রিভিউ। মামার চটপটি ফুচকা।।
মনে হচ্ছে জ্বর আসবে। শরীরে গরম গরম অনুভব হচ্ছে। আজ সর্দি ভাব আছে। কয়েকবার হাঁচি ও দিয়েছি। আমার হাঁচি আসা মানে নিশ্চিত জ্বর আসা অথবা ঠান্ডা লাগা। আসলে এই ঠান্ডা লাগার পেছনে ছোট একটি ঘটনা আছে। সেদিন অফিস থেকে ফেরার পথে রাস্তায় ঝুম বৃষ্টি নেমেছিল। বৃষ্টি হবে আগে থেকে কোন আলামত পাইনি তাই অফিস যাওয়ার সময় কোন ছাতা নেইনি। বাসায় ফেরার পথে ঝুম বৃষ্টিতে একদম ভিজে গেলাম। তারপর কি মনে করে আর কোথাও না দাড়িয়ে ভাবলাম যেহেতু ভিজেই গেলাম সেহেতু আজ ভিজে হেঁটে বাসায় যাব। যেই ভাবা সেই কাজ। খুব ভালো লাগছিল প্রচন্ড গরমের মধ্যে এই ঠান্ডা বৃষ্টি। বাসায় ফেরার পর ঝর্নার নিচে অনেকক্ষণ ছিলাম মাথা এবং শরীর থেকে বৃষ্টির পানি মুছে যাওয়ার জন্য। ভেবেছিলাম হয়ত রাতে জ্বর বা ঠান্ডা লেগে যাবে। কিন্তু রাতে বা পরদিন কিছুই হয়নি। আজ দুদিন পর এসে হাঁচি দিচ্ছি এবং সর্দি অনুভব করছি। মনে হচ্ছে বৃষ্টিতে ভেজার পরিণাম এটা। যাই হোক আমি আসলে আজ আপনাদের সাথে ফুচকা চটপটি দই বড়া খাওয়ার মজার কিছু মুহূর্ত এবং খাবার এর ছবি শেয়ার করতে এসেছি।
আপনারা অনেকেই জানেন শক্রবার আমি পরিবার নিয়ে বের হই সেটা হোক কাছে বা দূরে, দামী কোন জায়গা বা একদম সাদামাটা কোন জায়গা। সেদিন গিয়েছিলাম ফুচকা চটপটি খেতে ওয়ারীর বিখ্যাত মামার চটপটি ফুচকা দোকানে। বাসা থেকে বের হয়ে রিকশা নিয়ে সোজা চলে গেলাম মামার চটপটি ফুচকা এর দোকানে। ঢুকে মন ভালো হয়ে গেল কারণ কোন মানুষ নেই। আসলে এই চটপটি দোকানে মানুষের প্রচন্ড ভীড় লেগে থাকে। আমরা গিয়েছি একটু দেরিতে তাই হয়ত মানুষ কম ছিল। ঢুকে সুন্দর একটি টেবিল দেখে বসে পড়লাম।
তাদের ফুচকা চটপটি এর দামের চার্ট দেয়ালে লাগানো থাকে। দেখলাম দাম কিছুটা বাড়িয়েছে। আসলে বেশ কিছুদিন যাওয়া হয়নি সেখানে তাই দাম বেড়েছে সেটা জানতাম না। তবে মামা ফুচকা চটপটি খেতে দারুন মজার। আমার ফুচকা খেতে বেশি ভালো লাগে। আমি ফুচকা এবং ওয়াইফ এর জন্য চটপটি অর্ডার করেছি। যেকোন ফুচকার দোকানে ফুচকা আগে দিয়ে দেয়। আমার ফুচকা আগে চলে এসেছে।
এই দোকানের সবচেয়ে আকর্ষণীয় হচ্ছে মিষ্টি টক। কি যে দেয় আমার মনে হয় কি মধু দিয়ে ফুচকা খাচ্ছি। আমি এই দোকানে ফুচকা খেতে গেলে তিন চার গ্লাস টক নেই। শুধু টক ও খাই। মিষ্টি টকের যে উপাদান আমি জানি তার মধ্যে তেতুল, টক দই, ডাল, মধু, চিনি আছে। আমি মিষ্টি টকের ছবি আলাদা করে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি।
তারপর চলে এল মজাদার চটপটি। আমি চটপটি তেমন খাই না তবে যখনই সামনে আসে দু তিন চামচ খেয়ে নেই টেস্ট করার জন্য। খেতে একদম ভালো লাগে না বলব না কম খাওয়া হয়। চটপটির বিশেষ দিক হচ্ছে অনেক ফুচকা ভেঙ্গে দেয়া এবং ডিম ভালো করে গ্রেট করে দেয়।
এখানকার দই বড়া দারুন মজার। টক দইয়ের মিশ্রণে বড়া ডোবানো থাকে। বড়াগুলো খুবই সফট হয়। মুখে দিলে একদম মিশে যায়। ছবি দেখলেও আপনাদের লোভ লেগে যাবে।
কেউ যদি ওয়ারী আসেন তাহলে আমার ট্রিট। একদম মুখে লেগে থাকার মত ।
| ডিভাইস | অপ্পো এ ৫৪ |
|---|---|
| বিষয় | মামার চটপটি ফুচকা |
| ক্রেডিট | @miratek |
| what3words location | https://what3words.com/stung.minute.dame |
আশা করি আমার পোস্ট আপনাদের ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ সবাইকে।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
ছুটির দিনে পরিবারকে নিয়ে বাইরে যাওয়ার আইডিয়াটা খুব ভালো। পরিবারের সঙ্গে অনেক ভালো সময় কাটানো হয়। আপনি বিখ্যাত মামার চটপটি খেতে গিয়েছেন জেনে ভালো লাগলো। চটপটির দাম না বাড়িয়ে কি করবে সব জিনিসের যে দাম বেড়েছে ।যাই হোক চটপটি এবং ফুচকা দেখতে বেশ লোভনীয় লাগছে। যেভাবে বর্ণনা দিলেন বোঝাই যাচ্ছে খেতে অনেক সুস্বাদু ছিল।
বৃষ্টিতে ভেজার কারণে আপনার সর্দি হাঁচি হচ্ছে আসলেই বৃষ্টির পানি একটু ভারি মনে হয় তাই বৃষ্টিতে ভিজলেই অসুখ হয়ে যায় সবার। আপনি বরাবরই খাবারের রিভিউ গুলো দারুন শেয়ার করেন। ফুচকার ফটোগ্রাফি দেখে তো জিভে জল এসে গেছে। আসলে এমন খাবার যতই দামি হোক বা কম দামি হোক দেখলেই লোভ সামলানো যায় না। পরিবারকে নিয়ে বেশ মজাদার খাবার উপভোগ করেছেন নিরিবিলি পরিবেশে অনেক ভালই লাগলো।
গরমের মধ্যে বৃষ্টিতে ভিজলে জ্বর হওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি থাকে কিন্তু আপনার সাথে সাথে জ্বর হয়নি কিন্তু দুদিন পরে হয়েছে।ওয়ারীর বিখ্যাত মামার চটপটি ফুচকা দোকানে গিয়ে অনেক সুন্দর মুহূর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রত্যেকটি জায়গায় সকল প্রোডাক্টের মূল্য অনেক বেশি বেড়ে গেছে। তাই ফুচকার দাম আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। আপনার ফুচকার ফটোগ্রাফি দেখে আমার জিভে জল চলে এসেছে। অসাধারণ মুহূর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
ভাইয়া কি রিভিউ করলেন আপনি। দেখে তো পাগল হয়ে গেলাম। ফুচকা আর চটপুটি দুটো খাবারই আমার বেশ প্রিয়। আমিও বাহিরে গেলে ফুচকা বা চটপুটিই খাই। ছুটির দিনে কিন্তু পরিবার নিয়ে বাহিরে একটু ঘুরতে গেলে কিন্তু মন্দ হয় না।
ভাইয়া আপনার মতো আমারও ফুচকা খেতে খুব ভালো লাগে। তবে চটপটিও মাঝে মধ্যে খাওয়া হয়। দই বড়া দেখে তো লোভ সামলাতে পারছি না। বড়াগুলো দেখেই বুঝা যাচ্ছে খেতে খুব সফট হবে। আপনি যেহেতু ট্রিট দিবেন তাহলে তো ওয়ারী যেতে হয়😂। যাইহোক খাবারের রিভিউ দেখে খুব ভালো লাগলো ভাইয়া। পোস্টটি শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
ফুসকা,চটপটিতো মেয়েদের পছন্দের একটা খাবার।আপনার ও বেশ পছন্দের খাবারই মনে হচ্ছে এজন্যই রিভিউ পোস্ট করে ফেললেন।পরিবার নিয়ে এভাবে বাইরে খেতে যাওয়ার মজাই আলাদা।মামার চটপটি ফুসকা তো মনে হচ্ছে খেতে খুব ভালো আসলেই যেভাবে রিভিউ সাজিয়েছেন।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।