স্ট্রিট ফুড ফটোগ্রাফি।
আপনারা যারা আমার পোস্ট পড়েন তারা জানেন আমি ভোজন রসিক মানুষ। সব ধরনের খাবার খেতেই আমি পছন্দ করি। অবশ্য সবজি বা মাছ খাওয়ার ক্ষেত্রে আমার কিছু সমস্যা আছে। তবে বাইরের খাবার খাওয়ার ব্যাপারে কোন সমস্যা নেই। আমার মত যারা খাওয়া-দাওয়া করতে পছন্দ করে তাদের বাইরের খাবারের প্রতি একটা অন্যরকম আকর্ষণ কাজ করে। বিশেষ করে স্ট্রিট ফুড এর উপর আমার একটা অন্যরকম আকর্ষণ কাজ করে। স্ট্রিট ফুড খেতে আমরা সবাই পছন্দ করি। কারন এই খাবারগুলো অত্যন্ত মুখরোচক হয়। তবে ইদানিং এসিডিটি সমস্যার কারণে স্ট্রিট ফুড খাওয়া কমে গিয়েছে। তারপরেও এখনো যখন মার্কেটের দিকে যায় তখন সেখানকার স্ট্রিট ফুড গুলো দেখলে মনে হয় একবার খেয়ে দেখি। তবে বিভিন্ন কারণে এখন আর স্ট্রিট ফুড তেমন একটা খাওয়া হয় না। যাই হোক কয়েকদিন আগে মার্কেটের দিকে গিয়েছিলাম একটা জরুরী কাজে। তখনই হঠাৎ করে আইডিয়াটা মাথায় আসলো স্টিট ফুড ফটোগ্রাফি করার। সেদিনের তোলা ছবিগুলো আপনাদের সাথে আজকে শেয়ার করবো।
এই ছবিটিতে দেখতে পাচ্ছেন একটি ভ্যানে করে ভেলপুরি ঝালমুড়ি এগুলি বিক্রি করা হচ্ছে। এই খাবারগুলি অত্যন্ত মুখরোচক। বিশেষ করে একটু কম বয়সী যারা তারা এই খাবারগুলো দেখলে আর লোভ সামলাতে পারে না। অবশ্য সব বয়সের মানুষেরই প্রিয় খাবার এগুলো। তবে স্বাস্থ্য সচেতনতার কথা চিন্তা করলে এগুলো না খাওয়াই ভালো।
এই ভ্যানগুলিতে বিভিন্ন রকম ভেষজ উপাদান দিয়ে নানা রকম শরবত তৈরি করা হয়। বিক্রেতাদের দাবি সেই শরবতগুলো নাকি শরীরের জন্য খুবই উপকারী। অবশ্য তাদের কাছে আসলেই বেশ কিছু উপকারী উপাদান পাওয়া যায়। তবে তারা যে পানিটা শরবত বানানোর কাজে ব্যবহার করে সেটা কতটুকু স্বাস্থ্যসম্মত সেটা নিয়ে কিছুটা সন্দেহ রয়েছে আমার। তবে এই শরবতগুলো নিম্নবিত্ত এবং মধ্যবিত্ত মানুষের কাছে বেশ জনপ্রিয়।
এটি আমাদের দেশের এখন সবচাইতে পরিচিত দৃশ্য গুলির ভেতর একটি। বিশেষ করে গরমের দিনে এখন এমন কোন শহর পাওয়া যাবে না যেখানে এই লেবুর শরবত বিক্রেতাদেরকে দেখা যায় না। প্রচন্ড গরমের ভিতর এক গ্লাস ঠান্ডা পানির লেবুর শরবত খেতে কার না ভালো লাগে? তবে এখানেও সেই একই বিষয় মাথায় রাখতে হবে। যেই পানি আর বরফ তারা শরবত তৈরির কাজে ব্যবহার করছে সেটা কতোটা স্বাস্থ্যসম্মত? তবে এই লেবুর শরবতের স্বাদ নিয়ে কারো দ্বিমত নেই। এই ধরনের শরবত খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু হয়।
এখানেও দেখতে পাচ্ছেন আরেকজন শরবত বিক্রেতাকে। তবে এই বিক্রেতার শরবতের ধরন কিছুটা আলাদা। এখানে মূলত ব্যবহার করা হয় পানির সাথে এক ধরনের পাউডার ড্রিংক। সেই সাথে কিছু ফল কেটে সেই শরবতের ভেতর দেয়া হয়। তবে আমি খেয়াল করে দেখেছি এই শরবত বিক্রেতারা নিম্নমানের পাউডার ড্রিঙ্ক ব্যবহার করে শরবত তৈরির ক্ষেত্রে। তাছাড়া যে ফলগুলো ব্যবহার করে সেগুলো ও খুব একটা ভালো মানের নয়।
ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন একজন ভেলপুরী বিক্রেতাকে। এই বিক্রেতা দীর্ঘদিন যাবত ফরিদপুর নিউমার্কেটের কাছাকাছি বসে। তার বেচাকেনা ও মাশাল্লাহ অনেক ভালো। আমি একবার এই বিক্রেতার কাছ থেকে ভেলপুরি খেয়ে দেখেছিলাম। তার ভেলপুরির সাদ আসলেই অনেক ভালো।
ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন একজন ছোলা ভুনা বিক্রি করছে। এই ধরনের ছোলা ভুনা খেতে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। এই খাবারটা আসলেই অনেক মুখরোচক। তবে স্বাস্থ্য সচেতনতার কথা চিন্তা করলে খোলা জায়গার খাবার না খাওয়াই ভালো। তবে সব সময় এই বিষয়গুলি মাথায় থাকে না। অবশ্য স্বাদের কথা চিন্তা করলে এই ছোলা ভুনা খাওয়াতে কোন সমস্যা দেখি না।
আজকের মত এখানেই শেষ করছি। পরবর্তীতে আপনাদের সাথে দেখা হবে অন্য কোন নতুন লেখা নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।
| ফটোগ্রাফির জন্য ব্যবহৃত ডিভাইস | হুয়াই নোভা 2i |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @rupok |
| স্থান | ফরিদপুর |
Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আসলেই স্ট্রিট ফুডগুলি দেখলে লোভ সামলানো দায় হয়ে পড়ে।স্ট্রিট ফুডগুলি স্বাস্থ্যকর না হলে ও খেতে খুবই মজা লাগে।আপনি ঠিক বলেছেন অধিকাংশ জায়গায় জলের মান ভালো থাকে না।এইজন্য সমস্যা দেখা দেয় মানুষের, আপনার ফটোগ্রাফিগুলি দারুণ হয়েছে।সবগুলো লোভনীয় খাবার ছিল, ধন্যবাদ ভাইয়া।
ভাই প্রতিটা মানুষ ভোজন রসিক। বিভিন্ন ধরনের খাবারের সাথে সাথে মানুষ স্ট্রিট ফুড খেতে বেশ ভালোবাসে। ভাই আপনার সবজি ও মাছের প্রতি সমস্যা থাকলেও এই দুইটা তরকারি কিন্তু মানুষের জন্য সবথেকে বেশি উপকার। মাছ এমন একটা খাবার যেটা খেলে মানুষের কোন প্রবলেম হয় না। তবে আপনার লেখা পড়েই বুঝতে পারলাম আপনার স্ট্রিট ফুডের এর উপর বেশি আকর্ষণ। যাকে এটা শুনে ভালো লাগলো যে আপনি অনেকটা কমিয়ে দিয়েছেন। আপনি মার্কেটে যাওয়ার সময় যে ফটোগ্রাফি গুলো তুলেছেন সবগুলির খাবারের ফটোগ্রাফি। আর এর মধ্যে সব থেকে গরমের জন্য শান্তির খাবার হল লেবু পানি। গরমের সময় খেতে পারলে মনে হয় যেন প্রাণটা শান্তি পেলো। ধন্যবাদ ভাই আপনাকে।
স্ট্রিট ফুড দেখলে আসলে খেতে যে খুব ইচ্ছে করে এটা ঠিক। কিন্তু কতজন কন্ট্রোল করতে পারে এটাই হচ্ছে ব্যাপার।আমি পারি।আমি বাইরের খারাব একদমই খাইনা।যে খাবার গুলো মুখরোচক,দেখলেই ফেতে ইচ্ছে করে সেগুলো আমি নিজে বাসায় করেই খেয়ে থাকি।শুধু মাত্র স্বাস্থ্যের কথা ভেবে।আপনি সেদিন মার্কেটে গিয়ে বেশকিছু খাবারের ফটোগ্রাফি করেছেন।সবগুলো ফটোগ্রাফি ভীষণ ভালো ছিল।আপনি ফটোগ্রাফির পাশাপাশি বর্ননা তুলে ধরেছেন এজন্য অনেক বেশী ভালো লাগলো। ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর এই ফটোগ্রাফি গুলো শেয়ার করার জন্য।
স্ট্রিট ফুড ব্যাপারটাই এমন। কতটুকু স্বাস্থসম্মত তা নিয়ে দ্বিমত থাকলেও যখন ক্রেভিং হয়, তখন মনকে মানানো মুশকিল। অবশ্য আমাদের ইমিউনিটিও বেশ ভালো। আজ পর্যন্ত কোন স্ট্রিট ফুড খেয়ে অসুস্থ হয়ে যাইনি এখনো। আপনি আজকের পোষ্টের মাধ্যমে যে ছবিগুলো শেয়ার করেছেন, তা বাংলাদেশের প্রায় প্রত্যেকটা জেলা -উপজেলার ই দৃশ্য। বিপুল জনপ্রিয়তার কাতণে সব জায়গায় ই এদের দেখা যায়।
যদিও সবাই বলে যে স্ট্রিট ফুড খেলে শরীর অসুস্থ্য হয়ে যায় , কিন্তু তবুও কেন জানি রাস্তায় গেলে এই খাবার গুলোই বেশী করে খেতে ভালো লাগে। আর বেলপুরি, পানিপুরি আর ফুচকার কথা নাই বা বললাম। এগুলো দেখতে কিন্তু বেশ জল চলে আসে। আর আপনি তো দেখছি এসব স্ট্রিট ফুডের ফটোগ্রাফি করেছেন। ভালোই করেছেন দুধের স্বাদ ঘোলে মিটিয়ে নিতে পারবো।
ভাই আপনি আজকে আমাদের মাঝে দারুণ কিছু ফুড ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন। আপনার শেয়ার করা পোস্টের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের খাবারের ফটোগ্রাফি দেখতে পেয়েছি ভাই। ঠিক বলেছেন ভাই আপনি আমাদের দেশে গরমের সময় প্রায় জায়গায় দেখা যায় লেবুর শরবত বিক্রয় করতে। আসলে গরমের সময় এই শরবত আমাদের শরীরের জন্য বেশ উপকারী। আপনি মার্কেটে যাওয়ার সময় ফটোগ্রাফি গুলো তুলেছিলেন সেগুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন বেশ দারুন ভাই। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
বড় বড় রেস্টুরেন্টের খাবারের স্বাদ একরকম, আর স্ট্রিট ফুডের স্বাদ অন্যরকম। অস্বাস্থ্যকর হোক আর যা ই হোক,মাঝে মধ্যে স্ট্রিট ফুড না খেয়ে পারা যায় না। খেয়ে আলাদা এক ধরনের তৃপ্তি পাওয়া যায়। দারুণ কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন ভাই। ছোলা ভুনা এবং ভেলপুরী দেখেই তো খেতে ইচ্ছে করছে। যাইহোক এমন মুখরোচক খাবারের ফটোগ্রাফি গুলো আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
স্ট্রিট ফুড গুলো দেখলে আসলে কেউ লোভ সামলাতে পারে না। এই খাবারগুলো এতই লোভনীয় যা দেখলেই খেতে ইচ্ছা করে।
খাবারগুলো স্বাস্থ্যসম্মত না তবুও আমরা এসব খাবারের প্রতি আকৃষ্ট বেশি হই আর বাচ্চাদের তো মানানোই যায় না। আগে এই খাবারগুলো অনেক খেতাম তবে এখন সতর্ক হয়ে গেছি কারণ বিভিন্ন প্রোগ্রামের মাধ্যমে এই খাবার গুলোর মান এবং কিভাবে তৈরি করে কোথায় তৈরি করে এগুলো তুলে ধরা হয়। ধন্যবাদ ভাই সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য।