জেনারেল রাইটিং :-গিফট পাওয়ার অনুভূতি
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ এর সকল ভাই ও বোনেরা কেমন আছেন? নিশ্চয় মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে সবাই বাড়ির সকল সদস্যকে নিয়ে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালো আছি, সুস্থ আছি।সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করছি।
জেনারেল রাইটিং :-গিফট পাওয়ার অনুভূতি
বরাবরের মতো আজও আমার আপনাদের মাঝে এসেছি নতুন একটা পোস্ট নিয়ে। আসলে গিফট পেতে সবারই অনেক ভালো লাগে। গিফট দিতেও ভালো লাগে। তবে এখন বড় হয়ে গেছি তাই আগের মতো তেমন কোনো গিফট পায়নি। তারপরে মাঝে মাঝে পেলে অনেক ভালো লাগে। আসলে এখন রমজান মাসের শেষের দিকে। এখন সবাই সবারি আপনজনকে গিফট দেওয়ার উত্তম সময়। যাইহোক এখন আমাদের কেউ গিফট দেয় না বলেই চলে। তবে মাঝে মাঝে কেউ গিফট দিলে অনেক ভালো লাগে। এবার ঈদে একটা থ্রি পিস উপহার পেয়েছি।যাইহোক তাহলে চলুন শুরু করি আজকের পোস্ট।
আমার হাজবেন্ডরা চার ভাই। আমার হ্যাজবেন্ড ভাইদের মধ্যে সেজো। আমার বড় ভাসুর জনতা ব্যাংকের ম্যানেজার ছিলেন। গতবার ডিসেম্বর অবসরে গিয়েছে। তাই এবার আমাদের তিন জাকে একটা করে থ্রি পিস গিফট দিয়েছে। যদিও বাচ্চাদের ও টাকা দিয়েছে জামা কেনার। তবে এখন না আমার বিয়ের পর থেকেই দেখে আসছি আর কেউ কিছু না দিলেও বড় ভাসুর সবাইকে কিছু না কিছু দেবার চেষ্টা করে। তবে ছেলে মেয়ে হলে তখন আর কেউ বড়দের দিতে চায় না। তখন যে যা দেয় সব বাচ্চাদের দেয়। আসলে আমি কেন আমার মনে হয় সবাই গিফট পেতে অনেক পছন্দ করে। ছোট হোক কিংবা বড় হোক গিফট তো গিফট।
আরো কয়েক দিন আগে আমার জা আমাকে ভিডিও কলের মাধ্যমে কয়েকটি থ্রি পিস দেখালো।তবে বর্তমান যে দাম থ্রি পিস হলে দুই হাজারের ওপরে।একই ধরনের পাঁচটি থ্রি পিস এনেছে,শুধু কালার ভিন্ন। তাই শুধু আমি না আরো যাদের দেবে সবাইকে ভিডিও কলের মাধ্যমে দেখিয়েছে। তবে আমি এই পেস্ট কালারটা রাখতে বলেছি। কিন্তু কিনেছে আরো কয়েক দিন আগে তবে আমি গতকাল হাতে পেয়েছি। আসলে গতকাল আমি বাচ্চাদের নিয়ে মার্কেটে এসেছি কিন্তু আমাদের মার্কেট করা এখনো শেষ হয়নি তাই আমরা আমার ভাসুরের বাসায় আছি। আর আসার সাথে সাথেই যখন আমার জা থ্রি পিস দিল তখন অনেক ভালো লেগেছিল। যদিও আগেই জেনে ছিলাম আমাদের জন্য থ্রি পিস কিনেছে। আসলে জানা আর হাতে পাওয়া এক জিনিস নয়।
আসলে আমরা যতই বড় হয় না কেন বড়দের কাছে আমরা সব সময় ছোট। যাইহোক গিফট আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। তবে গিফট পেতে এমনিতেই অনেক ভালো লাগে আর গিফটের জিনিস যদি পছন্দ মত হয় তাহলে তো কথায় নেই। তবে দুঃখের বিষয় হলে এখন কোন দর্জি জামাটা বানাতে নেবে না। আর আমি ও বানাতে দেব না। আসলে এখন অর্ডার নিলেও তেমন ভালো বানাবে না। তারজন্য আর সাহস করে বানাতে দেয় না। যাইহোক ঈদের পরে বানালে সুন্দর ভাবে বানাতে পারব।আসলে মানুষের শুধু টাকা পয়সা থাকলেও হয় কাউকে কোন কিছু দেওয়ার মনমানসিকতা থাকতে হবে। আশাকরি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
| প্রয়োজনীয় | তথ্য |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @parul19 |
| ডিভাইস | redmi note 12 |
| লোকেসন | ফরিদ পুর |
আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আবার দেখা হবে অন্য কোন ব্লগে অন্য কোন লেখা নিয়ে। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।
আমি পারুল। আমার ইউজার নেম@parul19। আমার মাতৃভাষা বাংলা। বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি।আমি ফরিদ পুর জেলায় বসবাস করি।আমার দুটি মেয়ে আছে। আমি বাংলাই লিখতে ও পড়তে ভালোবাসি। আমি নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে ও ঘুরতে পছন্দ করি।এই অপরুপ বাংলার বুকে জন্ম নিয়ে নিজেকে ধন্যবাদ মনে করি।
কারো থেকে গিফট পেলে সত্যি খুবই ভালো লাগে। আপনি আপনার বড় জা এর কাছ থেকে গিফট পেয়েছেন জেনে খুবই ভালো লাগলো। ঠিক বলেছেন আপু ছোট বড় সবারই ইচ্ছা করে অন্যের থেকে গিফট পেতে। গিফট পেলে মনটা খুশি হয়ে যায়।আপনার পোস্টটি দেখে খুবই ভালো লাগলো আপু। ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
জি আপু সবারি ইচ্ছা করে গিফট পেতে, ধন্যবাদ আপু গঠন মূলক মন্তব্য করার জন্য।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
যাক ভালো লাগলো ভাসুরের কাছ থেকে গিফট পেয়েছেন জেনে। আসলে গিফট ছোট হোক বড় হোক যে কোন গিফটই মূল্যবান। আর এটাও ঠিক বলেছেন যে গিফটের জামা যদি পছন্দ মত হয় তাহলে তো আনন্দ আরো বেড়ে যায়।তবে এখন ঈদের অল্প কয়েকদিন বাকি আছে, এ কারণে কেউ আপনার জামা সেলাই করতে নিবেনা। আবার কাউকে যদি আপনি জোর করে দেন তবে দেখবেন যে সে কাজটি গরমিল করে ফেলেছে। আমার ওয়াইফের ক্ষেত্রে এরকম একবার ঘটেছে। তাই এখন না দিয়ে ঈদের পরে দেওয়াটাই ভালো হবে ধন্যবাদ আপু।
গিপ্ট পেতে কার না ভালো লাগে।দামী হোক বা কম দামী গিপ্ট তো গিপ্টেই আর আনন্দের জিনিস।জেনে ভালো লাগলো আপনার ভাসুর জনতা ব্যাংকের অবসর প্রপ্ত ম্যানেজার ছিলেন এবং উনি আপনাদকে প্রতি ঈদে উপহার দিয়ে থাকেন। এবছর ও দিয়েছেন এবং আপনার জা ভিডিও কলে থ্রিপিস দেখিয়েছেন আপনাকে।আসলে আপনজনদের কাছে কিছু পেতে সত্যি ভীষণ ভালো লাগে।আপনার পোস্ট টি পড়ে বেশ ভালো লাগলো।ঈদের আনন্দে আনন্দিত হয়ে উঠুক আপনাদের সবার মনপ্রাণ। এই কামনা করছি।
ঠিক বলেছেন আপু আপনজনের কাছ থেকে কিছু পেতে সত্যিই অনেক ভালো লাগে ধন্যবাদ আপু।
গিফট পেতে ছোট বড় কেউ লাগে না আপু।যে কেউই গিফট পেতে পছন্দ করে । আর আপনার বড় ভাসুর নিজে সবার জন্য কিছু না কিছু করার চেষ্টা করে শুনে ভালো লাগলো। তাছাড়া এখন জামা যদি সেলাই করতে দেয়া হয় তাহলে ভালোমত সেলাই করে দেবে না।গতবছর আমার ঈদের জামা নষ্ট করে ফেলেছিল,তাই এবার আমি বুটিকস এর জামা নিয়েছি,যাতে আর সেলাই করা না লাগে।
জ্বী আপু জামাগুলো নষ্ট করে দেয় তার জন্য আমি আর দেয়নি ধন্যবাদ আপু।
এটা ঠিক বলেছেন ছোট কিংবা বড় গিফট পেতে কিন্তু সবারই ভালো লাগে। যাইহোক এ বছর আপনি আপনার ভাসুরের কাছ থেকে একটি থ্রি পিস গিফট পেলেন যেন ভালো লাগলো। তবে এটা ঈদের জন্য গিফট পেলেও ঈদে হয়তো পড়তে পারবে না। আসলে আপনি ঠিক ডিসিশন নিয়েছেন এই সময় দর্জির কাছে এটা বানাতে না দেওয়াই উত্তম কারণ তাড়াহুড়ার মধ্যে অতটা ভালোভাবে না বানানো হতে পারে। যাই হোক ধন্যবাদ আপনাকে গিফট পাওয়া নিয়ে সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
সেই কারণে জামাটা বানাতে দেওয়া হয়নি ধন্যবাদ ভাইয়া।
ঈদ মানে আনন্দ এটাই তার বড় প্রাপ্তি । আসলে ঈদের আগ মুহূর্তে সবাই এভাবে গিফট পেতে পছন্দ করে যেটা আপনি পেয়েছেন খুবই ভালো লাগলো। আরো যাতে এভাবে গিফট পান সেটাই প্রত্যাশা করি। আমাদের সাথে সেই অনুভূতিটা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ
আপনাকে ও অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া গঠন মূলক মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
উপহার পেতে আসলেই বেশ ভালো লাগে। আপনার বড় ভাসুর আপনাদের দিন জা কে থ্রিপিস উপহার দিয়েছেন জেনে ভালো লাগলো। থ্রি পিসটা খুবই সুন্দর হয়েছে। এটা ঠিক বলেছেন আপু, কারো কারো টাকা পয়সা থাকলেও মন-মানসিকতা থাকে না কারো জন্য কিছু করার। আপনার পোস্ট দেখে ভালো লাগলো।
আপনার ভালো লেগেছে জেনে অনেক ভালো লাগলো ধন্যবাদ আপু।
গিফট পেতে প্রতিটা মানুষের ভালো লাগে। গিফট পাওয়ার থেকে দিতেও ভালো লাগে। এটা একদম ঠিক কথা বলেছেন। এখন তো বড় হয়ে গেছি। এখন অন্যকে দেওয়ার মাঝে প্রশান্তি খুঁজে পাই। আপনার ভাসুর তিন যা কে থ্রি পিস গিফট দিয়েছে দেখে ভীষণ ভালো লাগছে ও বাচ্চাদেরও টাকা দিয়েছে জামা কেনার জন্য।মানুষের মধ্যে মনুষ্যত্ববোধটাই আসল।আপনার ভাসুর সকলের মন জয় করে ফেলেছে। সুন্দরভাবে সবাইকে আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা করেছে। যাক সকলে বেশ সুন্দর মুহূর্ত উদযাপন করেছেন। বেশ ভালই লাগলো গিফট পাওয়ার অনুভূতি জেনে।
আপনার ভালো লেগেছে জেনে অনেক ভালো লাগলো, ধন্যবাদ ভাইয়া সাবলীল মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
উপহার পেতে ও দিতে আমাদের সকলের ভালোলাগে। এই উপহার দেওয়ার মধ্যে একটি আলাদা ভালোলাগা কাজ করতে থাকে৷ যদি আমরা কাউকে উপহার দিতে পারি তাহলে আমাদের মনের মধ্যে আলাদা শান্তি চলে আসে৷ আপনার ভাসুর আপনাদের সকলকে জামা কিনে দিয়েছেন এবং বাচ্চাদের জন্য টাকা দিয়েছে যাতে করে তারা জামা কিনতে পারে যা দেখে খুবই ভালো লাগছে৷ আসলেই এখন ঈদের সময় সকলেই নিজের জন্য জামা কাপড় কিনছে৷ আপনার ভাসুর আপনাদের সকলের জন্য জামা কাপড় কেনার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন যা প্রশংসার দাবিদার৷
গঠন মূলক মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু।