বিড়ম্বনা
"হ্যালো",
আমার বাংলা ব্লগ বাসি, সবাই কেমন আছেন? আশা করছি সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আমিও আপনাদের দোয়াই এবং আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। সবার সময় ভালো কাটুক এই কামনাই করছি।
সবাইকে আমার নতুন একটি পোস্টে স্বাগতম।বাড়ির কাজ করতে গিয়ে যেনো নতুন করে বিপদের মুখোমুখি হলাম।বাড়ির কাজ চলছে প্রায় তিন মাস হবে।মাঝে কাজ করতে করতে হঠাৎ মিস্ত্রী কাজে আসেনি। আবারো নতুন করে গত ১৫ দিন থেকে কাজ শুরু হয়েছে। হঠাৎ করে গত দুদিন থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এই বৃষ্টিটা আমাদের কাছে অনাকাঙ্ক্ষিত ছিল। বাড়ির সবগুলো ঘরের টিন খোলা হয়ে গিয়েছিল তাই আমার বাড়ির পুরোনো ফার্নিচার গুলো বেশ ঝামেলায় পড়তে হয়েছিল। এবার আমার চাচা চাচী বললেন ফার্নিচার গুলো তাদের বাড়িতে রাখতে।
অনেকটা স্বস্তি পেলাম এবং হাতে হাতে সবাই ফার্নিচার গুলো চাচার বাসায় রাখলাম।গ্রামের মানুষ এদিক থেকে খুবই ভালো। আশেপাশে অনেকেই আমাকে সাহায্য করেছিল ফার্নিচার গুলো আমার চাচার বাড়িতে নিতে।তাদেরকে বললাম বিরিয়ানি রান্না করে খাওয়াবো।তখন সবাই বলছিল খাওয়ানোর কোনো দরকার নেই।যদি তাদের জন্য বিরিয়ানির ব্যবস্থা করি তাহলে তারা আমার পরবর্তীতে কোনো কাজ করবে না বলছিল।
যাইহোক খালি মুখে তো তাদেরকে আর ফিরিয়ে দিতে পারিনা। এরপর ঘরে মুড়ি এবং চানাচুর ছিল। মাকে বললাম অনেক সুন্দর করে মুড়ি মেখে দিতে।এরপর মা বড় একটা পাএে অনেকটা মুড়ি পেঁয়াজ কাঁচামরিচ এবং সরিষার তেল দিয়ে মেখে সবাইকে দিয়েছিল খেতে। সাথে আমরা বাড়ির সবাই ছিলাম।যাইহোক এবার আমরা সবাই মজা করে মুড়ি মাখা খেয়েছিলাম।
এই সময় হয়তো আমার বাড়ির কাজটা শুরু করা মোটেই ঠিক হয়নি একটি মাস পরে করলে হয়তো এই বৃষ্টির কবলে পড়তে হতো না। যাইহোক কি আর করার হয়তো আরো সপ্তাহখানেক সময় লাগবে সবকিছু সম্পন্ন হতে। হয়তো অনেকেরই প্রশ্ন থাকবে তাহলে আপনি শহরে কেন যাচ্ছেন না। আসলে সবকিছু আমি নিজের মতো করে করার চেষ্টা করছি। তাই আমি না থাকলে হয়তো কোনো ভুল হতে পারে এজন্যই যাচ্ছি না।
আশা করছি খুব তাড়াতাড়ি ঠিক হয়ে যাবে। সবাই দোয়া করবেন যেন অনেক তাড়াতাড়ি আমার বাড়ির কাজ সম্পন্ন করতে পারি। সাথে অর্থনৈতিক একটা ব্যাপার থাকে জানিনা কত দূর করতে পারব তবে চেষ্টা করব। আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। দেখা হবে পরবর্তীতে সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।
❤️আমার পরিচয়❤️
আমি হাবিবা সুলতানা হীরা । জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী। পেশাঃ গৃহিণী। শখঃ নতুন নতুন রেসিপি বানাতে ভালো লাগে। তাছাড়া গান গাওয়া, আর্ট করা, ফটোগ্রাফি করা ও বাগান করতে আমি বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। আমি স্টিমিটে ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে যুক্ত হই।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আসলে আপু এখন তো বৃষ্টির দিন এসময় কাজ করতে গেলে সত্যি বিড়ম্বনায় পড়তে হয়।এটা ঠিক বলেছেন আপু গ্রামের মানুষ গুলো একে অপরের বিপদে আপদে পাশে থাকে। যাইহোক সবাইকে মুড়ি মাখিয়ে খাওয়ানো হয়েছে জেনে অনেক ভালো লাগলো। আসলে সবাই এক সাথে মুড়ি খাওয়ার মজাই আলাদা।
উনারা খেতে রাজিই হচ্ছিল না।যাইহোক পরে অবশ্য খেয়েছে।ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
আসলেই এই জিনিসটা এতটাই লোভনীয় জিনিসে মুখের সামনে চলে আসলে আর ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হয় না। বৃষ্টির দিনে ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে ও মুড়ি চানাচুর খেতে খুবই ভালো লাগে। কিন্তু জ্বর আসার কারণে গত দিনের বৃষ্টিতে মুড়ি খেতে পারেনি।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া জ্বরের মুখে বেশি করে কাঁচামরিচ দিয়ে মুড়ি মাখা খেতে খুবই ভালো লাগে।
আসলে গ্রামের পরিবেশটা শহরের পরিবেশ থেকে অনেকটাই ভিন্ন। এখানে কিছু কিছু মানুষ আছে যারা মন প্রাণ দিয়ে সবাইকে সাহায্য করতে চায়। ঠিক তেমনি আপনার চাচা এবং আশেপাশের মানুষজন আপনাকে সাহায্য করেছে। তাছাড়া সাহায্য করার বিনিময়ে অনেকেই কিছু নিতে চায় না। তবুও আপনি আপনার আম্মুর মাধ্যমে মুড়ি মাখা খাইয়েছেন, এটা শুনে খুব ভালো লাগলো। এটা ঠিক করেছেন আপনি, কাজগুলো নিজে থেকে করিয়ে নেয়াই ভালো। যদি না থাকেন হয়তো অনেক ভুল হয়ে যেতে পারে। যেটা পরে আর সংশোধন করা যাবে না।
হ্যাঁ একটা কাজ ভুল হলে অনেক ক্ষতি হবে। তাইতো নিজেই সব দেখাশোনা করছি।ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
দোয় করি আপনার বাড়ীর কাজ যেন খুব তাড়াতাড়ি শেষ করতে পারেন। তবে এ কথা সত্য যে গ্রামের মানুষ গুলো বেশ সহজ প্রকৃতির হয়। তারা যে কোন কাজ মনের খুশিতে করে দিতে রাজী থাকে। কিন্তু তার বিনিময়ে কোন প্রকার অর্থ দাবী করে না। আর কোন বিনিময় চায় না। যাক ভালোই ভালোই আপনার কাজ গুলো হয়ে যাক।
ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
এই সিজনে বাড়ির কাজ করতে গেলে বেশ ঝামেলা পোহাতে হয়। কারণ কখন বৃষ্টি এসে পড়ে তার কোনো ঠিক নেই। যাইহোক ফার্নিচার গুলো আপনার চাচার বাসায় রেখে আসতে পেরেছেন, এটা জেনে খুব ভালো লাগলো। দোয়া করি বাড়ির কাজ যেনো দ্রুত শেষ করতে পারেন। আপনাদের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইলো আপু।
অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর একটি মন্তব্যের জন্য।
আপনার আজকের পোস্ট পড়ে অনেক ভালো লাগলো। আসলে এই সময় বাড়ির কাজ করার ঝুঁকিপূর্ণ। কখন যে বৃষ্টি নামে বলাই যায় না। যেটা বাধা বিঘ্ন তৈরি করে। দেখা যায় বাড়িতে অনেক জিনিসপত্র বাইরে আছে বৃষ্টি নেমে গেছে বাড়ির লোকজন সবাই মিলে সেই কাজে সাহায্য করলে তাদেরকে হালকা নাস্তা খাবার হিসেবে মুড়ি কিংবা ভাজা খাইতে দেওয়া হয় । যেমনটা আপনি দিয়েছিলেন ছোটবেলা থেকে এই রেওয়াজ আমিও আমাদের গ্রামে দেখে চলেছি ভালো লাগলো।
জ্বি ভাইয়া গ্রামের মানুষ খুবই সহজ সরল হয়।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
গ্রামের মানুষরা সবাই সবাইকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে। তারা কোন কিছুর বিনিময়ে কিছু করতে চায় না। তাইতো বিরিয়ানি খেতে চায়নি। তবে এই মানুষগুলোর সরলতা সত্যি অনেক ভালো লাগে। আপনার ফার্নিচার গুলো চাচার বাসায় রেখে ভালোই করেছেন আপু। না হলে ঝামেলা হয়ে যেত।
জ্বি এই মানুষগুলোর থেকে অনেক কিছু শেখার আছে।তাদের কাজে খুবই খুশি হয়েছিলাম।যাইহোক ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্যের জন্য।