মসুর ডাল দিয়ে কচু শাকের মজাদার রেসিপি 🥘
"হ্যালো",
আমার বাংলা ব্লগ বাসি, সবাই কেমন আছেন? আশা করছি সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আমিও আপনাদের দোয়াই এবং আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। সবার সময় ভালো কাটুক এই কামনাই করছি।
সবাইকে আমার নতুন একটা রেসিপি ব্লগে স্বাগতম। আজ আমি আমার খুব খুব পছন্দের একটি রেসিপি আপনাদের সাথে শেয়ার করব। আশা করছি এতক্ষণে আপনারা বুঝেই গেছেন যে আমি কোন রেসিপিটি শেয়ার করতে চলেছি। আমার মনে হয় এটি অনেকেরই পছন্দের খাবার। তো যাইহোক বন্ধুরা আজকে আমি শেয়ার করব মসুর ডাল দিয়ে কচু শাকের দারুন একটি রেসিপি।কচু শাক অনেকে অনেকভাবেই রান্না করে থাকেন। তবে আমাদের অঞ্চলে এভাবেই বেশিরভাগ রান্না করা হয়। আর খেতেও খুবই সুস্বাদু হয়। আশা করছি আপনাদের কাছে রেসিপিটা আজকে ভালো লাগবে। তো চলুন বন্ধুরা রেসিপিতে চলে যাই।
| উপকরনসমূহঃ |
|---|
| কচু শাক |
| মসুর ডাল |
| পেঁয়াজ কুচি |
| কাঁচামরিচ |
| আদা-রসুন বাটা |
| গরম মসলা |
| হলুদ গুঁড়া |
| লবণ |
| ফোড়নের জন্য উপকরণ |
|---|
| পেঁয়াজ কুচি |
| রসুন কুচি |
| গোটা শুকনা মরিচ |
| পাঁচফোড়ন |
| তেল |
ধাপ-১
প্রথমে কচু শাক এবং মসুর ডাল ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিয়েছি।
ধাপ-২
এবার কচু শাকগুলো প্রেসার কুকারে নিয়ে তার মধ্যে ধুয়ে রাখা ডাল, পেঁয়াজ কুচি এবং কাঁচামরিচ দিয়েছি।
ধাপ-৩
এবার হলুদ গুঁড়া, আদা রসুন বাটা, গরম মসলা এবং পরিমাণমতো লবণ দিয়ে পরিমাণ মতো পানি দিয়ে প্রেসার কুকারের ঢাকনা বন্ধ করে চুলায় বসিয়ে তিন থেকে চারটা শিষ দিয়ে নিয়েছি।
ধাপ-৪
সব উপকরণ সেদ্ধ হয়ে গেলে প্রেসার কুকারের ঢাকনাটি খুলে একটা কাঠের ডাল ঘুটনি দিয়ে ভালোভাবে ঘেটে নিয়েছি।
ধাপ-৫
এবার প্রেসার কুকারটি চুলায় বসিয়ে দিয়ে অন্য একটি চুলায় একটি ফ্রাইপেন বসিয়ে পরিমাণ মতো তেল দিয়ে ফোড়নের জন্য যে সকল উপকরণ নিয়েছিলাম সবগুলো একসঙ্গে দিয়ে নেড়েচেড়ে হালকা বাদামি করে ভেজে নিয়েছি।
ধাপ-৬
ফোড়নের উপকরণ গুলো ভালোভাবে ভাজা হয়ে গেলে ডালের মধ্যে ছেড়ে দিয়েছি। এবার কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে নামিয়ে নিয়েছি।
তো বন্ধুরা এই ছিলো আমার আজকের রেসিপি। যেহেতু আমরা শহরে বসবাস করি তাই কচু শাক খুব একটা হাতের কাছে পাওয়া যায় না। বাজারে যে সকল কিনতে পাওয়া যায় সেগুলো আবার গলা ধরে। তাই মাঝেমধ্যে আমার মা গ্রাম থেকে আমার জন্য কচু শাক পাঠিয়ে দেন।আর আমি সেটা মজা করে রান্না করে খাই। কেননা আমি কচুশাক খেতে খুবই পছন্দ করি। আপনারা এভাবে কখনো রান্না করে খেয়েছেন কিনা জানাবেন ।আর যারা খেয়েছেন তারা জানেনই এটি খেতে কতটা সুস্বাদু হয়। আমরা তো সবাই খুবই মজা করে খেয়েছিলাম। তো বন্ধুরা আজ এখানে বিদায় নিচ্ছি। আশা করছি রেসিপিটা আমাদের কাছে ভালো লেগেছে। দেখা হবে পরবর্তীতে নতুন কিছু নিয়ে।
সবাই ভালো থাকবেন এবং সুস্থ থাকবেন।ধন্যবাদ সবাইকে।
❤️আমার পরিচয়❤️
আমি হাবিবা সুলতানা হীরা । জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী। পেশাঃ গৃহিণী। শখঃ নতুন নতুন রেসিপি বানাতে ভালো লাগে। তাছাড়া গান গাওয়া, আর্ট করা, ফটোগ্রাফি করা ও বাগান করতে আমি বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। আমি স্টিমিটে ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে যুক্ত হই।
এই কচুর রেসিপিটি আমার শ্বশুড়ি করতেন। শ্বশুড়ি মারা যাওয়ার পর থেকে এই রেসিপিটি আর খাওয়া হয় না। খুব সুস্বাদু খেতে এই রেসিপিটি। আপনি চমৎকার ভাবে ধাপে ধাপে মসুর ডাল ও কচুর রেসিপিটি করেছেন।ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর সুস্বাদু রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য।
আপনার শাশুড়ি মারা যাওয়ার ব্যাপারটা শুনে বেশ ব্যথিত হলাম, তবে আপনি এখন বানিয়ে দেখতে পারেন রেসিপিটি, বেশ ভালই কিন্তু খেতে।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
মসুর ডাল দিয়ে আপনি অনেক সুন্দর ভাবে কচু শাক রান্না করেছেন ।জানি না খেতে কেমন হয়েছে।দেখে মনে হচ্ছে অনেক মজাদার হয়েছে খেতে ।আমি এভাবে রান্না করে কোনদিন খাইনি একদিন বাড়িতে রান্না করে খেয়ে দেখবো রেসিপিটা খেতে কেমন লাগে ধন্যবাদ আপনাকে।
খেতে মোটামুটি ভালই হয়েছে আপু, আপনি চাইলে বাসায় বানিয়ে দেখতে পারেন।
চমৎকার একটি রেসিপি আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আমি এমনিতে মসুরের ডাল বেশি পছন্দ করি। এটা খেতে খুবই ভালো লাগে। তবে তা যদি শাক সাথে রান্না করা হয় তাহলে তো আরো টেস্ট হবে আশা করি। আপনার রেসিপি প্রস্তুত করা দেখে খুবই ভালো লাগলো।
আপনার এই ডাল পচ্ছন্দ, এটা জেনে ভালো লাগলো। পরবর্তী তে চেষ্টা করবো ভাই, সঙ্গে শাক যুক্ত করার জন্য।
কচুর শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ থাকে। যা আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী একটি খাবার। ইফতারের পরে কচু শাক ঘন্ট আমার অনেক পছন্দের। তবে মসুরের ডাল দিয়ে কখনো কচু শাক ঘন্ট খাওয়া হয়নি। আপনার রেসিপি তৈরি দেখে মনে হচ্ছে খুবই সুস্বাদু হয়েছিল। সুস্বাদু একটা রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
এটা সত্য কথা বলেছেন, সবুজ শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন থাকে, হয়তো সেই চিন্তা থেকেই এই রেসিপিটি করা।
কচু শাক খেতে কমবেশি সকলেই ভালোবাসে। কচুর শাক আমাদের শরীর ও চোখের জন্য খুবই উপকারী। মুসুরির ডাল দিয়ে কচু শাক রান্না করলে খেতে ভীষণ মজাদার হয়। আপনার রেসিপিটা দেখে মনে হচ্ছে খেতে খুবই দুর্দান্ত হয়েছে। আপনার রেসিপিটা দেখতে ভীষণ লোভনীয় লাগছে। ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য।
কচুর শাকের সাথে মসুর ডালের চমৎকার একটি রেসিপি তৈরি করে আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনার এই রেসিপি তৈরিতে বিভিন্ন মসলা উপকরণের সাথে কচুর শাক ও মসুরের ডালগুলো একত্রে সিদ্ধ করে নেওয়াটা আমার কাছে সবথেকে বেশি ভালো লেগেছে। দারুন একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আপনি রেসিপিটি পছন্দ করেছেন জেনে খুশি হলাম ভাই। আমাকে অনুপ্রাণিত করার জন্য ধন্যবাদ।
কচুর শাক খেতে আমার কাছে খুব ভালো লাগে। আজকে আপনি অনেক সুন্দর করে মসুরের ডাল দিয়ে কচুর শাক এর চমৎকার রেসিপি করেছেন। তবে কচুর শাক যেকোনোভাবে রান্না করা যায়। আর কচু শাকের এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন আছে। সত্যি বলতে আপু আপনার রেসিপিটি দেখেই বোঝা যাচ্ছে খেতে অনেক সুস্বাদু হয়েছে। আমি নিজেও একদিন চেষ্টা করব এভাবে রেসিপিটি তৈরি করার জন্য। খুব সুন্দর করে রেসিপিটি আমাদের মাঝে উপস্থাপনা করেছেন।
এটা একদম ঠিক কথা বলেছেন, কচু শাক বিভিন্ন উপায়ে রান্না করা যায়। এভাবে খেতেও কিন্তু বেশ মজা লাগে।
মসুরের ডাল দিয়ে যে কোন সবজি রান্না করলে খেতে খুব ভালো লাগে। আজকে আপনি অনেক সুন্দর করে মসুর ডাল দিয়ে কচুর শাক এর রেসিপি করেছেন। কচুর শাক এবং লতি খেতে আমি খুব পছন্দ করি। আর এই ধরনের কচুর শাক খেলে স্বাস্থ্যের জন্য খুব ভালো হয়। সত্যি আপনার রেসিপিটি দেখে আমার খেতে খুব ইচ্ছে করতেছে। খুব মজাদার রেসিপি শেয়ার করেছেন তাই ধন্যবাদ আপনাকে।
কচুর লতি আমারও অনেক পছন্দের আপু। অসংখ্য ধন্যবাদ রেসিপিটি দেখে সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
কচু শাক আমার ভীষণ পছন্দের। তবে মসুর ডাল দিয়ে এভাবে কখনো খাওয়া হয়নি। নতুন একটি রেসিপি শিখতে পারলাম আপু। দারুন ভাবে এই কচু শাকের রেসিপি তৈরির পদ্ধতি তুলে ধরেছেন এজন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপু।
এভাবে একবার রান্না করে খেয়ে দেখবেন আপু। আমার বিশ্বাস এটা আপনি পছন্দ করবেন। ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্যের জন্য।