বিসর্জন নাটকের রিভিউ।
আমার প্রিয় বন্ধুগন, সবাই কেমন আছেন? সবাইকে আমার আন্তরিক মোবারকবাদ এবং অন্তরের অন্তস্থল থেকে আপনাদেরকে জানাই শুভেচ্ছা।
| বিসর্জন নাটকের রিভিউ। |
|---|
ইউটিউব থেকে স্ক্রিনশট নেওয়া।
নাটকের গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য |
|---|
| নাটকের নাম | বিসর্জন |
|---|---|
| পরিচালক | মেহেদী হাসান হৃদয় |
| অভিনয় | মুশফিক আর ফারহান, তানজিন তিশা সহ আরো অনেকে |
| ভাষা | বাংলা |
| মুক্তির তারিখ | ০৮ এপ্রিল ২০২৪ |
নাটকের নামটি দেখেই আপনারা হয়তো বুঝে গিয়েছেন যে নাটকটি কেমন হতে চলেছে৷ আসলে এই নাটকের নামটি যখন আমি দেখেছিলাম তখন আমিও ভেবেছিলাম যে নাটকটি সুন্দর হবে। যখন নাটকটি দেখে নিলাম তখন খুব সুন্দর কিছু অনুভূতি অর্জন করলাম। সে অনুভূতিগুলো আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করার চেষ্টা করবো। নাটকটি তার নাম বিসর্জন এর সাথে অনেকটা মিল রেখেই করা হয়েছে।
এখানে শুধু ত্যাগের কথায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। তাহলে চলুন শুরু করা যাক। নায়ক তার দোকানে ছিল তখন নায়কের বাবা তাকে কল দিয়ে বলে যে বাসায় চলে আসার জন্য। তাকে একটি জরুরী কাজে ডাকা হয়েছে। তখন সে বাড়িতে চলে আসে এবং বাড়ির সকলে মিলে একটি বাড়িতে চলে যান পাত্রী দেখার জন্য৷ যখন নায়ক এই বিষয়টি দেখতে পারে তখন সে অনেকটা রাগান্বিত হয়ে যায়। সে বলে যে এখানে তাকে কেন নিয়ে আসা হয়েছে। তখন নায়কের বাবা বলে যে এখন তার বিয়ে এবং এখনই তাকে বিয়ে করতে হবে।
যদি সে এখন বিয়ে না করে তাহলে তাকে মেরেই ফেলবে৷ তখন নায়ককে জোর করে সেখানে বিয়ে করানো হয়। নায়ক-প্রথমে সে বিষয়টি মেনে নিতে পারছিল না। যখন সে বাড়িতে গিয়ে দেখে যে তার স্ত্রী অনেক সুন্দর এবং ভালো তারপর নায়ক সবকিছু মেনে নেয়। এভাবেই তারা তাদের সুন্দর সময় অতিবাহিত করতে থাকে।
নায়কের নতুন নতুন বিয়ে হয়েছে৷ তাই নায়কের বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনরা আসতে পারেনি। তার বিয়ে হঠাৎ করে হয়ে যাওয়াতে কাউকে কোন কিছু জানানোই হয়নি। পরবর্তী সময়ে সকলকে ধীরে ধীরে সবকিছু জানিয়ে দেওয়া হয়। একদিন নায়কের এক খালা ছিল যে শহরে থাকে তাকে ডাকা হয় এবং তিনি আসার সাথে সাথেই নায়কের মাকে বিভিন্ন ধরনের কুমন্ত্রণা দিতে থাকেন। তিনি বলেন যে এরকম মেয়েকে তারা বিয়ে করিয়ে এনেছে যে তার মধ্যে কোন ধরনের আদব-কায়দা নেই।
কারণ তারা এতদিন পর এখানে এসেছে তাকে সেবা করবে এবং তার ব্যাগ নিয়ে যাবে, কোন কিছুই নায়িকা করছে না। তিনি এই বিষয়সমূহ নায়কের মাকে বলতে থাকেন। বিভিন্ন ধরনের কথাই নায়কের মাকে বলতে থাকেন। যখন তারা সকালে মিলে খাবার খাচ্ছিল তখন সেখানে নায়িকাকে তিনি বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা বলতে থাকেন। বলেন যাতে করে কখনো যেন তার শ্বশুর শ্বাশুড়িকে কষ্ট না দেয়৷ এরকম অনেক ধরনের কথা বলতে থাকে৷ তখন নায়ক এখানে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকে, সে কিছু বলে না৷
একদিন পেঁয়াজ কাটতে কাটতে নায়িকার হাত কাটা যায়। তখন সে কোন কিছুই করতে পারে না। সেখানে সে একলা বসেছিল। তখন তার যে ননদ ছিল তাকে ডেকে আনে তাকে কিছুটা সাহায্য করার জন্য। সে কোন কাজই করেনা। সে শুধুমাত্র মোবাইল দেখতে থাকে। তার জন্য নায়িকা বলে যাতে করে তাকে একটু কাজে সাহায্য করার জন্য। যখন সে একটু কাজে সাহায্য করলে নায়িকার জন্য অনেকটাই ভালো হবে। এর পরবর্তী সময় যখন সে কাজ করে তখন তার মুখের মধ্যে একেবারে অন্যরকম ছায়া দেখা যাচ্ছিল।
সে কোন মতে কাজ করতে ইচ্ছা ছিল না। এর কিছুক্ষণ পরে নায়কের মা সেখানে চলে আসে। তিনি বলেন যে তার মেয়েকে তিনি কোনদিন কোন কাজ করতে বলেননি। এখন নায়িকা কেন তাকে কাজ করার জন্য বলেছে। তাই তিনি অনেকটাই রাগান্বিত হয়ে যায়। তিনি নায়িকাকে বলেন যাতে করে সে একা একা কাজ করে। অন্য কেউ যেন তাকে সাহায্য করতে না আসে। এরপর তারা সেখান থেকে চলে যায়। এবার নায়িকা একা একা সেখানে রান্নাবান্না করতে থাকে।
এরপর নায়কের যে বোন আছে তার বিয়ে ঠিক হয়ে যায়। তার বিয়ে ঠিক হওয়াতে অনেক মানুষ সেখানে এসেছিলেন। সকলে মিলে একসাথে তার বিয়ে সম্পন্ন করা হয় ।তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান হয়। এর পরবর্তী সময়ে তার বোনকে বাসা থেকে বিদায় দিয়ে দেওয়া হয়। সে তার স্বামীর বাড়িতে চলে যাবে। সেখানে আর কোন কিছুই দেখানো হয় না। যখন নায়কের বোনের বিয়ে হচ্ছিল তখন সেখানে অনেক মানুষজন এসেছিলেন। সেখানে নায়কের যে খালা ছিল তিনিও ছিলেন। তিনি তখনও নায়িকার সম্পর্কে অনেক কথাই বলছিলেন। তবে সকলে চুপচাপ বসেছিল৷ কেউ কোন কথা বলছিল না৷
এরপর যেদিন নায়কের খালা চলে যাবেন সেদিনও তিনি নায়কের মাকে বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা বলেন। তার ভিতরে শুধুমাত্র কুমন্ত্রণাগুলো প্রবেশ করিয়ে দিচ্ছিলেন। যাতে করে তার ছেলের স্ত্রীকে কোনোভাবেই যেন কোন কাজে ছাড় না দেন। যখন তিনি চলে যাচ্ছিলেন তখন একটি কথা বলে গিয়েছিলেন। তখন নায়কের মা এবং বাবা নায়িকাকে বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা বলে। বলে সে এখন চলে যাচ্ছে সেই সময় তাকে কেন সালাম করেনি। এই ধরনের বিভিন্ন কথা নায়িকাকে বলতে থাকে। তখন নায়িকা বলে যে সে তো মুখে সালাম করেছে। তখন নায়কের মা বলে যে মুখে সালাম করলে হবে না, পা ছুয়ে সালাম করতে হবে। এরপর নায়িকা কিছুই করে না। তাকে শুধুমাত্র তারা বকাবকি করতে থাকে।
এরপর একদিন নায়কের বোনকে তার স্বামী এবং তার শাশুড়ি এসে বাসায় দিয়ে যায়। সে বলে যে এ কেমন স্ত্রী নিয়ে গিয়েছে সে, কোন ধরনের কাজ করতে পারে না, কোন কিছু সে করতে পারে না৷ সে অনেক কান্নাকাটি করতে থাকে। তখন নায়কের মাও কিছু বলতে পারেন না। তিনি সেখানে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকেন৷ তিনি বললেন যে তাকে সবকিছু শিখিয়ে দিলেই তো হতো। তখন তারা বলে যে তাকে একটি কাজ দেখালে সে কোনোভাবেই কিছু করতে পারে না। তখন নায়কের বোন বলে সে কাজ শিখতে চেয়েছিল। তবে তার মা তাকে মাথায় করে আগলে রেখেছে ৷
এই আগলে রাখার কারণে সে কিছু শিখতে পারেনি। যখন সে স্বামীর বাড়িতে গিয়েছে তখন কোন কিছু করতে না পেরে তার স্বামী এখন তাকে এখানে রেখে গিয়েছে। তখন নায়কের বোনের স্বামী বলে যে যখন সে সকল কাজ শিখে নিবে তখন সে তাকে বাসা থেকে নিয়ে যাবে। এরপর নায়কের মা তার নিজের ভুল বুঝতে পারে। তিনি বলেন যে তিনি নায়িকাকে অনেক কষ্ট দিয়েছে৷ কোনভাবে যেন নায়িকা এই কষ্টগুলো তার মনের মধ্যে না রাখে। সবকিছু ভুলে গিয়ে আবারো তার শাশুড়ির কাছে নায়িকা আসে। সেই সবকিছুই বুঝেছে এবং তাই জন্য সে এতদিন চুপচাপ ছিল। এবার এই নাটক শেষ হয়ে যায়।
আমার ব্যক্তিগত মতামত।
খুবই সুন্দর একটি নাটক ছিল এটি। যখন আমি নাটকটির নামটি দেখতে পাই তখনই ভেবেছিলাম নাটকটি কিরকম হবে৷ তবে যখন নাটকটি দেখে নিলাম তখন নাটক এর সৌন্দর্য বুঝতে পারলাম। আসলে এখানে বিসর্জন নাম ব্যবহার কারণে নাটকটি একেবারে সাফল্য অর্জন করেছে৷ কারণ এখানে শুধুমাত্র ত্যাগের কথাগুলোই ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল। যখন প্রথমে নায়ক এবং নায়িকার বিয়ে হয় এবং পরবর্তী সময় নায়ক সেক্রিফাইস করার কারণে সব কিছুই তার ভালোভাবে চলতে থাকে।
এর পরবর্তী সময় নায়িকাকে নায়কের মা বাবা বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা বলার পরেও সে চুপচাপ ছিল এবং সে সবকিছু সহ্য করে নিচ্ছিল। একইসাথে নায়কের খালা যেভাবে তার প্রতি অত্যাচার নির্যাতন করেছে সেই সব কিছুই চুপচাপ সহ্য করে নিয়েছে। শেষ পর্যন্ত যখন নায়কের বোনের বিয়ে হয়ে যাওয়ার পরে অন্য বাড়িতে চলে যায়, সে যখন সেখানে কোন ধরনের কাজ করতে না পেরে তাকে আবার এই বাসায় রেখে যাওয়া হয় তখনই নায়কের মা তার বিষয়টি বুঝতে পারেন।
তিনি বলেন যে তিনি তাকে এতদিন সুখে শান্তিতে রেখে কোনো কাজ শেখায়নি৷ নায়িকা এত কাজ করার পরেও তাকে এত ধরনের কষ্ট দিয়েছে৷ তিনি তার ভুল বুঝতে পারেন৷ নায়িকার কাছে তিনি ক্ষমা প্রার্থী হন। আসলে এরকম অনেক মানুষ আছে যারা শুধুমাত্র নিজের মেয়েকে অনেক আদর যত্ন করতে রাখেন। শেষ পর্যন্ত যখন নিজের মেয়েদেরকেই কষ্ট করতে হয় তখন সে বিষয়টি তারা বুঝতে পারেন।
| আমার ব্যক্তিগত মতামত অনুসারে নাটকের রেটিংঃ |
|---|
৯.৯/১০
সমাপ্ত
ধন্যবাদ জানিয়ে আজকের মত এখানে বিদায় নিচ্ছি।আগামিতে অন্য কোন নাটকের রিভিউ নিয়ে আবারও হাজির হবো।ভালো থাকবেন সবাই।আর কষ্ট করে রিভিউটি যারা পড়ছেন তাদেরকে মনের অন্তস্থল থেকে জানাই অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আজ আর নয়, আপনার নিকটতম এবং প্রিয়জনদের সাথে সুস্থ ও নিরাপদে থাকুন, নিজের যত্ন নিন। আপনার দিনটি শুভ হোক।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
ফোনের বিবরণ
| ক্যামেরা | স্যামসাং গ্যালাক্সি |
|---|---|
| ধরণ | নাটক রিভিউ । |
| অবস্থান | বাংলাদেশ |
আমি বাংলাদেশ থেকে ইমদাদ হোসেন নিভলু।আমার স্টিমিট আইডি হল @nevlu123।আমি আমার বাংলা ব্লগের একজন ভেরিফাইড মেম্বার।২০১৮ সালের জানুয়ারি মাস থেকে আমি স্টিমিট এ কাজ করি।আর এই প্লাটফর্মে জয়েন করি শখের বসে। আর সে থেকেই আজ অব্দি ভালোলাগা থেকেই কাজ করি।জাতিগতভাবে আমি মুসলিম। কিন্তু ভাষাগতভাবে আমি বাঙালি। কারণ আমি বাংলা ভাষায় কথা বলি।আমার সবচাইতে বড় শখ হচ্ছে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরাঘুরি করা।এ পর্যন্ত আমার তিনটি দেশ ভ্রমণ করা হয়েছে যদিও আরও ইচ্ছে রয়েছে অন্যান্য দেশ ভ্রমণ করার।যাইহোক শখের মধ্যে আরো রয়েছে গান,ভিডিও ইডিটিং, ফটোগ্রাফি, ভিডিওগ্রাফি,আর্ট এবং টুডি থ্রিডি ডিজাইন এর কাজ।


Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
ফারহানের এই নাটক টা এখনো আমার দেখা হয়নি। এনার নাটক কম বেশি দেখি ভালোই লাগে অভিনয়। খুব সুন্দর ভাবে প্রতিটি পয়েন্ট উপস্থাপন করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ।
অভিনেতা ফারহানের অভিনীত প্রায় সকল নাটকই আমার বেশ ভালো লাগে। এই নাটকটি আমার দেখা হয়েছে।এই নাটকে নায়িকা একটা কথা বলেছেন প্রত্যেকটি মেয়েই তার মায়ের রাজকন্যা হয় কথাটি আমার বেশ ভালো লেগেছে। আপনি আমাদের মাঝে নাটকটি দেখে আপনার অনুভূতি সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
বেশ কয়েকদিন আগে আমি বিসর্জন নাটকটা সম্পূর্ণ দেখেছিলাম। এই নাটকটা দেখে আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছিল। এই নাটকটার মধ্যে কিন্তু শিক্ষনীয় বিষয় রয়েছে যেটা সব মানুষকে শিক্ষা দেবে। বিশেষ করে এই নাটকের থেকে শাশুড়িদের শিক্ষা নেওয়া দরকার। এরকম অনেক শাশুড়ি রয়েছে যারা ছেলের বউদের সাথে এরকম ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু প্রত্যেকটা শাশুড়ির উচিত নিজের ছেলের বউকে নিজের মেয়ের মতো করে দেখা। খুব ভালো লাগলো আমার কাছে পুরো নাটকটার রিভিউ পড়তে।
বিসর্জন নাটকটার মধ্যে অনেক বড় শিক্ষনীয় ব্যাপার রয়েছে। বাস্তবিক বিষয় নিয়ে আমি মনে করি এই নাটকটা করা হয়েছে। বেশিরভাগ শাশুড়ি রা এরকম হয়ে থাকে। যারা কিনা নিজের ছেলের বউয়ের সাথে অনেক খারাপ ব্যবহার করে। তাদেরকে বিভিন্ন রকম কথাই বলতে থাকে। কিন্তু তাদেরকে অবশ্যই এটা বুঝতে হবে, তাদের নিজেদের মেয়েরাও কিন্তু অন্যের বাড়ির বউ। এই নাটকটাতেও ঠিক এরকম কিছুই হয়েছে। নায়িকার শাশুড়ি নিজের ভুল বুঝতে পেরেছে শেষ পর্যন্ত। কারণ নিজের মেয়েও এরকম কিছুর শিকার হয়েছে। এই নাটকটা আমি দেখেছিলাম আরো দুই তিন দিন আগে।
নাটকটি বেশ চমৎকার ও শিক্ষনীয়। যদিও একটু একটু করে দেখেছিলাম তবে পুরো নাটক দেখা হয়নি। খুব ভালো লাগলো নাটক রিভিউটি পড়ে। অনেক অনেক ধন্যবাদ আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ভাইয়া আপনি অনেক সুন্দর একটি নাটকের রিভিউ শেয়ার করছেন। মুশফিক আর ফারহানের অভিনয় গুলো আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে না।আপনার শেয়ার করা নাটকটি অনেক আগেই দেখেছি। খুবই সুন্দর একটি নাটক এটা। আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ নাটকের রিভিউ শেয়ার করার জন্য।
এই নাটকটি আমি গতকালকেই দেখেছি। আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছিল। একটি মেয়ে অনেক স্বপ্ন নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে যায়। কিন্তু যখন মেয়েটি শ্বশুরবাড়িতে নির্যাতিত হয় তখন খুবই খারাপ লাগে। আর তার স্বপ্নগুলো ভেঙ্গে যায়। সবমিলিয়ে নাটক রিভিউ পড়ে অনেক ভালো লেগেছে ভাইয়া।