্মার নামাজ পড়তে আসা লোকজন আগে থেকেই সেখান থেকে কেনাকাটার পরিকল্পনা করে আসে। ফলে নামাজ শেষ হলেও রাস্তার ভিড় সহজে কমে না। আমিও ঘুরে ফিরে সবগুলো হকারের কাছে দেখতে লাগলাম কে কি বিক্রি করছে ? খেয়াল করে দেখলাম সেখানে অনেক জিনিসই বাজার থেকে তুলনামূলক কিছুটা কম দামে বিক্রি হচ্ছে। বিশেষ করে আঙ্গুর আর কমলা দেখলাম বেশ কম দামে বিক্রি হচ্ছিলো। যে আঙ্গুর দোকানে ৩০০ টাকার নিচে কেজি বিক্রি হয় না। সেটা আড়াইশো টাকা করে বিক্রি করছিলো।
আবার বেশ বড় সাইজের কমলাগুলো মাত্র দুশো টাকা কেজিতে বিক্রি করছিলো। সেখানে সবকিছুর দামই কিছুটা কম ছিলো। সেখানে সে কারণেই মানুষজন ভিড় করে কেনাকাটা করছিলো। তবে আমি এইরকম ব্যবস্থা অন্য কোথাও দেখিনি। সাধারণত জুম্মার নামাজ পড়ে মানুষজন তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে যায়। রমজান মাস ছাড়া অন্য সময় মানুষজন জুমার নামাজ পড়ে বাড়ি ফিরে খেতে বসে। তবে আমি অন্য সময়ও দেখেছি এখানে একই রকম চিত্র থাকে। যাই হোক আমার ঘুরে ফিরে দেখা শেষ হলে রমজানের প্রথম জুম্মা আদায় তৃপ্তি নিয়ে আমি ধীরে সুস্থে বাসার দিকে রওনা দিলাম।
আজকের মত এখানেই শেষ করছি। পরবর্তীতে আপনাদের সাথে দেখা হবে অন্য কোন নতুন লেখা নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।
| ফটোগ্রাফির জন্য ব্যবহৃত ডিভাইস | HONOR 90 |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @rupok |
| স্থান | বনশ্রী |
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
বনশ্রীর দিকে শুক্রবারে জুমার নামাজ পড়তে গেলে আগে আগেই যেতে হয়। নয়তো মসজিদে একদমই জায়গা পাওয়া যায় না। কয়েকমাস আগে বনশ্রীর দুটি মসজিদে জায়গা না পেয়ে, শেষ পর্যন্ত বাশের পুল দিয়ে ওপারে গিয়ে, আফতাবনগরে মসজিদ নির্মাণের কাজ চলছিলো, সেখানে কোনো মতে জুমার নামাজ আদায় করি। যাইহোক ভ্যান গাড়িতে ফলমূল মোটামুটি কম দামেই পাওয়া যায়। আমাদের এখানে ফলের দোকান গুলোতে আঙ্গুর ৩০০-৩৫০ টাকার মধ্যে বিক্রি হয়। কিন্তু বাসার সামনে ভ্যানে করে নিয়ে আসে হকারেরা, তাদের কাছ থেকে ২৫০-২৭০ টাকার ভিতরে পাওয়া যায়। মসজিদের সামনে এতো কিছু বিক্রি করলে বেশ ভালোই লাগে। নামাজ আদায় করে অনেক কিছু কিনে বাসায় ফেরা যায়। যাইহোক পোস্টটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।