ভ্রমণ : চট্টগ্রাম পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে যাওয়ার মুহূর্ত।
Abb 19 মার্চ 2024 বুধবার
আসসালামু আলাইকুম" সবাই কেমন আছেন? আশা করি আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের সবাই ভাল আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো সুস্থ আছি। আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করে নতুন ব্লগ শুরু করলাম। আজ আমি আপনাদের মাঝে ভ্রমণ করার একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম। প্রায় সময় বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যেতে আমার ভীষণ ভালো লাগে। আজ ও আমি একটি জায়গায় ঘুরতে গিয়েছি। মাঝে মাঝে ঘুরতে গেলে মন এবং শরীর দুটোই ভালো থাকে। আশা করি আপনাদের সবার অনেক বেশি ভালো লাগবে।
অনেক বছর আগ থেকেই আমার সমুদ্র খুব প্রিয়। তার সাথে পাহাড় দেখতেও ভীষণ ভালো লাগে। তাই জন্য যখনই সময় পাই আমি সাগর দেখতে চলে যায়। সাগরের কাছে বসে সময় কাটাতে অনেক বেশি ভালো লাগে। যার কারণে আশেপাশে যত ছোট নদী আছে সবগুলোতেই সময় কাটাতে চলে যায়। বিশেষ করে যখন মন খারাপ থাকে তখন। কিন্তু কিছুদিন পূর্বে গিয়েছিলাম চট্টগ্রাম পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে।
গিয়েছিলাম আমরা প্রায় ১৩-১৪ জন। আসলে পরিবারের সবাইকে নিয়ে একসাথে কোথাও ঘুরতে গেলে ভীষণ ভালো লাগে। সেই মুহূর্ত টাই ঐদিন বুঝেছিলাম। এর আগেও আমি প্রায় জায়গায় পরিবারের সবাইকে নিয়ে গিয়েছে। ওদের অনেক বেশি মজা করেছিলাম আমরা ঘাটের মধ্যে। এবং সমুদ্র সৈকতে বসেও অনেক মজা করেছিলাম। এই মুহূর্তগুলো কখনো ভোলার নয়।
বিশেষ করে পতেঙ্গার সমুদ্র সৈকতে বসে যখন সোনিয়া আর্ট করেছিল পাথরের উপর ওই মুহূর্ত টাই সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছিল। চারপাশ থেকে মানুষের মধ্য দিয়ে পাথরের উপর আর্ট, এর মুহূর্ত আমার অনেক বেশি ভালো লাগলো। আর্ট শেষ করার পর আমরা সমুদ্রের পাড়ে অনেকক্ষণ হেঁটেছিলাম। দুজনে খুব সুন্দর সময় কাটিয়েছি।
আমরা যখন গাড়ি থেকে নেমেছি দুইজনেই আলাদা হয়ে গিয়েছিলাম। প্রথমে গিয়ে আর্ট করেছিলাম। এরপর সবাই বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতেছিল। আর আমরা আর্ট শেষ করেও কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করলাম। আসলে নদীর পাড়ে বসে নদীর দিকে তাকিয়ে থাকলে অনেক বেশি ভালো লাগে। বিশেষ করে সমুদ্রের ঢেউ আমার অনেক বেশি পছন্দের। যার কারণে প্রত্যেক বছরই আমি কক্সবাজার যাওয়ার চেষ্টা করতাম। এবছরের শুধু যাওয়া হলো না।
ঈদের পরপরই যাওয়ার খুব ইচ্ছা আছে। পরিবারের সবাইকে নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন টা শেষ করার ইচ্ছা আছে। পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের পাথরগুলো আমার অনেক বেশি প্রিয়। কারণ বিভিন্ন ডিজাইনের পাথর পাওয়া যায়। যে কয়েকটি পাথর যদি নিয়ে যাওয়া যেত, তাহলে আমরা বাড়িতে বসে সেগুলোতে আর্ট করতে পারতাম।
সোনিয়া বলল ঠিক বলেছেন। কিন্তু নেওয়া সম্ভব নয়। এরপরেও আমি কয়েকটি ছোট পাথর খুঁজেছিলাম। মোটামুটি চার পাঁচ ইঞ্চি হয় এমন। কিন্তু এখানে ছোট পাথর ছিল না সবগুলো পাথরে বড় বড়। আর মাঝারি সাইজের পাথরও রয়েছে। কিন্তু সেগুলো আনা কখনোই সম্ভব নয়। আমরা কয়েক বছর আগে ফেনী মুহুরী প্রজেক্ট নামে একটি জায়গা থেকে, অনেকগুলো পাথর এনেছিলাম। সেগুলো দিয়ে অনেকদিন পর্যন্ত আর্ট করেছিল সোনিয়া।
চট্টগ্রাম পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে পাথরের সাথে সমুদ্রটাও অনেক বেশি সুন্দর। এযাবৎ কমপক্ষে তো আমি ২৫-৩০ বার গিয়েছিলাম চট্টগ্রাম পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম কলেজ জীবনে সবচেয়ে বেশি যাওয়া হতো। যখনই মন খারাপ থাকতো তখনই যাওয়ার চেষ্টা করতাম। সেই থেকে আমার সমুদ্র অনেক বেশি প্রিয়। সমুদ্র যেন ঢেউয়ের মাঝ দিয়ে মানুষের সাথে কথা বলে।
সে বিষয়টা আমার সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে। সমুদ্রের মুহূর্তটা কেমন লেগেছে তা অবশ্যই বলবেন। পরবর্তীতে যাচ্ছি অন্য আরেকটি জায়গায়। কিছুদিন ঘুরাঘুরি করেছিলাম। রোজার জন্য এখন কোথাও বের হতে পারছি না। এরপরেও কয়েকটি জায়গায় যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। আশা করি আপনাদের সবার অনেক বেশি ভালো লাগবে আজকের এই সুন্দর মুহূর্তটা।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেণী | ভ্রমণ |
|---|---|
| ক্যামেরা | Samsung S23 Ultra |
| পোস্ট তৈরি | narocky71 |
| লোকেশন | বাংলাদেশ |
নিজেকে নিয়ে কিছু কথা
আমার নাম নুরুল আলম রকি। আমার steemit I'd narocky71। আমি বাংলাদেশী নাগরিক । বাংলাদেশে বসবাস করি। তার সাথে সাথে আমি বিশ্বনাগরিক। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলি। বাংলা ভাষায় মনের ভাব প্রকাশ করি। আমি বাংলা ভাষাকে ভালবাসি। আমি ফটোগ্রাফি করতে ও ছবি আঁকতে ভালোবাসি। বিশেষ করে জল রং দিয়ে পেইন্টিং করতে পছন্দ করি। এছাড়াও আমি ভ্রমণ করতে পছন্দ করি। যখনই আমার সময় এবং হাতে টাকা থাকে তখন ভ্রমণ করতে বেরিয়ে পড়ি। বিশেষ করে আমি ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি করতে পছন্দ করি। আমি অনেক বছর আগ থেকে ফটোগ্রাফি করে থাকি। কিন্তু বিশেষ করে ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি বেশি করা হয়। বর্তমানে তার সাথে আর্ট করতে অনেক ভালোবাসি। বর্তমানে আমি বেশি সময় কাটাই আর্ট শিখতে। বর্তমানে আমার স্বপ্ন, আমি একজন ভালো ফটোগ্রাফার, ও একজন ভালো আর্টিস্ট হব। ( ফি আমানিল্লাহ)
VOTE @bangla.witness as witness
OR
SET @rme as your proxy

সেদিন চট্টগ্রাম পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে গিয়ে অনেক ভালো লাগলো।তবে প্রচুর রোদ ছিল তাই ঘুরাঘুরি তেমন একটা জমে উঠেনি। সর্বোপরি ঘুরতে ভালো লেগেছিল তবে নিভৃত অসুস্থ থাকার কারণে মনের দিক থেকে ভালো লাগেনি।ধন্যবাদ সবার মাঝে শেয়ার করার জন্য।
হ্যাঁ ভাইয়া রোদের কারণে ঘুরাঘুরি টা তেমন জমে নিই। নিভৃতের কারণে আমার কাছে খুব খারাপ লেগেছিল। সুন্দর মন্তব্যটা পেয়ে খুব ভালো লাগলো।
https://twitter.com/NARocky4/status/1769955108542947384?t=y6WgYUe9kilIyTpfwCHGHw&s=19
পাহাড় ও নদী আপনার খুবই ভালো লাগে। আর আপনি ভ্রমণ প্রিয় মানুষ মযার কারণে ভ্রমণ আপনার অনেক বেশি ভালো লাগে। চট্টগ্রাম পতেঙ্গা সৈকতে আপনারা ১৩-১৪ জন গিয়েছিলেন। আসলে পরিবারের সকলের সাথে ভ্রমণ করার মজাটাই অন্যরকম। সেখানে গিয়ে দারুন কিছু মুহূর্ত উপভোগ করেছেন। আর সেই মুহূর্তগুলো আমাদের সমাজে শেয়ার করলেন। ফটোগ্রাফি গুলো অসাধারণ হয়েছে।
হ্যাঁ আমরা ১৩ থেকে ১৪ জন গিয়েছিলাম। আর খুবই ভালো সময় অতিবাহিত করেছিলাম।
যদিও আমার কখনও পতেঙ্গা ব্রীজে যাওয়া হয়নি। তবে আপনার আজকের ট্রাভেল পোস্টের আনন্দ ঘন মূহূর্ত দেখে তো বেশ মন চাইছে একবার ঘুরে আসতে। তবে ভাবছি যেখানে আমি একবারও যেতে পারিনি সেখানে আপনি ২৫-৩০ বার ঘুরে আসলেন। বেশ দারুন তো। কপালও বটে। যাক বেশ ভালো সময় কাটিয়েছেন এটাই অনেক। ধন্যবাদ সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
কখনো যদি পারেন অবশ্যই পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে গিয়ে ঘুরে আসবেন। আশা করছি ভালো সময় কাটাতে পারবেন।
চট্টগ্রাম পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে আপনি পরিবার সহ খুবই আনন্দপুূর্ণ কিছু মুহূর্ত উপভোগ করেছেন পোস্ট দেখেই বোঝা যাচ্ছে ভাইয়া। পরিবার সহ এরকম জায়গাগুলোতে গেলে অনেক বেশি ভালো লাগে। আর সোনিয়া আপু সেখানে গিয়ে আর্ট করছিল। আসলে এরকম জায়গাগুলোতে বসে আর্ট করতে অনেক বেশি ভালো লাগে। চট্টগ্রাম পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে আপনি ২৫ থেকে ৩০ বার গিয়েছিলেন এটা শুনে আমি তো অবাক হয়ে গেলাম। যাই হোক আপনার আজকে ভ্রমন পোস্টটি আমার কাছে মোটামুটি ভালো লেগেছে ভাইয়া। আপনার পরবর্তী ঘুরতে যাওয়া জায়গার পোস্ট এর অপেক্ষায় রইলাম।
হ্যাঁ চট্টগ্রাম সমুদ্র সৈকতে গিয়ে ভালো মুহূর্ত উপভোগ করেছিলাম। আসলে আমি কলেজ জীবনে যেহেতু চট্টগ্রামে ছিলাম, তাই মন খারাপ হলেই সেখানে চলে যেতাম। তাই এতবার গিয়েছিলাম সেখানে।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া পরিবারের সবাই মিলে ঘুরতে গেলে ভালোই লাগে।পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে বেশ সুন্দর একটি সময় কাটিয়েছেন আপনি ভালো লাগলো ফটোগ্রাফি এবং আপনার অনুভূতি গুলো পড়ে।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
হ্যাঁ আপু ফ্যামিলির সবাইকে নিয়ে ঘুরতে খুব ভালো লাগে। তাই সবাইকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার চেষ্টা করি মাঝে মাঝে।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
সমুদ্র আমার ভীষণ পছন্দের একটি জায়গা। চট্টগ্রামের এই পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে আমিও বেশ কয়েকবার গিয়েছি। তবে আমার মনে হয় দিন দিন এই পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্য কমে যাচ্ছে। আগে এই জায়গাটা বেশ সুন্দর ছিল তবে এখন তেমন একটা নেই। আপনাদের কাটানো মুহূর্তগুলো দেখে ভালো লাগলো। আমাদের মাঝে মুহূর্তগুলো শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আপনিও চট্টগ্রাম সমুদ্র সৈকতে কয়েকবার গিয়েছিলেন শুনে ভালো লেগেছে।
আমার কাছে পাহাড়ের তুলনায় সমুদ্র সৈকত বেশি ভালো লাগে। সমুদ্র সৈকতে সময় কাটানোর মজাই আলাদা। তাইতো অনেক আগে থেকেই প্রতিবছর কক্সবাজার যাওয়ার চেষ্টা করে থাকি। যাইহোক চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে কখনো যাওয়া হয়নি। তবে সময় পেলে অবশ্যই যাওয়ার চেষ্টা করবো। আপনারা সেখানে গিয়ে বেশ ভালো সময় কাটিয়েছেন। ফটোগ্রাফি গুলো দেখে ভীষণ ভালো লাগলো। যাইহোক এতো সুন্দর মুহূর্ত আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে খুব ভালো লাগে আর সবাই মিলে ঘুরতে আরও বেশি ভালো লাগে। খুবই ভালো সময় অতিবাহিত করেছি পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে।
চট্টগ্রাম পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে গিয়ে আমার কাছেও খুব ভালো লেগেছিল। বিশেষ করে ফ্যামিলির সবাইকে নিয়ে যাওয়ার কারণে খুব ভালো সময় অতিবাহিত করেছিলাম। ওই দিনের সব থেকে বেশি স্পেশাল মুহূর্তটা ছিল, সমুদ্রের পাড়ে বসে পাথরের উপর পেইন্টিং করাটা। সেই মুহূর্তটার কথা এখনো মনে পড়লে খুব ভালো লাগে। সমুদ্র আমিও খুবই পছন্দ করি। সমুদ্রের মাঝে ঘুরতে গেলে মনটা একেবারে ভালো হয়ে যায়। তুমি অনেক সুন্দর করে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে ঘুরাঘুরি করার মুহূর্তটা সবার মাঝে শেয়ার করেছো। সুন্দর করে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
হ্যাঁ পাথরে পেইন্টিং করার মুহূর্তটা সত্যি বেশি স্পেশাল ছিল। আর ওই মুহূর্তের কথা মনে পড়লে আমার নিজের কাছেও ভালো লাগছে। তোমার পুরো মন্তব্যটা পেয়ে অসম্ভব ভালো লেগেছে আমার কাছে।