রেসিপি: অল্প উপকরণ দিয়ে ঝটপট নুডুলস রান্না।
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধুগন
আমি @fatema001 বাংলাদেশ থেকে
আজকে বৃহস্পতিবার,২২ আগস্ট ২০২৪
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির সবাই কেমন আছেন। আশা করছি আপনারা সবাই ভালো ও সুস্থ আছেন। আমি ও ভালো আছি। প্রতিদিনের মতো আজকেও আমি আপনাদের মাঝে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম। তবে আজকে কি পোস্ট শেয়ার করবে সেটা অবশ্যই আপনারা দেখেই ফেলেছেন। আজকে খুবই মজাদার এবং লোভনীয় একটি রেসিপি আপনাদের সাথে শেয়ার করব। আমি আশা করছি এই রেসিপিটা আপনারা সবাই ভীষণ পছন্দ করেন। আমার তো খুবই পছন্দের একটি রেসিপি। আমার কাছে তো মনে হয় ছোটদের পাশাপাশি বড়রাও নুডুলস খেতে ভীষণ পছন্দ করে । তবে বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে নুডুলস রান্না করলে খেতে ভীষণ মজা লাগে। এমনকি ছোট বাচ্চাদের কেউ বিভিন্ন সবজি ব্যবহার করে নুডুলস রান্না করে খাওয়ানো হয়। তবে বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র ব্যবহার করে নুডুলস রান্না করতে অনেক সময় লাগে। তাই যখনই আমার ভীষণ নুডুলস খেতে ইচ্ছে করে তখন এভাবে ঝটপট তৈরি করে ফেলি। অল্প উপকরণ দিয়ে এভাবে নুডুলস রান্না করলেও খেতে ভীষণ মজা লাগে। আমি এ রেসিপিটা তৈরি করার পর খেতে ভীষণ মজা লেগেছিল এবং সবাই অনেক পছন্দ করেছিল। যাইহোক এখন আমি কিভাবে ঝটপট অল্প উপকরণ দিয়ে নুডুলস রেসিপি তৈরি করেছি সেটা শেয়ার করছি।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
| ক্রমিক নম্বর | নাম |
|---|---|
| ১ | নুডুলস |
| ২ | ডিম |
| ৩ | তেল |
| ৪ | কাঁচা মরিচ কুচি |
| ৫ | পেঁয়াজ কুচি |
| ৬ | নুডুলস মসলা |
| ৭ | লবণ |
ধাপ-১
প্রথমে আমি একটি কড়াইয়ের মধ্যে পরিমাণ মতো পানি দিয়ে দিলাম। পানি কিছুটা গরম হয়ে গেলে নুডুলস গুলো দিয়ে ভালোভাবে সিদ্ধ করে নিলাম।
ধাপ-২
এরপর কড়াইয়ের মধ্যে পরিমাণ মতো তেল দিয়ে দিলাম। তেল কিছুটা গরম হয়ে গেলে দিয়ে দিলাম পরিমাণ মতো পেঁয়াজ কুচি ,কাঁচা মরিচ কুচি ও স্বাদমতো লবণ। তারপর কিছুক্ষণ ভালোভাবে নাড়াচাড়া করে নিলাম।
ধাপ-৩
এরপর কড়াইয়ের মধ্যে একটি ডিম দিয়ে দিলাম। তারপর ডিমটা ভালোভাবে কাঁচামরিচ ও পেঁয়াজের সাথে মিশিয়ে নিলাম।
ধাপ-৪
তারপর এর মধ্যে সিদ্ধ করা নুডুলস গুলো দিয়ে দিলাম। তারপর কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে দিয়ে দিলাম নুডুলস এর মসলা।
ধাপ-৫
এরপর কিছুক্ষণ ভালোভাবে নাড়াচাড়া করে তৈরি করে নিলাম ঝটপট নুডুলস রেসিপি।
ধাপ-৬
এভাবে নুডুলস রান্না করলে খুব দ্রুত রান্না হয়ে যায় আর খেতেও ভীষণ মজা লাগে। রান্না করার পর আমি খুবই তৃপ্তি সহকারে নুডুলস গুলো খেয়েছিলাম। রান্নাটা ভীষণ মজা হয়েছিল। দেখেই বোঝা যাচ্ছে। যাইহোক আপনাদের কাছে আমার আজকের ঝটপট নুডুলস রান্নার রেসিপিটা কেমন লেগেছে সেটা অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন। আশা করছি বেশি ভালো লাগবে। আজকে এই পর্যন্তই। পরবর্তীতে আবার আপনাদের মাঝে নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হবার চেষ্টা করব। সবাই ভালো ও সুস্থ থাকবেন শুভকামনা রইল।
আমি মোছাঃ ফাতেমা খাতুন। আমি এই প্লাটফর্মে ২০২৩ সালের জুন মাসের ২৩ তারিখে যুক্ত হয়েছি। আমি বিবাহিত। আমার একটি ছেলে আছে। আমার শখ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাওয়া। বিভিন্ন ধরনের নতুন নতুন রেসিপি এবং রঙিন কাগজ ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের জিনিস তৈরি করতে আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে।প্রাকৃতিক সৌন্দর সহ বিভিন্ন ধরনের আর্ট করতে ও আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। আমার বাংলা ব্লগে কাজ করতে পেরে আমি অনেক আনন্দিত।।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
নুডুস খেতে আমিও আপনার মত অনেক পছন্দ করি। বিভিন্ন সবজি আর উপকরন দিয়ে নুডুস রান্না করলে গরম গরম খেতে সেই স্বাদ লাগে। তবে যখনি খেতে ইচ্ছে করে আমি আপনার মতো রান্না করে যটপট খেয়ে ফেলি। আজ আপনার নুডুসটিও দেখেই বোঝা যাচেছ উপকরণ ছাড়া নুডুসটি অনেক ভালো হয়েছে।
ডিম আর মসলা থাকলে নুডুলস রান্না স্বাদের স্বাদ হয় আপু। ধন্যবাদ আপু।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
নুডুলস রান্না আমিও বেশ পছন্দ করি। বেশ দারুন ভাবে রান্নার কাজ সম্পন্ন করেছেন। অসাধারণ হয়েছে আপনার নুডুলস রান্না। দেখে খুবই ভালো লাগলো আমার। আশা করি খুব সুস্বাদু ছিল।
ভীষণ ভীষণ সুস্বাদু হয়েছিল নুডুলস রান্না। রেসিপি কালার টা দারুন এসেছিল ধন্যবাদ।
নুডুলস খেতে আমরা সকলেই অনেক পছন্দ করি। আজকেও খাওয়া হয়েছে। এত সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন দেখে অনেক লোভনীয় লাগছে। মনে হচ্ছে খেতে দারুণ হয়েছে। দারুন একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন দেখে ভালো লাগলো আপু।
নুডুলস এর রেসিপি ছোট বড় সবাই ভীষণ পছন্দ করে। ধন্যবাদ আপু।
নুডুলস খেতে সবাই অনেক পছন্দ করে। আমি প্রতি দিন রান্না করি তবে বাচ্চাদের জন্য। আসলে এমন ঝটপট রান্না অনেক মজা লাগে। আপনার নুডুলস দেখে খেতে ইচ্ছে করছে। দেখে মনে হচ্ছে অনেক মজা হয়েছে। ধন্যবাদ আপনাকে সুস্বাদু একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
নুডুলস বাচ্চারা খেতে ভীষণ পছন্দ করে আর স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। ধন্যবাদ আপু।
নুডুলস্ চমৎকার সুস্বাদু ও জনপ্রিয় একটি খাবার।সবার পছন্দের তালিকায় রয়েছে এই নুডুলস্। আমার ভীষণ পছন্দের খরার এটি।অতিথি অপ্যায়নেও এই নুডুলস্ সেরা।আপনি খুব সাধারণ ভাবে অসাধারণ সুন্দর রেসিপি করেছেন। ধাপে ধাপে চমৎকার ভাবে নুডুলস্ তৈরি পদ্ধতি আমাদের সাথে ভাগ করে নিয়েছেন। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর রেসিপিটি আমাদের সাথে ভাগ করে নেয়ার জন্য।
আপনি একদম ঠিক বলেছেন আপু অতিথিদের আপ্যায়নেও নুডুলস রেসিপি দারুণ কাজ করে। ধন্যবাদ আপু।
আপনি ঠিক বলছেন আপু নুডুলস ছোট বড় সবাই খেতে খুব পছন্দ করেন। বিশেষ করে আমার তো খুবই ভালো লাগে সবজি কিংবা যে কোন উপকরণ দিয়ে নুডুলস ভাজি করলে। আপনি তো ডিম দিয়ে করলেন খেতে আরো অনেক ভালো লাগবে। বড়দের চেয়ে ছোটরা অনেক বেশি পছন্দ করেন এভাবে নুডুলস ভেজে দিলে। আপনার শেয়ার করা নুডলস ভাজার প্লেটটা দেখে বেশ ভালো লাগলো খেতে ইচ্ছে করছে আপু।
রেসিপিটা সত্যি ভীষণ মজার হয়েছিল আপু। আর আমার কাছেও নুডুলস রান্না খেতে ভীষণ ভালো লাগে।
বিকেলের নাস্তায় জনপ্রিয় একটি রেসিপি নুডুলস।ঝটপট অল্প উপকরণে তৈরি করে ফেলা যায় এটি।আপনি নুডুলস তৈরির প্রক্রিয়া শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত গুছিয়ে উপস্থাপন করেছেন,ধন্যবাদ আপনাকে।
ঠিক বলেছেন আপু বিকেলের নাস্তায় এবং দ্রুত তৈরি করতে নুডুলস রেসিপি টা দারুন ধন্যবাদ।
বাহ্ আপনি আজকে আমার পছন্দের একটা রেসিপি শেয়ার করছেন। নুডলস আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে। আর নুডলস কম বেশি সবাই ভীষণ পছন্দ করে।যাইহোক আপনার রেসিপির পরিবেশন দেখে বোঝা যাচ্ছে অনেক সুস্বাদু হয়েছে। ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আপনার মত আমার কাছে মনে হয় ছোট বড় সবাই নুডুল স ভীষণ পছন্দ করে। ধন্যবাদ ভাইয়া।
ঠিক বলেছেন ছোটদের পাশাপাশি বড়রা নুডুলস খেতে বেশ পছন্দ করে। আজকে আপনি দেখতেছি খুব মজার নুডুলস রেসিপি করেছেন। নুডুলস খেতে আমার কাছেও খুব ভালো লাগে। আর নুডুলস রেসিপি অল্প সময়ের মধ্যে তৈরি করা যায়। খুব মজার নুডুলস রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত।
বাচ্চারা নুডুলস খেতে পছন্দ করে এবং স্বাস্থ্যের জন্য নুডুলস ভীষণ ভালো ভাইয়া।