"সাতটি রেনডম ফটোগ্রাফি"
নমস্কার
বন্ধুরা, কেমন আছেন আপনারা সবাই?আশা করি সবাই ভালো ও সুস্থ আছেন।আমিও মোটামুটি ভালোই আছি।যদিও আমরা মুখে ভালো আছি বলি কিন্তু ভিতর থেকে আমরা কেউ-ই ভালো নেই।কোনো না কোনো সমস্যা জীবনে লেগেই রয়েছে আষ্টেপৃষ্ঠে।তাছাড়া আমাদের কমিউনিটিতে এখন শোকের ছায়া নেমে এসেছে দাদার বাবাকে ঘিরে।দাদার পরিবারের প্রতি ঈশ্বর সহায় হোন এটাই কামনা করি। আজ আমি সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী ফটোগ্রাফি নিয়ে হাজির হয়েছি আপনাদের মাঝে।আশা করি ফটোগ্রাফিগুলি ভালো লাগবে আপনাদের সকলের কাছে।
ডিভাইস: redmi note 10 pro max
লোকেশন
এটি হচ্ছে আমাদের গ্রামের রাস্তা।যেখানে মাঝখানে রাস্তা আর তার দুই পাশ দিয়ে সারি সারি গাছ লাগানো রয়েছে।যেন সবুজ প্রকৃতির এক অন্যতম নিদর্শন।এই গাছগুলো সরকারিভাবে রোপন করা হয়েছে।আর এই রাস্তা দিয়ে বাস,টোটো,লরি,ট্রাকসহ সব যানবাহন-ই চলাচল করে।এই রকম নিরিবিলি রাস্তা দিয়ে হাঁটতে কিন্তু খুবই ভালো লাগে আমার।।
ডিভাইস: poco m2
লোকেশন
এখন চলছে বর্ষাকাল।তাই নানা জায়গায় এখন মাশরুমের দেখা মেলে।আর এই মাশরুম অনেক প্রকারের হয়ে থাকে।কিছু মাশরুম খাওয়ার উপর্যুক্ত আর কিছু মাশরুম আবার বিষাক্ত হয়ে থাকে।এই মাশরুমটি হয়েছে একটি মাদার উপরে।অর্থাৎ যেখানে সবজির বীজ পোতা হয়েছে সেইখানে।সাদা রঙের মাশরুমটি কিন্তু ভারী সুন্দর দেখতে লাগছিলো।।
ডিভাইস: redmi note 10 pro max
লোকেশন
এটি হচ্ছে নদী বা সামুদ্রিক কিছু মাছের দৃশ্য।যেখানে ভোলামাছ,দাতনে মাছ আর নাম না জানা মাছও রয়েছে।আসলে বড় জাতের ভোলা মাছগুলো খেতে কিন্তু ভারী টেস্টি হয়।এই ছবিটি আমি বর্ধমানের তেঁতুলতলা বাজারের আড়ৎ থেকে সংগ্রহ করেছি।এখানে ভোলা মাছের কিলো পাইকারিভাবে বিক্রি করা হচ্ছিলো 220 -250 টাকা।কিন্তু পাইকারি ব্যবসায়ীরা এখান থেকে এই মাছ কিনে নিয়ে 400-500 টাকা কিলো দরে বিক্রি করে থাকেন।।
ডিভাইস: poco m2
লোকেশন
এটি হচ্ছে হলুদ রঙের মাশরুম।এই মাশরুমটি শেওলা জমেছে এমন জায়গায় জন্মিয়েছে।মাশরুমটি এতটা সুন্দর দেখতে লাগছিলো যে লাড্ডুর নীচে থাকা কুচানো কাগজের মতো সেপের লাগছিলো।কাঁচা ডিমের কুসুমের মতো হলুদ রঙের মাশরুমটি খাওয়ার উপর্যুক্ত নয়।।
ডিভাইস: redmi note 10 pro max
লোকেশন
এটি হচ্ছে আমাদের এক প্রতিবেশী জেঠুদের হলুদ বাগান।আর এই হলুদ বাগানের ফাঁকে ফাঁকেই কচুরমুখী গাছ লাগানো রয়েছে।যেগুলো হলুদ বনে একেবারে মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছে।আর এই পাশের ভিটেটিতে তারা সবসময় সবজি রোপন করে থাকে কিন্তু এই বছর তারা ধান চাষ করবে এখানে।এটি আবার অন্য একজনের জায়গা যারা এখানে বসবাস করে না।।
ডিভাইস: redmi note 10 pro max
লোকেশন
এগুলো হচ্ছে সামুদ্রিক কাঁকড়া।এই ছবিটিও আমি বর্ধমানের তেঁতুলতলা বাজারের আড়ৎ থেকে সংগ্রহ করেছি।আসলে সামুদ্রিক কাঁকড়া সবসময় পাওয়া না গেলেও এই সময় কিন্তু বেশ পাওয়া যায়।আর আমি এখান থেকেই 5 কিলো সামুদ্রিক কাঁকড়া কিনেছিলাম।যেখানে রকমারি সামুদ্রিক কাঁকড়া ছিল।।
ডিভাইস: poco m2
লোকেশন
এই কাকড়াগুলি কিছুটা অদ্ভুত দেখতে।আসলে এই কাঁকড়াগুলির প্রত্যেকটির পিঠে তিনটি করে তিল রয়েছে।আর কাঁকড়াগুলির ঠ্যাং খুবই লম্বা হয়ে থাকে।কাঁকড়ার পিঠের খোলসের দুই পাশ বেশ হুলযুক্ত ছিল।যাতে কাঁকড়াগুলি নিজেরা আত্মরক্ষা করতে পারে আর চারিপাশের নকুলগুলি ছিল রং-বেরঙের।।
Posted using SteemPro Mobile
সাতটি রেনডম ফটোগ্রাফি:
ফটোগ্রাফি করাটাও একটি আর্ট।প্রথমত ফটোগ্রাফি করাটা পছন্দসই না হলেও এখন বেশ ভালো লাগে আমার ফটোগ্রাফি করতে।ততটা পারদর্শী না হলেও ফটোগ্রাফির প্রতি আলাদা একটা টান কিন্তু কাজ করেই থাকে আমার।তাছাড়া চেষ্টা করছি প্রতিনিয়ত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য।তাইতো যখনই সুন্দর কিছু চোখে পড়ে তখনই ছুটে যাই ফটোগ্রাফি করতে।আজ শেয়ার করবো-"সাতটি রেনডম ফটোগ্রাফি"।আশা করি ফটোগ্রাফিগুলো ভালো লাগবে আপনাদের সকলের কাছে।যাইহোক তো আর কথা না বাড়িয়ে চলুন ফটোগ্রাফিগুলি দেখে নেওয়া যাক----
আলোকচিত্র: ০১
লোকেশন
এটি হচ্ছে আমাদের গ্রামের রাস্তা।যেখানে মাঝখানে রাস্তা আর তার দুই পাশ দিয়ে সারি সারি গাছ লাগানো রয়েছে।যেন সবুজ প্রকৃতির এক অন্যতম নিদর্শন।এই গাছগুলো সরকারিভাবে রোপন করা হয়েছে।আর এই রাস্তা দিয়ে বাস,টোটো,লরি,ট্রাকসহ সব যানবাহন-ই চলাচল করে।এই রকম নিরিবিলি রাস্তা দিয়ে হাঁটতে কিন্তু খুবই ভালো লাগে আমার।।
আলোকচিত্র: ০২
লোকেশন
এখন চলছে বর্ষাকাল।তাই নানা জায়গায় এখন মাশরুমের দেখা মেলে।আর এই মাশরুম অনেক প্রকারের হয়ে থাকে।কিছু মাশরুম খাওয়ার উপর্যুক্ত আর কিছু মাশরুম আবার বিষাক্ত হয়ে থাকে।এই মাশরুমটি হয়েছে একটি মাদার উপরে।অর্থাৎ যেখানে সবজির বীজ পোতা হয়েছে সেইখানে।সাদা রঙের মাশরুমটি কিন্তু ভারী সুন্দর দেখতে লাগছিলো।।
আলোকচিত্র: ০৩
লোকেশন
এটি হচ্ছে নদী বা সামুদ্রিক কিছু মাছের দৃশ্য।যেখানে ভোলামাছ,দাতনে মাছ আর নাম না জানা মাছও রয়েছে।আসলে বড় জাতের ভোলা মাছগুলো খেতে কিন্তু ভারী টেস্টি হয়।এই ছবিটি আমি বর্ধমানের তেঁতুলতলা বাজারের আড়ৎ থেকে সংগ্রহ করেছি।এখানে ভোলা মাছের কিলো পাইকারিভাবে বিক্রি করা হচ্ছিলো 220 -250 টাকা।কিন্তু পাইকারি ব্যবসায়ীরা এখান থেকে এই মাছ কিনে নিয়ে 400-500 টাকা কিলো দরে বিক্রি করে থাকেন।।
আলোকচিত্র: ০৪
লোকেশন
এটি হচ্ছে হলুদ রঙের মাশরুম।এই মাশরুমটি শেওলা জমেছে এমন জায়গায় জন্মিয়েছে।মাশরুমটি এতটা সুন্দর দেখতে লাগছিলো যে লাড্ডুর নীচে থাকা কুচানো কাগজের মতো সেপের লাগছিলো।কাঁচা ডিমের কুসুমের মতো হলুদ রঙের মাশরুমটি খাওয়ার উপর্যুক্ত নয়।।
আলোকচিত্র: ০৫
লোকেশন
এটি হচ্ছে আমাদের এক প্রতিবেশী জেঠুদের হলুদ বাগান।আর এই হলুদ বাগানের ফাঁকে ফাঁকেই কচুরমুখী গাছ লাগানো রয়েছে।যেগুলো হলুদ বনে একেবারে মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছে।আর এই পাশের ভিটেটিতে তারা সবসময় সবজি রোপন করে থাকে কিন্তু এই বছর তারা ধান চাষ করবে এখানে।এটি আবার অন্য একজনের জায়গা যারা এখানে বসবাস করে না।।
আলোকচিত্র: ০৬
লোকেশন
এগুলো হচ্ছে সামুদ্রিক কাঁকড়া।এই ছবিটিও আমি বর্ধমানের তেঁতুলতলা বাজারের আড়ৎ থেকে সংগ্রহ করেছি।আসলে সামুদ্রিক কাঁকড়া সবসময় পাওয়া না গেলেও এই সময় কিন্তু বেশ পাওয়া যায়।আর আমি এখান থেকেই 5 কিলো সামুদ্রিক কাঁকড়া কিনেছিলাম।যেখানে রকমারি সামুদ্রিক কাঁকড়া ছিল।।
আলোকচিত্র: ০৭
লোকেশন
এই কাকড়াগুলি কিছুটা অদ্ভুত দেখতে।আসলে এই কাঁকড়াগুলির প্রত্যেকটির পিঠে তিনটি করে তিল রয়েছে।আর কাঁকড়াগুলির ঠ্যাং খুবই লম্বা হয়ে থাকে।কাঁকড়ার পিঠের খোলসের দুই পাশ বেশ হুলযুক্ত ছিল।যাতে কাঁকড়াগুলি নিজেরা আত্মরক্ষা করতে পারে আর চারিপাশের নকুলগুলি ছিল রং-বেরঙের।।
পোষ্ট বিবরণ:
| শ্রেণী | ফটোগ্রাফি |
|---|---|
| ডিভাইস | poco m2 |
| ফটোগ্রাফার | @green015 |
| লোকেশন | বর্ধমান |
| আমার পরিচয় |
|---|
আমি রিপা রায়।আমার স্টিমিট ইউজার আইডি @green015.আমি একজন ভারতীয়।আমি একজন বাঙালি হিসেবে গর্ববোধ করি।আমি অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী।বাংলা ভাষায় মন খুলে লেখালেখি করতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত।
আমি সবসময় ভিন্নধর্মী কিছু করার চেষ্টা করি নিজের মতো করে।কবিতা লেখা ও ফুলের বাগান করা আমার শখ।এছাড়া ব্লগিং, রান্না করতে, ছবি আঁকতে,গল্পের বই পড়তে এবং প্রকৃতির নানা ফটোগ্রাফি করতে আমি খুবই ভালোবাসি।
আপনি খুব সুন্দর ভাবে সাতটি রেনডম ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। তবে আপনার এই সমস্ত রেনডম ফটোগ্রাফি গুলোর মধ্যে আমার সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে রাস্তার সুন্দর দৃশ্য। তবে কিছুদিন আগে আমিও মাশরুমের ফটোগ্রাফি করেছি। খুব শীঘ্রই আপনাদের মাঝে শেয়ার করব।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
Thanks.
সত্যি আপু দাদার বাবার মৃত্যুতে আমাদের কমিউনিটি শোকে ভরে আছে।যাইহোক আপু আপনার ফটোগ্রাফি গুলো কিন্তু চমৎকার হয়েছে।বিশেষ করে মাশরুম ও সামুদ্রিক কাঁকড়া গুলো। অনেক দিন পরে এই মাশরুমের ফটোগ্রাফি গুলো দেখলাম।ধন্যবাদ আপু সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আপনি অনেক দিন পর আমার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে মাশরুম দেখতে পেরেছেন এটা জেনে ভালো লাগলো, ধন্যবাদ আপু।
আসলেই কেউই পুরোপুরি ভালো নেই, ভিতরে দিকে কোন না কোন না কোন সমস্যা থাকেই।দাদার বাবা যেখানেই থাকুক ভালো থাকুক।যাই হোক সবগুলো ছবি বেশ সুন্দর হয়েছে। ধন্যবাদ
আসলেই দাদার বাবা সর্বদা ভালো থাকুক এটাই প্রে করি, ধন্যবাদ আপু।
ফটোগ্রাফি গুলা অনেক সুন্দর হয়েছে আপু। গ্রামীণ রাস্তাগুলো আসলেই সুন্দর লাগে দেখতে। দুই পাশে গাছের সারি খুবই সুন্দর লাগছে দেখতে। মাশরুমের ফটোগ্রাফি গুলোও দারুন হয়েছে। কাকড়ার শেষের ফটোগ্রাফি টা বেশ ভালো লেগেছে আমার কাছে। ধন্যবাদ দিদি এত চমৎকার ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য।
আপনার প্রশংসামূলক মতামত পেয়ে উৎসাহিত হলাম,ধন্যবাদ আপু।
আপনি আজ আমাদের মাঝে অনেক সুন্দর সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন সামুদ্রিক মাছ এবং সামুদ্রিক কাঁকড়া সবকিছুই দেখতে পেলাম, অনেক ভালো লাগলো আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে সামুদ্রিক অনেক কিছু দেখতে পেলাম। এই কাঁকড়া গুলো আমার দেখা প্রথম আজ। আমাদের এলাকার কাকড়াগুলো দেখতে অন্যরকম। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
খুবই সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করলেন। আপনাদের গ্রামের রাস্তার ফটোগ্রাফিটা দেখে খুবই ভালো লেগেছে। দুই পাশে সাড়ি সাড়ি কত সুন্দর গাছ। প্রকৃতির এক মিলন মেলা। আসলে এসব জায়গা গেলেই মন ভালো হয়ে যায়। ধন্যবাদ।
সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করলেন আপু আপনি দেখে বেশ ভালো লাগলো। এখানে কাজ করতে করতে সত্যি দক্ষতা বৃদ্ধি পাচ্ছে দিন দিন। সেটা শুধু ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে নয় যেকোনো ক্রিয়েটিভিটির ক্ষেত্রে দক্ষতা দিন দিন বাড়ছে আমার তাই মনে হয়। আপনি আজকে খুব সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি নিয়ে উপস্থিত হলেন। আপনার শেয়ার করা প্রতিটি ফটোগ্রাফি আমার দেখে খুব ভালো লেগেছে।
দাদার বাবার মৃত্যুতে সত্যিই অনেক কষ্ট পেয়েছি। আপু আপনার শেয়ার করা বিভিন্ন ফটোগ্রাফি গুলো দেখে অনেক ভালো লাগলো। আপনি অনেক সুন্দর করে তুলে ধরেছেন। দারুন সব ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপু।
আপনার কাছে আমার তোলা ফটোগ্রাফিগুলি ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো।ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনি আজকে খুবই চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন। ভিন্ন ধরনের ফটোগ্রাফি গুলো দেখতে সবসময় আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে। আলাদা আলাদা ফটোগ্রাফির মধ্যে আলাদা আলাদা সৌন্দর্য লুকিয়ে থাকে। এত চমৎকার ফটোগ্রাফি গুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।