রেনডম ফটোগ্রাফি পোস্ট।
একদিন আগে ঢাকা গিয়েছিলাম। সেখান থেকে ফেরার পথে হঠাৎ করে চোখে পড়লো মধুমিতা সিনেমা হল। এই সিনেমা হল বাংলাদেশের একসময়ের সবচাইতে নামকরা সিনেমা হল গুলোর ভিতর একটি ছিলো। যদিও এখন মাল্টিপ্লেক্স হওয়ার কারণে এখন আর মধুমিতা সিনেমা হলের সেরকম কদর নেই। মধুমিতা সিনেমা হল দেখার পরে পুরনো দিনের স্মৃতি মনে পড়ে গেলো। যখন কলেজে পড়তাম তখন এই সিনেমা হলে এসে টাইটানিক মুভিটি দেখেছিলাম।
কয়েকদিন আগে বৈশাখী মেলায় গিয়েছিলাম। সেখান থেকে এই ছবিটি তুলেছিলাম ।মেলায় গিয়ে এই ধরনের স্টল দেখলে ছেলেবেলার মেলার কথা মনে পড়ে যায়। যদিও এখন শহুরে মেলাগুলো থেকে মাটির জিনিসপত্র প্রায় উঠেই গিয়েছে।
এই ছবিটিও তুলেছিলাম মেলা থেকে। ছবিটিতে দেখতে পাচ্ছেন রান্না ঘরের ব্যবহারের বিভিন্ন জিনিসপত্র এই দোকানে দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশের মেলাগুলোতে এই ধরনের স্টল মোটামুটি বেশ কমন। এই ধরনের স্টল না থাকলে মেলা গুলোকে যেন কেমন অপরিপূর্ণ মনে হয়।
এই ছবিটি তুলেছিলাম ঢাকার মতিঝিল থেকে। ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন রাস্তার শেষ মাথায় একটি সুউচ্চ অট্টালিকা। আবার সেই একই ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটি রিক্সা। সমাজে বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে এই ছবিটিতে।
ছবিতে একটি ঘোড়ার গাড়ি দেখা যাচ্ছে। এই ছবিটি তুলেছিলাম সেদিন পদ্মার পাড় থেকে। পদ্মার চরে মানুষ জিনিসপত্র আনা নেয়ার কাজে এই ঘোড়ার গাড়ি ব্যবহার করে থাকে। কারণ এই ঘোড়ার গাড়িগুলো রাস্তাঘাট না থাকলেও সেখানে মোটামুটি সহজে চলাফেরা করতে পারে।
এই ছবি দুটো পদ্মার চর থেকে তুলেছিলাম। একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে চরে কিছুটা পানি জমেছে। কিন্তু দূর থেকে দেখে মনে হচ্ছিল এখানে কোন একটি ছোট নদী বয়ে গিয়েছে। কিন্তু কাছে যাওয়ার পর বুঝতে পারলাম আসলে চরের ভেতরে কিছুটা পানি জমে যাওয়ায় এমন দৃশ্যের সৃষ্টি হয়েছে। আরেকটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে চরের ভেতর দাঁড়িয়ে থাকা একটি নিঃসঙ্গ ফুচকার দোকান। বিকালে যখন চরে অনেক মানুষের আগমন হয় তখন মানুষগুলো হালকা কিছু খাওয়ার জন্য এই দোকানগুলোতে আসে।
আজকের মত এখানেই শেষ করছি। পরবর্তীতে আপনাদের সাথে দেখা হবে অন্য কোন নতুন লেখা নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।
| ফটোগ্রাফির জন্য ব্যবহৃত ডিভাইস | হুয়াই নোভা 2i |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @rupok |
| স্থান | ঢাকা, ফরিদপুর |
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness
OR
আমিও আগে একেবারেই ছবি তুলা হতো না এখন ব্লগিং এর জন্য ছবি তুলা টা অভ্যাস হয়ে দাড়িয়েছে।আসলেই মেলাতে মাটির বিভিন্ন ফলমূল সবজি দেখলে ছোটবেলার কথা মনে পরে যায়।ভালো লাগলো ছবিগুলো।ধন্যবাদ
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আপনি খুবই সুন্দর করে বিভিন্ন ধরনের এলোমেলো ফটোগ্ৰাফী আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনি মেলায় গিয়ে আবার দোকানের ও কিছু ফটোগ্রাফী শেয়ার করেছেন,দেখে আমার অনেক ভালো লাগলো
দাদা, আমাদের অভ্যাসটাও একই রকম হয়েছে। কোথাও গেলে ফটোগ্রাফি না তুলে আর পারি না। যেখানেই যাই কিছু না কিছু ফটোগ্রাফি অবশ্যই করে নিয়ে আসি। তোমার আজকে শেয়ার করা বিভিন্ন জায়গার ফটোগ্রাফি গুলো বেশ চমৎকার হয়েছে। একসাথে অনেক কিছু দেখার সুযোগ পেলাম তোমার এই ফটোগ্রাফি মূলক পোস্টের মাধ্যমে।
ফটোগ্রাফি দেখতে এবং করতে দুটোই আমার ভালো লাগে। আপনি খুব সুন্দর কিছু দৃশ্য ক্যামেরাবন্দী করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। মধুমিতা সিনেমা হল অনেক পুরনো এবং বেশ নাম ডাক ছিল। এখন মধুমিতা অভিসার কোন হলের কদর নেই। ঘোড়ার গাড়ি ঢাকায় দেখেছি তবে গ্রামীণ পরিবেশে দেখে খুব ভালো লাগছে। মেলার ছবিগুলোও খুব ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ ভাইয়া।
প্রিয় ভাইয়া আপনার তোলা প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফি দেখতে অসাধারণ সুন্দর লাগছে। আপনার এই ফটোগ্রাফির পোস্ট এর মাধ্যমে অনেকদিন পর ঘোড়ার গাড়িটি দেখে আমার খুবই ভালো লেগেছে। বৈশাখী মেলার বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্রের ফটোগ্রাফিটি আমার কাছে সবথেকে ভালো লেগেছে। দুর্দান্ত একটি ফটোগ্রাফির পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া,আমরা কোথাও গেলে ব্লগিং এর জন্য ফটোগ্রাফি করার জন্য ব্যস্ত হয়ে যাই। এটা যেন এক ধরনের নেশার মতো হয়ে গিয়েছে। যাইহোক আপনার রেনডম ফটোগ্রাফি গুলো দেখে খুব ভালো লাগলো। ফটোগ্রাফি করতে এবং দেখতে আমার খুব ভালো লাগে। প্রতিটি ফটোগ্রাফি এককথায় দুর্দান্ত হয়েছে। তবে পদ্মার পাড়ের ফটোগ্রাফি দুটি সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে। এতো সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদেরকে উপহার দেওয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
ছবি উঠানো আমারো তেমন অভ্যাস ছিল না কিন্তু ব্লগে যুক্ত হয়ে এমন একটি অভ্যাস হয়ে গিয়েছে যেখানেই যাই শুধু ছবি তুলতে ব্যস্ত থাকি। ব্লগে নাএলে সুন্দরভাবে ফটোগ্রাফি করার মত শিক্ষা অর্জন হয়তোবা পেতাম না।
মেলায় দোকানের কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন দেখে অনেক ভালো লাগলো সব মিলিয়ে সবকটি ফটোগ্রাফি আমার ভাল লেগেছে ধন্যবাদ ভাই।