আমাদের এলাকায় এই প্রথম বারের মত বন্যা দেখলাম।
আমার প্রিয় বন্ধুগন, সবাই কেমন আছেন? সবাইকে আমার আন্তরিক মোবারকবাদ এবং অন্তরের অন্তস্থল থেকে আপনাদেরকে জানাই শুভেচ্ছা।
| আমাদের এলাকায় এই প্রথম বারের মত বন্যা দেখলাম। |
|---|
বিগত ইতিহাসে আমি এমন বন্যা দেখিনি। সিলেটের বন্যা দেখেছিলাম টিভিতে। তবে আমাদের এদিকে এর আগে কোনোদিন এমন বন্যা হয়নি।আমাদের এলাকা অনেক উঁচু সাধারণত আমাদের আশে পাশের এলাকায় ও এমন বন্যা হয়নি।আর আশেপাশের এলাকার চাইতেও আমাদের এলাকা অনেক উঁচু।তবে এইবার সেই উঁচু এলাকায় বন্যা এটা আসলেই অনাকাঙ্ক্ষিত।
চারিদিকে মানুষের বাড়ি পানিতে ডুবে যাচ্ছে, সবাই যার যার প্রাণের বিটা ছেড়ে খুঁজে বেড়াচ্ছে নিরাপদ আশ্রয়।আমাদের গ্রাম যদিও এখনো ভালোই আছে তবে ধীরে ধীরে পানি বাড়ছে এটা চিন্তার বিষয়।আমাদের স্থানীয় বাজারে গেলে সেখানে কোন পানি নেই।পানি নেই বলতে বাজার এলাকাও অনেক উঁচু।আর চারিদিক থেকে মানুষ এসে আমাদের দাগনভূঞা বাজারে উঠছে।
বর্তমানে আমাদের মানবিক এক দল চারিদিকে ট্রাক্টর নিয়ে বন্যায় বিপদগ্রস্ত মানুষদের উদ্ধার করছে।আমাদের মানবিক দল ছাড়াও অনেক অনেক দল আছে যারা মানুষদের রক্ষা করতে চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।আবার একদল মানুষ আমাদের বাজারে মাইকিং করে বন্যাদূর্গত মানুষদের জন্য সবার কাছে সহযোগীতা চাচ্ছে।
সবাই যার যার মত করে সহযোগীতা করছে।আর আমাদের দাগনভূঞা বাজারে এই পর্যন্ত ৩০টার ও বেশি আশ্রয় কেন্দ্র খুলেছে।চারিদিক থেকে মানুষ সেখানে আশ্রয় নিচ্ছে।আর তাদের কে সাহায্য করার জন্যই মূলত আমাদের দাগনভূঞা বাজারের জিরো পয়েন্টে সবার থেকে টাকা উঠাচ্ছে।এটা ছাড়াও যার যার প্রেক্ষাপট থেকে খাওয়ার রান্না করে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যাচ্ছে মানুষকে খাওয়ানোর জন্য।
আমাদের এলাকায় পানি রোডে উঠেছে মাত্র।তবে পানি যদি আরো বাড়ে তখন রিস্ক জোন এ পরিনত হবে।তবে এখনো বাড়িতে পানি ডুকেনি,কিন্তু বৃষ্টি হলে রিস্ক একটু বেশি থাকবে।কারণ পানি তো বাংলাদেশে ডুকতেছে আবার সেগুলো অল্প অল্প করে সুইচ গেট দিয়ে সাগরে চলে যাচ্ছে।এখন যদি বৃষ্টি হয় তখন বিপদ আরো বেড়ে যাবে।
যাইহোক চারিদিকে মানুষদের কষ্ট দেখে খারাপ লাগছে।আবার বাজারে জিনিসপত্রের দামও বেড়ে যাচ্ছে।তবে এর মাঝেও কিছু ভালো মানুষ আছে যারা বন্যাদুর্গত মানুষদের জন্য কিছু টাকা কমে রাখছে।আবার কিছু অমানুষ আছে যারা আগের চাইতে বেশি টাকা নিচ্ছে।যাইহোক যার যার কর্মফল সে একদিন পাবে।
যাইহোক আজকে আর বেশি কথা বাড়াবো না।তবে সবার কাছে দোয়া কামনা করি।যাতে করে এই বিপদ থেকে সবাই মুক্তি পায়।আজকে আর কথা না বাড়িয়ে এখানেই বিদায় নিচ্ছি, আগামীতে আরো আপডেট নিয়ে আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।সবাই ভালো থাকবেন আর আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আজকে তাহলে এখানেই বিদায় নিচ্ছি সবাইকে ধন্যবাদ আল্লাহ হাফেজ।
তো বন্ধুরা এই ছিল আজকের ব্লগ যেটি আমার মত করে আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম। যদি ভালো লেগে থাকে অবশ্যই মন্তব্য করে জানাবেন।আর কষ্ট করে ব্লগটা যারা পড়েছেন তাদেরকে মনের অন্তস্থল থেকে জানাই অনেক অনেক ধন্যবাদ।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
ফোনের বিবরণ
| ক্যামেরা | স্যামসাং গ্যালাক্সি |
|---|---|
| ধরণ | জেনারেল রাইটিং। |
| ক্যামেরা.মডেল | এম ৩২ |
| ক্যাপচার | @nevlu123 |
| সম্পাদনা | রিসাইজ &সেচুরেশন। |
| অবস্থান | বাংলাদেশ |
আমি বাংলাদেশ থেকে ইমদাদ হোসেন নিভলু।আমার স্টিমিট আইডি হল @nevlu123।আমি আমার বাংলা ব্লগের একজন ভেরিফাইড মেম্বার।২০১৮ সালের জানুয়ারি মাস থেকে আমি স্টিমিট এ কাজ করি।আর এই প্লাটফর্মে জয়েন করি শখের বসে। আর সে থেকেই আজ অব্দি ভালোলাগা থেকেই কাজ করি।জাতিগতভাবে আমি মুসলিম। কিন্তু ভাষাগতভাবে আমি বাঙালি। কারণ আমি বাংলা ভাষায় কথা বলি।আমার সবচাইতে বড় শখ হচ্ছে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরাঘুরি করা।এ পর্যন্ত আমার তিনটি দেশ ভ্রমণ করা হয়েছে যদিও আরও ইচ্ছে রয়েছে অন্যান্য দেশ ভ্রমণ করার।যাইহোক শখের মধ্যে আরো রয়েছে গান,ভিডিও ইডিটিং, ফটোগ্রাফি, ভিডিওগ্রাফি,আর্ট এবং টুডি থ্রিডি ডিজাইন এর কাজ।


আপনাদের দিকের বন্যার পানি দেখে আমরা সবাই হতবম্ব। এত পানি জীবনে কেউ দেখে নাই। হঠাৎ বন্যার পানি আসার কারনে ক্ষয়ক্ষতিটা একটু বেশি হয়েছে। আশা করি কিছু দিনের মধ্যেই পানি কমে যাবে। ধন্যবাদ।
অনেক পানি ছিলো ভাই।।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
🙏💞🙏🙏💯
আপনাদের এলাকা উঁচু তার জন্য এ যাত্রায় বেঁচে গিয়েছেন। আশে পাশের সব জায়গায় তো পানি উঠেছে শুনলাম। অনেকের বাড়ি একতলা দোতলা ডুবে গিয়েছে সেই এই হিসেবে আপনাদের তেমন একটা পানি ওঠেনি। আসলে এই সময় সবাই যেভাবে সহযোগিতা করছে আশা করি বন্যা দুর্গতদের কষ্ট কিছুটা দূর হবে। এখন ঠিকমতো সবাই সাহায্য পেলেই হয়। দোয়া রইলো ভাইয়া আপনাদের জন্য।
হাহাহা।।।।ঠিক ঠিক।।।
অন্যান্য অঞ্চল থেকে আপনাদের এলাকাটা একটু নিরাপদে আছে জেনে ভালো লাগলো। আপনাদের এলাকা দিয়ে পানি কেবলমাত্র রাস্তা পর্যন্ত উঠেছে আল্লাহ ভালো করুক ওখান থেকেই পানি যেন নেমে যায়। এ বন্যার মধ্যে আপনারা নিরাপদে আছেন জেনে খুবই ভালো লাগলো। তবে সব থেকে ভালো লাগছে এটা জেনে যে বন্যা কবলিত মানুষদের পাশে অনেকেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে। আশা করছি এই সাহায্য পেয়ে তাদের কষ্টটা কিছুটা দূর হবে। আপনাদের জন্য সবসময় শুভকামনা রইল ভাইয়া।
জি আমরা অনেকটাই নিরাপদে ছিলাম।
ভাই আপনি আজকে আমাদের মাঝে আপনাদের এলাকার সময়োপযোগী একটি পোস্ট লিখে শেয়ার করেছেন। আপনি প্রথমবার দেখলেন আপনাদের এলাকায় এত বড় একটি বন্যা। আসলে এই বন্যায় দেশের মানুষের অনেক ক্ষতি হয়েছে। আপনাদের এলাকার মানুষ আশ্রয়স্থলে উঠে আসুক এবং নিরাপদ স্থানে থাকুক এটাই প্রত্যাশা করছি। আপনাদের বাড়িটা উঁচু স্থানে রয়েছে তাই এখনো পানি যেতে পারেনি। ধন্যবাদ ভাই আপনাদের এলাকার পরিচিতি জানিয়ে পোস্ট লিখে শেয়ার করার জন্য।
জি ভাই এটা আসলেই সময়োপযোগী একটি পোস্ট।
https://x.com/Nevlu123/status/1827615082752442592
বেশ নিউজে শুনতে পাচ্ছি আপনাদের এলাকার অবস্থা পরিবেশ পরিস্থিতি খুবই খারাপ ও ভয়াবহ। যেহেতু বন্যার পানি দ্রুত এসে এলাকার অনেক জায়গা গ্রাস করেছে। তাই অনেক মানুষ আজ ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি থেকেও নিজের বাড়িতে দাঁড়ানোর কায়দা নেই। আর তারই কিছুটা সম্মুখীন হয়েছেন আপনারা। দোয়া করি দ্রুত এই খারাপ পরিস্থিতি দূর হয়ে যাক আপনাদের এলাকা থেকে এবং সারাদেশ থেকে।
জি ভাই অনেক মানুষ আজ ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি থেকেও নিজের বাড়িতে দাঁড়ানোর কায়দা নেই।
খুব খারাপ পরিস্থিতি তাহলে তবে বৃষ্টি হলে তো বেশ সমস্যা হয়ে যাবে। একটু সাবধানে থাকবেন আপনারা। আর কিছু হলে জিনিসের দাম বেড়ে যায় এটা অত্যন্ত খারাপ কথা। সবাই দেখছি বেশ সহযোগিতা করে যাচ্ছে অনেক ভালো লাগলো সেই বিষয়টি শুনে।
জি আপু অনেকেই সহযোগিতা করে যাচ্ছে।
কি ভয়ংকর বন্যা পরিস্থিতিতে পড়েছেন ভাইয়া। কখন জল বেড়ে ঘরবাড়িতে উঠে যাবে তার কোন গ্যারান্টি নাই।টিভিতে বন্যা পরিস্থিতি দেখে খুব খারাপ লাগছে। সাবধানে থাকবেন ভাইয়া।পোস্ট টি ভাগ করে নেয়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
ভালো থাকবেন আপু।🎉
ভাইয়া আসলে আমার জীবনেও আমাদের এলাকাতে কখনো বন্যা দেখি নি। এই প্রথম ফেনী জেলায় দাগনভূঞা উপজেলাতে এই
ধরনের ভয়াবহ বন্যা হচ্ছে। আসলে বন্যার ভয়াবহতা খুবই ব্যাপক। সাধারণ মানুষ বন্যা কারণে বেশ ভোগান্তির মধ্যে পড়ছে। জনজীবন খুবই হুমকির মুখে পড়েছে। ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া পোস্টটি শেয়ার করার জন্য ।
অনেক ধন্যবাদ তোমাকে ভালো থেকো।