ট্রাভেল: বান্দরবান শহর থেকে তমা তুঙ্গী যাওয়ার পথে পর্ব-৬ // by ripon40
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বন্ধুরা,
আমি@ripon40 বাংলাদেশের নাগরিক
- বান্দরবান শহর থেকে তমা তুঙ্গী যাওয়ার পথে
- ১৩, জুলাই ,২০২৪
- শনিবার
আপনারা সবাই কেমন আছেন। আশাকরি আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। আজ আমি বান্দরবান শহর থেকে তমা তুঙ্গী যাওয়ার পথের মুহূর্তের দৃশ্য পটভূমি শেয়ার করব । আশাকরি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
Device : Redmi Note 11
বান্দরবান শহর থেকে তমা তুঙ্গী যাওয়ার পথে
What's 3 Word Location :https://w3w.co/obscuring.line..
তাহলে চলুন গল্পটি শুরু করি |
|---|
জানুয়ারি মাসে ১৮ তারিখে আমরা বান্দরবান এবং কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে বেরিয়েছিলাম ঘুরতে। আমরা কোথাও ঘুরতে যাওয়ার আগে অনেক প্ল্যান করি। বর্তমান সবাই অনেক ব্যস্ত কেউ বিভিন্ন জায়গায় কর্মরত রয়েছে। সেজন্য সবার একসঙ্গে হওয়াটা অনেক কষ্টকর। অনেক প্ল্যান পরিকল্পনা শেষে আমরা ১৮ তারিখে ঘুরতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেই। বান্দরবান পাহাড়ি অঞ্চলে ঘোরাঘুরি করার জন্য যে সকল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রয়োজন সেগুলো আমরা আগেই কিনেছিলাম। আমাদের কুষ্টিয়া থেকে বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে বিকেল পাঁচটার দিকে রওনা হওয়ার পর আমরা কমলাপুর রেলস্টেশনে গিয়ে পৌঁছাই নয়টার দিকে। আমরা যখন বান্দরবন শহরে পৌঁছায় তখন সকাল 11 টা বাজে। অনেক পথ জার্নি করার মাধ্যমে সবাই ক্লান্ত ছিলাম। যাইহোক আপনাদের সাথে ধারাবাহিকভাবে বান্দরবান ঘুরাঘুরি মুহূর্তের দৃশ্যপট পর্ব আকারে শেয়ার করে চলেছি।
Device : Redmi Note 11
যাত্রা পথের দৃশ্য
What's 3 Word Location :https://w3w.co/obscuring.line..
আমরা বান্দরবান শহর থেকে নীলগিরি যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলাম কিন্তু সেখানে যাওয়া সম্ভব হলো না তারপর সেখান থেকে ব্যাক করে থানচির এর উদ্দেশ্যে বের হই। সেই সময় প্রচন্ড শীত ছিল চাঁদের গাড়ি ফাঁকা চারিপাশে প্রচন্ড গতিতে পাহাড়ি রাস্তা অতিক্রম করছে। এদিকে আমরা সিটে বসে কাপাকাপি করছি । সবাই এমনভাবে পোশাক পড়েছিলাম যেন বাতাস ভিতরে প্রবেশ করতে না পারে । প্রচন্ড বেগে গাড়ি চলায় বাতাসের গতিবেগ অনেক ছিল কোন ভাবেই বাতাসের হাত থেকে রেহাই পেয়েছিলাম না। তবুও শীতে সবারই কাঁপুনি ধরে যায়। সেদিন শীতের কষ্ট কতটুকু ভালোভাবে বুঝতে পেরেছিলাম।
Device : Redmi Note 11
দুপাশে নীল আকাশের দৃশ্য
What's 3 Word Location :https://w3w.co/obscuring.line..
দীর্ঘ তিন ঘন্টা আমাদের যাত্রা করতে হবে সকাল ভোরে বেরিয়েছিলাম। কারন আমাদের সেখানে পৌছাতে অনেক দেরি হয়ে যাবে সকালে বের হলে খুব তাড়াতাড়ি পৌঁছাতে পারবো। পাহাড়ি অঞ্চলে টাইম অনুযায়ী বিভিন্ন জায়গায় ঘুরাঘুরি না করলে সবই লস। আমাদের ম্যানেজার সাহেব সাগর ভাই তিনি আমাদের সকল দায়িত্ব নিয়ে সেভাবেই বিভিন্ন জায়গায় যাত্রা করে। আমরা উচু রাস্তা দিয়ে তমা তুঙ্গীর খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলাম। পাহাড়ি রাস্তার দু'পাশে নীল আকাশের দৃশ্য দেখতে এতটাই ভালো লাগছিল যে বলে বোঝাতে পারবো না। হয়তো বর্ষাকালীন সময়ে সেখানে অনেক সাদা আকাশের ভেলা দেখতে পেতাম কিন্তু শীতের সময় হালকা কুয়াশা আচ্ছন্ন পরিবেশ দারুন ছিল।
Device : Redmi Note 11
রাস্তার দু'পাশের দৃশ্য পটভূমি
What's 3 Word Location :https://w3w.co/obscuring.line..
সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো যখন আমরা চাঁদের গাড়ির পিছনে দাঁড়িয়ে দু'পাশে সৌন্দর্য উপভোগ করছিলাম। সেই সময় একটি বিষয় খেয়াল করলাম আমার জুতায় অনেক ময়লা লেগেছিল কিন্তু সেই সকালে উঁচু পাহাড়ের নীল আকাশের হালকা হাওয়া বয়ে ছিল। সেই হাওয়াতে আমার জুতা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে এটা আমার কাছে সবচেয়ে বেশি অবাক লেগেছে। যাই হোক এরকম সুন্দর দৃশ্য গুলো দেখলে আসলেই মন ভালো হয়ে যায়। অতীতের সকল দুঃখ কষ্ট সবকিছুই মুছে যায়। শুধু প্রকৃতির এই সৌন্দর্য উপভোগ করার যে মুহূর্তটা সেটাই শুধু ভালোলাগার বিষয় থাকে। তমা তুঙ্গী পৌঁছানোর আগে এরকম সুন্দর মুহূর্ত উপভোগ করছিলাম আর বলছিলাম তোমার তমা তুঙ্গীতে গিয়ে মনে হয় আরো সুন্দর মুহূর্ত উপভোগ করতে পারবো। সেটাই হয়েছিল । পরবর্তী পর্বে সেটা আপনাদের সাথে শেয়ার করব।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেণী | বান্দরবান শহর থেকে তমা তুঙ্গী |
|---|---|
| ডিভাইস | Redmi note 11 |
| ফটোগ্রাফার | @ripon40 |
| লোকেশন | বান্দরবান |
ধন্যবাদ সবাইকে
আমি মোঃ রিপন মাহমুদ। আমার স্টীমিট একাউন্ট@ripon40। আমি একজন বাঙালি আর আমি বাঙালী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ব বোধ করি। আমি স্টীমিটকে অনেক ভালোবাসি। ভালোবাসি পড়তে, লিখতে, ব্লগিং,ফটোগ্রাফি,মিউজিক,রেসিপি ডাই আমার অনেক পছন্দের। আমি ঘুরতে অনেক ভালোবাসি। আমার সবচেয়ে বড় গুণ হলো কারোর উপর রাগ করলে সহজেই ভুলে যাই।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
You've got a free upvote from witness fuli.
Peace & Love!
যারা প্রকৃতিকে ভালোবাসে তারা এরকম প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করলে অতীতের সব দুঃখ কষ্ট ভুলে যাবে এটা আমি বিশ্বাস করি। পাহাড়ি রাস্তার আঁকাবাঁকা পথগুলো দারুন ছিল সুন্দর উপস্থাপন করেছেন শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ ভাই।
পাহাড়, সবুজ প্রকৃতির সৌন্দর্য সত্যি ই দারুন লাগলো।আপনারা খুবই সুন্দর মূহুর্ত কাটিয়েছেন বলা যায়। এতো চমৎকার জায়গায় গেলে মন এমনিতেই ভালো হয়ে যায়। আপনার ফটোগ্রাফি ও বর্ননা পড়ে খুবই ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
ঘোরাঘুরি করতে যাওয়ার সময় হাতে যথেষ্ট পরিমাণ সময় না থাকলে ঘোরাঘুরি করে মজা পাওয়া যায় না। সকল জায়গা ঘুরে দেখতে না পারলে মনের ভেতরে একটা আফসোস থেকে যায়।আপনি বেশি দারুন দারুন জায়গা ভ্রমণ করেছেন আর তা ফটোগ্রাফির মাধ্যমে তা দেখাতে পারলাম। অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই অনেক সুন্দর একটি মুহূর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করে নেয়ার জন্য।