ফেনী রাজাঝির দিঘী,(লাল দিঘী) তে বড়শি দিয়ে মাছ ধরার প্রতিযোগিতা।
"আসসালামুআলাইকুম"
আমার প্রিয় বন্ধুগন, সবাই কেমন আছেন? সবাইকে আমার আন্তরিক মোবারকবাদ এবং অন্তরের অন্তস্থল থেকে আপনাদেরকে জানাই শুভেচ্ছা।
আশা করছি সবাই ভালো আছেন আমি আজকে আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করতে যাচ্ছি আমার দেখা একটি মাছ ধরার প্রতিযোগিতার বিষয় নিয়ে। আসলে এ ধরনের প্রতিযোগিতা অনেক জায়গাতে হয়ে থাকে। কিছুদিন আগে আমাদের ফেনীতে রাজাঝির দিঘী, যেটাকে বলা হয় লালদীঘি সেখানে গেলাম। সেই লালদীঘিতে মাছ ধরার প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।
এই প্রতিযোগিতাটি বছরে দুইবার করা হয়।এ প্রতিযোগিতায় অনেকগুলো গ্রুপ একসাথে অংশগ্রহণ করতে পারে। দিঘীটি চতুর্ভজ আকৃতির এবং পুরো চারদিকেই বাঁশ দিয়ে খুব সুন্দর করে বসার জন্য প্লেস বানিয়ে রাখা হয়েছিল। আমার যতদূর মনে হয় পুরো দিঘির চতুর কোণে টোটাল ৪০ থেকে ৪৫ টি গ্রুপ মাছ ধরতে বসেছে।
আর এক এক গ্রুপের মধ্যে ৫ থেকে ৬ জন করে বড়শি নিয়ে মাছ ধরার জন্য ফাঁদ পেতেছে। এ ধরনের প্রতিযোগিতা বিভিন্ন অঞ্চলে হয়ে থাকে। তবে এক্ষেত্রে বড় কোন দিঘি অথবা অনেক বড় কোন পুকুরে এ ধরনের প্রতিযোগিতা করা হয়। প্রতিযোগিতার আয়োজন করার আগেই মাছ ফেলে এবং মাছ বড় হওয়ার জন্য ছয় মাস সময় নেয়।
এই ছয় মাসের মধ্যে মাছ যতটুকু বড় হয় এবং আগের মাছ সহ এগুলোর মধ্যেই প্রতিযোগিতা চলতে থাকে।এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য এক একজনের টিকেট কেটে জায়গা নির্ধারণ করতে হয়। প্রতিটি টিকেট ১৩ থেকে ১৪ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়।আবার যে আগে টিকেট কাটবে তার জন্য তার পছন্দের প্লেস নির্ধারিত করা সহজ হয়।
আবার যারা পরে টিকেট কাটবে তারা অবশিষ্ট যে প্লেস রয়েছে সেখানেই মাছ ধরতে বসতে হয়। আবার এই প্রতিযোগিতার নিয়ম হচ্ছে যে টাকা আপনি টিকেট কাটার সময় দিয়েছেন সেটা আর ফিরে পাওয়ার কোন অপশন নেই। তবে এই ১৩ থেকে ১৪ হাজার টাকা খরচ করে আপনি যত মাছ পাবেন সবটাই আপনার। এক্ষেত্রে যদি আপনি কম মাছ পান সেটাও আপনার। আবার যদি অনেক বেশি মাছ পান সেটাও আপনার।এককথায় হচ্ছে লাভ লস দুটোই নিজে বহন করতে হবে।
অনেকে আছে ১৩ থেকে ১৪ হাজার টাকার টিকেট কিনে সে পঞ্চাশ হাজার টাকার মাছও ধরে ফেলছে। আবার কেউ কেউ সর্বোচ্চ তিন হাজার টাকার মাছ ধরতে পেরেছে। তবে এই প্রতিযোগিতায় যারা জয়েন করে তারা অবশ্যই মাছ ধরার পাগল রাই বটে। কারণ তাদের কাছে টাকা মুখ্য নয়। মুখ্য হচ্ছে মাছ ধরার নেশা।
যাইহোক আমি লালদীঘির পাড় দিয়ে হেটে যাচ্ছিলাম তখন দেখতে পেলাম প্রতিযোগিতা চলতেছিল।তখন কিছু ফটোগ্রাফি করলাম।আর ভাবলাম আপনাদের মাঝে তুলে ধরি।তাই আজকে এই পোস্টটি তৈরি করা।আশা করছি আপনাদের ভালো লেগেছে। আর আপনাদের এলাকায়ও যদি এরকম কোন আয়োজন করা হয় সেটা অবশ্য মন্তব্যে জানাতে পারবেন। কষ্ট করে ব্লগটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
তো বন্ধুরা আজকে এতোটুকুই আশা করি সামনে আরও ভিন্ন কিছু নিয়ে আপনাদের সাথে হাজির হবো। আর যদি কোন ভুল ত্রুটি থাকে সেটা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।এই বলে আজকের মত এখানেই বিদায় নিলাম।
আজ আর নয়, আপনার নিকটতম এবং প্রিয়জনের সাথে নিরাপদে থাকুন, নিজের যত্ন নিন। আপনার দিনটি শুভ হোক

VOTE @bangla.witness as witness
OR
আমি বাংলাদেশ থেকে ইমদাদ হোসেন নিভলু।আমার স্টিমিট আইডি হল @nevlu123।আর Nevlu123 নামে আমার একটি ডিসকোর্ড অ্যাকাউন্ট আছে।বর্তমানে আমার তিনটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে, আর সেই তিনটি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি আমি স্টিমিট এ কাজ করি।জাতিগতভাবে আমি মুসলিম। কিন্তু ভাষাগতভাবে আমি বাঙালি। কারণ আমি বাংলা ভাষায় কথা বলি, তাই ভাষাগতভাবে আমি বাঙালি।আমার সবচাইতে বড় শখ হচ্ছে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরাঘুরি করা।এ পর্যন্ত আমার তিনটি দেশ ভ্রমণ করা হয়েছে যদিও আরও ইচ্ছে রয়েছে অন্যান্য দেশ ভ্রমণ করার।যাইহোক শখের মধ্যে আরো রয়েছে গান,ভিডিও ইডিটিং ফটোগ্রাফি, ভিডিওগ্রাফি আর্ট এবং টুডি থ্রিডি ডিজাইন এর কাজ।
ফোনের বিবরণ
| ক্যামেরা | স্যামসাং গ্যালাক্সি |
|---|---|
| ধরণ | মাছ ধরার প্রতিযোগিতা |
| ক্যামেরা.মডেল | এম ৩২ |
| ক্যাপচার | @nevlu123 |
| সম্পাদনা | রিসাইজ &সেচুরেশন। |
| অবস্থান | বাংলাদেশ |
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
এভাবেই সাপোর্ট কামনা করছি। 💐
https://twitter.com/Nevlu123/status/1691636840355512678?s=20
লাল দিঘিতে মাছ ধরার অনুভূতি বেশ ভালোই মজা করেছেন আপনি আমাদের এদিকেও এমন মাছ ধরার প্রতিযোগিতা করা হয়।পুরো বিষয়টি খুব সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন শুভ কামনা রইলো।
আপনার ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো ধন্যবাদ।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
সাপোর্ট করার জন্য ধন্যবাদ।, 💐❤
💐🙏🙏❤❤,
বেশ ভালো তো টিকেট কেটে প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ। আবার মাছ ধরে কেউ পঞ্চাশ হাজার টাকা কামায় আবার কেউ কামায় না। আরে সখের তোলা আশি টাকা। তবে লালদিঘীর নাম কিন্তু এর আগেও শুনেছি। তবে আপনাদের লাল দীঘি কিন্তু দেখতে বেশ দারুন। মনোরম প্রকৃতি সমৃদ্ধ।
জি আপু ঠিক সখের তোলা আশি টাকা।
প্রতিটি টিকেট ১৩ থেকে ১৪ হাজার টাকা শুনেই অবাক হলাম।এমন প্রতিযোগিতা সম্পর্কে জেনে বেশ মজা লাগলো, কেননা মাছ ধরা একটা মজার প্রতিযোগিতা।একই গ্রূপে 5 থেকে 6 জন হওয়াতে তাদের কিছুটা লাভ লসের বহন কম করে হয়।নতুন বিষয় জেনে ভালো লাগলো, ধন্যবাদ ভাইয়া।
জি আপু একই গ্রূপে 5 থেকে 6 জন হওয়াতে তাদের কিছুটা লাভ লসের বহন কম করে হয়।
আসলে টিকিট কেটে মাছ মারার মজাই আলাদা। যদিও অনেক দাম দিয়ে টিকিট কাটতে হয় তবে সেখানে কেউ অনেক লাভবান হয় আবার অনেকেই লসে পড়ে যায়। তবে মোটকথা হল বাছ ধরার আনন্দ।
টিকিট কেটে লালদীঘিতে বাস ধরার অসম্ভব আনন্দঘন মুহূর্তগুলো আমাদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে দেওয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
জি ঠিক ভাই💐❤
ভাইয়া এমন প্রতিযোগিতার কথা প্রায় শোনা যায়। তবে ১৩/১৪ হাজার টাকা দিয়ে কয়দিন মাছ ধরতে পারে সেটা জানতে পারলাম না। শুধু কি একদিন না কি কয়েকদিন। ধন্যবাদ ভাইয়া।
খুব সুন্দর প্রশ্ন করেছেন ভাই। আসলে তিন দিনের জন্যই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। আর তিন দিনের মধ্যেই এই ১৪ হাজার টাকার মতো এন্ট্রি ফি নেয়।