পুঁইশাক দিয়ে মসুর ডাল রান্না।
পুঁইশাক দিয়ে মসুর ডাল রান্না
উপকরণ সমূহ
| উপকরণ | পরিমান |
|---|---|
| মসুর ডাল | ১ কাপ |
| পুইশাক | ৩০০ গ্রাম |
| পেঁয়াজ কাটা | ১/২ কাপ |
| কাচা মরিচ | ৪ টা |
| হলুদ গুড়া | ১ চা চামচ |
| শুকনো মরিচ গুঁড়া | ১/২ চা চামচ |
| ধনিয়া গুড়া | ১/২ চা চামচ |
| আদা বাটা | ১/২ চা চামচ |
| রসুন বাটা | ১/২ চা চামচ |
| লবন | স্বাদমতো |
রন্ধন প্রনালী
এই রান্নাটি করা হয়েছিল রাইস কুকার এর ভেতরে। আমরা বাসায় ডাল রান্নার কাজে সাধারণত রাইস কুকার ব্যবহার করে থাকি। প্রথমে আপনার কেটে রাখা পেঁয়াজ গুলি রাইস কুকারের ভেতর দিয়ে দিন। তারপর সমস্ত গুড়া মসলা এবং লবণ দিয়ে দিন।
এখন সমস্ত বাটা মশলা রাইস কুকারের ভিতর দিয়ে সবকিছু ভালোভাবে মাখিয়ে নিন।
এখন পরিষ্কার করে ধুয়ে রাখা মসুর ডাল রাইস কুকার এর ভেতর দিয়ে সবকিছু ভালোমতো মাখিয়ে নিন।
এখন কেটে পরিষ্কার করে রাখা পুঁইশাক গুলো রাইস কুকারের ভেতর দিয়ে ভালোমতো নেড়েচেড়ে মিশিয়ে নিন।
এখন রাইস কুকারের ভেতর পরিমাণ মত পানি দিয়ে ঢাকনা দিয়ে বন্ধ করে বিশ মিনিট মতো রান্না করতে হবে। মাঝে মাঝে ঢাকনা খুলে দেখতে হবে ডাউল ভালোভাবে সিদ্ধ হয়েছে কিনা। তবে আমাদের রান্না করার সময় শাকের পরিমাণ কিছুটা বেশি হয়ে গিয়েছিল। আপনারা চেষ্টা করবেন শাকের পরিমাণ কিছুটা কম দিতে। পরিমাণে যতটা শাক উল্লেখ করা আছে এক কাপ ডালের ভেতরে সেই পরিমাণ শাক দিলে আশা করি সমস্যা হবে না।
ডাল ভালোভাবে সিদ্ধ হয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন গরম ভাতের সাথে লেবু সহকারে। এই ডাল দিয়ে গরম ভাত খেতে দারুন লাগে। বাসায় একবার তৈরি করে দেখুন। আশা করি খেতে খারাপ লাগবে না।
আজকের মত এখানেই শেষ করছি। পরবর্তীতে আপনাদের সাথে দেখা হবে অন্য কোন নতুন লেখা নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।
| ফটোগ্রাফির জন্য ব্যবহৃত ডিভাইস | স্যামসাং এ৪০ |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | wahidasuma |
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
পুঁই শাক দিয়ে মসুরের ডাল রান্না আমার খুবই ফেভারিট ।খাবারটি খেতে যেমন সুস্বাদু তেমন পুষ্টিকর।
আপনার প্রস্তুত করার রেসিপি দেখতে খুবই লোভনীয় দেখাচ্ছে খেতে নিশ্চয়ই খুবই মজা হবে।।
ভাইয়া আপনি ঠিক বলেছেন খাওয়ার আইটেমে ডাল না হলে সত্যি ই চলে না।আমিও ডাল পছন্দ করি।আপনি আজ পুঁই শাক দিয়ে ডাল রান্না করলেন বেশ লোভনীয় রেসিপি।পুঁই শাক এমনিতেই খুব ভাল লাগে খেতে। এর মধ্যে ডাল দিয়ে করলে আরো বেশি মজার হয় খেতে।আপনার রেসিপিটি খুব ভাল লেগেছে আমার কাছে। শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
ভাইয়া পুঁইশাক দিয়ে মসুর ডালের খুবই মজাদার একটি রেসিপি তৈরি করেছেন আপনি। সত্যি ভাইয়া, এ ধরনের তরকারি দিয়ে গরম ভাত খেতে খুবই মজা লাগে। পুঁইশাক দিয়ে মসুর ডালের রেসিপি তৈরির প্রক্রিয়াটি খুবই চমৎকারভাবে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
পুঁইশাক দিয়ে মসুর ডাল রান্না রেসিপি দেখে সুস্বাদু মনে হচ্ছে। আপনার রেসিপি পরিবেশন আমার খুবি ভালো লেগেছে। অসাধারণ রেসিপি তৈরি করেছেন। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
মসুর ডাল দিয়ে পুইশাক রান্না আমার খুবই পছন্দের একটি রেসিপি খেতে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। সাথে চিংড়ি মাছ দিয়ে রান্না করলে আমার কাছে আরো বেশি মজা লাগে খেতে । আপনার তৈরি করার রেসিপিটি দেখে বোঝা যাচ্ছে খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছে। মাঝেমধ্যে এই রেসিপিটি রান্না করে খাওয়া হয়। সুস্বাদু ও মজাদার একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
পুঁইশাক দিয়ে মসুর ডাল রান্না রেসিপিটা খেতে দারুণ লাগে। যদিও অনেক দিন আগে খেয়েছিলাম। আপনার রেসিপির কালার দেখেই বুঝা যাচ্ছে খেতে দারুণ লেগেছে। এই রেসিপিটা গরম ভাতের সাথে খেতে খুব সুস্বাদু লাগবে। যাইহোক এতো মজাদার একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
পুঁইশাক দিয়ে মসুর ডাল খেতে ভালো লাগে।আপনার রেসিপি দেখেই বোঝা যাচ্ছে খেতে খুব সুস্বাদু ছিল।আপনি রেসিপি তৈরির প্রক্রিয়া শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত খুব সুন্দর করে গুছিয়ে উপস্থাপন করেছেন,এটা দেখে অনেক ভালো লেগেছে।রেসিপি পরিবেশন দুর্দান্ত হয়েছে।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর রেসিপি পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
হুম এটা অবশ্য অনেকেরই অভ্যাস যে খাবার টেবিলে একটি ডাল থাকা চাই। কিন্তু কথা হচ্ছে আমার প্রিয়েএকটি রেসিপি আজ শেয়ার করলেন। সেই সাথে মায়ের কথাটাও মনে করিয়ে দিলেন। আগে মা বেঁচে থাকতে এই রেসিপি অনেক খাওয়া হতো। এখন আর এই রেসিপিটি খাওয়া হয় না। বেশ লোভনীয় একটি রেসিপি। আর আপনার উপস্থাপনাও বেশ সুন্দর হয়েছে।
দাদা ঠিকই বলেছেন, বাঙালিরা তো মাছ খেতে ভালোইবাসে। কিন্তু ডাল খেতেও হয়তো অনেকেই খুব বেশি পছন্দ করেন। আমি তো ডাল প্রেমি মানুষ ।খাদ্য তালিকায় রোজই আমার ডাল থাকলে খুব খুশি হই আমি। আমারও আপনার মত মসুর আর মুগের ডাল বেশি পছন্দ ।কারণ ওটাই প্রতিনিয়ত খাওয়া হয় ।তবে মটর ডাল দিয়ে ঘুগনি করলে সেটা তো আর বলার না, জিভে জল চলে আসছে বলতে গেলে। আপনার বন্ধুদের দেখে আপনি পুঁইশাক দিয়ে মসুর ডালের দারুন একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আমার ভীষণ পছন্দ এই সব ধরনের রেসিপি ।রান্নার প্রতিটি ধাপ খুব সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন। খুবই সুস্বাদু হয়েছিল নিশ্চয়ই রেসিপিটি খেতে।