ভ্রমণ : বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্ক ও যশোর বিমানবন্দর পর্ব-৯।
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটি বন্ধুরা
আমি @fatema001 বাংলাদেশ থেকে
আজ শনিবার ,২৬ এপ্রিল ২০২৫
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গণ আপনাদের সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। আমার আজকের এই নতুন পোস্টে আপনাদেরকে স্বাগতম। কেমন আছেন আপনারা সবাই। আশা করছি আপনারা সবাই ভাল ও সুস্থ আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় ও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। প্রতিদিনের মতো আজকে আবারো আপনাদের মাঝে নতুন একটি নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম। আজকে আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্ক ও যশোর বিমানবন্দর ভ্রমণের একটি পর্ব। এর আগে আপনাদের মাঝে বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্ক ও যশোর বিমানবন্দর ভ্রমণের অষ্টম পর্ব শেয়ার করেছি। আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করব নবম পর্ব। আসলে কোথাও ভ্রমণ করতে গেলে আমরা অনেক ছবি তুলি এবং প্রতিটি জায়গার আলাদা আলাদা ভাবে ছবি তুল। আর এই ভ্রমণ করছে আমি আপনাদের সব জায়গাটা সুন্দর ভাবে দেখানোর চেষ্টা করেছি। এর আগেও অনেক জায়গায় ভ্রমণ করেছি কিন্তু সেভাবে কোন ছবি ধারণ করা হয়নি। তবে এবছর বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্ক ও যশোর বিমানবন্দর ভ্রমণ করতে গিয়ে অনেকগুলো ছবি তুলেছি। আর সেগুলো পর্যায়ক্রমে আপনাদের মাঝে তুলে ধরছি। সত্যি বলতে কোন সুন্দর মুহূর্ত আপনাদের মাঝে শেয়ার করলে ভীষণ ভালো লাগে। তাই চেষ্টা করি প্রতিটা সুন্দর মুহূর্ত আপনাদের মাঝেই সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার জন্য। বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্ক ও যশোর বিমানবন্দরের গত পর্বে আমি খাওয়া-দাওয়ার মুহূর্তটা আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছিলাম। এখন শেয়ার করব বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্কের ঘোরাঘুরি শেষ মুহূর্তটা। এরপরে আরো একটি পর্বে আমি আপনাদের মাঝে যশোর বিমানবন্দরের কিছু ফটোগ্রাফি ও মুহূর্তগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করব। সেদিন দুপুর বেলা খাওয়া-দাওয়া শেষ করে সবাই একটু বিশ্রাম নিতে বসে পড়লাম। যে যার মত যেখানে বসে কিছুটা বিশ্রাম নিয়ে নিল। তারপর একটু কেনাকাটা ও ঘোরাঘুরির জন্য আবারো সবাই বের হল।
বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্কের মধ্যে এই শেষ ঘোরাঘুরি টা ছিল আমার জন্য সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্ত। কেননা এই সময় আপনাদের ভাইয়া আমাদের সাথে ছিল। এর আগে আমি আর বাবু এবং আরো অনেক জন একসাথে ঘুরে বেড়িয়েছিলাম। তবে এবার তিনজন একসাথে একদম পারফেক্ট ঘোরাঘুরি হয়েছিল। তখন যেহেতু শীতকাল ছিল তবে অনেকটা গরম অনুভব করছিলাম। এজন্য আমরা দুইজন দুইটা আইসক্রিম কিনে নিলাম। তারপর পাশে আরেকটি ঘর দেখতে পেলাম। ঘরের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের শোপিস এবং অনেক ধরনের জিনিস ছিল। ভিতরে গিয়ে আমি ও গুলোর ফটোগ্রাফি ধারণ করে নিলাম। তারপরে বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্ক ঘুরতে যাবার স্মৃতি হিসেবে সুন্দর একটি শোপিস কিনে নিলাম। এরপর ওখান থেকে বাবু একটি গাড়ি দেখলো। গাড়িটা বেশ ছোট ছিল কিন্তু দেখতে বেশ ভালো ছিল। বাবুকে একটি গাড়ি কিনে দেওয়া হল। তারপর ওখান থেকে আমরা বের হয়ে সামনের দিকে হাঁটতে থাকলাম। সামনের দিকে হাঁটতে হাঁটতে লাল গোলাপের সমাহার। একদম বড় বড় পাত্রে অনেক সুন্দর ভাবে গোলাপ ফুল কেটে রেখে দিয়েছে। গোলাপ ফুল আমার ভীষণ পছন্দ।
আমি এদিকে ছবি তুলতে তুলতে দেখি আবু রায়হানের আব্বু সুন্দর একটি লাল গোলাপ কিনে ধরে রেখেছে। আমি তো দেখে ভীষণ খুশি হয়ে গেলাম। তারপর গোলাপ টি আমাকে দিল। এরপরে গোলাপ ফুলের কিছু ছবি তুলে নিলাম। যদিও ফুলের ছবিগুলো ওনার মোবাইলে তুলেছিলাম তাই আর আপনাদের মাঝে শেয়ার করা হলো না। তবে গোলাপ ফুল নেওয়ার অনুভূতিটা এবং গোলাপ ফুল দেখার অনুভূতিটা একদম অন্যরকম ছিল। তারপর ওখান থেকে আমরা একটু বাইরে হাঁটাহাঁটি করলাম। যদিও তখন গল্প করছিলাম তাই আর ফটোগ্রাফি ধারণ করিনি। এরপর তিনজনের খুব সুন্দর মুহূর্ত অতিবাহিত করে আমরা বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্ক দেখা সম্পন্ন করলাম। তারপর আমরা সবাই বের হতে শুরু করলাম। যেহেতু আমরা স্কুল থেকে পিকনিকে গিয়েছিলাম তাই সবাইকে একসাথে নিয়ে বের হওয়া উনার দায়িত্ব ছিল। সকল স্যার ম্যাম এবং ছাত্রছাত্রী বুঝিয়ে আমরা পার্ক থেকে বেরিয়ে পড়ি। এদিকে বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্ক থেকে বেরোতে বেরোতে আমাদের প্রায় বিকাল ৪:০০ টা পার হয়ে যায়। তারপর আমরা ওখান থেকে রওনা দিয়ে যশোর বিমানবন্দর দেখার জন্য।
যশোর বিমানবন্দর জায়গাটা অনেক সুন্দর। সব থেকে বেশি ভালো লেগেছিল প্লেন যাওয়া এবং আসার সময়টা। কখনো এত কাছ থেকে প্লেন যাওয়া আসা দেখিনি। তবে এই সমস্ত মুহূর্ত এবং অনুভূতিটা আপনাদের মাঝে পরবর্তী পর্বে শেয়ার করব। একদম শেষে যে ফটোগ্রাফি টা আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি এটা যশোর বিমানবন্দর গিয়ে ধারণ করা। বাস থেকে নেমেই আমি এই ফটোগ্রাফি টা ধারণ করেছিলাম। তারপর ভিতরে গিয়ে আরো কয়েকটা ফটোগ্রাফি ধারণ করেছি। তবে বেশিরভাগ ফটোগ্রাফি গুলো আপনাদের ভাইয়ার মোবাইলে ধারণ করা হয়েছে এজন্য আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে পারছি না। যাই হোক সবার সুস্থতা কামনা করে আজকে এখানেই শেষ করছি। পরবর্তীতে আপনাদের মাঝে নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হবার চেষ্টা করব। সবাই ভালো ও সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।
আমি মোছাঃ ফাতেমা খাতুন। আমি এই প্লাটফর্মে ২০২৩ সালের জুন মাসের ২৩ তারিখে যুক্ত হয়েছি। আমি বিবাহিত। আমার একটি ছেলে আছে। আমার শখ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাওয়া। বিভিন্ন ধরনের নতুন নতুন রেসিপি এবং রঙিন কাগজ ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের জিনিস তৈরি করতে আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে।প্রাকৃতিক সৌন্দর সহ বিভিন্ন ধরনের আর্ট করতে ও আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। আমার বাংলা ব্লগে কাজ করতে পেরে আমি অনেক আনন্দিত।।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
@tipu curate
;) Holisss...
--
This is a manual curation from the @tipU Curation Project.
Upvoted 👌 (Mana: 4/8) Get profit votes with @tipU :)
https://x.com/MstFatema137069/status/1916135045485756526?t=Al_Dce34_tT73XKWPsN9ww&s=19
https://x.com/MstFatema137069/status/1916461910289248599?t=MniVVJyFqAzi2AHVXWIuFw&s=19
খুবই সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন আপনি। আপনার কাছ থেকে আজকের এই সুন্দর পোস্ট দেখে খুবই ভালো লাগছে৷ যেভাবে আপনি আজকের সুন্দর পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন তা বেশ অসাধারণ হয়েছে৷ একই সাথে এখানে আপনি যেভাবে আজকের এই সুন্দর পোস্ট এর নবম পর্ব শেয়ার করেছেন তা পড়ে খুবই ভালো লাগছে৷ অনেক ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য৷