লাইফ স্টাইল // কম্পিউটার শিখতে যাওয়ার অনুভূতি
আসসালামু আলাইকুম/আদাব আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গন আমি @kibreay001 বাংলাদেশ থেকে বলছি আজ (২১-০৮-২০২৪)
আসসালামু আলাইকুম আমার স্টিম বন্ধু গন আশা করি আপনারা অনেক ভালো আছেন । আপনাদের দোয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। আমি @kibreay001 আমি আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে যাচ্ছি লাইফ স্টাইল // কম্পিউটার শিখতে যাওয়ার অনুভূতি । আজকে সকাল বেলায় ঘুম থেকে ওঠার পর থেকে বেশ ব্যস্ত সময় পার করছি। সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে প্রথমেই মাছের খাবার দেওয়ার জন্য পুকুরে গিয়েছিলাম। পুকুর থেকে বাড়িতে এসে হালকা খাওয়া-দাওয়া শেষ করে জানতে পারি আমার ফুপু আজকে আবারো একটু বেশি অসুস্থ। তাই আমি আবারও আজকে হাসপাতালে গিয়েছিলাম। সকাল থেকে প্রায় দুপুর পর্যন্ত আমি হাসপাতালে ছিলাম। বাড়িতে এসে জানতে পারি আমাদের বাড়িতে আত্মীয় এসেছিল। দুপুরবেলা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আমরা বাইরে বাইক নিয়ে ঘোরাঘুরি করেছিলাম। তাই আপনাদের মাঝে কোন সময় যুক্ত হতে পারেনি। তাই সন্ধ্যার পরে বাড়িতে ফিরে ভাবলাম আজকে খুব দ্রুত একটা পোস্ট শেয়ার করি। তবে চলুন আজকের পোস্ট আপনাদের মাঝে শেয়ার করা যাক.......
আসলে আমি বর্তমানে এবার এসএসসি ফাইনাল পরীক্ষার্থী। বেশ কিছুদিন ধরে তুহিন মামা আমাকে বলছিল আমাদের গাংনীতে নাকি কম্পিউটারের বেসিক ধারণা শেখানো হবে। তাই আমি বলেছিলাম আমিও শিখতে চাই। আসলে এর আগে আমি কম্পিউটারের একটি কোর্স করেছিলাম সেখান থেকে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ নেওয়া হয়েছিল। আসলে কম্পিউটারের মোটামুটি বিষয়গুলো আমার ধারণা আছে। তাও যেহেতু সরকারিভাবে শেখানো হচ্ছে তাই আমি ভেবেছিলাম শিখব। প্রথম দিন আমি আমার নাম সবকিছু তুহিন মামাকে কনফার্ম করলাম পরে মামা আমাকে সেখানে ভর্তি করিয়ে দিয়েছিল। আমাদের মধ্য থেকে আমি এবং মামা দুজনেই প্রথমের দিকে শিখতে গিয়েছিলাম। প্রথম দিন কম্পিউটার ক্লাসে যাওয়ার সময় প্রবল ঝরে বৃষ্টি হয়েছিল। সেখানে আমরা গিয়ে দুজন মাত্র বাড়িতে ঘুরে এসেছিলাম। পরে আমাদের একটা গ্রুপে জানানো হয়েছিল আজকে বৃষ্টির কারণে কম্পিউটার ক্লাস স্থগিত রাখা হয়েছে। আসলে আমরা দুজন বেশ ভোগান্তির মধ্যে পড়েছিলাম। অবশেষে আমি এবং তুহিন মামা দুজনেই বাড়িতে ফিরে এসেছিলাম। তারপরে আমাদের দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বেশ খারাপ হয়ে পড়েছিল তাই কম্পিউটার ক্লাস আর শুরু করা হয়েছিল না।
বেশ কিছুদিন পর আমরা একটা গ্রুপে অ্যানাউন্সমেন্টে জানতে পারলাম আজকে থেকে আমাদের কম্পিউটার ক্লাস শুরু হবে। তাই প্রথম দিন আমি এবং তুহিন মামা কম্পিউটার ক্লাসে গিয়েছিলাম। প্রথম দিন থেকে আমাদের মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে কম্পিউটারের বেসিক ধারণা দেওয়া হয়েছিল। আসলে প্রথম দিন যেগুলো শেখানো হয়েছিল সবগুলোই আমার আগে থেকে জানা ছিল। যেহেতু নিজের একটা ল্যাপটপ আছে আসলে আনুষাঙ্গিক জিনিস গুলো মোটামুটি জানি। আমি মোবাইল ফোন বের করে বেশ কয়েকটি ছবি তুলেছিলাম। তারপরে আমি এবং তুহিন মামা দুজন মিলে অনেক সুন্দর ভাবে একটি সেলফি তুলে ছিলাম। সেই ছবিটি আপনাদের মাঝে অনেক সুন্দরভাবে শেয়ার করেছি। আসলে আমাদের ব্যাচে মাত্র ২৫ জন স্টুডেন্ট ছিল। যেহেতু একটা সরকারি প্রজেক্ট তাই ২৫ জনের উপরে কাউকে ভর্তি নেওয়া হয়েছিল না। ২৫ জনের মধ্যে সবথেকে বয়সের ছোট আমি। আসলে নিজের কাছে কেমন একটা অস্বস্তি ভাব লাগছিল এত বড় মানুষের মধ্যে আমি শুধুমাত্র ছোট মানুষ। তাও নিজেকে বেশ দারুন ভাবে সবার সাথে মানিয়ে নিয়েছিলাম।
সবার শেষে আমি অনেক সুন্দর ভাবে একটি সেলফি তুলেছিলাম সেটি আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আসলে এই কোর্সটি সম্পূর্ণ ফ্রি। আমাদের এই কোর্স ছিল প্রত্যেকদিন বেলা ১০ টা থেকে বেলা বারোটা পর্যন্ত। সপ্তাহে সাত দিন দুই ঘন্টা কোর্স চালু থাকবে।এবং কোর্স শেষে প্রত্যেকদিন দুপুরবেলায় সকলকে একটি নাস্তা দেওয়া হয়েছিল। আমাদের প্রথম দিন খাবার দিয়েছিল চিকেন বিরানি। আসলে চিকেন বিরানি আমি বেশ পছন্দ করি খেতে বেশ ভালো লেগেছিল আমার কাছে। যেহেতু সেখানে খাবার কোন পানি পাচ্ছিল না তাই আমরা একটি দোকান থেকে ২ লিটারের পানির বোতল কিনে নিয়ে এসে খেয়েছিলাম। খাওয়া-দাওয়া শেষ করে আমরা দুজন মামা ভাগ্নে এভাবেই বেশ কিছু সময় বাজারে ঘোরাঘুরি করেছিলাম তারপরে বাড়িতে চলে এসেছিলাম। আশা করি আজকের লেখা পোস্টটি আপনাদের সকলের কাছে ভালো লাগবে। সকলের মতামত নিচে কমেন্ট বক্সের মাধ্যমে জানাবেন। সকলের জন্য আমার পক্ষ থেকে শুভকামনা রইল।
আমি মোঃ কিবরিয়া হোসেন। আমি বাংলাদেশ খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানা কামারখালী গ্রামে বসবাস করি। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমি বর্তমানে দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলতে এবং লিখতে অনেক ভালোবাসি। সব থেকে আমি বেশি পছন্দ করি ফটোগ্রাফি করতে। আমি বেশিরভাগ সময় বিভিন্ন জায়গা ঘোরাঘুরি করে থাকি। কয়েকটি শখের মধ্যে আমার প্রধান শখ হচ্ছে বিভিন্ন জায়গা ভ্রমণ করা। সংক্ষিপ্ত আকারে আমি আমার নিজের পরিচয় শেয়ার করলাম আপনাদের মাঝে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
x-promotion
জীবনে শেখার শেষ নেই। পড়ালেখার পাশাপাশি এই ধরনের কারিকুলাম বিষয়ে শিক্ষা খুব জরুরী। কারণ টেকনিক্যালি যদি কিছু শিখা থাকে তাহলে পড়ালেখার পাশাপাশি কিছু একটা করা যায়। যেটা আমার বাস্তব জীবনে ঘটেছে। যখন আমি অনার্স সেকেন্ড ইয়ারে ছিলাম তখন আমি কম্পিউটার বেসিক কিছু শিখেছিলাম সাথে সাথে পার্ট টাইম জব করেছিলাম রেস্টুডেন্ট লাইফে। যেটা আমার বাস্তব জীবনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ইনকাম ছিল। তখন থেকে স্বাধীন প্রিয় মানুষ ছিলাম নিজে ইনকাম করে নিজে খরচ করতাম। আপনাদের জন্য দোয়া রইল যেন খুব দ্রুত শিখে নিতে পারেন।
ঠিক বলেছেন আপু আসলে জীবনে শেখার কোন শেষ নেই।
ভাই আমি ও এসএসসি পরীক্ষা শেষ করে কম্পিউটার কোর্স এ ভর্তি হয়েছিলাম। তবে কিছু শিক্ষতে পারি নি। কারন তখন করোনা ছিল।
আমার ও আবার নতুন করে ভর্তি হওয়া লাগবে।
আপনি ভালো করে শিখবেন, আর বাসায় অনেক
অনুশীলন করবেন।ধন্যবাদ।
আসলে সেই সময়ে আমি বেশ ভালোভাবে শিখেই পরীক্ষা দিয়ে সার্টিফিকেট অর্জন করেছিলাম। ধন্যবাদ মতামত শেয়ার করার জন্য।
সরকারি কোর্সগুলো আপনাদের ওখানে ফ্রি কিন্তু আমাদের এখানে কম্পিউটার কোর্স করতে গেলে মোটামুটি বেশ কিছু টাকা দিতে হয়। আসলে কম্পিউটার কোর্স করাটা কিন্তু অত্যন্ত জরুরী। কারণ আপনি যখন চাকরি করবেন বা ভালো জায়গায় যাবেন, তখন কম্পিউটার কোর্স করা আছে কিনা এটা অবশ্যই তারা জিজ্ঞাসা করবে। যেহেতু দু'ঘণ্টা করে ক্লাস হয় তাই মন দিয়ে ক্লাস করেন, আশা করি খুব ভালো একটা ফলাফল পাবেন। ভালো লাগলো ভাই, আপনার পোস্ট টি পড়ে।
ঠিক বলেছেন ভাই আসলে কম্পিউটার কোর্স করাটা সত্যি সকলের জন্য বেশি জরুরী।
খুবই ভালো একটি কাজ করেছেন ভাইয়া। ভবিষ্যতে কম্পিউটার ছাড়া কোন কাজ হবে না। সেই সাথে সব কিছু হয়ে যাবে অনলাইন ভিত্তিক। তুহিন ভাইয়ের কাছে আগেও আমি শুনেছিলাম তিনি কি যেন একটি কোর্স করে। আজকে বিস্তারিত জানলাম। ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ ভাই মূল্যবান মতামত শেয়ার করে উৎসাহ প্রদান করার জন্য।