রেনডম ফটোগ্রাফি পোস্ট।
কিছুদিন আগে হাজীগঞ্জ বাজারে গিয়েছিলাম বন্ধু ফেরদৌসের সাথে ঘুরতে। হাজীগঞ্জ বাজারের পাশে নদীর পাড়টা আমার আর ফেরদৌসের কাছে খুবই পছন্দের একটি জায়গা। সেখানে নদীর পাড়ে পৌঁছে কিছুটা সময় কাটিয়ে ফিরে আসার পথে হঠাৎ করে এই দৃশ্যটা চোখে পড়ে। দেখতে পেলাম নদীর পাড়েই কিন্তু বাচ্চারা খেলাধুলা করছে। তখনই ছবিটি তুলেছিলাম।
এই ছবিটি তুলেছিলাম হাজীগঞ্জ বাজারের ভেতর থেকে। ছবিটিতে দেখতে পাচ্ছেন আপনারা বাজারের ভেতরে কিছু পান বিক্রেতা রাস্তার পাশে বসে পান বিক্রি করছে। গ্রামের বাজারে গেলে এই ধরনের দৃশ্য হরহামেশাই চোখে পড়ে।
কিছুদিন আগে এলাকার বন্ধু-বান্ধবদের সাথে গিয়েছিলাম শহর থেকে বেশ কিছুটা দূরে একটি জায়গায় ঘুরতে। সেখানে পৌঁছে নদীর পাড়ের অনেকগুলো নৌকা বেঁধে রাখার দৃশ্যটি দেখতে পেলাম। দৃশ্যটি দেখার সাথে সাথেই পছন্দ হয়ে গেলো। তখনই ঝটপট ছবিটি তুলেছিলাম।
এখন বাজারে গেলে দেখতে পাবেন বাজারে বেশি ফলের ছড়াছড়ি। এই কারণেই বছরের এই সময়টা আমার কাছে সবচাইতে বেশি ভালো লাগে। এই সময়ে প্রচুর দেশি ফল বাজারে দেখতে পাওয়া যায়। ছবিতে একটি ফলের দোকান দেখতে পাচ্ছেন। খেয়াল করে দেখবেন সেখানে প্রত্যেকটি ফলই দেশি ফল।
উপরের ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন একটি ফুলের দোকান। এই দোকানটি আমাদের শহরের নিউ মার্কেটের প্রধান গেট দিয়ে ঢোকার সময় দেখতে পাওয়া যায়। বলতে গেলে শহরের মানুষের ফুলের চাহিদার বেশিরভাগই মেটে এই দোকান থেকে। বিভিন্ন উৎসবের সময় এই দোকানে মারাত্মক ভিড় লেগে থাকে। যদিও এখন দোকানটা একেবারেই ফাঁকা দেখা যাচ্ছে।
এই ছবিটি তুলেছিলাম কয়েকদিন আগে এলাকার বন্ধু বান্ধবদের সাথে ঘুরতে গিয়ে। ছবিটি তুলেছিলাম সেখানে অবস্থিত একটি ভাসমান রেস্টুরেন্টের ভিতর থাকে। ছবিটিতে দেখতে পাচ্ছেন একটি নৌকা ঘাটে ভেড়ানো রয়েছে। সেখানে নদীর পাড়ে এমন অনেক নৌকা দেখতে পেয়েছিলাম। আমরা বন্ধুবান্ধবরা সবাই মিলে একবার চিন্তা করেছিলাম নৌকায় করে ওপার থেকে ঘুরে আসবো। পরবর্তীতে রাসেল ভাইপার সাপের ভয়ে আর সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়নি।
উপরের ছবিতে রাস্তার পাশে বসে থাকা একজন তাল বিক্রেতাকে দেখতে পাচ্ছেন। বছরের এই সময়টাতে পাকা তাল দেখতে পাওয়া যায়। যদিও শহরে এখন এই ধরনের দেশীয় ফল খুবই কম দেখা যায়। হঠাৎ করে এই দৃশ্যটি দেখে তাই ছবি তুলে নিলাম। এই ধরনের তাল দিয়ে এক রকমের পিঠা বানানো হয়। যেটা খেতে খুব মজা লাগে। আমাদের এদিকে সেই পিঠাটাকে বলা হয় তাল পিঠা।
উপরের ছবিতে আর একজন ফল বিক্রেতাকে দেখতে পাচ্ছেন যিনি কয়েক রকমের দেশীয় ফল নিয়ে বসে রয়েছেন। বছরের বেশিরভাগ সময় এই ধরনের ফল বিক্রেতারা বিভিন্ন বিদেশি ফল বিক্রি করে। তবে বছরের এই সময়টাতে কিছুটা ব্যতিক্রম দেখা যায়। কারণ এখন ফলের বাজারে দেশীয় ফলের দাপট অনেক বেশি। তাছাড়া বিদেশি ফলের দাম অনেক বেড়ে যাওয়ায় মানুষ দেশীয় ফলের দিকে ঝুঁকছে। অবশ্য বেশি ফলের দাম যে এখন কম রয়েছে ব্যাপারটা তেমন নয়। মানুষের চাহিদার কারণে আর ফলের গাছ কমে যাওয়ার কারণে দেশি ফলের দামও এখন অনেক বেড়ে গিয়েছে।
আজকের মত এখানেই শেষ করছি। পরবর্তীতে আপনাদের সাথে দেখা হবে অন্য কোন নতুন লেখা নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।
| ফটোগ্রাফির জন্য ব্যবহৃত ডিভাইস | হুয়াই নোভা 2i |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @rupok |
| স্থান | ফরিদপুর |
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness
OR
নদীর পাড়ে অনেকগুলো নৌকা বেঁধে রাখার দৃশ্যটি আমার কাছে সবথেকে বেশি ভালো লেগেছে। ঠিক বলেছেন ভাইয়া, সুন্দর কিছু দেখলে সেটার ছবি না তোলা পর্যন্ত ভালো লাগেনা। আর এই সিজনে বাজারে বিভিন্ন রকম ফলের দেখা পাওয়া যায়। ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
হবিগঞ্জ বাজারের প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফি দেখে অনেক ভালো লাগলো। আপনিও আপনার বন্ধু দুজনে ঘুরতে গিয়ে ফটোগ্রাফি গুলো করেছেন।
নদীর পাড়ে অনেকগুলো নৌকা বেঁধে রাখার দৃশ্যটি দেখে আমি মুগ্ধ হয়ে গেলাম। সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে।
খুবই সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন আপনি। এই ফটোগ্রাফি গুলোর প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফি আমার অনেক বেশি পরিমাণে ভালো লেগেছে৷ এই ফটোগ্রাফি গুলোর মধ্য দিয়ে কিছু বাস্তবিক ঘটনার প্রকাশ ঘটেছে৷ এই সবগুলো ছবির মধ্যে থেকে যে নৌকার ফটোগ্রাফিটি আপনি করেছেন সেই নৌকার ফটোগ্রাফিটি আমার অনেক বেশি পরিমাণে ভালো লেগেছে৷
বেশ চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি দেখতে পেলাম ভাইয়া। তবে এটা সত্য কথা যে ফটোগ্রাফি যখন নেশা হয়ে যায়। তখন যেথায় সেথায় ফটোগ্রাফি করার মত কিছু দেখলেই, ফটোগ্রাফি করে ফেলতে মন চায়। আমার নিজেরও একই রকম অবস্থা। কোথাও ঘুরতে বেরোলে কোন সুন্দর কিছু চোখে আটকালেই ফটোগ্রাফি করে ফেলি। ধন্যবাদ ভাইয়া আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ভাই আপনার ফটোগ্রাফি গুলো এবং আপনার লেখাগুলো পড়ে বুঝতে পারলাম আপনি যেখানে নিজে হোক আর বন্ধুর সাথে হোক যেখানেই গিয়েছেন সেখানেই ফটোগ্রাফি করেছেন। আজকে আপনি বিভিন্ন ধরনের ফটোগ্রাফি করেছেন আপনার ফটোগ্রাফি গুলো বেশ ভালো লেগেছে। সব মিলিয়ে এত সুন্দর ফটোগ্রাফি গুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আপনি ঠিকই বলেছেন এখন কোথাও গেলে সুন্দর সুন্দর কিছু দেখলে ফটোগ্রাফি না করলে ভালো লাগেনা।আপনার আজকের তোলা ফটোগ্রাফি গুলো খুবই সুন্দর হয়েছে।নৌকা বাঁধা ফটোগ্রাফি আর ভাসমান রেস্টুরেন্টের ফটোগ্রাফিটি চমৎকার লাগছে।আপনার আর ফেরদৌস ভাইয়ার পছন্দের নদীর পাড়টিও দেখতে খুব সুন্দর। আমার কাছেও খুব ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ ভাইয়া শেয়ার করার জন্য।
আমি তো অফিস এর জন্য তেমন একটা সুযোগই পাইনা বাইরে যাওয়ার। তবে যদি যাইতে পারি তাহলে অনেক অনেক ছবি তোলা হয়। যেমনটা গতকালই করেছিলাম। যাই হোক ভাই আপনার তোলা ছবি গুলো খুব সুন্দর ছিলো। নদীর পাড়ে বেধে রাখা নৌকা গুলোর ছবি বেশি ভালো লেগেছে।
ভাই আপনি আজকে আমাদের মাঝে দারুণ কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন। আপনার শেয়ার করা প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফি আমার কাছে দেখতে অসাধারণ লেগেছে। আপনি বন্ধুদের সাথে কিছুদিন আগেই ঘুরতে গিয়েছিলেন সেখানে গিয়ে নদীর পাড়ে একটি ফটোগ্রাফি করেছিলেন সেটি দেখতে আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ ভাই এত সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
বেশ ভালো লাগলো ভাই আপনার হবিগঞ্জ বিচরণের ফটোগ্রাফি গুলো। হবিগঞ্জে আমার বাবার এক বন্ধু রয়েছে। সেখানে যাব যাব বলে এখনো পর্যন্ত যাওয়া হয়নি। তারা অনেকবারই বলেছে সেখানে যাওয়ার জন্য। তবে আপনার ফটোর মাধ্যমে অন্তত এরিয়াটা কিছুটা হলেও উপলব্ধি করতে পেরেছি। অনেক ধন্যবাদ ভাই ভালো থাকবেন।