ফাইনালে ভারত
16-11-2023
০২ অগ্রহায়ণ , ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
আসসালামুআলাইকুম সবাইকে
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভালো ও সুস্থ্য আছেন। তো ভালো থাকতে পারাটাই হলো মূল কথা। যাক, আপনারা যারা খেলা দেখেন তারা নিশ্চয় খেলার খবরাখবর রাখেন। গত এক মাস ধরেই ওয়ানডে বিশ্বকাপ চলছে। ইতোমধ্যে সেমিফাইনালের মহারণ শুরু হয়ে গেছে। সেমিফাইনালের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয় ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড। এ পর্যন্ত ভারত কোনো খেলায় হারেনি। সে হিসেবে ভারত অনেক এগিয়ে নিউজিল্যান্ড থেকে। এবারের বিশ্বকাপে হট ফেভারিট হলো ভারত। আর ভারতের খেলা দেখলে মন জুড়িয়ে যাওয়ার মতো। আসলে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর খেলাা দেখতেই ভালো লাগছিল। একটা এক্সপেকটেশন ছিল বাংলাদেশকে নিয়ে। কিন্তু সে আশায় পানি ঢেলে দিল বাংলা!
যাক, ভারত যেহেতু এখনও হারেনি সে হিসেবে ধরে নিয়েছিলাম ভারতই জিতবে। তবে নিউজিল্যান্ড ও ফাইট করবে। তো ম্যাচের শুরুতে টসে জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। ব্যাটিং এ নামে শুভমান গিল ও রুহিত শর্মা। হিটম্যান রুহিত শর্মা শুরুতেই মারমুখী ব্যাটিং করতে থাকে। আসলে রুহিত শর্মার ব্যাটিং দেখলেও ভালো লাগে। যতক্ষণ মাঠে থাকে ততক্ষণই মাঠ গরম। কম বল খেলে ভালো স্কোর করে ফেলে। এদিক দিয়ে ভারতের প্লাস পয়েন্ট! ৭.২ ওভার শেষে ভারতের সংগ্রহ যখন ৭১ রানের তখন টিম সাউদির স্লোয়ার বলে ক্যাচ আউট হয়ে সাজঘরে ফেরে রুহিত শর্মা। তারপর মাঠে আসে ভিরাট কোহলি। ভিরাট কোহলি আর শুভমান গিল দেখেশুনে খেলতে শুরু করে।
শুভমান গিল ফেয়ারলেস ক্রিকেটটাই খেলতে থাকে । স্ট্রাইক রোটেইট করে খেলে। রানের চাকাটাও সচল রাখে ভিরাট কোহলি ও শুভমান গিল। কিন্তু খেলার সময় শুভমান গিল রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ৮০ রান করে প্যাভিলিয়ন এ চলে যায়। তারপর মাঠে শ্রেয়াস আয়ার। শ্রেয়াসায়ার মাঠে নেমেও ফেয়ারলেস ক্রিকেট খেলতে থাকে। শ্রেয়াসায়ার আগের ম্যাচেও সেঞ্চুরি করেছিল। ভিরাট কোহলি আর শ্রেয়াসায়ার মিলে বড় রানের একটা পার্টনারশিপ গড়ে তুলে। ভিরাট কোহলি নিজের ব্যক্তিগত ৫০ তম সেঞ্চুরির দেখা পায়! লিটল মাস্টার শচীনকে পেছনে ফেলে এখন ভিরাট কোহলি সেঞ্চুরিতে এগিয়ে। আসলে ভিরাট কোহলি যে একজন গ্রেট প্লেয়ার তার খেলা দেখলেই বুঝা যায়! ভিরাট কোহলির সেঞ্চুরির পর ৩২৭ রানে তাদের পার্টনারশিপ ভাঙে।
তারপর শ্রেয়াসায়ার ও সেঞ্চুরির দেখা পায়। ভিরাট কোহলি আউট হওয়ার পর রাহুল মাঠে আসে। শেষ অবধি ভারতের সংগ্রহ দাড়াঁয় ৫০ ওভার শেষে ৩৯৭ রানের! বিরাট রানের টার্গেটকে সামনে রেখে ব্যাটিং এ নামে নিউজিল্যান্ড! ইনিংসের শুরুটা ভালো হয়নি নিউজিল্যান্ড এর। পাওয়ারপ্লেতেই কনওয়ে ও রাচিন রবীন্দ্রা আউট হয়ে যায়। তখন কিছুটা চাপে পরে যায় নিউজিল্যান্ড। তারপর সে চাপটা সামলে উইলিয়ামসন ও মিচেল মিলে ভালো একটি পার্টনারশিপ গড়ে তোলে। কিন্তু নিউজিল্যান্ড এর দলীয় সংগ্রহ যখন ২২৭ রানের তখন উইলিয়ামসন আউট হয়ে সাজঘরে ফেরে। তারপর মিচেল খেলার হাল ধরে। কিন্তু সেঞ্চুরি করার পর রানের চাপে পরে যায় নিউজিল্যান্ড! শেষ অবধি নিউজিল্যান্ড এর ইনিংস থামে ৩২৭ রানে। ম্যান অফ দা ম্যাচ নির্বাচিত হয় সাত উইকেট নেয়া মোঃসামি।
10% beneficary for @shyfox ❤️
ধন্যবাদ সবাইকে
আমি কে?
আমার নাম হায়দার ইমতিয়াজ উদ্দিন রাকিব। সবাই আমাকে ইমতিয়াজ নামেই চিনে। পেশায় আমি একজন ছাত্র। সম্প্রতি আমি ইলেকট্রিক্যাল থেকে ডিপ্লোমা ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করেছি। এখন বিএসসি এর জন্য প্রিপারেশন নিচ্ছি। পাশাপাশি লেখালেখি করে আসছি গত দু বছর ধরে। ভালো লাগার জায়গা হলো নিজের অনুভূতি শেয়ার করা, আর সেটা আমার বাংলা ব্লগের মাধ্যমেই সম্ভব হয়েছে। যাক,
নিজেকে সবসময় সাধারণ মনে করি। অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দেয় এবং তা মেনে চলার চেষ্টা করি। বাংলা ভাষায় নিজের অভিমত প্রকাশ করতে ভালো লাগে। তাছাড়া ফটোগ্রাফি,ব্লগিং,কুকিং,রিভিউ,ডাই ইত্যাদি করতে ভালো লাগে। অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াতে ভালো লাগে। বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করি। ভবিষ্যতে প্রিয় মাতৃভূমির জন্য কিছু করতে চাই।
twitter share
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
বাংলাদেশ নিয়ে বিশ্বকাপে আমার খুব ভালো এক্সপেক্টটেশন ছিল না। আমি মোটামুটি জানতাম কী করতে পারে। গতকালের ম্যাচে ব্যাটিং সহায়ক পিচে মোহাম্মদ শামি যে বল করল সেটা এককথায় অনবদ্য। কেউ যখন উইকেট নিতে পারছিল না তখন শামি এসে এনে দেয় ব্রেক থ্রু। বিরাটের অসাধারণ ব্যাটিং টা উপভোগ করেছিলাম। জয় টা ভারতের প্রাপ্য ছিল।
আসলেই ভারত এবার যা খেলা দেখাচ্ছে, বিশ্বকাপটাও তাদের প্রাপ্য