ভালোবাসার শুরুটা কলেজ লাইফ থেকে ।। গল্প পার্ট-৩
প্রিয় আমার বাংলা কমিউনিটির ভাইবোন বন্ধুরা,
পার্ট-৩
যেহেতু সবাই মিলে প্ল্যান করেছিলাম মেসেঞ্জার গ্রুপ খুলবো তাই পরের দিন আমার একটা বান্ধবী গ্রুপটা ক্রিয়েট করল। তারপর একে একে সবাই জয়েন হচ্ছিল। এবারে শোভা পালা। শুভাকে যখন যখন বলা হল তুইও এই গ্রুপটাতে জয়েন হয়ে পর। তখন উত্তরে শোভা বলল আমি ফেসবুক ইউজ করিনা। এখন আমি তো বিশ্বাস করলাম না। তখন আমি শোভাকে বললাম তুমিও জয়েন হয়ে যাও না সমস্যা কিসের আমরা সব ফ্রেন্ডরাই তো এখানে জয়েন হব। তখন শোভা আমার উত্তরে বলল আরে সত্যিই আমি ফেসবুক ইউজ করি না। কারন আমার কাছে কোন ফোনই নাই। তখন আমার মনটা ভেঙে গেল। ভাবতে পারেন এই যুগে এসেও কারো কাছে ফোন নাই।
যাই হোক কোথায় ভাবছিলাম যে সরাসরি ভালোবাসার কথাটা না বলতে পারলেও ফেসবুকে তো বলতে পারব। কিন্তু কি আর করার যেহেতু ওর কাছে ফোন নাই তাই গ্রুপটাতে শুধু শোভা বাদে সবাই জয়েন হয়ে পরলাম। পরে ভাবলাম সমস্যা কিসের কলেজে আর প্রাইভেটে তো ওর সাথে দেখা হচ্ছেই। যেহেতু ওর সাথে এখন আমার মোটামুটি একটা ফ্রেন্ড হয়েছে। আমাদের দুইজনের মাঝে মাঝেই একটু একটু কথা হয়। যাই হোক তারপর একদিন কলেজে ক্লাস হচ্ছিল না ও আমাকে হঠাৎ এসে জিজ্ঞাসা করল তুমি আমার দিকে সবসময় তাকিয়ে থাকো কেন? আমি তো শুনে খুশি হয়ে গেলাম কারণ আমি ওকে দেখি সেটা খেয়াল করেছে। আমি স্বীকার করতে চাইলাম না।তাই উত্তরে আমি বললাম কই তাকায় না তো, আসলে একটু একটু তো সবার দিকে চোখ যায়। এই উত্তর শুনে শোভা আমাকে বলল তাহলে তুমি আমাকে তুমি তুমি করে বলো কেন? বাকিরা সবাই তো আমাকে তুই তুই করে বলে। আমি উত্তরে বললাম এমনিতে তোমার সাথে তো আমার অত বেশি কথা হয়না তাই আর কি তোমাকে তুমি তুমি করে বলি।
তুমি যদি চাও তাহলে এখন থেকে তুই তুই করে বলবো।শোভা বলল থাক তা আর লাগবেনা যেমন আছে এরকমই ভালো। এই বলে শোভা ওর সিটে চলে গেল। পরে আমি এই কথাগুলো ফাতেমা ও সবুজকে বললাম। তখন ওরা আমাকে বলল তুই ওকে জিজ্ঞাসা করতে পারলি না ও কেন তোকে তুমি তুমি করে বলে। তখন আমি ভাবলাম আরে তাই তো ও কেন আমার সাথে তুমি তুমি করে কথা বলে। আবার আমি যে ওকে তুমি তুমি করে বলি তাতেও কিছু বলল না। শুধু এটুকুই বলল যা আছে ভালোই আছে। তখন আমার মনে একটা প্রশ্ন জাগলো। শোভাও কি তাহলে আমাকে একটু একটু লাইক করে....
চলবে,,,,
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
ভালোবাসার শুরুটা কলেজ লাইফ থেকে গল্পের, আজকের পর্ব পড়ে খুব ভালো লাগলো। বিশেষ করে শোভার চরিত্র ভালো লেগেছে আমার কাছে। আগামী পর্বের জন্য অপেক্ষায় রইলাম। ধন্যবাদ আপনাকে আমাদের তো চমৎকার গল্প উপস্থাপন করার জন্য
ইতিমধ্যে গল্পটির চতুর্থ পার্ট পোস্ট করেছি চাইলে দেখে আসতে পারেন।
যাক শোভার কথায় বুঝা যাচ্ছে সেও ডুবে ডুবে পানি খাচ্ছে।গল্পটা বেশ ভালোই লাগছে ভাইয়া।আসলে এরকম গল্পগুলো আমার অনেক বেশি ভালো লাগে পড়তে।তবে দুঃখের বিষয় হলো এত সুন্দর গল্প আমি লিখতে পারি না।যাইহোক পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
ইতিমধ্যে গল্পটির চতুর্থ পার্ট পোস্ট করেছি চাইলে দেখে আসতে পারেন।
আমার মনে হচ্ছে শোভা ও তাহলে মনে মনে পছন্দ করে। সবার পক্ষে তো আর মোবাইল ইউজ করা যায় না। হয়তো শোভার কোন সমস্যা আছে।পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় অবশ্যই থাকলাম। কারণ আপনার এই গল্পটি আমার কাছে ভীষণ ভালো লেগেছে। আশা করছি খুবই তাড়াতাড়ি পরবর্তী পর্ব নিয়ে হাজির হবেন সবার মাঝে। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
ধন্যবাদ আপনাকে এই সুন্দর মন্তব্যটি করার জন্য।ইতিমধ্যে গল্পটির চতুর্থ পার্ট পোস্ট করেছি চাইলে দেখে আসতে পারেন।
তুমি তুমি করে বলার কারনে শোভা কোন মাইন্ড করেনি এটার থেকেই বোঝা যায় শোভা একটু একটু লাইক করতে শুরু করেছে। সবাই মিলে গ্রুপে এড হয়েছে কিন্তু শোভা হতে পারেনি কারণ তার মোবাইল নেয় সে মোবাইল ইউজ করে না। যাইহোক এরকম গল্প গুলো আমার কাছে একটু বেশি ভালো লাগে। লিখতে যেমন ভালোবাসি পড়তেও তেমনি ভালোবাসি। ধন্যবাদ সুন্দর একটি গল্প সবার মাঝে শেয়ার করার জন্য। পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম।
ধন্যবাদ আপনাকে এই সুন্দর মন্তব্যটি করার জন্য।ইতিমধ্যে গল্পটির চতুর্থ পার্ট পোস্ট করেছি চাইলে দেখে আসতে পারেন।