রেনডম ফটোগ্রাফি পোস্ট।
কয়েকদিন আগে বন্ধুর রুবেলের সাথে গিয়েছিলাম ওদের গ্রামের বাড়িতে। সেখানে দুপুরে খাওয়া দাওয়া করে বিকালের দিকে যখন আমরা এলাকার দিকে ফিরছিলাম। তখন ওদের স্থানীয় একটি বাজারের কাছের সুইচগেট থেকে ছবিটি তোলা। এখন নদীতে পানি বাড়ার কারণে সুইচগেট গুলো দিয়ে প্রচুর পানি খাল বিলগুলোতে প্রবেশ করছে। আর এই সমস্ত জায়গা মাছ ধরার জন্য খুবই ভালো। নদীর নতুন পানির সাথে অনেক মাছও এই সময় খাল বিলগুলোতে প্রবেশ করে। সুইস গেট দিয়ে তীব্র বেগে পানি প্রবেশ করার এই দৃশ্য আমার কাছে সবসময়ই ভালো লাগে। সেজন্যই ছবিটি তুলেছিলাম।
এই ছবিটি তুলেছিলাম রুবেলদের বাড়ির কাছের একটি বাজারের রাস্তা থেকে। গ্রামের দিকে রাস্তাগুলো শহরের থেকে অনেকটা আলাদা। শহরের রাস্তাগুলো যেমন সব সময় কোলাহল পূর্ণ থাকে। গ্রামের রাস্তাগুলো ঠিক এর বিপরীত। সেগুলো বেশিরভাগ সময়ে এমন নিরিবিলি দেখা যায়। এই জন্যই আমার কাছে গ্রামের রাস্তাঘাট গুলো সব সময় ভালো লাগে।
ছবিতে মাছ ধরার যে ব্যবস্থাটি দেখা যাচ্ছে সেটাকে আমাদের স্থানীয় ভাষায় ভেসাল বলে। ভাষণ মাছ ধরার এই ধরনের জাল বর্ষায় সবচাইতে বেশি কাজে লাগে। কারণ এই সময় নদীতে মাছের আগমন হয়। সারা বছর নদীতে পানি কম থাকার কারণে মাছের পরিমাণও কম থাকে। এই সময়ে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে মাছেরও দেখা পাওয়া যায়।
এই ছবিটি তুলেছিলাম আমাদের শহরের পুরাতন সুইচগেট থেকে। এই বর্ষা মৌসুমে যখন নদীতে অনেক পানি হয় তখন এই সুইচগেট দিয়ে শহরের ভেতরের নদীগুলোতে পানি প্রবেশ করে। এই সুইচগেট একটি অবস্থিত শহর রক্ষা বাঁধের একটি জায়গায়। এক সময় এখানে অনেক মানুষজন ঘুরতে আসতো। তবে এখন নতুন সুইচগেট হওয়ার কারণে মানুষের সংখ্যা কমে গিয়েছে।
এই ছবিটি তুলেছিলাম বন্ধু রুবেলদের বাড়িতে ঘুরতে গিয়ে ওদের বাড়ির সামনের বিল থেকে। জায়গাটি আমার কাছে অনেক পছন্দ হয়েছিলো। তাছাড়া বিকালের হালকা রোদে নীল আকাশ আর টলটলে এই পানি এক অন্যরকম সৌন্দর্য সৃষ্টি করেছিলো। সে কারণেই ছবিটি তুলেছিলাম।
ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটা মসজিদ। এই মসজিদটি বিলের একবারে পাড়ে অবস্থিত। এ মসজিদ আমি এর আগেও বিলের অন্য পাশ থেকে অনেকবার দেখেছি। কিন্তু তখন জানতাম না এই মসজিদের পাশেই বন্ধু রুবেলদের গ্রামের বাড়ি অবস্থিত।
এই ছবিটি নতুন সুইচ গেট থেকে তোলা। যদিও ছোটখাটো কিছু সমস্যার কারণে এখনো নতুন সুইচগেট চালু হয়নি। তবে নতুন সুইচগেট চালু হলে শহরের মানুষের ঘোরাফেরার একটা জায়গায় পরিণত হবে এই সুইচগেটটি। কারণ সুইচগেট এর পুরো এলাকাটি দর্শনার্থীদের জন্য বেশ সুন্দর করে সাজানো হয়েছে।
ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন নিরিবিলি শান্ত একটি গ্রামীণ রাস্তা। এই ধরনের রাস্তায় হাঁটতে অনেক ভালো লাগে। আমরা কয়েক বন্ধু মিলে সেদিন এরকম রাস্তাতে বেশ খানিকটা সময় হেঁটেছিলাম। সময়টা সকলেই বেশ উপভোগ করেছিলাম।
আজকের মত এখানেই শেষ করছি। পরবর্তীতে আপনাদের সাথে দেখা হবে অন্য কোন নতুন লেখা নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।
| ফটোগ্রাফির জন্য ব্যবহৃত ডিভাইস | হুয়াই নোভা 2i |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @rupok |
| স্থান | ফরিদপুর |
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
গ্রামীণ প্রকৃতির ফটোগ্রাফি গুলো সব সময় মনে আলাদা রকমের ভালো লাগার জায়গা করে নেয়।আপনার ফটোগ্রাফিগুলো চমৎকার হয়েছে ভাইয়া।বিলের সাথে আকাশের ফটোগ্রাফি অসাধারণ লাগছে। গ্রামের মেঠো পথ না হলেও এই পথগুলো চমৎকার লাগে আমার কাছে।মসজিদটি খুব সুন্দর ভাবেই বিলের পাশে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।অনেক ভালো লাগলো ভাইয়া। সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
ভাইয়া আপনি ঘুরতে ভালোবাসেন আমরা সবাই জানি। আসলে ঘরে বন্দী থাকলে কারোরই ভালো লাগেনা। যদিও ইচ্ছে থাকলেও খুব একটা বাহিরে ঘুরতে যাওয়া হয় না। তবে আপনার পোস্টগুলো দেখে অনেক ভালো লাগে। ভেসাল দেখে সত্যিই অনেক ভালো লেগেছে। ফটোগ্রাফিটি খুবই সুন্দর হয়েছে। যদিও আমাদের গ্রাম্য ভাষায় এটা চটকা জাল নামে পরিচিত। দারুন সব ফটোগ্রাফি গুলো শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি ভাইয়া।
ভাইয়া, বন্ধু বান্ধবের সাথে ঘুরতে আপনি কতটা পছন্দ করেন তা আপনার পোস্টগুলো পড়লেই বোঝা যায়। সেই সাথে তো পরিবারও রয়েছে। যাইহোক ভাইয়া, বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে বেরিয়ে আপনি আজ আমাদের মাঝে চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন, যা দেখে খুব ভালো লাগলো। সুইচ গেটের ছল ছল পানি, আকর্ষণীয় মসজিদ, নদীর পাড়ে প্রাকৃতিক পরিবেশ, এবং পিস ঢালা রাস্তার দুপাশে সবুজ অরণ্য সব মিলিয়ে দারুন কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন ভাইয়া, এজন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আসলে ঘরবন্দী হয়ে থাকাটা আসলেই বেশ কষ্টের। তাই আমিও চেষ্টা করি শত ব্যস্ততার মাঝেও বাহিরে গিয়ে ঘোরাফেরা করতে। তাহলে মন একেবারে ফ্রেশ হয়ে যায়। যাইহোক ফটোগ্রাফি গুলো দেখে সত্যিই খুব ভালো লাগলো ভাই। বিশেষ করে প্রথম ফটোগ্রাফি এবং বিলের ফটোগ্রাফিটা সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে। এতো সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাই।