রেসিপি পোস্ট || 🍲ফুলকপি, শিম এবং আলু দিয়ে কাতলা মাছের ঝোল রেসিপি🍲
আসসালামু আলাইকুম,
আমার বাংলা ব্লগের সকল বন্ধুরা ,আপনারা সবাই কেমন আছেন ? আশা করি সবাই খুব ভালো আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর রহমতে খুব ভালো আছি।
প্রতিদিনের মতো আজকেও আমি আপনাদের সামনে আরো একটি নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। আজকে আমি আপনাদের সাথে একটি রেসিপি পোস্ট শেয়ার করবো। আপনারা অনেকেই জানেন যে, আমি মাঝে মধ্যে বাসায় বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করে থাকি। তবে বেশিরভাগ সময় আমি চিংড়ি মাছ এবং ইলিশ মাছের রেসিপি তৈরি করে থাকি। কারণ এই দুটি মাছ আমার খুব প্রিয়। তবে মাঝে মধ্যে চেষ্টা করি ভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করে আপনাদের সাথে শেয়ার করতে। যাইহোক আমি ফুলকপি, শিম এবং আলু দিয়ে কাতলা মাছের ঝোল রেসিপি তৈরি করেছিলাম। শীতকালীন সবজি এই সিজনে খেতেও দারুণ লেগেছিল। রেসিপিটা একটু ঝাল ঝাল করে তৈরি করেছিলাম। কারণ ঝাল আমার খুব পছন্দ। সবমিলিয়ে রেসিপিটা খেতে সত্যিই খুব সুস্বাদু হয়েছিল। এই গরমে ঝোল ঝোল রেসিপি খেতে দারুণ লাগে। আপনারা চাইলে এই রেসিপিটা বাসায় তৈরি করে খেতে পারেন। যাইহোক রেসিপিটা আমি ধাপে ধাপে আপনাদের সাথে শেয়ার করতে যাচ্ছি। আশা করি আপনাদের কাছে খুব ভালো লাগবে।
ফুলকপি, শিম এবং আলু দিয়ে কাতলা মাছের ঝোল রেসিপি
| উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|
| কাতলা মাছ | ৫ পিস |
| ফুলকপি | ২ টি |
| শিম | ৫/৬ টি |
| আলু | ১০০ গ্রাম |
| টমেটো | ২ টা |
| পেঁয়াজ | ৩টা |
| কাঁচামরিচ | ৬টা |
| ধনিয়া পাতা | পরিমাণ মতো |
| হলুদের গুঁড়া | পরিমাণ মতো |
| মরিচের গুঁড়া | পরিমাণ মতো |
| জিরার গুঁড়া | পরিমাণ মতো |
| ধনিয়ার গুঁড়া | পরিমাণ মতো |
| আদা রসুন বাটা | পরিমাণ মতো |
| লবণ | পরিমাণ মতো |
| সরিষার তেল | পরিমাণ মতো |
🍲প্রথম ধাপ🍲
প্রথমে কাতলা মাছের টুকরো গুলোর মধ্যে পরিমাণ মতো হলুদ মরিচের গুঁড়া এবং লবণ দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে নিলাম। তারপর সরিষার তেল দিয়ে ভালোভাবে ভেজে নিলাম।
🍲দ্বিতীয় ধাপ🍲
তারপর একটি কড়াইয়ে পরিমাণ মতো সরিষার তেল ঢেলে দিলাম। তেল একটু গরম হওয়ার পর আগে থেকে কেটে রাখা পেঁয়াজ কুঁচি এবং কাঁচামরিচ গুলো দিয়ে দিলাম।
🍲তৃতীয় ধাপ🍲
পেঁয়াজ হালকা বাদামি কালার হওয়ার পর পরিমাণ মতো হলুদ মরিচের গুঁড়া,আদা রসুন বাটা, লবণ, ধনিয়ার গুঁড়া এবং জিরার গুঁড়া দিয়ে দিলাম। এরপর মসলা গুলো ভালোভাবে কষিয়ে নিবো।
🍲চতুর্থ ধাপ🍲
মসলা গুলো কষানো হয়ে গেলে আগে থেকে কেটে রাখা ফুলকপি, শিম এবং আলু গুলো দিয়ে দিলাম। সবজি গুলো মসলা গুলোর সাথে ভালোভাবে কষিয়ে নিব।
🍲পঞ্চম ধাপ🍲
কষানো হয়ে গেলে পরিমাণ মতো পানি দিয়ে দিলাম। তারপর ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিব কিছুক্ষণের জন্য।
🍲ষষ্ঠ ধাপ🍲
একটু পর দেখলাম পানিতে বলক চলে এসেছে। তারপর ভেজে রাখা কাতলা মাছের টুকরো গুলো দিয়ে দিলাম। একটু পর আগে থেকে কেটে রাখা টমেটো গুলো দিয়ে, আবারো ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিব ৫/৬ মিনিটের জন্য।
🍲সপ্তম ধাপ🍲
একটু পর দেখলাম ঝোল অনেকটা শুকিয়ে গিয়েছে। এরপর চুলা বন্ধ করে দিলাম। আর এভাবেই রেসিপিটা তৈরি করে ফেললাম।
🍲পরিবেশন🍲
পোস্টের বিবরণ
| ক্যাটাগরি | রেসিপি |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @mohinahmed |
| ডিভাইস | Samsung Galaxy Note 20 Ultra 5g |
| তারিখ | ২৮.৯.২০২৩ |
| লোকেশন | নারায়ণগঞ্জ,ঢাকা,বাংলাদেশ |
বন্ধুরা আজকে এই পর্যন্তই। আপনাদের কাছে পোস্টটি কেমন লাগলো, তা কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আবারো ইনশাআল্লাহ দেখা হবে অন্য কোনো পোস্টে। সেই পর্যন্ত ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।
পোস্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমার পরিচয়
🥀🌹আমি মহিন আহমেদ। আমি ঢাকা বিভাগের নারায়ণগঞ্জ জেলায় বসবাস করি এবং আমি বিবাহিত। আমি দক্ষিণ কোরিয়াতে দীর্ঘদিন ছিলাম এবং বর্তমানে বাংলাদেশে রেন্ট-এ- কার ব্যবসায় নিয়োজিত আছি। আমি ভ্রমণ করতে খুব পছন্দ করি। তাছাড়া ফটোগ্রাফি এবং আর্ট করতেও ভীষণ পছন্দ করি। আমি স্টিমিটকে খুব ভালোবাসি এবং লাইফটাইম স্টিমিটে কাজ করতে চাই। সর্বোপরি আমি সবসময় আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে আন্তরিকতার সহিত কাজ করতে ইচ্ছুক।🥀🌹
আপনি তো দেখছি আজকে শীতের সবজির রেসিপি নিয়ে হাজির হয়েছেন। শীতের সময় এভাবে ফুলকপি শিম এবং আলু দিয়ে কাতলা মাছের ঝোল রেসিপি তৈরি করে খেতে খুব ভালো লাগে। আপনার রেসিপিটা দেখেই বুঝতে পারছি এটা অনেক বেশি সুস্বাদু হয়েছিল। আর আপনার রেসিপিটা দেখে অনেক লোভনীয় লাগছে। রেসিপি তৈরি করার পদ্ধতি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
শীতকালীন সবজি এখন প্রায়ই বাজারে দেখা যায় আপু। তাই ভাবলাম খেয়ে দেখি কেমন লাগে। তবে খেতে খুব সুস্বাদু লেগেছিল আপু। যাইহোক সুন্দর ও সাবলীল ভাষায় মন্তব্য করার জন্য আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
খুবই মজাদার রেসিপি শেয়ার করলেন। ফুলকপি সিম ও আলু দিয়ে এত মজাদার রেসিপি ধাপে ধাপে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।রেসিপি পরিবেশন দেখেই বোঝা যাচ্ছে অনেক সুস্বাদু হয়েছিলো।
হ্যাঁ ভাই আপনি ঠিক বলেছেন, রেসিপিটা খেতে খুব সুস্বাদু হয়েছিল। যাইহোক রেসিপিটা দেখে এতো সুন্দর মন্তব্য করার জন্য আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
ভাইয়া আপনি আজকে খুব দারুণ একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। ফুলকপি এবং শিম আমার খুব ফেভারিট সবজি। রেসিপি কালার কম্বিনেশন এবং রান্নার প্রত্যেকটি ধাপ অনেক সুন্দর হয়েছে। আর দেখতে অনেক লোভনীয় দেখাচ্ছে। এত সুন্দর করে আমাদের মাঝে রুই মাছ দিয়ে ফুলকপি ও শিম রেসিপি রান্না করে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আপু আপনার মতো আমারও ফুলকপি এবং শিম খুবই প্রিয়। যাইহোক রেসিপিটা দেখে এমন প্রশংসনীয় মন্তব্য করার জন্য আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
মজাদার রেসিপি শেয়ার করছেন আপনি। শীতের সবজির মধ্যে ফুলকপি এবং সিম দুটোই আমার বেশ পছন্দের। আর এভাবে মাছ এবং আলু দিয়ে রান্না করলে তো কথাই নেই। আপনার রেসিপিটি দেখে লোভনীয় লাগছে। তৈরি করার প্রতিটি ধাপ খুব সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে দেখিয়েছেন। মজাদার একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
ঠিক বলেছেন আপু, এই সবজি গুলো মাছ এবং আলু দিয়ে রান্না করলে খেতে দারুণ লাগে। যাইহোক এভাবে সাপোর্ট করার জন্য আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
Twitter Link
এভাবে সব্জি দিয়ে মাছ রান্না করলে খেতে বেশ মজা লাগে। আপনি শীতের সকল সব্জি দিয়ে বেশ মজাদার একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন। রেসিপির রংটি দেখে মনে হচ্ছে খেতে বেশ মজা হয়েছি। বেশ মজা করেই খেয়েছেন । মজাদার রেসিপিটি তৈরি ধাপে ধাপে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
হ্যাঁ আপু রেসিপিটা খুব মজা করে খেয়েছি। যাইহোক গুছিয়ে মন্তব্য করার জন্য আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
শীত আসতে না আসতে আপনি শীতের সবজি দিয়ে দারুণ একটা রেসিপি শেয়ার করেছেন। রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে অনেক সুস্বাদু হয়েছে। সত্যি ইলিশ আর চিংড়ি মাছের পরেই কাতলা মাছের অবস্থান। আপনার রেসিপির কালারটা দারুণ এসেছে। ধন্যবাদ আপনাকে সুস্বাদু একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
শীতকালীন সবজি আমার খুব পছন্দ আপু। তাইতো এই সিজনেও এই সবজি গুলো খেয়ে দেখলাম। যাইহোক গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।