পুরী ভ্রমণ - পর্ব ১১
সূর্য মন্দিরের ঠিক সামনে অবস্থিত বিশালকায় নাট মন্দিরের ধ্বংসস্তূপে সিঁড়ি দিয়ে উঠে আমি অবাক হয়ে গেলুম । বিশাল বিশাল প্রস্তর নির্মিত থামগুলি আর ধ্বংসপ্রাপ্ত বেদী ছাড়া আর কিছুই এখন আর অবশিষ্ট নেই । এই নাটমন্দিরে সূর্যমন্দিরের সেবাদাসীরা পূজা-অর্চনা, সংগীত এবং নৃত্যগীতি করতেন । এই নাটমন্দিরটা এমনভাবে নির্মাণ করা হয়েছে যে প্রভাত সূর্যের প্রথম রশ্মি ঠিক নাটমন্দিরের বেদীর উপর এসে পড়তো । এই নাটমন্দিরে বিশাল একটা সূর্য ঘড়িও ছিল একসময় । সেটি এখন সম্পূর্ণ ধ্বংসপ্রাপ্ত । তবে, বেশ কয়েকটি সূর্য ঘড়ি এখনো মূল মন্দিরে আছে এবং এখনো অব্দি একদম সঠিক সময় দিচ্ছে এই সূর্য ঘড়িগুলো ।
নাটমন্দিরের অনেকগুলো প্রস্তর নির্মিত বিশালাকায় থাম এখনো টিকে রয়েছে নানান রকমের প্রতিকূলতা সত্ত্বেও । এই থামগুলির গায়ে অদ্ভুত সুন্দর সব সূক্ষ কারুকার্য এখনো রয়েছে । অপূর্ব সব কারুকার্য । নাটমন্দিরটি আয়তনে বিশাল । কোনারকের সূর্য মন্দিরে ধ্বংস ও লুণ্ঠনকার্য সমাধা হয়েছিল মোট ১৯ টা সামরিক অভিযানে । এর মধ্যে কালাপাহাড়, নরসিংহদেব, নরশিমাদেব, মারাঠা শাসক এবং পর্তুগিজ জলদস্যু কর্তৃক ধ্বংস ও লুন্ঠন কার্য উল্লেখযোগ্য । এই সকল আক্রমণ ও লুণ্ঠনে নাটমন্দিরটি ভয়াবহরূপে ক্ষতির সম্মুখীন হয় । তন্মধ্যে সব চাইতে উল্লেখযোগ্য ছিল মারাঠা কর্তৃক আক্রমণ ও লুন্ঠন । পুরী যখন মারাঠাদের অধীনে চলে যায় তখন মারাঠা লুঠেরা এই নাটমন্দিরটি প্রায় সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে ।
নাটমন্দিরের ধ্বংসস্তুপে আমরা ।
তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩
সময় : দুপুর ০১ টা ৩০ মিনিট
স্থান : কোনারক, উড়িষ্যা, ভারত ।
ভগ্ন নাটমন্দিরের কারুকার্য খচিত প্রস্তরনির্মিত বিশালকায় থাম ।
তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩
সময় : দুপুর ০১ টা ৩০ মিনিট
স্থান : কোনারক, উড়িষ্যা, ভারত ।
আংশিক ভগ্নপ্রাপ্ত থামের গায়ে খোদাইকৃত দেব-দেবীর মূর্তি ।
তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩
সময় : দুপুর ০১ টা ৩৫ মিনিট
স্থান : কোনারক, উড়িষ্যা, ভারত ।
নাটমন্দিরের বেদী ও মঞ্চ অনেক উঁচু । এখান থেকে সূর্য মন্দির পরিষ্কার দেখা যায় ।
তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩
সময় : দুপুর ০১ টা ৩৫ মিনিট
স্থান : কোনারক, উড়িষ্যা, ভারত ।
নাটমন্দিরের নিচ থেকে একটা শট ।
তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩
সময় : দুপুর ০১ টা ৩৫ মিনিট
স্থান : কোনারক, উড়িষ্যা, ভারত ।
নাটমন্দিরের সামনের অংশ । এর ঠিক সামনেই মূল মন্দির অবস্থিত ।
তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩
সময় : দুপুর ০১ টা ৩৫ মিনিট
স্থান : কোনারক, উড়িষ্যা, ভারত ।
ক্যামেরা পরিচিতি : OnePlus
ক্যামেরা মডেল : EB2101
ফোকাল লেংথ : ৫ মিমিঃ
পরিশিষ্ট
আজকের টার্গেট : ৫৫৫ ট্রন জমানো (Today's target : To collect 555 trx)
তারিখ : ২১ জানুয়ারি ২০২৪
টাস্ক ৪৭৪ : ৫৫৫ ট্রন ডিপোজিট করা আমার একটি পার্সোনাল TRON HD WALLET এ যার নাম Tintin_tron
আমার ট্রন ওয়ালেট : TTXKunVJb12nkBRwPBq2PZ9787ikEQDQTx
৫৫৫ TRX ডিপোজিট হওয়ার ট্রানসাকশান আইডি :
TX ID : bcfdf54c722f2d352a418aa3515d539d2f046f9da8babc71f890ed2be73e46d2
টাস্ক ৪৭৪ কমপ্লিটেড সাকসেসফুলি
Account QR Code
VOTE @bangla.witness as witness
OR








আমার আজকের NFT আর্টটিও রূপকথার আশ্চর্য সুন্দর কিন্তু অদ্ভুত সব প্রাণীদের নিয়ে । আমার আজকের আর্ট এর বিষয়বস্তু হলো - "একটি দারুন সুন্দর নরম কোঁকড়ানো লোমওয়ালা এক মথ ঝাঁ চকচকে দারুন একটা মঞ্চে গান গাইছে আর সেই তালে তালে নাচ করছে । "
Fairy Creatures
A cute fuzzy dancer moth
সত্যি বিশাল মন্দির দাদা দেখে তো অবাক হয়ে গেলাম। সেই আমলের মন্দির এত কারুকার্য এত কিছু কঠিন শিল্পাচার্য সত্যিই অসাধারণ। এত সুন্দর কারুকার্য গুলো দেখে বুঝা যাচ্ছে তখনকার আর্টিস্টরা অনেক বেশি দক্ষ ছিলেন। আর বাইরের দৃশ্যটি তো খুবই ভালো লাগলো। পুরী ভ্রমণের ১১তম পর্ব আপনার পোষ্টের মাধ্যমে দেখতে পেলাম। ভালো লাগলো দেখে অনেক ধন্যবাদ।
Wow, this is another interesting episode of the puri trip.
Ever since I have been following all the episodes, I haven't seen this beautiful buildings before
All the activities carried out in this trip are great, I hope I can witness one day.
Thank you @rme Dada for sharing with us 😊❤️❤️
ভগ্ন নাটমন্দিরের কারুকার্য খচিত প্রস্তরনির্মিত বিশালকায় থাম গুলো দেখে আমি অবাক। ঐ সময়ে দেওয়াল গুলোতে কত সুন্দর কারুকার্য করা হয়েছে। ডিজাইন গুলো দেখেই বুঝা যায় কত সময় লেগেছিল। বেশ কিছু তথ্য সহকারে অনেক গুলো ফটোগ্রাফি দেখতে পেলাম। ধন্যবাদ।
ভগ্ন প্রায় মন্দিরেরও কি সৌন্দর্য! চোখ জুড়িয়ে যায়। পাথরের উপরের কাজ অবাক করে দিচ্ছে। সেই সময়ের শিল্পীদের হাতের কাজ সত্যিই অতুলনীয়! মনে মনে ভাবছি যদি এতো বার ধরে লুঠ পাঠ চালানোর পরেও এমন থাকে তাহলে আসল মন্দির আরো কতো সুন্দর ছিলো।
নাটমন্দিরের সামনের অংশে তো দেখছি মানুষের প্রচুর আনাগোনা। নাটমন্দিরের বেদী ও মঞ্চ আসলেই অনেক উঁচু। ফটোগ্রাফি গুলো চমৎকার ভাবে ক্যাপচার করেছেন দাদা। আগের দিনের শিল্পীরা আসলেই বেশ দক্ষ ছিলেন এবং তাদের হাতের কাজ খুব নিখুঁত ছিলো। এই সিরিজের ফটোগ্রাফি গুলো যতই দেখছি ততই মুগ্ধ হচ্ছি। সবমিলিয়ে বেশ উপভোগ করলাম সম্পূর্ণ পোস্টটি। যাইহোক এতো চমৎকার একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা।
নাটমন্দিরের শৈল্পিক সৌন্দর্য যে কাউকে মুগ্ধ করবে। দেয়ালে কারুকাজ কতটা নিখুঁত ছিল দেখেই বুঝা যায়। এতো ধ্বংস ও লুন্ঠনের পরেও এখনও নাট মন্দিরের সৌন্দর্য কমেনি। আজকের পর্বটিও উপভোগ করলাম 🌼
প্রায় এরকম দেখতে একটি মন্দির বাংলাদেশের দিনাজপুরে রয়েছে। কার্যগুলো দেখতে অনেকটাই এরকম। থামগুলির গায়ে এত সুন্দর কারুকার্য দেখে সত্যিই ভালো লাগলো দাদা। দারুন সব ফটোগ্রাফি গুলো দেখে অনেক ভালো লাগলো। অনেক অনেক আকর্ষণীয় লাগছে কারুকার্য গুলো। দারুন সময় কাটিয়েছেন বুঝতে পারছি দাদা।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
অনেক নিখুত ও দক্ষ কারিগর ছিলেন তখনকার লোকজন। নাটমন্দিরের উচ্চতা ও নির্মানশৈলী দেখে এমনটাই মনে হয় আমার দাদা।