সকাল বেলার বৃষ্টি হতো স্কুল না যাওয়ার বাহানা।

in আমার বাংলা ব্লগ2 months ago
আস-সালামু আলাইকুম

প্রিয় আমার বাংলা কমিউনিটির ভাইবোন বন্ধুরা,

আশা করি আপনারা সবাই আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন আমি আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে ভালো আছি।

water-815271_1280.jpg

সোর্স

আজকে আমি আপনাদের মাঝে নিয়ে চলে আসলাম আরও একটি নতুন পোস্ট। ছোটবেলায় স্কুল ফাঁকি দিতে চাইতো অনেকেই। আর তার মধ্যে ছিলাম আমিও। আমার মনে আছে স্কুল ফাঁকি দেওয়ার জন্য কত রকম যে বাহানা করেছি তার কোনো ঠিক নাই। আর এসব বাহানার মাধ্যমে স্কুল ফাঁকি দিয়েছি ‌অনেক। তো সব বাহানার মধ্যে একটি বাহানা ছিল বৃষ্টি।

এখন যেহেতু বৃষ্টির সময় আসতে চলেছে তাই হঠাৎ করেই সেই সময়ের কথা মনে পড়ে গেল। আসলে এটা মনে পড়ার কারণ যেহেতু প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে সাড়ে নটার মধ্যেই দোকানের উদ্দেশ্যে রওনা দিতে হয়। তবে মাঝে মাঝে বৃষ্টির কারণে দোকানে যেতে লেট হয়ে যায়। আর তখনই মনের মধ্যে সেট করে রাখি যদি দোকানে গিয়ে কিছু জিজ্ঞেস করে তাহলে বলব বৃষ্টির জন্য দেরি হয়েছে। আর এর জন্যই মূলত মনে পড়ে গিয়েছিল সেই ছোটবেলায় বৃষ্টির সময়ে স্কুল যাওয়ার ঘটনা গুলো। তার জন্য ভাবলাম এই বিষয় নিয়েই একটি পোস্ট আপনাদের মাঝে শেয়ার করা যাক। চলুন তাহলে এবারে মূল বিষয়ে আসা যাক।

ছোটবেলায় সকালে উঠে যদি দেখতাম বৃষ্টি হচ্ছে তাহলে আগে থেকেই মনের মধ্যে প্লান কোরে নিতাম যে আজ স্কুল যাবো না। সেই সময় যদি বৃষ্টিটা কন্টিনিউ হয়ে যেত তাহলে আর কোনো জোরাজোরি থাকতো না। তবে আমার যতটুকু মনে আছে বেশিরভাগ সময় এমনটা হয়েছে। যখনই স্কুলে যাওয়ার সঠিক টাইম চলে আসত ঠিক সেই সময় বৃষ্টি থেমে যেত। সত্যি সেই সময় অনেক খারাপ লাগতো। ভাবতাম বৃষ্টিটা আরেকটু হলে কি এমন ক্ষতি হতো।

তবে বৃষ্টি যেহেতু কারোর কথা শুনবে না তাই বৃষ্টি তার নিজের মতো করে হতো। আর স্কুল যাওয়ার সময় বৃষ্টি থেমে গেলে তখন আর আমার কোনো বাহানাই কাজ করতো না। অর্থাৎ আমাকে শেষমেষ স্কুলে যেতেই হতো। তবে বৃষ্টির দিন আমাকে জোর করে স্কুলে পাঠানো হলেও। স্কুলে গিয়ে দেখতাম অনেকই সেই দিন অনুপস্থিত থাকতো।

আর যার কারণে সেই দিনগুলোতে তেমন ভালোভাবে ক্লাস করানো হতো না। এবং অল্প ছাত্রছাত্রী দেখে অনেক দিন সময়ের আগেই ছুটি দেওয়া হতো। এটা অবশ্য বেশ ভালোই লাগতো। আসলে স্কুল টাইমে যারা পড়ালেখার প্রতি মনোযোগ দিতে পারিনি তাঁরা চাইতো যে কোনো ভাবেই ফাঁকি দিতে। আর বৃষ্টি হলে তো অনেক রকম বাহানা এমনিতেই দেওয়া যেতো।

তো প্রিয় আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটির ভাই বোন বন্ধুরা, এই ছিল আমার আজকের পোস্ট। আপনারা কি ছোটবেলায় বৃষ্টির জন্য স্কুল না যাওয়ার বাহানা করতেন কিনা তা কমেন্টে জানাতে পারেন। তো যাই হোক আজকের মত এটুকুই। আবারো খুব শীঘ্রই নতুন কোনো পোস্ট নিয়ে হাজির হবো আপনাদের মাঝে ইনশা-আল্লাহ। ততক্ষণ সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন নিজের খেয়াল রাখবেন।

আল্লাহ হাফেজ
Sort:  

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.

 2 months ago 

ছোটবেলায় আমিও এমন করতাম, যখনই স্কুলের সময় হতো চিন্তা করতাম যদি এখন একটু বৃষ্টির পরিমাণ বেশি হত তাহলে হয়তো আজকে আর স্কুলে যাওয়া লাগত না আরামে ঘুমিয়ে দিন পার করে দিতাম। সত্যি বলতে সেই সময়টা সৃষ্টিকর্তার কাছে দোয়া করতাম যেন অতিমাত্রায় বৃষ্টি হয় হা হা হা।

 2 months ago 

সময়গুলো নিয়ে অনেকেরই অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। যাইহোক ধন্যবাদ ভাই সুন্দর মন্তব্যটি করার জন্য।

 2 months ago 

একদম সত্যি কথা বৃষ্টি হলে আমি কোনদিনই স্কুলে যেতাম না। বৃষ্টি টুপটাপ পড়লেও বাহানা ধরতাম যে স্কুলে যাব না আজ। আর এই দিনটাই ঘুমাতে খুবই পছন্দ করতে হবে। যাইহোক ছোটবেলার সুন্দর অনুভূতি আমাদের মাঝে ব্যক্ত করেছেন দেখে অনেক ভালো লাগলো। নিজে যেন খুঁজে পেলাম অতীতকাল।

 2 months ago 

আসলে ভাই অনেকেই চেষ্টা করতো বৃষ্টির বাহানা দিয়ে স্কুল ফাঁকি দেওয়ার।

 2 months ago 

স্কুল ফাঁকি দিতে আমারও অনেক ভালো লাগতো ।বৃষ্টি এলেই মনের মাঝে আনন্দ চলে আসতো। মনে হতো আজকে তো স্কুলে যেতে হবে না। খুবই মজা করবো। আপনার পোস্ট পড়ে শৈশবের কথা মনে পড়ে গেল ভাইয়া। দারুন লিখেছেন আপনি।

 2 months ago 

পোস্টটি পড়ে শৈশবের কথা মনে করতে পারলেন জেনে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্যটি করার জন্য।

 2 months ago 

হাহাহাহা চমৎকার বলেছেন ভাইয়া যতোই বৃষ্টি হোক না কেন স্কুলের টাইমেই বৃষ্টি থেমে যেতো।তখন সত্যি মন খারাপ হতো অনেক। আপনার পোস্টে সবার মনের কথা তুলে ধরেছেন ভাইয়া। আপনার স্কুল ফাঁকি দেয়ার গল্প সবার গল্পের সাথে মিশেছে। ধন্যবাদ সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের সাথে ভাগ করে নেয়ার জন্য।

 2 months ago 

ঠিক বলেছেন অনেক সময় স্কুল টাইমে বৃষ্টি থেমে যেত আর তখন খুবই খারাপ লাগলো।

Coin Marketplace

STEEM 0.20
TRX 0.13
JST 0.029
BTC 65472.04
ETH 3323.59
USDT 1.00
SBD 2.63