রেনডম ফটোগ্রাফি পোস্ট।
কিছুদিন আগে আমি আর ফেরদৌস ঘুরতে বেরিয়েছিলাম বিকেলের দিকে। তখন গ্রামের দিকে যেতে যেতে এক সময় এই রাস্তাটি দেখতে পেলাম। এদিকে আমার আগে কখনো আসা হয়নি। সেদিন ফেরদৌস বলেছিল বর্ষাকালে নাকি এই রাস্তার দু'পাশের দারুণ একটি দৃশ্যের অবতারণা হয়। রাস্তার দুপাশ পানিতে ডুবে থাকে। দেখলে মনে হবে যেন কোন বিলের ভেতর দিয়ে একটি রাস্তা চলে গিয়েছে। জায়গাটি দেখে আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছিলো।
কিছুদিন আগে বিকালে ঘুরতে বের হয়ে এই দৃশ্যটি চোখে পড়েছিলো। নদীর পাড়ের ছোট্ট একটি জায়গা পেয়ে ছোট বাচ্চারা ফুটবল খেলছিলো। আমাদের শহরের ভেতরে তো এখন মাঠ দেখাই যায় না। যার ফলে বাচ্চারা সব ঘরের ভিতরেই বড় হচ্ছে। কিন্তু পদ্মার পাড়ের অঞ্চলটাতে এখনো কিছুটা গ্রামীণ পরিবেশ রয়েছে। যার ফলে সেখানে এখনো বাচ্চাদের খেলার জন্য কিছু জায়গা অবশিষ্ট রয়েছে। বাচ্চাদের খেলা দেখে নিজেদের শৈশবের কথা মনে পড়ে গিয়েছিলো।
এই ছবিটও বিকালে ঘোরাফেরার সময় তুলেছিলাম। আপনারা দেখতে পাচ্ছেন রাস্তার পাশে একটি বিলের মতন জায়গা রয়েছে। এই ধরনের জায়গায় যখন পানি কিছুটা শুকিয়ে আসে তখন প্রচুর মাছ পাওয়া যায়। সেই মাছগুলো খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু হয়।
ছবিতে আপনারা একজন মাছ বিক্রেতাকে দেখতে পাচ্ছেন। শেয়ার করে দেখুন ছবির সবচাইতে ডান পাশে বাইম মাছের মত একটি মাছ দেখা যাচ্ছে। প্রথম দেখায় আমিও মাছটিকে বড় বাইম মাছ মনে করেছিলাম। কিন্তু যখন মাছের মুখটা দেখতে পেলাম তখন আমি কিছুটা অবাক হয়েছিলাম। কারণ এই ধরনের মাছ আমি এর আগে কখনো দেখিনি। যদিও মাছটার নাম আমার মনে নেই। তবে মাছটা দেখতে আমার কাছে কিছুটা ভয়ংকর মনে হচ্ছিলো।
পদ্মার পাড়ে বিকালে ঘোরাফেরা করার সময় এই ছবিটি তুলেছিলাম। ছবিতে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন নদীর পাড়ে কয়েকজন মানুষ বসে রয়েছে। তাদের ভেতর একজন মাছ ধরছিলো। তার মাছ ধরা দেখতেই আমরা সেখানে থেমেছিলাম। তখনই ছবিটি তুলেছিলাম।
এই ছবিতেও একজন মাছ বিক্রেতাকে দেখা যাচ্ছে। তবে খেয়াল করে দেখুন তার মাছের ডালার উপরে বেশিরভাগই দেশীয় ছোট মাছ। যদিও সবগুলি মাছের আমি নাম জানিনা। তারপরেও নদীর এই ছোট মাছ গুলি খেতে বেশ সুস্বাদু হয়। ছোট মাছ আমার খুব একটা পছন্দ না তাই সেদিন ছোট মাছ কেনাও হয়নি।
আজকের মত এখানেই শেষ করছি। পরবর্তীতে আপনাদের সাথে দেখা হবে অন্য কোন নতুন লেখা নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।
| ফটোগ্রাফির জন্য ব্যবহৃত ডিভাইস | হুয়াই নোভা 2i |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @rupok |
| স্থান | ফরিদপুর |
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আপনার তোলা সবগুলো ফটোগ্রাফি চমৎকার লাগছে দেখতে ভাইয়া।পদ্মার পাড়ে বেশ সুন্দর সময় কাটিয়েছেন আপনারা।এই জায়গাটা বেশ পরিচিত আমার আর নিরিবিলি অনেক জায়গাটি ।আমরা কয়েকবার ঘুরতে গিয়েছিলাম বান্ধবীরা সবাই মিলে জায়গাটিতে।তখন অবশ্য এভাবে বাঁধানো ছিলনা নদীর চারপাশ।ভালো লেগেছে পোস্টটি।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
ভাই গ্রামে ঘুরতে গিয়ে বেশ সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি করেছেন। রাস্তার দু'ধারে পানি হলে আসলেই সে রাস্তা দেখতে অনেক সুন্দর লাগে। নদীর ছোট হোখ কিংবা বড় মাছ হোক খাওয়ার মজাই আলাদা। সুন্দর একটি ফটোগ্রাফি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
এটা ঠিক বলেছেন ভাইয়া এখন কোথাও গিয়ে ভালো কিছু দেখলেই ফটোগ্রাফি করি।আগে ও করতাম।তবে এখন একটু বেশীই করা হয়।আপনার তোলা রেনডম ফটোগ্রাফি গুলো দারুন লাগলো। বন্ধুদের সাথে খুব ঘুরাঘুরি হয়েছিল।তাইতো সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করলেন। মাছটা সামুদ্রিক মাছ হবে।আমিও দেখিনি এমন মাছ।আর দেশীয় মাছগুলো ছোট হলেও বেশ মজার হয় খেতে।তবে কাটতে ভীষণ ঝামেলার।কারন ছোট মাছ তো আর কাটিয়ে আনা যায় না।সবগুলো ফটোগ্রাফি চমৎকার হয়েছে। ধন্যবাদ আপনাকে শেয়ার করার জন্য।
আশা করি ভাইয়া ভালো আছেন? বেশ সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন। পদ্মার পাড়ে বেশ সুন্দর সময় কাটিয়েছেন ভাইয়া। পাকৃতিক সৌন্দর্যের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে বেশি ভালো লাগলো। বিভিন্ন ধরনের মাছের ফটোগ্রাফি করেছেন আপনি। লম্বা বড় মাছটি আমার মনে হয় সাগরের কাইয়া মাছ। এত সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই। ভালো থাকবেন ভাইয়া।
আসলেই ভাই কোথায় গিয়ে সুন্দর কিছু দেখলেই ফটোগ্রাফি করতে ইচ্ছে করে সবার সাথে শেয়ার করার জন্য। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো চমৎকার হয়েছে ভাই। তবে বাইম মাছের মতো যেটা,সেটা আমার কাছে মনে হচ্ছে কুইচা। কারণ কুইচা এবং বাইম মাছ দেখতে অনেকটা একইরকম। যাইহোক এতো সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
ভাইয়া আপনি আজকে খুবই চমৎকার কয়েকটি ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আসলে আপনার প্রতিটা ফটোগ্রাফি আমার কাছে দারুন লেগেছে। তবে বিশেষ করে মাছের ওই ছবিগুলো দেখতে পেয়ে খুবই ভালো লাগলো। ধন্যবাদ ভাইয়া এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ভাইয়া তিন বন্ধু মিলে তাহলে ভালোই ঘুরাঘুরি করেছেন। আপনার মত আমরা কোথাও ঘুরতে গেলে ফটোগ্রাফি করা অভ্যাস হয়ে গেছে। তবে আজকে আপনার ফটোগ্রাফি গুলো অসাধারণ হয়েছে। সবগুলো ফটোগ্রাফি দেখে অসম্ভব ভালো লাগলো। তবে এখন ভাইয়া সব জায়গাতে একই অবস্থা খেলাধুলার মাঠ নেই বললেই চলে। বাচ্চারা ঘরে বসে খেলাধুলা করতে হয়। মাছ বিক্রেতার ফটোগ্রাফি দেখে মাছটি মনে হচ্ছে ছুরি মাছের মতন। যাই হোক সবগুলো ফটোগ্রাফি অনেক সুন্দর বর্ণনা দিয়ে আমাদের মাঝে উপস্থাপনা করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনার মত আমারও একই অভ্যাস ঘুরতে গেলে অটোমেটিকলি ছবি তোলা শুরু করে দেই। আপনার ফটোগ্রাফিতে বেশ বড় সাইজের কিছু মাছের ছবি দেখলাম। নামটা জানতে পারলে আরো বেশি ভালো হতো।